ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ব্রাজিলের সামনে বড় পরীক্ষা, জাপানের কঠিন ‘ছক’


ব্রাজিলের সামনে বড় পরীক্ষা, জাপানের কঠিন ‘ছক’

এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম ফেভারিট দলে রয়েছে ব্রাজিল। দুর্দান্ত খেল শ্রেষ্ঠত্বের অধিকারী হয়ে টুর্নামেন্টের নকআউটে পৌঁছেছে সেলেসাওরা। আর এদিকে, যোগ্যতার প্রমাণ দিয়ে বিশ্বকাপের পরবর্তী রাউন্ডে পৌঁছেছে সূর্যদয়ের দেশ জাপানও। এবার এশিয়ার জায়ান্টদের প্রতিপক্ষ ৫ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। এর মধ্যেই ব্রাজিলকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন জাপানের কোচ হাজেমি মোরিয়াসু। ঠিক কোন জায়গায় এবারের বিশ্বকাপে জাপান সবার থেকে আলাদা?

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের জাপান ডাগআউটে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রটি কোন অপরিচিত প্রযুক্তিগত যন্ত্র নয় বরং একটি সাধারণ সাদা হোয়াইটবোর্ড এবং একটি কালো মার্কার।

হাফটাইমের বাঁশি বাজতেই খেলোয়াড়দের ভিড় জমে সেই বোর্ডের চারপাশে। কয়েকটি সরল রেখা, কিছু তীরচিহ্ন, ছোট ছোট বৃত্ত। দেখা যাচ্ছে যন্ত্রণাগ্রস্ত কিন্তু সেই আঁকাতেই লুকিয়ে রয়েছে পরবর্তী ৪৫ মিনিটের যুদ্ধ পরিকল্পনা। জাপান কোচ হাজিমে মোরিয়াসুর বিশ্বাস, দীর্ঘ অনুপ্রেরণামূলক বক্তৃতার তুলনায় একটি স্পষ্ট চিত্র অনেক দ্রুত খেলোয়াড়দের মস্তিষ্কে পৌঁছাতে সক্ষম।

আরও পড়ুন: যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী হত্যা: মিজানুর রহমানের মৃত্যুদণ্ড

এবার সেই হোয়াইটবোর্ডের সামনে সবচেয়ে বড় পরীক্ষা। শেষ ৩২-এর লড়াইয়ে প্রতিপক্ষ পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের গতি, ম্যাথেউস কুনিয়ার তীক্ষ্ণ আক্রমণ এবং নেইমারের সৃজনশীলতা থামানোর জন্য নতুন ছক বর্তমানে সম্ভবত আঁকা হচ্ছে মোরিয়াসুর মার্কারের আঁচড়ের মাধ্যমে। ফুটবল বিশ্বের দৃষ্টি এখন তাই সাদা বোর্ডের দিকে।

জাপানের ফুটবল দর্শণ অন্যদের থেকে স্পষ্টভাবে আলাদা। তারা অযথা বলের দখল ধরে রাখতে আগ্রহী নয়। বরং প্রতিপক্ষের কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে মুহূর্তের মধ্যে পাল্টা আক্রমণে ঝাঁপিয়ে পড়া তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।

দাইচি কামাদা, ওয়াতারু এন্দো এবং কেইতো নাকামুরারা ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের পরিবর্তে দ্রুত ওয়ান টাচ পাস এবং নিখুঁত টাইমিংয়ের মাধ্যমে প্রতিপক্ষের রক্ষণের ফাঁক তৈরি করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। আর সামনে ফেনুর্ডের স্ট্রাইকার আয়াসে উয়েদার বুদ্ধিদীপ্ত অফ দ্য বল রান দিয়ে ডিফেন্ডারদের অবস্থান ভেঙে দেয় এবং গোলের সুযোগ তৈরি করে।

মোরিয়াসুর হোয়াইটবোর্ড কৌশলটি তিনটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে সংগৃহীত।

আরও পড়ুন: বন্দরে নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন

প্রথমটি রিয়েল টাইম অ্যাডজাস্টমেন্ট। প্রথমার্ধে প্রতিপক্ষের রক্ষণ কোথায় দুর্বল হচ্ছে, কোন স্থানে বেশি স্পেস তৈরি হচ্ছে, হাফটাইমেই সেগুলো চিহ্নিত করেছেন।

দ্বিতীয়টি জোনভিত্তিক নির্দেশনা। কোন দিক দিয়ে আক্রমণ গড়তে হবে, কোথায় ফুলব্যাকের পেছনের ফাঁকা জায়গায় বল ফেলতে হবে, কিংবা কখন খেলোয়াড়দের অবস্থান পরিবর্তন করতে হবে, সবকিছু বোঝানো হয় সহজ রেখাচিত্রের মাধ্যমে।

তৃতীয়টি মানসিক স্বচ্ছতা। জটিল ট্যাকটিক্যাল ব্যাখ্যার পরিবর্তে সহজ ভিজ্যুয়াল নির্দেশনা খেলোয়াড়দের দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। ফলে মাঠে বিভ্রান্তি কমে এবং আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায়।

শুধু পরিকল্পনা নয়, ম্যাচের গতিপ্রকৃতি বদলালে মুহূর্তেই নিজের কৌশল পরিবর্তন করেন মোরিয়াসু। এই বিশ্বকাপে জাপান বেশিরভাগ সময় ৩-৪-২-১ ফর্মেশনে খেললেও বলের নিয়ন্ত্রণ পেলে সেগুলো দ্রুত ৩-৪-৩ তে রূপান্তরিত হয়। প্রতিপক্ষ বুঝে ওঠার আগেই পুরো আক্রমণ কাঠামো পাল্টে যায়। এক পাশ দিয়ে একাধিক খেলোয়াড় নিয়ে প্রতিপক্ষকে আকৃষ্ট করে জাপান। এরপর হঠাৎ করে খেলা বিপরীত উইংয়ে ঘুরে যায়। সেই মুহূর্তে তৈরি হয় নতুন আক্রমণের রাস্তা। দ্রুত ট্রানজিশন, নিখুঁত ওয়ান টাচ পাসিং এবং অসাধারণ অফ দ্য বল মুভমেন্টই এখন সামুরাই ব্লুদের সবচেয়ে বড় পরিচয়।

আরও পড়ুন: ‘স্কুলে বোমা আছে’ জানিয়ে হঠাৎ ছাত্রীর ইমেইল, অতঃপর পুলিশ আটক করল

কাগজে কলমে ব্রাজিলই টেবিলে সম্ভবত এগিয়ে রয়েছে। ইতিহাস, তারকা এবং অভিজ্ঞতায় সেলেসাওদের পাল্লা ভারী। তবে আধুনিক ফুটবল বারবার প্রমাণিত হয়েছে, শুধু বড় নাম দিয়ে ম্যাচ জেতা সম্ভব নয়। সঠিক পরিকল্পনা, নিখুঁত বাস্তবায়ন এবং শৃঙ্খলাবদ্ধ ফুটবল দিয়ে যেকোনো পরাশক্তিকে চাপের মধ্যে ফেলা সম্ভব।

এখন দেখার বিষয়, হাজিমে মোরিয়াসুর সেই সাদা হোয়াইটবোর্ডে আঁকা নতুন ছক কি আরেকটি বিশ্বকাপ বিস্ময় সৃষ্টি করে, নাকি ব্রাজিলের দখলদার আক্রমণের সামনে সামুরাই ব্লুদের স্বপ্ন থেমে যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ড্রোন নজরদারিতে মালয়েশিয়ায় ৩২ অভিবাসী আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:২৫ পি.এম


ড্রোন নজরদারিতে মালয়েশিয়ায় ৩২ অভিবাসী আটক

মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীদের (পিএটিআই) বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানের সময় দেশটির অভিবাসন বিভাগ (জেআইএম) ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে। ড্রোনের মাধ্যমে পালিয়ে যাওয়া এবং আত্মগোপনের চেষ্টা করা একদল বিদেশির অবস্থান সনাক্ত করে কর্তৃপক্ষ ৩২ জনকে আটক করেছে।

শুক্রবার (২৬ জুন) সেলাঙ্গরের পুচং এলাকার তামান কিনরারা বাণিজ্যিক এলাকায় মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ এবং অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য ও জীবনযাত্রার ব্যয় মন্ত্রণালয়ের যৌথ অভিযানে তাদের আটক করা হয়।

জেআইএম এক বিবৃতিতে জানায়, অভিযানে সহায়ক প্রযুক্তি হিসেবে ড্রোন ব্যবহারের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা পালানোর সম্ভাব্য পথ ও লুকিয়ে থাকার স্থান দ্রুত শনাক্ত করতে সক্ষম হন। এর ফলে বিদেশিদের পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা ব্যর্থ হয় এবং নিরাপদ ও পরিকল্পিতভাবে অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব হয়।

দুপুর ১২টায় শুরু হওয়া এ অভিযানে জেআইএমের এনফোর্সমেন্ট বিভাগের ৪৬ জন কর্মকর্তা এবং কেপিডিএনের পুত্রাজায়া কার্যালয়ের সাতজন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।

অভিযানে ১৮টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে মোট ১১৭ জনের কাগজপত্র যাচাই করা হয়। এর মধ্যে মিয়ানমার, ইন্দোনেশিয়া, ভারত, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের ২২ থেকে ৪৩ বছর বয়সী ৩২ জন নাগরিককে আটক করা হয়।

তাদের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ এবং ইমিগ্রেশন বিধিমালা ১৯৬৩-এর বিভিন্ন ধারায় আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

এছাড়া তদন্তে সহযোগিতার জন্য চারজন মালয়েশিয়ান নাগরিকের বিরুদ্ধে ফরম-২৯ (সমন) জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে কেপিডিএন অ্যান্টি-প্রফিটিয়ারিং অ্যাক্ট ২০১১-এর আওতায় তিনটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিককে মোট ৬০০ রিঙ্গিত জরিমানা করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

আটক হওয়া সব বিদেশিকে পরবর্তী তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য অভিবাসন আটক কেন্দ্রে (ইমিগ্রেশন ডিপো) পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালের বেডরুমের এসি থেকে উদ্ধার করা হলো ৪টি কালনাগিনী সাপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:২৭ পি.এম


বরিশালের বেডরুমের এসি থেকে উদ্ধার করা হলো ৪টি কালনাগিনী সাপ

বরিশালে একটি বাসার বেডরুমের এসি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে চারটি কালনাগিনী সাপ। তবে, একই সময়ে এসির আউটডোর ইউনিটে থাকা আরেকটি সাপ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

শনিবার (২৭ জুন) বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত প্রায় আড়াই ঘণ্টার চেষ্টা চালিয়ে সাপগুলো উদ্ধার করা হয়।

বরিশাল সদর উপজেলার চরকাউয়া ইউনিয়নের কর্ণকাঠি গ্রামের হাজী বাড়ির বাসিন্দা জীবুল হক সেন্টুর বাসার বেডরুমের এসির ইনডোর ইউনিট থেকে সাপগুলো উদ্ধার করে বন্যপ্রাণী উদ্ধারকারী সংগঠন এনিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালী।

জীবুল হক সেন্টু বলেন, 'শুক্রবার (২৬ জুন) রাতে বেডরুমের এসির নিচের অংশে তিনি প্রথম একটি সাপের লেজ দেখতে পান। বিষয়টি টের পেয়ে পরিবারের অন্য সদস্যদের জানান এবং তাৎক্ষণিকভাবে ওই রুমে সবার প্রবেশ বন্ধ করে দেন। পরবর্তীতে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করলে সেখান থেকে বন্যপ্রাণী উদ্ধারকারী সংগঠন এনিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালী'র খোঁজ দেওয়া হয়। খবর পেয়ে শনিবার বিকেলে সংগঠনের কর্মীরা এসে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন।'

এনিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালীর পরিচালক আসাদুল্লাহ হাসান মুসা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, 'বিকেল ৩টা থেকে টানা আড়াই ঘণ্টার প্রচেষ্টায় দুই ফুট এবং তিন ফুট দৈর্ঘ্যের দুটি করে চারটি কালনাগিনী সাপ অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এসি'টির আউটডোর ইউনিটে থাকা আরও একটি সাপ চেষ্টা করেও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।'

মুসা আরও বলেন, 'বাড়িটির সামনে ও পেছনে প্রচুর ঝোপঝাড় রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, সেখান থেকেই এসির পাইপ বা দেয়ালের ফাঁকা জায়গা দিয়ে সাপগুলো ভেতরে প্রবেশ করেছে। উদ্ধার হওয়া কালনাগিনী সাপগুলো মৃদু বিষধর এবং এগুলো মানুষের জন্য তেমন ক্ষতিকর নয়। সাপগুলোকে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করার প্রক্রিয়া চলছে।'

উল্লেখ্য, চলতি মাসেই বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের ডিআইজির কক্ষ থেকে ৪টি এবং নগরীর সাগরদী এলাকার 'বরিশাল মেডিকেল সার্ভিসেস' ক্লিনিক থেকে আরও একটি মৃদু বিষধর কালনাগিনী সাপ উদ্ধার করেছিলেন এনিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালীর সদস্যরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বড় বাজেট ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:২৯ পি.এম


বড় বাজেট ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, সবাই উন্নয়ন চান। কিন্তু তারা বাজেটকে অনেক বেশি বলে অভিযোগ করছেন। যদি উন্নয়ন চান, তাহলে বাজেট বরাদ্দ অবশ্যই বেশি হওয়া প্রয়োজন।

তিনি উল্লেখ করেন, "বাসায় আপনি যদি ডাল-ভাতের বাজেট করেন, আর খেতে চান বিরিয়ানি, সেটা তো চলবে না। উন্নয়ন চাইলে বড় বাজেটও মেনে নিতে হবে।"

শনিবার (২৭ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এই বক্তব্য রাখেন।

প্রস্তাবিত বাজেটকে তিনি সময়োপযোগী, মানবিক ও সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার প্রতিফলন হিসেবে প্রকাশ করেছেন এবং বলেন, বিগত ১৭ বছরে পরিকল্পিতভাবে অর্থনীতি, শিক্ষা ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন খাতে ধ্বংস সাধন করা হয়েছিল।

সেই ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে ঘুরে দাঁড় করানোর লক্ষ্যেই বর্তমান সরকার এই বাজেট তৈরি করেছে।

তিনি বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে প্রশ্ন রেখেছেন, তারা বিভিন্ন এলাকায় হাসপাতাল, সড়ক ও উন্নয়ন প্রকল্পের দাবি জানাচ্ছেন। এর মধ্যে দিয়ে প্রমাণ হয় বর্তমান সরকারের প্রতি তাদের আস্থা রয়েছে, এবং তারা বিশ্বাস করেন এই সরকার এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে সক্ষম।

ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ড নিয়ে সমালোচনা প্রসঙ্গে ইয়াসের খান বলেছেন, যারা একসময় এসব উদ্যোগকে ‘ভুয়া’ বলেছিলেন, তারাই এখন এসব সুবিধা পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন।

তার মতে, মাসে আড়াই হাজার টাকা সহায়তা পাওয়া ৪০ লাখ পরিবার শুধু উপকৃত হবে না, বরং এই অর্থ গ্রামীণ বাজারে ব্যয় হওয়ার মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

তিনি আরও বলেন, জিয়া পরিবার বিভিন্ন সংকটে দেশের পাশে দাঁড়িয়েছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঘোষণার মাধ্যমে দেশ স্বাধীনতার পথে এগিয়েছিল। নব্বইয়ের গণ-আন্দোলনে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সর্বশেষ সাম্প্রতিক ছাত্র-জনতার আন্দোলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ আবারও মুক্তির পথ খুঁজে পেয়েছে।

নিজ মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্ব ৪৭ কোটি টাকায় কেনার পর তা বেসরকারি খাতে বিক্রি করে ইতোমধ্যে প্রায় ৪৪ কোটি টাকা আদায় করা হয়েছে।

ফলে দেশের মানুষ প্রায় বিনা মূল্যে বিশ্বকাপ দেখতে পারবেন। তথ্য মন্ত্রণালয় সম্প্রচার স্বত্বের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দীর্ঘদিনের দুর্নীতি ও সিন্ডিকেট ভাঙতে সক্ষম হয়েছে। এ ছাড়া শিশু ও তরুণদের মধ্যে মানবিকতা, সহমর্মিতা ও সামাজিক মূল্যবোধ জাগিয়ে তুলতে তথ্য মন্ত্রণালয় বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচি ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উরুগুয়ের হতাশাজনক পারফরম্যান্সে দায় স্বীকার করলেন বিয়েলসা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৩২ পি.এম


উরুগুয়ের হতাশাজনক পারফরম্যান্সে দায় স্বীকার করলেন বিয়েলসা

টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছে উরুগুয়ে। হতাশাজনক এই ব্যর্থতার পুরো দায় নিজের কাঁধে নিয়েছেন দলের আর্জেন্টাইন কোচ মার্সেলো বিয়েলসা। তিনি বলেছেন, তিন বছর দায়িত্বে থেকেও উরুগুয়ের ফুটবলে স্মরণীয় কোনো অবদান রাখতে পারেননি।

বিশ্বকাপে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে যাওয়ার পর, সংবাদ সম্মেলনে হতাশা প্রকাশ করে, ৭০ বছর বয়সি এই কোচ বলেন, ‘এই ব্যর্থতার জন্য আমিই দায়ী। এই পারফরম্যান্স নিয়ে আমার বলার কিছু নেই। যদি আমাকে জিজ্ঞেস করা হয়, উরুগুয়ের সঙ্গে আমার সময়টাকে কীভাবে মনে রাখা হবে, তাহলে বলব, এটি এমন একটি অধ্যায়, যা কিছুই রেখে যেতে পারেনি।’

১৯৩০ ও ১৯৫০ সালে বিশ্বকাপ জেতা উরুগুয়ে এবারও প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হয়েছিল সৌদি আরবের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র দিয়ে। পরে কেপ ভার্ডের সঙ্গেও ২-২ গোলে ড্র করে চাপে পড়ে যায় ফুটবল দলটি। শেষ ম্যাচে স্পেনকে হারানোর বিকল্প ছিল না, কিন্তু ১-০ গোলের হারে বিদায় নিশ্চিত হয় উরুগুয়ের।

বিয়েলসা আরও বলেন, ‘আমি উরুগুয়ের ফুটবলে কিছুই রেখে যেতে পারিনি। কারণ, যে দেশে তিন বছর কাজ করেছি, সেখানে কোনো সাফল্য না এলে সেই কাজের মূল্যায়ন হওয়ার সুযোগ থাকে না।’

স্পেনের বিপক্ষে প্রথমার্ধে গোল হজম হবার পর, বিয়েলসা দ্বিতীয়ার্ধে অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ফের্নান্দো মুসলেরাকে আর খেলাননি। এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনা শুরু হলেও, তিনি জানান, এটি ছিল খেলোয়াড়ের নিজের সিদ্ধান্ত। বিয়েলসা বলেন, ‘দ্বিতীয়ার্ধে না খেলার সিদ্ধান্ত মুসলেরারই ছিল। আমি তাকে তুলে নিয়েছি তার আত্মবিশ্বাস নষ্ট করার জন্য নয়, বরং সেটি ধরে রাখার জন্য।’

উত্তর আমেরিকার বিশ্বকাপে মাঠের বাইরের নানা মন্তব্যে আলোচনায় থাকলেও, মাঠের খেলায় প্রত্যাশিত সাফল্য আনতে পারেননি বিয়েলসা। শেষ পর্যন্ত ব্যর্থতার সব দায় নিজের কাঁধে নিয়েই বিশ্বকাপ শেষ করলেন অভিজ্ঞ এই আর্জেন্টাইন কোচ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%