ঢাকা সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

চিকিৎসাশাস্ত্রে নোবেল পেলেন কার্ল ডেইসেরথ, পিটার হেগেমান ও জর্জ নাগেল


চিকিৎসাশাস্ত্রে নোবেল পেলেন কার্ল ডেইসেরথ, পিটার হেগেমান ও জর্জ নাগেল

২০২৬ সালের নোবেল পুরস্কার ঘোষণা শুরু হয়েছে। প্রথম দিনে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তদের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। এ বছর চিকিৎসাবিজ্ঞানে তিনজনকে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। তারা হলেন, কার্ল ডেইসেরথ, পিটার হেগেমান ও জর্জ নাগেল।

এই পুরস্কার তাদের বৈজ্ঞানিক অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেওয়া হয়েছে। আলোর মাধ্যমে জীবন্ত কোষের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ ও পর্যবেক্ষণের নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবনের জন্য তাদের এই নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৩টায় সুইডেনের রাজধানী স্টকহোম থেকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কারজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। এর মাধ্যমে চলতি বছরের নোবেল পুরস্কার ঘোষণা শুরু হলো। আগামী দিনগুলোতে পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, সাহিত্য, শান্তি ও অর্থনীতিতে নোবেলজয়ীদের নাম পর্যায়ক্রমে ঘোষণা করা হবে।

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডায় ব্যবসায়িক বিমান বিধ্বস্ত, ৯ জন নিহত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভৈরবে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ১৩ পরিবারকে নগদ অর্থ, টিন ও খাদ্য সহায়তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শাহিন আলম। ভৈরব (প্রতিনিধি)

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:০৩ পি.এম


ভৈরবে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ১৩ পরিবারকে নগদ অর্থ, টিন ও খাদ্য সহায়তা

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে চন্ডিবের গ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ১৩ পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ, ঢেউটিন ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) সকালে শহরের চন্ডিবের গ্রামে গিয়ে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারের হাতে ৩৬ হাজার টাকার নগদ চেক, দুই বান্ডিল করে ঢেউটিন ও খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলম।

এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং অগ্নিকাণ্ডে তাদের ক্ষয়ক্ষতির খোঁজখবর নেন। পরে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের উদ্দেশে তিনি বলেন, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে সরকার রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে পরবর্তীতে আরও সহযোগিতা করা হবে।

এর আগে গত ১ অক্টোবর চন্ডিবের গ্রামে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের বসতঘরে। এতে ১০ থেকে ১২টি ঘরসহ ১৩টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। খবর পেয়ে ভৈরব ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। পরে আশুগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের আরও একটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দেয়।

ত্রাণ ও সহায়তা বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে. এম. মামুনুর রশীদ, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সভাপতি হাজী মো. শাহিন, সাধারণ সম্পাদক মো. মজিবুর রহমান, পৌর নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফ সারোয়ার বাতেনসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতাকর্মী এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

সহায়তা বিতরণ শেষে প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলম চন্ডিবের জেলেপাড়ায় নিম্নআয়ের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন। পরে তিনি চন্ডিবের হিন্দুপাড়ার পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পূজামণ্ডপের সার্বিক পরিস্থিতি ও নিরাপত্তাব্যবস্থার খোঁজখবর নেন এবং পূজা উদ্‌যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কালিগঞ্জের কারিগররা বাঁশ-বেতের ঐতিহ্য রক্ষায় সংগ্রাম করছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:০৩ পি.এম


কালিগঞ্জের কারিগররা বাঁশ-বেতের ঐতিহ্য রক্ষায় সংগ্রাম করছেন

গ্রামবাংলার ঐতিহ্য ও মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে একসময়ে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে ছিল বাঁশ-বেতের তৈরি নানা সামগ্রী। ঘরের কাজে ডালা, কুলা, ঝুড়ি থেকে শুরু করে মাছ ধরার আটোল, পাটা ও খারাসহ নানা উপকরণ তৈরি হতো বাঁশ-বেত দিয়ে। সময়ের পরিবর্তনে প্লাস্টিক ও আধুনিক সামগ্রীর ব্যবহার বাড়ায় সেই ঐতিহ্য অনেকটাই হারিয়ে যেতে বসেছে। তবে জীবন আর জীবিকার তাগিদে এখনও সেই পুরোনো ঐতিহ্য আঁকড়ে ধরে রেখেছেন সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের হোগলা গ্রামের আব্দুস সাত্তার, জবেদ আলী মেম্বর ও নুর গাজীসহ অনেকে।

বয়সের ভারে শরীর নুয়ে পড়লেও থেমে নেই আব্দুস সাত্তারের কর্মযজ্ঞ। দীর্ঘদিন ধরে নিজ হাতে বাঁশ-বেত দিয়ে তৈরি করছেন ডালা, বুড়ি, কুলা, মাছ ধরার খারা, আটোল, শিশুদের দোলনাসহ নানা ধরনের সামগ্রী। এসব পণ্য হোগলা মোড়ে সাজিয়ে রেখে বিক্রি করেন তিনি। নিজের হাতে তৈরি এসব সামগ্রী বিক্রির আয় দিয়েই চলে তাঁর জীবন-জীবিকা। বয়সের ভারে কাজের গতি আগের মতো নেই। তবুও হাতের কাজ থামাননি আব্দুস সাত্তার গাজী। বাঁশ চেছে, বেত কেটে, ধীরে ধীরে নিপুণ হাতে তৈরি করেন প্রয়োজনীয় সামগ্রী। তাঁর কাছে এই কাজ শুধু পেশা নয়, জীবন চালিয়ে নেওয়ার একমাত্র অবলম্বন।

সরেজমিনে হোগলা মোড়ে গিয়ে দেখা যায়, রাস্তার পাশে বাঁশ-বেতের তৈরি বিভিন্ন সামগ্রী সাজিয়ে বসেছেন আব্দুস সাত্তার গাজী, জবেদ আলী ও নুর গাজী। স্থানীয়দের পাশাপাশি পথচারী ও ক্রেতারা প্রয়োজন অনুযায়ী এসব সামগ্রী কিনছেন। তাঁদের দোকান থেকে

এ স্টলে বাঁশ-বেতের তৈরি কুলা বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৭০ টাকা, ছোট বুড়ি ১০০ থেকে ১৫০ টাকা, মাছ ধরার খারা ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, আটোল ২০০ থেকে ২৫০ টাকা এবং শিশুদের দোলনা ১২০ থেকে ১৫০ টাকায়। এছাড়া চাহিদা অনুযায়ী রয়েছে আরও বিভিন্ন ধরনের সামগ্রী।

আব্দুস সাত্তার গাজী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি বাঁশ-বেতের সামগ্রী তৈরি ও বিক্রি করে আসছেন। একসময় এসব পণ্যের চাহিদা অনেক বেশি ছিল। এখন প্লাস্টিক ও অন্যান্য আধুনিক সামগ্রীর ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় বিক্রি কমেছে। বয়স বেড়ে যাওয়ায় আগের মতো পরিশ্রমও করতে পারেন না। তারপরও সংসারের খরচ চালাতে কাজ করে যেতে হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, আব্দুস সাত্তারের মতো কারিগররা নিজের জীবিকার পাশাপাশি গ্রামবাংলার হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্যও ধরে রেখেছেন। একসময় মানুষের ঘরে ঘরে বাঁশ-বেতের সামগ্রী দেখা গেলেও এখন সেই জায়গা দখল করেছে প্লাস্টিক ও আধুনিক উপকরণ। ফলে এই পেশার সঙ্গে যুক্ত অনেক কারিগরই এখন জীবিকা সংকটে পড়েছেন।

সচেতন মহলের মতে, বাঁশ-বেতের ঐতিহ্যবাহী শিল্প টিকিয়ে রাখতে কারিগরদের সরকারি সহায়তা, প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে ঋণ এবং উৎপাদিত পণ্যের বাজারজাতকরণে সহযোগিতা প্রয়োজন। এতে একদিকে যেমন হারিয়ে যেতে বসা গ্রামীণ কারুশিল্প বাঁচবে, অন্যদিকে আব্দুস সাত্তারের মতো প্রবীণ কারিগরদের শেষ বয়সের জীবনযুদ্ধও কিছুটা সহজ হবে।

ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বলেন তার ইউনিয়নের হোগলা ও চাঁচাই গ্রামের অনেকেই ধরে রেখেছেন বাঁশ ও বেতের তৈরী নানান শিল্প। তবে সরকারীভাবে তাদের পৃষ্টপেশকতা দেওয়ার দরকার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাঈমের স্মৃতিতে আজও অমলিন ‘চাঁদনী’ সিনেমার ৩৫ বছর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:০৩ পি.এম


নাঈমের স্মৃতিতে আজও অমলিন ‘চাঁদনী’ সিনেমার ৩৫ বছর

একটি সিনেমা কখনো শুধুমাত্র একটি গল্প হয়ে থাকে না; সময়ের সাথে সাথে সেটি স্মৃতির অংশ হয়ে ওঠে। নাঈম ও শাবনাজের ‘চাঁদনী’ এমন একটি সিনেমা, যা তাদের চলচ্চিত্রজীবনের শুরু থেকে আজও দর্শকদের মনে বিশেষ স্থান দখল করে রেখেছে। নাঈম-শাবনাজ জুটির প্রথম এই সিনেমাটি ৩৫ বছর পূর্ণ করেছে। ১৯৯১ সালের ৪ অক্টোবর মুক্তি পেয়েছিল এহতেশাম পরিচালিত ছবিটি।

মুক্তির পর ‘চাঁদনী’ দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া সৃষ্টি করে। এরপর নাঈম ও শাবনাজ একসাথে আরো বেশ কয়েকটি সিনেমায় অভিনয় করে জনপ্রিয় জুটি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন। ‘ফুল আর কাঁটা’, ‘জিদ’, ‘লাভ’, ‘দিল’ ও ‘টাকার অহংকার’সহ তাদের একাধিক সিনেমা দর্শকপ্রিয়তা অর্জন করে।

‘চাঁদনী’র শুরুটিও ছিল আকস্মিক। নাঈম জানান, খ্যাতিমান পরিচালক এহতেশামের সাথে তাদের পরিবারের পরিচয় ছিল। একদিন তাকে দেখার পর সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তাব দেন এহতেশাম। পরে শাবনাজের বাসায় গিয়ে তাকে নায়িকা হিসেবে নির্বাচন করেন তিনি। এভাবেই প্রথমবার জুটি বাঁধেন নাঈম ও শাবনাজ।

শুটিং শুরুর আগেই সিনেমাটির গানগুলো রেকর্ড করা হয়েছিল। এরপর জমকালো আয়োজনে মহরত অনুষ্ঠিত হয়। নাঈমের চলচ্চিত্রে প্রথম শুটিংও ছিল ‘চাঁদনী’র জন্য। নাঈম বলেন, ‘মহরতের স্মৃতি ভুলব না। আজও চোখে ভাসে। প্রথম শুটিং করি বারিধারায়। দিনটি ছিল আমার জন্য স্মরণীয়।’

ঢাকার শুটিং শেষ করার পর সিনেমার দল সিলেটের জাফলংয়ে যায়। সেখানে বেশ কয়েক দিন দৃশ্যধারণ চলে। নাঈমের স্মৃতিতে সেই সময়ের জাফলংও আলাদা। তখন সেখানে বিদ্যুৎ সংযোগ ছিল না। তাই রাতে হ্যাজাক বাতি জ্বালিয়েই শুটিং করতে হতো। যে বাড়িতে তারা থাকতেন, সেখানে একটি পুকুর ছিল। সবাই সেখানে গোসল করলেও জোঁকের ভয়ে নাঈম পুকুরে নামতেন না।

সিনেমা মুক্তির আগের রাতটিও ছিল ভিন্ন রকম উত্তেজনায় ভরা। প্রথম সিনেমা হওয়ায় দলের সবাই শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নিজের চোখে দেখতে চেয়েছিলেন। নাঈমসহ দলের সদস্যরা রাতে ঢাকার বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে ঘুরে ব্যানার ও পোস্টার ঠিক আছে কি না, তা দেখতেন। রাতভর এই ব্যস্ততা চলার পর ভোরের দিকে তারা বাসায় ফিরতেন।

এদিকে সিনেমা মুক্তির আগে দলের আরেকটি অংশ সিলেটে গিয়ে হজরত শাহজালালের মাজার জিয়ারত করেছিল। প্রথম সিনেমা দর্শকের সামনে আসার আগে সবার মধ্যেই উৎকণ্ঠা ও প্রত্যাশা ছিল।

তিন দশকের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও ‘চাঁদনী’র প্রতি দর্শকের ভালোবাসা কমেনি। নাঈম বলেন, ‘এখনো দর্শকরা সিনেমাটির কথা বলেন, মনে রেখেছেন—এটাই তার কাছে সবচেয়ে বড় পাওয়া।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আখাউড়ায় ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জালাল উদ্দিনকে স্বপদে পুনর্বহালের নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:০৪ পি.এম


আখাউড়ায় ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জালাল উদ্দিনকে স্বপদে পুনর্বহালের নির্দেশ

আখাউড়া দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন, যিনি দায়িত্ব পালনে সাময়িকভাবে বিরত ছিলেন, তাকে পুনর্বহালের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে গত ৩০ সেপ্টেম্বর আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) এই নির্দেশনা প্রদান করা হয়। একইসঙ্গে চেয়ারম্যানের আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা পুনর্বহালের ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও বলা হয়েছে।

তবে, সোমবার (৫ অক্টোবর) নাগাদ চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন দায়িত্ব গ্রহণ করেননি। ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন। পরবর্তীতে অভ্যুত্থান পরবর্তী মামলায় কিছুদিন জেল খেটে জামিনে মুক্তি পান।

এদিকে, চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পাওয়া জালাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ এনে সোমাবার দুপুর ১২টার দিকে দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হলেও তা পরে বাতিল করা হয়। তবে সংবাদ সম্মেলনে ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যসহ বিএনপি নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি মো. শাহনেওয়াজ খান মন্তব্য করেন, ‘জালাল পরিষদে আসবেন না বলে আশ্বস্থ হয়েছি। এ বিষয়ে ৭ অক্টোবরের পর আমরা বিস্তারিত বলব। জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলামের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আমাদের আলোচনার পর সিদ্ধান্ত নেব।’

জেলা প্রশাসনের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, আখাউড়া দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে জেলহাজতে থাকায় ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনা ও জনসেবা অব্যাহত রাখার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী প্যানেল চেয়ারম্যান-১ কে আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছিল। পরে, মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর ২৩ আগস্ট চেয়ারম্যান হিসেবে পুনরায় স্বপদে যোগদানের জন্য আবেদন করেন। আবেদনের সঙ্গে মামলার কাগজপত্র ও সংশ্লিষ্ট নথি দাখিল করা হয়।

চিঠিতে আরো উল্লেখ করা হয়, বিষয়টি নিয়ে সরকারি আইনজীবীর মতামত নেওয়া হয়। আইনজীবীর মতামতে চেয়ারম্যানের পুনরায় স্বপদে যোগদানের ক্ষেত্রে আইনগত কোনো বাধা নেই বলে জানানো হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মো. আবুসাঈদ আখাউড়া দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জালাল উদ্দিনকে স্বপদে পুনর্বহালের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেন।

চিঠির অনুলিপি স্থানীয় সরকার বিভাগ, আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জালাল উদ্দিনসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%