০৬:৪৭ এম
গত জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে যে যুদ্ধ শুরু হয়েছিল, সে যুদ্ধ সাময়িকভাবে থামানোর জন্য যে চুক্তি হয়েছিল, তা আবারও ফিরিয়ে আনার জন্য বর্তমানে জোর তৎপরতা শুরু হয়েছে। ট্রাম্পের হামলা স্থগিতের ঘোষণা ঘোষণার পরে সেই ১৪ দফার ‘ইসলামাবাদ চুক্তি’ পুনরুজ্জীবিত করার জন্য মাঠে নেমেছেন মধ্যস্থতাকারীরা।
রবিবার এক ভিডিও সাক্ষাৎকারে ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের মুখপাত্র হাসান গাশগাভি এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মধ্যস্থতাকারীরা এখন চুক্তিটি পুনরায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন। তারা জানেন, বর্তমান পরিস্থিতির মূল চাবিকাঠি হলো হরমুজ প্রণালি। এ নিয়ে মতবিনিময় এখনও অব্যাহত রয়েছে।
বর্তমানে প্রস্তাব নিয়ে ধারণা দেন গাশগাভি। তিনি বলেন, অনবরত মতবিনিময় ও আলোচনা চলছে বলে তিনি নিশ্চিত করেন। ইরানের উপসাগরীয় প্রতিবেশী কাতার এবং পূর্বের প্রতিবেশী পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় এই সমঝোতা স্মারক সই হয়েছিল। পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে আলোচনা হওয়ায় এটি ‘ইসলামাবাদ চুক্তি’ নামে পরিচিত।
আরও পড়ুন: ১২৪ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ মামলা ট্রাম্পের বিরুদ্ধে
এই চুক্তিটি হরমুজ প্রণালির নতুন ব্যবস্থাপনা এবং বৃহত্তর চুক্তির জন্য তেহরান ও ওয়াশিংটনের কূটনীতি পুনরুজ্জীবিত করার বিষয়ে আলোচনা করেছিল। চুক্তির মধ্যে এমনকি লেবাননে ইসরায়েল এবং ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর মধ্যে সংঘাতের অবসানের আহ্বানও ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে শর্ত লঙ্ঘনের পাল্টাপাল্টি অভিযোগের ফলে চুক্তিটি ভেস্তে যায়।
অন্যদিকে, শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তারা দ্রুত যুদ্ধ শেষের চুক্তিতে পৌঁছানোর শর্তে ওয়াশিংটন ও ইসরায়েল আপাতত ইরানে নতুন হামলা স্থগিত রাখতে সম্মত হয়েছে। ট্রাম্প ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ প্ল্যাটফর্মে লেখেন, চুক্তির রূপরেখায় পৌঁছানোর জন্য তিনি হামলা স্থগিত রেখেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন