ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শহীদ জিয়াউর রহমানের অবদান দেশের স্বার্থে ইতিহাসে চিরস্মরণীয়: ভূমি প্রতিমন্ত্রী


শহীদ জিয়াউর রহমানের অবদান দেশের স্বার্থে ইতিহাসে চিরস্মরণীয়: ভূমি প্রতিমন্ত্রী

 

হাটহাজারী উপজেলার আমান বাজারের একটি কমিউনিটি সেন্টারে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, শহীদ জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশ পুনর্গঠন, বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং জাতীয়তাবাদী রাজনীতির বিকাশে অনন্য ভূমিকা পালন করেছেন। দেশের স্বার্থে তার অবদান ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

রোববার (৩১ মে) রাতে চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার আমান বাজারের একটি কমিউনিটি সেন্টারে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দোয়া ও স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

সাবেক হুইপ মরহুম সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের কন্যা এবং জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্য ব্যারিস্টার সাকিলা ফারজানার উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন, জাতীয়তাবাদী দর্শন এবং দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তার অবদানের বিভিন্ন দিক গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়।এছাড়া অনুষ্ঠানে তার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হাটহাজারী উপজেলা বিএনপি, পৌরসভা বিএনপি, বায়েজিদ থানা বিএনপি এবং দলের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, সমর্থকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে দেশ, জাতি ও গণতন্ত্রের সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও মরহুম সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়।

আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তীব্র গরমের প্রভাবে পাকা আম খাওয়া কি নিরাপদ?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১৪ এম


তীব্র গরমের প্রভাবে পাকা আম খাওয়া কি নিরাপদ?

তীব্র গরমের কারণে হজম প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায় এবং শরীরে পানিশূন্যতার সৃষ্টি হয়। এই পরিস্থিতির জন্য, অধিক পরিমাণে মিষ্টি ফল খেলে শরীর ভারি বা অস্বস্তিকর হতে পারে। তবে, আম খাওয়ার পর শরীর গরম হয়ে যাওয়া—এই ধারণাটি সম্পূর্ণরূপে সঠিক নয়। প্রকৃতপক্ষে, অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া, হজমের সমস্যা ও গরমের প্রভাব মিলে এই অনুভূতি সৃষ্টি করে।

বছরের মাত্র দুটি মাসে পাকা আম পাওয়া যায়। তাই স্বাস্থ্যের প্রতি সচেতন না হয়ে অনেকেই আমের প্রতি ঝুঁকছেন। কিন্তু অতিরিক্ত আম খাওয়া যে বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে, তা অনেকের অভ্যাসের কারণে আমাদের নজর এড়িয়ে যায়।

বৈশাখের শুরুতেই পাকা আম বাজারে এসেছে। বিভিন্ন জাতের আম ইতিমধ্যেই বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। অল্প সময়ের মধ্যে ভালো মানের হিমসাগরও আসবে, তখন আমের লোভ সামলানো আরও কঠিন হয়ে পড়বে। জৈষ্ঠ্য মাস আসার সাথে সাথে বাজারে পাকা ল্যাঙড়া, গোলাপখাস, আম্রপালি উঠতে শুরু করেছে। কিছু ব্যক্তি বিনা চিন্তায় আগেই আম খেতে শুরু করেছেন। তবে, এই গরমে আম খাওয়া শরীরের তাপ বৃদ্ধি করতে পারে—এটি কি আপনি জানেন?

আপনি যদি সুস্থতার কোনো ভাবনা না করে আম খান, তা হলে সুগারের বিষয়টি ভাবছেন না। কিন্তু বেশি আম খেলে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে গেলে, আপনার করণীয় কী হবে?

আমে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক শর্করা ও ম্যাঞ্জিফেরিন রয়েছে। এগুলো মেটাবলিজমের প্রক্রিয়ায় শরীরে তাপ উৎপন্ন করে, যা থার্মোজেনেসিস নামে পরিচিত। এই কারণে, আম খাওয়ার পর কিছুটা ভারি ও গরম অনুভূতির সৃষ্টি হতে পারে। তবে, সীমিত পরিমাণ আম খেলে এ ধরনের সমস্যা হয় না।

এছাড়া, আম খাওয়ার ফলে রক্তে শর্করার মাত্রাও বৃদ্ধি পায়। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য একটি আমও ক্ষতিকর হতে পারে। আমের গ্লাইসেমিক সূচক বেশি থাকার কারণে, অধিক আম খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যেতে পারে।

আমে শর্করা ছাড়াও ক্যালোরির পরিমাণও অত্যধিক। একটি মাঝারি সাইজের আমে 120-150 ক্যালোরি থাকে। অতএব, বেশি আম খেলে ওজন বাড়ার সুযোগ তৈরি হয়।

আমে ফাইবারের পরিমাণও যথেষ্ট বেশি। যখন শরীরে ফাইবারের মাত্রা বৃদ্ধি পায়, তখন পেট খারাপ, গ্যাস, ডায়েরিয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে, যা কিছু লোক আম-আমাশয় বলেও অভিহিত করেন।

সীমিত পরিমাণে আম খাওয়া ত্বকের জন্য উপকারী হতে পারে। তবে বেশি খেলে, শরীরে সুগার লেভেল বাড়তে পারে এবং বিভিন্ন ত্বকের সমস্যা দেখা দিতে পারে, যেমন ব্রণ, ফুস্কুড়ি, র্যাশ। একজন সুস্থ ব্যক্তি দিনে একটি মাঝারি সাইজের আম খেতে পারেন। বেশী হলে দুটোও খেতে পারবেন। কিন্তু ডায়াবেটিস থাকলে অর্ধেক আম খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। কখনও কখনও, একটি গোটা আম খেলেও সুগার লেভেল বেড়ে যেতে পারে।

বিশেষ করে সকালবেলা আম খাওয়া ভালো। এতে বিপাকের জন্য বড় পরিমাণ সময় পাওয়া যায়। শরীরে আমে থাকা চিনি ভাঙতে সাহায্য করে। তবে রাতে খাবারের পর আম খাওয়া উচিত নয়। এতে বিশ্রামের সময় শরীরকে বেশি পরিশ্রম করতে হয় হজমের জন্য, ফলে শরীরে ক্যালোরি জমে এবং ওজন বৃদ্ধি পায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ থেকে শুরু হচ্ছে সুন্দরবনে ৩ মাসের নিষেধাজ্ঞা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:২০ এম


আজ থেকে শুরু হচ্ছে সুন্দরবনে ৩ মাসের নিষেধাজ্ঞা

সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য, বন্যপ্রাণী ও মৎস্যসম্পদের প্রজনন সুরক্ষার লক্ষ্যে আজ সোমবার (১ জুন) থেকে টানা তিন মাসের জন্য সুন্দরবনে সকল ধরনের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে বন বিভাগ।

চাঁদপাই রেঞ্জ ও পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে, আজ ১ জুন থেকে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। এই তিন মাসে জেলে, বাওয়ালি, মৌয়াল, গোলপাতা সংগ্রহকারী থেকে শুরু করে দেশী-বিদেশি পর্যটক; কোনোভাবেই সুন্দরবনের ভেতরে প্রবেশ করতে পারবেন না।

বনের মৎস্যসম্পদ ও বন্যপ্রাণীর প্রজননকে নির্বিঘ্ন রাখতে গত ২০২০ সাল থেকে এই তিন মাসের জন্য সকল ধরনের মানুষের বনের ভেতর প্রবেশ বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। তবে, পাঁচ বছরের বিরতির পর বর্তমানে শুধুমাত্র ‘করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্র’ পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে বন বিভাগ।

করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাওলাদার আজাদ কবির জানান, করমজল পশুর নদীর পাড়ে অবস্থিত হওয়ায় এই অঞ্চলে মৎস্য, বন্যপ্রাণী বা বনাঞ্চলের তেমন কোনো ক্ষতি হবে না, এই প্রেক্ষাপটে সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে।

বন বিভাগের মতে, জুন, জুলাই ও আগস্ট; এই তিন মাসে সুন্দরবনের অধিকাংশ মাছ, কাঁকড়া, চিংড়ি, সরীসৃপ, পাখি ও স্তন্যপায়ী প্রাণীর প্রজননকাল। এই সময়ে বনাঞ্চলের নদী-খালগুলো বিভিন্ন প্রজাতির মাছের ডিম ছাড়ার নিরাপদ ক্ষেত্র হিসেবে কাজ করে। এক্ষেত্রে সুন্দরবনের বিভিন্ন উদ্ভিদের বীজ অঙ্কুরোদগম ও নতুন চারা জন্মানোর জন্যও এই সময়টি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক ইমরান আহমেদ জানান, বনজীবীদের নৌযান চলাচল, মাছ ও কাঁকড়া আহরণের কাজ, পর্যটকবাহী ট্রলারের শোরগোল এবং মানুষের উপস্থিতির কারণে বন্যপ্রাণীর স্বাভাবিক আচরণ এবং প্রজনন প্রক্রিয়া বিঘ্নিত হয়। তাই এই নিষেধাজ্ঞা বনের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

নিষেধাজ্ঞা চলাকালে কোনো ধরনের পাস-পারমিট দেওয়া হবে না এবং অবৈধভাবে বনে প্রবেশ করলে বন আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একসাথে, বন বিভাগ, কোস্টগার্ড, নৌ পুলিশ ও মৎস্য বিভাগের সমন্বয়ে যৌথ টহল ও নজরদারি জোরদার করা হবে বলে বন বিভাগ সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।

যদিও পরিবেশ সুরক্ষার এই উদ্যোগ ইতিবাচক, তবে সুন্দরবন-নির্ভর হাজারো পরিবারের মধ্যে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আগামী তিন মাস কিভাবে তাদের সংসার চলবে, তা নিয়ে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় রয়েছেন বনজীবীরা। তারা বলছেন, দীর্ঘ তিন মাসের জন্য বন বন্ধ থাকলে তাদের মহাজনসহ বিভিন্ন সংগ্রহকারী থেকে ঋণ নিতে হয়। সরকারের সহায়তা এবং বিশেষ প্রণোদনা না পাওয়ার কারণে তারা চরম দুর্ভোগের মুখোমুখি হয়ে পড়ছেন।

অনেক বনজীবী অভিযোগ করেন, বন বিভাগের নিষেধাজ্ঞা প্রায়ই ‘ঘোষণাতেই সীমাবদ্ধ’ থাকে। স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী চক্রের ছত্রছায়ায় এবং অসাধু বন কর্মকর্তা-প্রহরীদের ঘুষ-বাণিজ্যের সুযোগ নিয়ে একশ্রেণীর জেলেরা বনের অভয়ারণ্যের নদী ও খালে বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকার করেন। এর পাশাপাশি, সরকার মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধির জন্য এমন সিদ্ধান্ত নিলেও বর্তমানে কোস্টগার্ড, নৌ পুলিশ ও বন বিভাগের সামনে বন সংলগ্ন এবং বনের ভেতরের নদী-খালে অবৈধ নেটজাল দিয়ে নির্বিচারে মাছের পোনা নিধন করা হচ্ছে, যা বন্ধে প্রশাসনের কোনো উদ্যোগ নেই।

সুন্দরবন ও বাংলাদেশ উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক শুভ্র শচীন বলেন, সুন্দরবন উপকূলীয় প্রান্তিক মানুষের জীবিকার প্রধান উৎস হচ্ছে সুন্দরবন। তবে গত এক দশকে সুন্দরবনের অর্থনীতির গতিপথ অনেকটা বদলে গেছে, যা বনজীবীদের ক্ষতি করছে। हाल के বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং বিভিন্ন কারণে বনজ সম্পদ আহরণসহ বিভিন্ন উপায়ে বননির্ভর মানুষের আয় কমে যাচ্ছে। মাছ ও কাঁকড়া, মধু আহরণ উদ্বেগজনকভাবে কমেছে।

তিনি আরও বলেন, বন সুরক্ষায় স্থানীয় ও বনজীবীদের কার্যকর সম্পৃক্ততাও নিশ্চিত হয়নি। যার কারণে জীবিকার তাগিদে বনজসম্পদ আহরণের জন্য কেউ কেউ অবৈধ ও অনৈতিক পন্থার আশ্রয় নেন। তবে সরকারি সহযোগিতা পেলে অপরাধ প্রবণতার পাশাপাশি বননির্ভরতা হ্রাস পাবে। বননির্ভর মানুষদের বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা এবং সুন্দরবনে নিষেধাজ্ঞার সময়ে সরকারি খাদ্যসহায়তার ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

বন বিভাগের তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশের ৬ হাজার ১৭ বর্গকিলোমিটার সুন্দরবন এলাকার জলভাগ প্রায় ৩১ শতাংশ। এখানে ২১০ প্রজাতির সাদা মাছ, ২৪ প্রজাতির চিংড়ি ও ১৪ প্রজাতির উভচর প্রাণী আবিষ্কৃত হয়েছে। গোটা সুন্দরবনের ওপর প্রায় দেড় লাখ মানুষ কোনো না কোনোভাবে নির্ভরশীল থাকেন। প্রতি বছর ১২ হাজারের বেশি জেলেনৌকা সুন্দরবনে প্রবেশের বিএলসি (বোট লাইসেন্স সার্টিফিকেট) গ্রহণ করে।

সুন্দরবন পূর্ব বিভাগে ৫ হাজার ৮০০ জন এবং পশ্চিম বিভাগে ৬ হাজার ৩১০ জন তালিকাভুক্ত বনজীবী রয়েছেন। এর পাশাপাশি, বছরে ২ লাখেরও বেশি দেশি-বিদেশি পর্যটক সুন্দরবন ভ্রমণের জন্য আসেন, যা বন বিভাগের সূত্রে জানা গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সোনারগাঁয়ে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, স্বজনদের দাবি হত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৩০ এম


সোনারগাঁয়ে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, স্বজনদের দাবি হত্যা

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে তৃষা (২১) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের স্বজনরা তাকে হত্যার পর মরদেহ ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ তুলেছেন। 

তবে পুলিশ প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করছে। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী পলাতক রয়েছেন। রবিবার (৩১ মে) দুপুরে উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভাদুড়িকান্দা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। নিহত তৃষা মৃত নুরুল ইসলামের মেয়ে।

অভিযুক্ত পরিবারের দাবি, তৃষার বোনকে আনতে যাওয়াকে কেন্দ্র করে তার শ্বশুরের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয়। এ ঘটনাকে ঘিরে পারিবারিক বিরোধের সৃষ্টি হলে একপর্যায়ে তৃষা নিজ ঘরে গলায় ফাঁস দেন। দুপুর ১২টা থেকে ১টার মধ্যে পরিবারের সদস্যরা তাকে ঘরের চালার কাঠের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে স্বামী সোহাগ ও স্বজনরা তাকে নামিয়ে আনলেও তখন তিনি আর জীবিত ছিলেন না। খবর পেয়ে তালতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেন।

নিহতের মামা জামাল হোসেনের দাবি, প্রায় ছয় বছর আগে পারিবারিকভাবে সোহাগের সঙ্গে তৃষার বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাদের কোনো সন্তান না হওয়ায় পারিবারিক কলহের সৃষ্টি হয়। তিনি অভিযোগ করেন, ঝগড়ার একপর্যায়ে তৃষাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। তার ভাষ্য, আত্মহত্যার কোনো সুস্পষ্ট আলামত নেই এবং ঘটনার পর স্বামী পালিয়ে যাওয়ায় সন্দেহ আরও বেড়েছে।

সোনারগাঁ তালতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেলিম হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যার ঘটনা বলে মনে হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগে অটোরিকশা চালক আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৩৩ এম


শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগে অটোরিকশা চালক আটক

নোয়াখালীর সেনবাগে সাত বছর বয়সী শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগে মো.সোহেল (৩৫) নামে একজন অটোরিকশা চালককে মারধর করে পুলিশে সোপর্দ করেছে এলাকাবাসী।

রবিবার (৩১ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার নতুন বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এর আগে, একই দিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শিশুটিকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে।

আটক সোহেল উপজেলার বীজবাগ ইউনিয়নের বালিয়াকান্দি গ্রামের সিদ্দিক উল্যার নতুন বাড়ির ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, বেলা সাড়ে ১১টায় ভিকটিমের বাবা স্থানীয় একটি বাজার থেকে ১৫টি তালের ডাবি কিনে নেন। পরবর্তীতে শিশুটিকে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার জন্য সোহেলের অটোরিকশায় তুলে দেন। একপর্যায়ে, ভিকটিমকে বহনকারী অটোরিকশাটি ভিকটিমের বাড়ির সামনে পৌঁছলে সেখানে একটি তালের ডাব পড়ে যায়। ওই অজুহাতে অটোরিকশা চালক শিশুটিকে যৌন হয়রানি করে। শিশুটির মা ঘটনাটি দেখতে পেলে অভিযুক্ত চালক পালিয়ে যান। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে অভিযুক্ত চালককে নতুন বাজার এলাকা থেকে আটক করা হয়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দেয় স্থানীয়রা। এরপর তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহিম সরকার বলেন, অভিযুক্ত বর্তমানে থানা হেফাজতে রয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%