বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৯:২৭ পি.এম
চট্টগ্রামের নবগঠিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর যৌক্তিক স্থানে স্থাপন করার দাবিতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে হরতাল পালন করা হয়েছে। ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা বাস্তবায়ন সমন্বয় পরিষদ কর্তৃক ডাকা এই কর্মসূচিটি দাঁতমারা, বাগানবাজার এবং নারায়ণহাট ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সরেজমিনে লক্ষ্য করা যায়, ফেনী-চট্টগ্রাম-রামগড়-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়ক এবং হেয়াকো-গহিরা সড়কে যান চলাচল বন্ধ ছিল। হরতাল চলাকালীন তিন ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এতে অংশগ্রহণ করেছেন।
সমন্বয় পরিষদের সমন্বয়ক নুরুল আমিন আজাদ বলেন, যৌক্তিক স্থানে উপজেলা সদর দপ্তর স্থাপনের জন্য মানুষের উপস্থিতি, মানববন্ধন, সড়ক অবরোধ, সংবাদ সম্মেলন ও স্মারকলিপির মতো একাধিক কর্মসূচি পালন করা সত্ত্বেও দাবির বাস্তবায়ন না হওয়ায় হরতালের দিকেও পা বাড়াতে হয়েছিল।
দাঁতমারা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য এবং ফটিকছড়ি উত্তর প্রেসক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন জানান, বাগানবাজার, দাঁতমারা ও নারায়ণহাট ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই হরতালে অংশগ্রহণ করেছেন।
ভূজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপুল চন্দ্র দে বলেন, হরতাল সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। কোথাও কোনো ঘটনা ঘটেনি। চারটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে ছিল।
বিডি-প্রতিদিন/এআইডি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানিয়েছেন, ‘দুবাইয়ে ভিসার মেয়াদ বাড়ানো নিয়ে কূটনৈতিক চ্যানেলে কাজ চলছে।’ তিনি আরও বলেন, বিশ্বে সম্ভাব্য জায়গাতেই শ্রমবাজার উন্মুক্ত হবে।
মন্ত্রী জানান, ‘সপ্তাহখানেকের মধ্যে দুবাইয়ের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে সমস্যার সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হবে।’
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে সিলেট নগরের ইসকন মন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজিত রথযাত্রা মহোৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেছেন।
প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী বলেন, ‘দুবাইয়ের শ্রমবাজার নিয়ে সরকারের গুরুত্বসহকারে যাচাই করছে কি না, সেটিও সরকারের লক্ষ্য। পাশাপাশি, বিশ্বের যেসব দেশে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা রয়েছে, সেসব দেশের শ্রমবাজার বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য উন্মুক্ত করার বিষয়ে সরকার কাজ করছে।’
তিনি চা শ্রমিকদের মানসম্মত জীবনযাপন নিশ্চিত করার উপর জোর দেন। মন্ত্রী আরিফুল হক বলেন, ‘চা শ্রমিকদের জন্য মানসম্মত থাকার ব্যবস্থা, পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসাসেবা এবং সন্তানদের লেখাপড়ার সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।’ তিনি আশা করেন, শ্রম মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকার সুবাদে চা শ্রমিকদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে তিনি কাজ করে যাবেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘চা শ্রমিকের বিষয়টি আমাদের মনে রাখতে হবে। তাদের অবস্থান মানসম্মত হওয়া উচিত। যাতে তাদের পরিবার চিকিৎসা পায়, তাদের বাসস্থানের সুন্দর ব্যবস্থা থাকে, তাদের সন্তানদের লেখাপড়ার সুযোগ থাকে।’
আরিফুল হক চৌধুরী চা শ্রমিকদের মজুরি কাঠামো তুলে ধরে জানান, ‘শ্রমিকরা দুই ধরনের সুবিধা পেয়ে থাকেন। একদিকে সাপ্তাহিক ভিত্তিতে নগদ মজুরি এবং অন্যদিকে বাগান থেকে বাসস্থান, রেশন ও চিকিৎসা সুবিধা।’
তিনি বলেন, পরিবারের কোনো সদস্য কাজ ছেড়ে দিলে বা অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের অন্য কোনো সদস্যকে একই প্রতিষ্ঠানে চাকরি দেওয়ার রীতি চালু আছে। এটি চা বাগানের একটি দীর্ঘদিনের প্রথা, যা অন্য কোনো খাতে দেখা যায় না।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, তিন বছর অন্তর মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে মজুরি পুনর্নির্ধারণ করা হয়।
গত ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহায় প্রতিটি চা শ্রমিক তাদের প্রাপ্য উৎসব ভাতা পেয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যেই শ্রমিকবান্ধব মনোভাবে কাজ করছে এবং শ্রমিকদের প্রতি দায়িত্বশীলতা প্রদর্শন করাই এই সরকারের অঙ্গীকার।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যে গাজীপুরে পালিত হয়েছে জুলাই শহীদ দিবস। এই দিবসটি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্মরণে স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং আলোচনা সভার আয়োজন করা হয় জেলা প্রশাসনের দ্বারা।
সকালে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের শিববাড়ী মোড়ে অবস্থিত জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শওকত হোসেন সরকার, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার, জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া, সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিলা খানম, পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দীন এবং বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তারা।
পরে, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের পক্ষ থেকেও স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়। গাজীপুর মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীরাও পৃথকভাবে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
শ্রদ্ধা নিবেদনের পর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভাওয়াল সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, পুলিশ সুপার এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কোস্ট ফাউন্ডেশন, ১৬ জুলাই ২০২৬
দুর্যোগ পরবর্তী সারাদান প্রকল্পের অবহিতকরণ সভায় বক্তারা
প্রাকৃতিক দুর্যোগকালীন ও দুর্যোগ পরবর্তী সহায়তা প্রদানে মাধ্যমে পুর্নবাসনে অংশীজন নির্বাচনে সমন্বয় ও জনঅংশগ্রহন জরুরি।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল-১১:০০ঘটিকার সময় চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপ উপজেলা পরিষদ সম্মেলন COAST Foundation-এর উদ্যোগে PROTECT প্রকল্পের কার্যক্রমের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রকল্পের সমন্বয়কারী মোঃ মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় সভায় সভাপত্বি করেন সন্দ্বীপ উপজেলা পরিষদের নির্বাহী অফিসার জনাব মোঃ আমজাদ হোসেন, এছাড়াও সভায় উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, ইউনিয়ন পরিষদ জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সাংবাদিক, এনজিও প্রতিনিধি, স্বেচ্ছাসেবক এবং COAST Foundation -এর কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করে।
অতি সম্প্রতি টানা ভারি বৃষ্টি ও অস্বাভাবিক জোয়ার ফলে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা, বন্যা এবং উপকূলীয় এলাকায় সৃষ্ট মানবিক সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে দ্রুত মানবিক সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে Start Fund Bangladesh এবং Start Network -এর সহায়তায় প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। সভায় COAST Foundation এবং PROTECT প্রকল্পের পক্ষে সঞ্চালক প্রকল্পের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, বাস্তবায়ন কৌশল এবং কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। মিজানুর রহমান বলেন, কোস্ট সকল কার্যক্রম স্থানীয় জনগনের অংশগ্রহন ও মতামত নিশ্চিত করে কার্যক্রমটি বাস্তবায়ন করবে। একই সঙ্গে কার্যকর, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলকভাবে মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এবং প্রকৃত ও সর্বোচ্চ ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলো এই সহায়তার আওতায় আসে, তবে এজন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক সহায়তা আমাদের একান্ত প্রয়োজন।
তিনি জানান PROTECT প্রকল্পটি চট্টগ্রাম জেলার চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপ উপজেলার মোট ৫টি ইউনিয়নে এবং কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে একসাথে বাস্তবায়ন হচ্ছে। সন্দ্বীপে ৪০০টি ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারকে বহুমুখী নগদ সহায়তা এবং হাইজিন ও ডিগনিটি কিট প্রদান করা হবে, যাতে তারা তাদের জরুরি মানবিক চাহিদা পূরণ করতে পারে। এছাড়া ৪০০টি গবাদিপশু পালনকারী পরিবারকে জরুরি পশুখাদ্য সরবরাহ করা হবে, যা তাদের উৎপাদনশীল সম্পদ সুরক্ষা এবং জীবিকা দ্রুত পুনরুদ্ধারে সহায়তা করবে। পাশাপাশি কমিউনিটির অগ্রাধিকারভিত্তিক চাহিদা অনুযায়ী পরামর্শ সভার মাধ্যমে প্রাথমিক পুনরুদ্ধারমূলক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হবে।
অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সভার সভাপতি বলেন, এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ সংঘটিত হওয়ার প্রথম বারেরমত কোনো বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা কোস্ট ফাউন্ডেশন মানবিক সহায়তা প্রদানের লক্ষে কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে যা অত্যন্ত প্রশংসনীয় এবং অন্যান্য সংগঠনকে একই ভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি। এই সময়োপযোগী সহায়তা ভারী বৃষ্টিপাত ও অস্বাভাবিক জোয়ারে ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলীয় পরিবারগুলো অত্যন্ত উপকৃত হবে। অনেক পরিবার জলাবদ্ধ অবস্থায়, ঘরবাড়ির ক্ষতি এবং ফসলি জমিতে লবনাক্ত পানির প্রবেশের ফলে ফসল সম্পূর্ন ক্ষতিগ্রস্থ, এমনকি অনেক পরিবারের গবাদী পশুর খাবারও নেই, এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রদত্ত সহায়তা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জরুরি চাহিদা পূরণে, নেতিবাচক মোকাবিলা কৌশল কমাতে এবং পুনরুদ্ধার কার্যক্রম শুরু করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আমি আন্তরিকভাবে COAST Foundation এবং Start Fund Bangladesh -কে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।”
তিনি জনপ্রতিনিধিদের কাজে সহযোগিতা করা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতে সার্বক্ষনিত তদারকি করার আহ্বান জানান।
সভায় আলমগীর ঠাকুর, সদস্য সচিব, সন্দ্বীপ উপজেলা বিএনপি বলেন, আমরা প্রকল্পের কাজে সকল ধরণের সহযোগিতা করা হবে, তবে আমাদের আহ্বান থাকবে তথ্য সংগ্রহ ও সুবিধাভূগী নির্বাচনে অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্থ ও দরিদ্র পরিবারকে বিবেচনা করবেন।
সভায় উপস্থিত জনপ্রতিনিধিরা নিজ নিজ ইউনিয়নে প্রকল্পের সফল ও নির্বিঘœ বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, স্থানীয় কমিউনিটি নেতা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অংশীজন সভায় অংশগ্রহণ করে প্রকল্পের মাধ্যমে প্রদত্ত সময়োপযোগী মানবিক সহায়তার প্রশংসা করেন।
বার্তা প্রেরক: মোঃ মিজানুর রহমান, প্রকল্প সমন্বয়কারী, কোস্ট ফাউন্ডেশন, মোবাইল: ০১৭১৩-৩৬৭৪১৬
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর বংশালে বাথরুমে সিগারেট ধরানোর সময় বিস্ফোরণের ফলে দগ্ধ হওয়া দ্বীন ইসলাম সিয়াম (২০) নামের এক যুবক চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী ঢামেক হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে তার মৃত্যু হয়।
ঘটনাটি ঘটেছিল গত ১২ জুলাই রাত ১টার দিকে, যখন বংশালের নাজিমউদ্দীন রোডে ওই যুবকের ঘরের বাথরুমে বিস্ফোরণ ঘটে। পরে তাকে উদ্ধার করে বরন ইউনিটে ভর্তি করা হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বংশাল থানার এসআই আবুল হোসেন জানিয়েছেন, দ্বীন ইসলাম তার নিজ বাসায় বাথরুমে সিগারেট ধরানোর সময় বিস্ফোরণ ঘটে এবং আগুন লেগে যায়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।
শক্তিশালী বিস্ফোরণের ফলে তার শরীরের ৬০ শতাংশ দগ্ধ হয় বলে জানা গেছে। এসআই আবুল হোসেন আরও জানান যে, বাথরুমে আগে থেকেই কোনোভাবে গ্যাস ছিল। গ্যাসলাইট জ্বালানোর ফলে বিস্ফোরণ ঘটে এবং তা থেকেই তিনি দগ্ধ হন, এ ব্যাপারে স্বজনদের ধারণা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ