১১:০৬ এম
সাবেক সংসদ সদস্য আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলার শুনানি আপিল বিভাগে চলছে। রবিবার (২ জুলাই) সকালে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চে এই শুনানি শুরু হয়।
মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক ও শ্রমিকনেতা আহসান উল্লাহ মাস্টার গাজীপুর-২ আসন থেকে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
গাজীপুরের নোয়াগাঁও এম এ মজিদ মিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠে সমাবেশে ২০০৪ সালের ৭ মে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয় আহসান উল্লাহ মাস্টারকে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর মামলা করা হয় এবং ২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল এই মামলার রায় ঘোষণা করে। রায়ে ২২ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছে আদালত, যার মধ্যে বিএনপির নেতা নূরুল ইসলাম সরকারও রয়েছে এবং ছয়জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়।
আরও পড়ুন: সুইজারল্যান্ডের প্রতি বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের আহ্বান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের
মধ্যবর্তী সময়ে, রায়ের পর মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত দুই জন মারা যায়।
২০০৫ সালের নিম্ন আদালতের রায়ের পর ডেথ রেফারেন্স ও জেল আপিল হাইকোর্টে যায়। একই সঙ্গে আসামিরা রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন।
শুনানি শেষে ২০১৬ সালের ১৫ জুন বিচারপতি ওবায়দুল হাসান এবং বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের হাইকোর্ট বেঞ্চ রায় দেন।
এই রায়ে ছয় জনের মৃত্যুদণ্ড ও দুজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখা হয়। একইসাথে সাত জনের সাজা কমানো হয় এবং ১১ জন খালাস পেয়ে যান।
আরও পড়ুন: এস এম জিলানী: গুপ্ত ও ফ্যাসিস্টরা নতুন চক্রান্ত শুরু করেছে
মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল থাকা ছয় আসামি হলো নুরুল ইসলাম সরকার, নুরুল ইসলাম দীপু, মাহবুবুর রহমান মাহবুব, শহীদুল ইসলাম শিপু (৪ জানুয়ারি কাশিমপুর কারাগারে মারা যান), হাফিজ ওরফে কানা হাফিজ এবং সোহার্গ ওরফে সরু। জম্মুবিজ্ঞান বহাল রাখা হয় টিপু এবং নুরুল আমিনের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন