মোঃ জিয়াউর রহমান ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
০৩:২৮ পি.এম
এইচএসসি, আলিম ও সমমান পরীক্ষা–২০২৬ উপলক্ষে পরীক্ষার্থীদের নিয়ে দোয়া মাহফিল আয়োজন করে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ঠাকুরগাঁও শহর শাখা।
এ সময় শিক্ষার্থীদের মাঝে পরীক্ষা উপকরণ উপহার প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা সম্পাদক মুহাম্মদ ইব্রাহীম এবং কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ সদস্য ও দিনাজপুর শহর সভাপতি মাসুদ রানা।
প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থীর উপস্থিতি প্রোগামটিকে আরও প্রানবন্ত ও সৌন্দর্যমন্ডিত করে।
শিবির নেতৃবৃন্দ জানান আগামীতে ছাত্র বান্ধব নানা মুখী কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হবে।
দোয়া ও মুনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন সুদের হার বৃদ্ধির আশঙ্কার কারণে ডলারের দাম ক্রমাগত বাড়তে থাকায়, বিশ্ববাজারে স্বর্ণের মূল্য পতন আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সময়ে, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান শান্তি আলোচনা সম্পর্কে পরস্পরবিরোধী বার্তা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করেছে। এর ফলস্বরূপ, স্বর্ণের দাম দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।
বার্তাসংস্থা রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বুধবার (২৪ জুন) স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৮১ দশমিক ২৪ ডলারে এসে পৌঁছিয়েছে। এর আগের দিনের লেনদেনে, দাম ১১ জুনের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছিল। একই সময়ে আগস্ট ডেলিভারির জন্য মার্কিন স্বর্ণের ফিউচার দাম ১ দশমিক ২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৯৮ দশমিক ৭০ ডলারে নেমে এসেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার দাবি করেছেন যে ইরান ‘অনির্দিষ্টকাল’ পারমাণবিক স্থাপনাগুলো পরিদর্শনের অনুমতি দিতে সম্মত হয়েছে। কিন্তু তেহরান এ দাবি নাকচ করে জানিয়েছে, আলোচনায় তারা এমন কোনো ছাড় দেয়নি। এই পরিস্থিতি দুই দেশের মধ্যে হওয়া ভঙ্গুর শান্তি চুক্তির কার্যকারিতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন সৃষ্টি করেছে।
এছাড়া, ইরানের বিদেশে জব্দ থাকা তহবিলে প্রবেশাধিকার সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত নিয়েও দুই পক্ষ এখনও একমত হতে পারেনি।
টেস্টিলাইভের গ্লোবাল ম্যাক্রো বিভাগের প্রধান ইলিয়া স্পিভাক বলেছেন, বর্তমানে বাজারে যে পরিস্থিতিগুলো বিরাজ করছে, তা মূলত যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে স্বর্ণবাজারের ওপর চাপের ধারাবাহিক প্রতিফলন।
বিশ্লেষকগণ বলছেন, মুদ্রাস্ফীতি এবং উচ্চ সুদের হারের কারণে বন্ডের দাম কমছে, সুদের হার বাড়ছে, ডলারের মূল্য শক্তিশালী হচ্ছে এবং এর ফলস্বরূপ স্বর্ণের দাম নিম্নমুখী হচ্ছে।
ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে মূল্যবান ধাতুর দাম প্রায় ২৩ শতাংশ কমতে দেখা গেছে। যুদ্ধের ফলে তৈরি হওয়া মুদ্রাস্ফীতির চাপ ফেডারেল রিজার্ভকে সুদের হার বাড়ানোর পথে হাঁটতে পারে-একমাত্র বেশিরভাগ বিশ্লেষকের মতে, এই পতনের অন্যতম কারণ।
যদিও স্বর্ণ দীর্ঘদিন ধরে মুদ্রাস্ফীতির বিরুদ্ধে একটি নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত হয়, তবে উচ্চ সুদের হারের পরিবেশে এই অপ্রক্রিয়াপ্রাপ্ত সম্পদের প্রতি আকর্ষণ কমে যায়।
এদিকে, ডলার এক বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। ফলে বিদেশি ক্রেতাদের জন্য ডলারভিত্তিক স্বর্ণ ক্রয় করা আরও ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে।
সিএমই ফেডওয়াচ টুলের তথ্যের ভিত্তিতে, ট্রেডাররা বর্তমানে চলতি বছরে ফেডের তিনদফা সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা দেখছেন। কিন্তু গত সপ্তাহে ফেডের বৈঠকের আগে ধারণা করা হচ্ছিল, সুদের হার হয়তো শুধু একবার বাড়ানো হতে পারে।
বিনিয়োগকারীরা এখন বৃহস্পতিবার প্রকাশিতব্য যুক্তরাষ্ট্রের ব্যক্তিগত ভোগব্যয় (পিসিই) মূল্য সূচকের তথ্যের জন্য অপেক্ষা করছেন। মুদ্রাস্ফীতি পরিমাপে এটিই ফেড সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়।
ইলিয়া স্পিভাক বলেন, যদি বাজারের মূল মনোযোগ মুদ্রাস্ফীতির দিকে থাকে এবং স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ডলারের নিচে নেমে যায়, তবে পরবর্তী লক্ষ্য হতে পারে ৩ হাজার ৮০০ ডলার। এরপর ৩ হাজার ৫০০ ডলারের স্তরও পরীক্ষার মুখোমুখি হতে পারে।
স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও কমেছে। স্পট মার্কেটে রুপার দাম শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৬১ দশমিক ৮০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। প্ল্যাটিনামের দাম শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ কমে ১ হাজার ৬৪১ দশমিক ৩৫ ডলারে এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১ দশমিক ৩ শতাংশ কমে ১ হাজার ২২১ দশমিক ৭১ ডলারে নেমে এসেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, বিনিয়োগের সবচেয়ে বড় বাধা ব্যবসার লাইসেন্স প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রিতা। এই প্রক্রিয়াকে ১৪ দিনে নামিয়ে আনা হবে। বুধবার (২৪ জুন) সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
এছাড়া, এসএমই খাত নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, এই খাতের পরিধি যত বেশি থাকবে, অর্থনীতির গতি তত বাড়বে। এসএমই খাতে গতি আনতে আগামী দিনে নতুন করে আরও বিসিক শিল্পপার্ক গড়ে তোলা হবে। সরকারের লক্ষ্য হল এই খাতে ৫ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।
এ সময় মন্ত্রী মন্তব্য করেন যে, বিগত সরকার অল্প সময়ে অনেক ঋণ নিয়েছে, কিন্তু বাস্তবে অর্থনৈতিক উন্নতি হয়নি। পাশাপাশি আব্দুল মুক্তাদির বলেন, পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি কমাতে মধ্যবর্তী অযৌক্তিক দাম বাড়ানোর জায়গাগুলো বন্ধ করা হবে। আগামী দিনে আমদানি নির্ভর পণ্য মজুদ করার পরিকল্পনাও আছে।
এদিন সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ১৬৭ কোটি ২৪ লাখ টাকায় ২২ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন মসুর ডাল, ৩৬৭ কোটি ৯০ লাখ টাকায় ২ কোটি লিটার পাম তেল এবং ২৭৭ কোটি ১৬ লাখ টাকায় ২ কোটি লিটার সয়াবিন তেল কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুয়েত বর্তমানে তীব্র গরমের কারণে পুড়ছে। দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা ৫১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে। এই প্রচণ্ড গরমের কারণে বিদ্যুতের চাহিদা রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছে যায়, যার ফলে রাজধানীর আদাইলিয়া এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ঘটনা ঘটে।
বিদ্যুৎ, পানি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি মন্ত্রণালয় কুয়েতের জানিয়েছে যে, বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হওয়ায় কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখতে হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জরুরি ব্যবস্থা নিয়েছে।
এদিকে, স্থানীয় আবহাওয়া বিভাগ নাগরিক ও প্রবাসীদের জন্য দুপুরের সময় অপ্রয়োজনে বাইরে বের না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। বিশেষভাবে নির্মাণ শ্রমিক, ডেলিভারি কর্মী এবং খোলা আকাশের নিচে কাজ করা শ্রমজীবীদের জন্য সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
কুয়েতে তাপদাহ নতুন কিছু নয়। এটি বিশ্বের সবচেয়ে উষ্ণ দেশগুলোর মধ্যে একটি। গত এক দশকে প্রায় প্রতি গ্রীষ্মেই ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। ২০১৬ সালে কুয়েতের মিত্রিবাহ এলাকায় ৫৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রা রেকর্ড হয়, যা বিশ্বের অন্যতম সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হিসেবে পরিচিত।
২০২১, ২০২২, এবং ২০২৩ সালেও একাধিকবার ৫০-৫৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে। ২০২৫ ও ২০২৬ সালে বিদ্যুতের চাহিদা নতুন রেকর্ড স্পর্শ করেছে, ফলে কিছু এলাকায় সাময়িক বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং গ্রীষ্মকালে বিদ্যুতের অতিরিক্ত ব্যবহার কুয়েতের বিদ্যুৎ খাতে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। তাই ভবিষ্যতে বিদ্যুৎ ব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকার ২২ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন মসুর ডাল কেনার অনুমোদন প্রদান করেছে। এই ক্রয়ে মোট খরচ হবে প্রায় ১৬৭ কোটি ২৪ লাখ ১৫ হাজার ৬২৫ টাকা।
বুধবার (২৪ জুন) সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বৈঠকের সূত্রে অধিকতর জানা গেছে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র (জাতীয়) পদ্ধতিতে ১০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল (৫০ কেজির বস্তায়) ক্রয়ের প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির পক্ষ থেকে।
চট্টগ্রামের মেসার্স পায়েল অটোমেটিক ফুড প্রসেসিং মিলস থেকে এই মসুর ডাল কেনা হবে। এই মসুর ডাল কিনতে মোট খরচ হবে ৮১ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। প্রতি কেজির দাম হবে ৮১ টাকা ৪৭ পয়সা।
এছাড়াও, আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে আরও ১২ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন মসুর ডাল ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রস্তাবিত হয়েছে।
এই মসুর ডাল কেনার জন্য মোট খরচ হবে ৮৫ কোটি ৭৭ লাখ ১৫ হাজার ৬২৫ টাকা। প্রতি কেজির দাম হবে ৭৪ টাকা ৮৬ পয়সা। এই ডাল অস্ট্রেলিয়ার এমসিজি ইন্টারন্যাশনাল পিটিওয়াই লিমিটেড থেকে কেনা হবে।
সভায় মসুর ডাল ছাড়াও পরিশোধিত সয়াবিন তেল ও পাম অলিন ক্রয়ের অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ