বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:২৩ পি.এম
ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা পপি। একসময় তার নামেই সিনেমা চলত। বর্তমানে তিনি অভিনয়ে নেই। ১৯৯৭ সালে ‘কুলি’ সিনেমার মাধ্যমে তার অভিষেক ঘটে। ওই সিনেমায় তার নায়ক ছিলেন ওমর সানী।
পপি দীর্ঘ সময় ধরে আড়ালে রয়েছেন। তিনি গোপনে বিয়ে করেছেন এবং বর্তমানে স্বামী ও সংসার নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। তার সিনেমা থেকে বঞ্চিত ভক্তরা নায়িকাকে আবারও ফিরে আসার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন তার প্রথম সিনেমার গীতিকর।
‘আকাশেতে লক্ষ তারা চাঁদ কিন্তু একটারে’ শিরোনামের একটি গান সিনেমাটিতে ব্যবহৃত হয়। গানটি এতটাই জনপ্রিয় ছিল যে, যে কোনো আয়োজন অনুষ্ঠানে এটি বাজানো হতো। জনপ্রিয় গীতিকার মিল্টন খন্দকার গানটি লিখেছেন এবং আলম খান সুর দিয়েছেন। সম্প্রতি মিল্টন এ গানটি লেখার পেছনের গল্প শেয়ার করেছেন।
মিল্টন খন্দকার স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘গানটি লেখার সময় নির্দিষ্ট কোনো নায়িকার কথা তার মাথায় ছিল না। সিনেমায় নায়ক-নায়িকাকে উপস্থাপন করার সময় আমরা তাদের অন্যদের চেয়ে সেরা বলার চেষ্টা করি। যেমন, আকাশেতে লক্ষ তারা, চাঁদ কিন্তু একটারে। এ গানেও আমি মেয়ের চরিত্রটাকে ওইভাবে তুলনা করেছি যে, তুমি এত কিছুর মধ্যেও অনন্য।’
তিনি জানান, এ সিনেমার শুটিং চলাকালে একদিন সেটে গিয়েছিলেন। সেদিন পপিও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তাকে দেখে তিনি এতটাই মুগ্ধ হন যে, মনে হয়েছে গানটি শুধুমাত্র পপির জন্যই লেখা হয়েছে। মিল্টন বলেন, ‘পপিকে দেখে আমার মনে হলো, মেয়েটা তো সত্যিই চাঁদমুখের একটা মেয়ে। চাঁদের মতো সুন্দর। এভাবেই কথাগুলো মাথায় এসেছে। কিন্তু তখনো ভাবিনি, গানটা এ পর্যায়ে চলে যাবে।’
পপির অভিনয়ের প্রশংসা করেন এ গীতিকবি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বড় পর্দায় না থাকার বিষয়টিকে ইন্ডাস্ট্রির জন্য ক্ষতি মনে করেন।
পপিকে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়ে মিল্টন বলেন, ‘আমি মনে করি, পপি বাংলাদেশের একজন অসাধারণ অভিনেত্রী। সে সিনেমা থেকে দূরে থাকা মানে আমাদের ইন্ডাস্ট্রির জন্য ক্ষতি। আমি তার অভিনয়ের ভীষণ ভক্ত। আশা করব, তিনি আবারও ফিরে আসবেন।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী মন্তব্য করেছেন যে, শেখ হাসিনা পার্শ্ববর্তী দেশে পালিয়ে গিয়ে সেখান থেকে উসকানি প্রদান করছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, শেখ হাসিনার রেখে যাওয়া সন্ত্রাসীরা গার্মেন্টসে আগুন লাগাচ্ছে এবং মানুষ হত্যা করছে।
আজ বৃহস্পতিবার বিকালে চট্টগ্রাম নগরের জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ মাঠে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণাঢ্য র্যালির আগে গণজমায়েতে তিনি এই কথা বলেন।
রিজভী বর্তমান পোশাক খাতের অস্থিরতার জন্য আওয়ামী লীগকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘শ্রমিকদের ন্যায্য দাবির বিষয়ে সরকার কথা বলেছে এবং ওয়েজ বোর্ডের ব্যাপারে আশ্বাস দিয়েছে। মূল শ্রমিকরা এখন আর আন্দোলনে নেই। যারা পুলিশের গাড়িতে আগুন দিচ্ছে এবং আন্দোলনকারীদের পিটিয়ে মারছে, তারা শেখ হাসিনার রেখে যাওয়া গুন্ডা-সন্ত্রাসী। সম্প্রতি গ্রেপ্তার হওয়া ১১ জনের মধ্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের এক নেতাও রয়েছেন, যিনি ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে আন্দোলনে অংশ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। এর থেকেই প্রমাণিত হয়, এই মদদ ও উসকানি পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে আসছে।’
তিনি বিগত সরকারের দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরে বলেছেন, ‘বেসিক ব্যাংক, সোনালী ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যাংকের টাকা লুট ও পাচার করা হয়েছে। চট্টগ্রামের এক সাবেক মন্ত্রী ও এমপির ২০০ মিলিয়ন পাউন্ডের বাড়ি ইংল্যান্ড সরকার বাজেয়াপ্ত করেছে। এই লুটের রাজত্ব ফিরে পেতেই শেখ হাসিনা আবারও সন্ত্রাস ও উসকানির চেষ্টা করছেন। তবে দেশের মানুষ আজ ঐক্যবদ্ধ।’
৭ নভেম্বরের তাৎপর্য তুলে ধরে রিজভী বলেছেন, ‘এই দিনটি দেশের মানুষের কথা বলার, রাজনীতি করার এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিল। ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ একদলীয় শাসন কায়েম করে গণতন্ত্র ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হত্যা করেছিল। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের পর খন্দকার মোশতাকসহ আওয়ামী লীগের নেতারাই ক্ষমতায় এসেছিলেন। এরপর খালেদ মোশাররফের অভ্যুত্থানের পর জনজীবনে যে রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা থেকে ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার মিলিত স্রোত গণতন্ত্রের মুক্ত বাতাস ফিরিয়ে আনে এবং জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রক্ষমতায় আসেন।’
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এই রাজনৈতিক উপদেষ্টা বলেছেন, ‘৭ নভেম্বরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়েই ছাত্র-জনতা শেখ হাসিনার ১৫ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়েছে। এরপর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে দেশের সব মানুষ মেনে নিয়েছিল। কারণ তিনি একজন গুণী মানুষ, যাকে শেখ হাসিনা বারবার মিথ্যা মামলা দিয়ে অপমানিত করেছিলেন। পরবর্তীতে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে।’
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহর সভাপতিত্বে এবং সদস্যসচিব নাজিমুর রহমানের সঞ্চালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন।
সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাসেম বক্কর, চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান, আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ইসরাফিল খসরুসহ জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৫ নভেম্বর, ২০২৬ : স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত নতুনভাবে দুটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তাকে দেশের দুটি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানের হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।
গত বুধবার, ৪ নভেম্বর, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১ শাখা থেকে প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়। নতুন দায়িত্ব অনুযায়ী, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল এবং ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
ড. এম এ মুহিত, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, গবেষক ও রাজনীতিবিদ। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করার পর যুক্তরাজ্যের ব্রিস্টল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএসসি, লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় এমএসসি এবং পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। ইংল্যান্ডে উচ্চতর শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর, ২০০০ সাল থেকে তিনি লন্ডনে চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট এবং লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা ও গবেষণার সাথে যুক্ত রয়েছেন। তার গবেষণাকর্ম শিশুদের চক্ষু রোগ নিয়ে শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে এবং তিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও সাইট সেভার্স ইন্টারন্যাশনালসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে আন্তর্জাতিক কনসালট্যান্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার গবেষণা ও জনস্বাস্থ্য সেবামূলক কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ, তিনি এশিয়া প্যাসিফিক একাডেমি অব অপথালমোলজি অ্যাওয়ার্ড, রয়্যাল সোসাইটি অব ট্রপিক্যাল মেডিসিন অ্যাওয়ার্ড এবং আন্তর্জাতিক চক্ষু সংগঠন আইএপিবি থেকে মর্যাদাপূর্ণ ‘গ্লোবাল আই হেলথ হিরো’ পদকে ভূষিত হয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উপসাগরীয় অঞ্চলে সংঘাত এবং জ্বালানির উচ্চমূল্যের প্রভাবে দুবাই ভিত্তিক এমিরেটস গ্রুপের (এমিরেটস এয়ারলাইন ও ডানাটা) ব্যবসায় নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথমার্ধে গ্রুপটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৬৬ শতাংশ কমে গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার কোম্পানির পক্ষ থেকে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। খবর আনাদোলু এজেন্সির।
গ্রুপটির তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ছয় মাসে গ্রুপটির নিট মুনাফা ৩ দশমিক ৬ বিলিয়ন দিরহামে (১ বিলিয়ন ডলার) নেমে এসেছে। এ সময়ে কর-পূর্ব মুনাফা হয়েছে ৪ দশমিক ১ বিলিয়ন দিরহাম (১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার)। একই সময়ে গ্রুপটির সামগ্রিক রাজস্ব ১২ শতাংশ কমে ৬৬ দশমিক ২ বিলিয়ন দিরহামে (১৮ বিলিয়ন ডলার) দাঁড়িয়েছে। আগের বছর গ্রুপটি রেকর্ড পরিমাণ আর্থিক সাফল্য অর্জন করেছিল।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ সময়ে সুদ, কর, অবচয় ও অ্যামোর্টাইজেশন-পূর্ব আয় (ইবিটডা) ৪১ শতাংশ কমে ১২ দশমিক ৫ বিলিয়ন দিরহামে (৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার) নেমে এসেছে।
যাত্রী পরিবহনে বড় ধরনের পতনও দেখা গেছে গ্রুপটির। এপ্রিল-সেপ্টেম্বর সময়ে এমিরেটস গ্রুপ ২ কোটি ১৮ লাখ যাত্রী পরিবহন করেছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২২ শতাংশ কম। ফ্লাইটের সংখ্যা কমিয়ে দেওয়ার ফলে সামগ্রিক পরিবহন সক্ষমতা ১০ শতাংশ কমে ২৮ দশমিক ২ বিলিয়ন অ্যাভেইলেবল টন-কিলোমিটারে নেমে এসেছে।
এদিকে, অ্যাভেইলেবল সিট-কিলোমিটার (এএসকে) হিসেবে যাত্রী পরিবহনের সক্ষমতা ১৭ শতাংশ কমেছে এবং রেভিনিউ প্যাসেঞ্জার-কিলোমিটার (আরপিকে) হিসেবে প্রকৃত যাত্রী পরিবহনের পরিমাণ ২৫ শতাংশ কমেছে। একই সঙ্গে যাত্রী আসন ব্যবহারের হারও কমেছে। গ্রুপটির মোট আসন সক্ষমতার বিপরীতে যাত্রী পরিবহনের হার আগের বছরের একই সময়ের ৭৯ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে কমে ৭২ শতাংশে নেমে এসেছে।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এমিরেটস গ্রুপের হাতে নগদ অর্থের পরিমাণ ছিল ৫৪ দশমিক ১ বিলিয়ন দিরহাম (১৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার), যা গত মার্চের শেষে ছিল ৫৯ দশমিক ৬ বিলিয়ন দিরহাম (১৬ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার)। ঋণ পরিশোধ, নতুন বিমান কেনার জন্য অগ্রিম অর্থ প্রদান এবং মালিকপক্ষকে ২ বিলিয়ন দিরহাম (৫৪৫ মিলিয়ন ডলার) লভ্যাংশ দেওয়ার কারণে নগদ অর্থের পরিমাণ কমেছে।
এ সময়ে গ্রুপটির মোট কর্মীর সংখ্যা ২ শতাংশ কমে ১ লাখ ২৮ হাজার ২৩৭ জনে দাঁড়িয়েছে। তবে নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে নিয়োগ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
গ্রুপটির চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী শেখ আহমেদ বিন সাঈদ আল মাকতুম বলেছেন, "বিশ্বব্যাপী জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি ও আঞ্চলিক অস্থিরতা সত্ত্বেও স্থিতিশীল গ্রাহক চাহিদা এবং শক্তিশালী কার্গো কার্যক্রমের কারণে গ্রুপটি এখনো লাভজনক অবস্থানে রয়েছে।"
তিনি আরও জানান, "সরকারের সঙ্গে সমন্বয়ের ফলে আকাশপথে ভ্রমণ আবারও নিরাপদ করা সম্ভব হয়েছে এবং পুরো অঞ্চলজুড়ে ভ্রমণসংক্রান্ত বিধিনিষেধ শিথিল করা গেছে।" চ্যালেঞ্জিং ব্যবসায়িক পরিবেশের মধ্যেও বিমানবহর সম্প্রসারণ ও সেবার মানোন্নয়নে বিনিয়োগ অব্যাহত রেখেছে এমিরেটস গ্রুপ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগ করেছেন দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, রাজনৈতিক জোট গঠন ও সংস্কার নিয়ে প্রশ্ন তোলার পর।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টের মাধ্যমে তিনি পদত্যাগের খবরটি প্রকাশ করেন।
সামান্তা তার পদত্যাগপত্রে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের উদ্দেশ্যে উল্লেখ করেন, "আপনি জানেন আজ থেকে প্রায় এক বছর আগে আমি জাতীয় নাগরিক পার্টির জোট গঠনের প্রশ্নে একটা আলাদা অবস্থান নিয়েছিলাম। আমি বলেছিলাম জামায়াত ইসলামী নীতিগত বা কৌশলগত কোনো ক্ষেত্রেই মিত্র হওয়ার যোগ্য না এবং তাদের সাথে জোট করার জন্য এনসিপিকে কঠিন মূল্য চুকাতে হবে।"
তিনি আরও বলেন, "গত ১১ মাস ধরে আমার রাজনৈতিক বোঝাপড়া অনুযায়ী এনসিপির অতীত কর্মকাণ্ড বিশ্লেষণ ও ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নিয়ে যখনই সুযোগ পেয়েছি তখনই দলের বিভিন্ন পর্যায়ে লিখিত অভিযোগ ও প্রস্তাব প্রদান এবং তর্ক-বিতর্ক বা আলাপ-আলোচনা করেছি।"
সামান্তা জানান, "যেহেতু সংগঠনে নানান চড়াই উৎরাই থাকে, সেখানে দল যদি ভুল পথে যায় সেই পথ থেকে দলকে রক্ষা করার চেষ্টা করার রাজনৈতিক কর্তব্য। সেই কর্তব্য পালন করতে গিয়ে এনসিপির অভ্যন্তরে মতাদর্শিক সংগ্রামকেই বেছে নিয়েছিলাম। কারণ দলের গৃহীত নীতিসমূহকে যুক্তিসঙ্গত উপায়ে চ্যালেঞ্জ করা ব্যতীত দলকে ভুল পথ থেকে ফিরিয়ে আনা ছাড়া ভিন্ন কোনো গণতান্ত্রিক পন্থা ছিল না।"
তিনি তার সংগ্রামের ইতি ঘোষণা করেন, কারণ "এনসিপি তার দলের প্রারম্ভের মূল্যবোধের প্রতি আন্তরিক হবে বলে আমি আর মনে করি না।"
সামান্তা পদত্যাগপত্রে পদত্যাগের কারণ হিসেবে বেশ কিছু বিষয় তুলে ধরেন। এসবের মধ্যে ছিল...
প্রথম প্রসঙ্গ: সংস্কারের বন্ধু জামায়াত হতে পারে কিনা?
দ্বিতীয় প্রসঙ্গ: নির্বাচন
তৃতীয় প্রসঙ্গ: অভ্যুত্থানে নারীর মালিকানা এবং অধিকার
চতুর্থ প্রসঙ্গ: কাউন্সিল এড়িয়ে এনসিপির পুনর্গঠন
এছাড়া, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এনসিপি জামায়াতের সঙ্গে জোট করার পর সামান্তা শারমিন কিছুটা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েন। পরে ২৩ অক্টোবর এনসিপির ১৯৫ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন করা হয়, যেখানে সামান্তার পদাবনতি ঘটে। তাকে দলের যুগ্ম আহ্বায়ক পদে নিযুক্ত করা হয়, যদিও তিনি এতদিন দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ