১০:৫৯ পি.এম
চাঁদপুর জেলা শহরের স্টেডিয়াম সড়ক বর্তমানে স্থানীয় বাসিন্দা এবং পথচারীদের জন্য এক আতঙ্কের জায়গায় পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে, ‘আবুলের দোকান’ সংলগ্ন এলাকা থেকে শুরু করে আশেপাশের বিভিন্ন পয়েন্টে প্রতিদিনের তীব্র যানজট সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে স্থবির করে ফেলেছে। বহু তলা বিশিষ্ট ভবনগুলোর মধ্যে গড়ে ওঠা প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর নিজস্ব পার্কিং ব্যবস্থা না থাকার কারণে এই ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, স্টেডিয়াম সড়কের দু'পাশে গড়ে ওঠা বহুতল ভবনের প্রাইভেট হাসপাতাল, ক্লিনিক এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে প্রতিদিন শত শত রোগী ও তাদের স্বজনরা আসেন। কিন্তু, এই প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব পার্কিং সুবিধা না থাকায় অ্যাম্বুলেন্স, প্রাইভেটকার, সিএনজি এবং রিকশাগুলো মূল সড়কের ওপর দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকে। বিশেষ করে বৃহস্পতিবার, শুক্রবার এবং শনিবার এই যানজট এমন ভয়াবহ রূপ নেয় যে, মানুষকে দীর্ঘ সময় একই স্থানে আটকে থাকতে হয়। এই অবস্থায় জরুরি চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগী এবং আবাসিক এলাকার বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।
যানজটের পাশাপাশি, বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের সেবার মান ও ফি নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে, জেলায় গড়ে ওঠা বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও হাসপাতাল পরিচালনা সমিতি নিজেদের মনগড়া রেট নির্ধারণ করে রোগীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত বিল আদায় করছে। সরকারি কোনো সুনির্দিষ্ট নীতিমালা না মেনে এবং তদারকি না থাকার কারণে পরীক্ষা-নিরীক্ষাসহ চিকিৎসার নামে সাধারণ মানুষের পকেট কাটা হচ্ছে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী মহল ও স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তারা চাঁদপুর-৩ আসনের স্থানীয় সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন এবং পৌর প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, সড়কের পাশে অবৈধ পার্কিং বন্ধ করা, যানজট নিরসন এবং বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে সরকারি নীতিমালা বাস্তবায়নে কার্যকর তদারকি অত্যন্ত জরুরি।
আরও পড়ুন: নোয়াখালীতে ৯৭.৬৯ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের মজুদ, উত্তোলন ২০ বছর চলবে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন