০৫:২৪ এম
ঈদ মানেই আনন্দ, ঈদ মানেই খুশি। আর ঈদুল আজহা মানেই খাবারে হঠাৎ পরিবর্তন। কয়েক দিন ধরে গরু বা খাসির মাংস, ভাজাপোড়া, মসলাযুক্ত খাবার ও অনিয়মিত খাওয়ার কারণে পেটে অস্বস্তি, ফাঁপাভাব, গ্যাস কিংবা হজমের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
এই সমস্যার সমাধানে হতে পারে বেশ কিছু ফল ও সবজি খাওয়ার মাধ্যমে। নিচে সে সম্পর্কে আলোকপাত করা হলো-
আরও পড়ুন: ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় আটক ৬৬২ জন
তরমুজ
ভারী খাবারের মাঝে তরমুজ শরীরকে স্বস্তি দিতে পারে। এতে পানির পরিমাণ বেশি এবং আঁশ তুলনামূলক কম। ফলে এটি সহজে হজম হয় এবং শরীরকে আর্দ্র রাখতেও সাহায্য করে। গরমের দিনে তরমুজ শরীর ঠান্ডা রাখতে ভালো কাজ করে।
কলা
পেট খারাপ বা অস্বস্তির সময় কলা পরিচিত খাবার। কারণ পাকা কলার নরম গঠন পেটের ওপর কম চাপ ফেলে। এতে থাকা পটাসিয়াম শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখতেও সাহায্য করে।
আরও পড়ুন: ‘বিরোধীদলে থাকতেই কবর দিতে বাধা, রাষ্ট্রক্ষমতা পেলে কী করবেন’
বাঙ্গি
গরমের সময়ে বাঙ্গি পেটের জন্য আরামদায়ক ফল। এতে পানির পরিমাণ বেশি এবং আঁশ কম থাকায় সহজে হজম হয়। বাঙ্গিতে ভিটামিন সি ও পটাসিয়াম পাওয়া যায়, যা শরীরকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে।
খোসা ছাড়ানো আলু
ঈদের পর একটানা মাংস খাওয়ার পরিবর্তে হালকা খাবার হজমবান্ধব। এক্ষেত্রে খোসা ছাড়ানো আলু, ভালো বিকল্প হতে পারে। খোসা ছাড়া আলু তুলনামূলক সহজে হজম হয়। সেদ্ধ অথবা ভর্তা করা আলু আরামদায়ক হতে পারে।
আরও পড়ুন: জাতীয় স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রাখা আমাদের প্রধান দায়িত্ব: নাহিদ ইসলাম
পালংশাক
কাঁচা শাকসবজি অনেক সময় পেটের অস্বস্তি বাড়াতে পারে। তবে রান্না করা পালংশাক তুলনামূলক নরম হয়। আর সহজে হজম হতে পারে। রান্না করলে পালংশাকের গঠন আরও নরম হয়। তাই অল্প তেলে ভাজি, মাছের সাথে বা হালকা রান্না করে খাওয়া যেতে পারে। এতে শরীর আয়রন পায়, যা ক্লান্তি কমাতে সাহায্য করে।
হলুদ ক্যাপসিকাম
ঈদে খুব ভারী বা অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার খাওয়ার পরিবর্তে স্বাভাবিক খাদ্যাভ্যাসে ফিরলে শরীর ভালো থাকে। হলুদ ক্যাপসিকামে আঁশ খাওয়া যেতে পারে, এতে ভিটামিন সি রয়েছে। তবে এখন প্রচন্ড গরম যে কারণে পর্যাপ্ত পানি পান, হালকা ফল, নরম সবজি ও সহজপাচ্য খাবার খেলে স্বস্তি দেবে।
আরও পড়ুন: ঢাবির সূর্যসেন হলের রাশেদ খাঁন ছাত্রশিবিরের শপথবদ্ধ সাথী: তারেক রেজা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন