০৬:২৭ পি.এম
নন্দিত লেখক হুমায়ূন আহমেদ প্রকৃতির প্রতি বৃষ্টি আর সবুজকে Бড্ড বেশি ভালোবাসতেন। তাই তার মৃত্যু দিবসে অমর কানন নূহাশ পল্লীতে গত রোববার (১৯ জুলাই) সকালে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিকে মাড়িয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হুমায়ূন আহমেদের ভক্তরা আসেন। হলুদ পাঞ্জাবি পরা হিমু পরিবার সহ আরও অনেকেই সেখানে উপস্থিত হন। কবরে ফুল দিয়ে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সাহিত্যিক, সাংবাদিকসহ নানা শ্রেণির মানুষ। মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নুহাশপল্লীতে কোরআন খানি, দোয়া, মিলাদ ও এতিমদের খাবার বিতরণের মতো নানা আয়োজন ঘটে।
এদিকে, আশেপাশের কয়েকশ' এতিম শিশুরা এই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে যোগদান করেন। প্রয়াত হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন তার দুই পুত্র সন্তান নিষাদ ও নিনিদকে সাথে নিয়ে নুহাশ পল্লীতে সাড়ে ১১টার দিকে এসে কবরে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন।
এসময় তিনি মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়ায় অংশ নেন। হুমায়ূন ভক্ত, হিমু ও রুপার চরিত্র সেজে অনেকেই প্রিয় লেখকের কবরে পুস্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
আরও পড়ুন: ৭ নভেম্বর পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে বিজিএমইএ
কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করার পর মেহের আফরোজ শাওন বলেন, হুমায়ূন আহমেদ আমাদের মাঝে নেই, আজ তার চলে যাওয়ার ১৪ বছর হয়ে গেছে। নূহাশ পল্লীর কর্মকর্তা ও আমরা নিয়মিতভাবে হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ও মৃত্যুদিন পালন করে থাকি। সরকার, রাষ্ট্রের কাছে আমাদের কিছু চাওয়ার নেই, আগেও ছিল না।
নুহাশপল্লীতে আগত দর্শনার্থীরা বলছেন, হুমায়ূন না থাকলেও তার অমর সৃষ্টির মাধ্যমে তিনি যুগের পর যুগ বেঁচে থাকবেন।
বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ ১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা ফয়েজুর রহমান ও মা আয়েশা ফয়েজ ছিলেন।
২০১২ সালের ১৯ জুলাই মারণব্যাধি ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে তিনি নিউইয়র্কের একটি হাসপাতালে মারা যান। তবে তার বহুমাত্রিক প্রতিভার জন্যই হুমায়ূন আশা করা হচ্ছে যে তিনি তার সৃষ্টিশীল কর্মের মাধ্যমে এদেশে সবসময় ভক্ত ও অনুরাগীদের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন।
আরও পড়ুন: রূপগঞ্জে কারিগরদের হাত ধরে ফিরছে ঐতিহ্যবাহী ঢাকাই মসলিন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন