মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৫৩ পি.এম
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনিক বিভিন্ন পদে নিয়োগের জন্য ৬ থেকে ২০ গ্রেডের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। মোট ১০০টি পদ রয়েছে। আবেদনকারীকে অনলাইনে আবেদন করার পর হার্ডকপি জমা দিতে হবে।
চাকরির বিবরণ
১. পদের নাম: সহকারী কম্পট্রোলার
পদসংখ্যা: ২
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-৬) এর বেতন ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা।
২. পদের নাম: সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল)
পদসংখ্যা: ১
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-৯) এর বেতন ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
৩. পদের নাম: ফিজিওথেরাপিস্ট
পদসংখ্যা: ২
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-৯) এর বেতন ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
৪. পদের নাম: সেকশন অফিসার
পদসংখ্যা: ১
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-৯) এর বেতন ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
৫. পদের নাম: সহকারী উদ্যানতত্ত্ববিদ
পদসংখ্যা: ১
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-৯) এর বেতন ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
৬. পদের নাম: কালচারাল অফিসার
পদসংখ্যা: ১
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-৯) এর বেতন ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
৭. পদের নাম: সায়েন্টিফিক অফিসার
পদসংখ্যা: ১
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-৯) এর বেতন ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
৮. পদের নাম: মেডিক্যাল অফিসার
পদসংখ্যা: ২
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-১০) এর বেতন ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা।
১০. পদের নাম: উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল)
পদসংখ্যা: ২
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-১০) এর বেতন ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা।
১১. পদের নাম: ল্যাবরেটরি সহকারী
পদসংখ্যা: ৪
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-১২) এর বেতন ১১,৩০০-২৭,৩০০ টাকা।
১২. পদের নাম: উচ্চমান সহকারী
পদসংখ্যা: ৩
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-১৩) এর বেতন ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা।
১৩. পদের নাম: ল্যাব টেকনিশিয়ান (প্যাথলজি)
পদসংখ্যা: ১
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-১৩) এর বেতন ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা।
১৪. পদের নাম: ক্যাটালগার
পদসংখ্যা: ২
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-১৩) এর বেতন ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা।
১৫. পদের নাম: গ্রন্থাগার সহকারী
পদসংখ্যা: ১
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-১৩) এর বেতন ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা।
১৬. পদের নাম: ড্রাইভার (হেভি)
পদসংখ্যা: ২
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-১৫) এর বেতন ৯,৭০০-২৩,৪৯০ টাকা।
১৭. পদের নাম: অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার টাইপিস্ট
পদসংখ্যা: ১৪
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-১৬) এর বেতন ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা।
১৮. পদের নাম: ল্যাব অ্যাটেনডেন্ট
পদসংখ্যা: ৬
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-১৭) এর বেতন ৯,০০০-২১,৮০০ টাকা।
১৯. পদের নাম: বৈদ্যুতিক মিস্ত্রি
পদসংখ্যা: ১
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-১৭) এর বেতন ৯,০০০-২১,৮০০ টাকা।
২০. পদের নাম: প্লাম্বার মিস্ত্রি
পদসংখ্যা: ১
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-১৭) এর বেতন ৯,০০০-২১,৮০০ টাকা।
২১. পদের নাম: বুক সর্টার
পদসংখ্যা: ১
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-১৭) এর বেতন ৯,০০০-২১,৮০০ টাকা।
২২. পদের নাম: বাবুর্চি
পদসংখ্যা: ১
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-১৮) এর বেতন ৮,৮০০-২১,৩১০ টাকা।
২৩. পদের নাম: লিফটম্যান
পদসংখ্যা: ৫
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-১৯) এর বেতন ৮,৫০০-২০,৫৭০ টাকা।
২৪. পদের নাম: বৈদ্যুতিক হেলপার
পদসংখ্যা: ১
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-২০) এর বেতন ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা।
৫. পদের নাম: বৈদ্যুতিক লাইনম্যান হেলপার
পদসংখ্যা: ১
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-২০) এর বেতন ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা।
২৬. পদের নাম: মেকানিক হেলপার
পদসংখ্যা: ১
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-২০) এর বেতন ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা।
২৭. পদের নাম: অফিস সহায়ক
পদসংখ্যা: ১১
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-২০) এর বেতন ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা।
২৮. পদের নাম: অফিস সহায়ক কাম বাবুর্চি
পদসংখ্যা: ২
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-২০) এর বেতন ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা।
২৯. পদের নাম: প্লাম্বার হেলপার
পদসংখ্যা: ২
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-২০) এর বেতন ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা।
৩০. পদের নাম: বাস হেলপার
পদসংখ্যা: ২
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-২০) এর বেতন ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা।
৩১. পদের নাম: বাস ক্লিনার
পদসংখ্যা: ৩
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-২০) এর বেতন ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা।
৩২. পদের নাম: মালি
পদসংখ্যা: ৫
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-২০) এর বেতন ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা।
৩৩. পদের নাম: মাঠ সহকারী
পদসংখ্যা: ১
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-২০) এর বেতন ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা।
৩৪. পদের নাম: ওয়েল্ডিং হেলপার
পদসংখ্যা: ১
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-২০) এর বেতন ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা।
৫. পদের নাম: রাজমিস্ত্রি হেলপার
পদসংখ্যা: ১
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-২০) এর বেতন ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা।
৩৬. পদের নাম: সুইপার
পদসংখ্যা: ৩
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-২০) এর বেতন ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা।
৩৭. পদের নাম: হল অ্যাটেনডেন্ট (মহিলা)
পদসংখ্যা: ১
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-২০) এর বেতন ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা।
৩৮. পদের নাম: ক্যাশ কাউন্টার রক্ষক
পদসংখ্যা: ১
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-২০) এর বেতন ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা।
৩৯. পদের নাম: ডাইনিং অ্যাটেনডেন্ট
পদসংখ্যা: ৮
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-২০) এর বেতন ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা।
আবেদনের নিয়ম
প্রার্থীকে jobs.juniv.edu ওয়েবসাইটে নিজের প্রোফাইল তৈরি করে আবেদন করতে হবে। অনলাইনে আবেদন করার পর প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ডাউনলোডকৃত আবেদন ফরম এবং পেমেন্ট রশিদ রেজিস্ট্রার অফিসে জমা দিতে হবে।
আবেদন ফি
১ থেকে ১০ নম্বর পদে আবেদন ফি ৬০০ টাকা;
১১ থেকে ১৭ নম্বর পদে আবেদন ফি ৩০০ টাকা;
১৮ থেকে ৩৯ নম্বর পদে আবেদন ফি ২০০ টাকা।
আবেদনের শেষ তারিখ
অনলাইনে আবেদন করার শেষ তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০২৬। হার্ডকপি জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৯ অক্টোবর ২০২৬।
শর্তগুলো
১. আবেদনকারীদের অফিস অনুযায়ী পৃথকভাবে আবেদন করতে হবে।
২. পুনর্বিজ্ঞপ্তি পদগুলোর জন্য পূর্বে আবেদনকারী প্রার্থীদের পুনরায় আবেদন করার প্রয়োজন নেই।
বিস্তারিত দেখুন এই ঠিকানায় .
৯. পদের নাম: প্রশাসনিক অফিসার
পদসংখ্যা: ১
বেতন স্কেল ও গ্রেড
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : নেতিবাচক সংবাদ প্রচারের পাশাপাশি দ্রুত মামলা নিষ্পত্তি ও মানুষের ন্যায়বিচার প্রাপ্তির সংবাদ তুলে ধরার জন্য এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
আজ মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরামের (এসআরএফ) দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান।
সুপ্রিম কোর্টে সাংবাদিকতা করা ব্যক্তিদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, যদি এই অঙ্গনে কোন অনিয়ম, অসদাচরণ বা দূর্নীতি দেখা দেয়, তাহলে আপনাদের বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মাধ্যমে তা জাতির সামনে তুলে ধরতে হবে।
অ্যাটর্নি জেনারেল উল্লেখ করেন, তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর আদালত কেন্দ্রিক বেশ কিছু বিষয়ে সাংবাদিকরা দায়িত্বশীলতার সঙ্গে নিউজ করেছেন, যার সুফল আমরা পেয়েছি।
দুষ্ট চক্র বা কিছু দুষ্ট ব্যক্তির কারণে সামগ্রিকভাবে যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হই, সে দিকে খেয়াল রেখে সাংবাদিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান অ্যাটর্নি জেনারেল। তিনি বলেন, অতি সম্প্রতি প্রধান বিচারপতির কর্মতৎপরতার কারণে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগে হাজার হাজার মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। সেগুলো জাতির সামনে গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরার জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।
সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরামের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী, সুপ্রিম কোর্ট রেজিষ্ট্রির কর্মকর্তা এবং সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি মো. দিদারুল আলম, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান ডালিমসহ ফোরামের সদস্যরা।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের শুরুতে একটি আনন্দ র্যালি সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে প্রদক্ষিণ করে এবং সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরাম কার্যালয়ে কেক কাটা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু মন্তব্য করেছেন, বিএনপি হচ্ছে জনগণের দল এবং জনবান্ধব দল। তিনি উল্লেখ করেন, "বিএনপি যখন ক্ষমতায় আসে জনগণ ভালো থাকে, ভালো রাখার চেষ্টা করি আমরা।" তিনি বলেন, "বিগত একটি সরকার ছিল- ফ্যাসিস্ট সরকার। যারা খুন করেছে, গুম করেছে, হত্যা করেছে। শিশু বাচ্চাদের হত্যা করেছে, আলেমদেরকেও হত্যা করেছে।"
এই বক্তব্য তিনি মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলা পরিষদের হল রুমে বকনা ও পশুখাদ্য বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রদান করেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, "জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে তাদেরকে বিতাড়িত করেছে। আজকে তারাও আবার বিভিন্ন রকম কথাবার্তা বলে, আসতে চায়।" তিনি প্রশ্ন করেন, "আরে ভাই আসবেন কেন? আপনার যে ফাঁসির রায় হয়েছে। ফাঁসি বাংলাদেশের জনগণ কার্যকর করতে চায়।" তিনি উল্লেখ করেন, "ফ্যাসিস্টরা যে পরিমাণ খুন করেছে, গুম করেছে, হত্যা করেছে তবুও কোনো অনুশোচনা নাই।"
তিনি বলেন, "কথায় কথায় বলে এর চাইতে ভয়ংকর হবে। তাহলে তো এবার বাংলাদেশের মানুষ ছেড়ে দেবে না। অনুশোচনা তো করবে- যে ভুল হয়েছে মাফ করে দেন।" প্রতিমন্ত্রী হুমকি-ধামকির প্রসঙ্গ তুলে বলেন, "হুমকি ধামকি দিয়ে কি বাংলাদেশের জনগণকে রোধ করা যায়?"
তিনি আরও যোগ করেন, "যতবার গণতন্ত্র হোঁচট খেয়েছে ততবার গণতন্ত্র রক্ষার জন্য বিএনপি আন্দোলন করেছে, সংগ্রাম করেছে।" তিনি দেশরত্ন বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে স্বৈরাচারের পতনের কথা উল্লেখ করেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, "আবার এই ফ্যাসিবাদের বিদায় আমাদের প্রিয় প্রধানমন্ত্রী দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের সকল জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে ফ্যাসিস্টদের বিতাড়িত করেছে। কাজেই আজকে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আপনারা ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন আমাদের।"
তিনি বলেন, "সেই জনগণের সরকারকে এত সহজে কি ষড়যন্ত্র করে কোনো ক্ষতি কি করতে পারবে? আমাদেরকে সজাগ থাকতে হবে। আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।" তিনি সতর্ক করেন, "কোনো ষড়যন্ত্র যাতে এদেশে কেউ করতে না পারে। আমরা যদি সজাগ থাকি ষড়যন্ত্র করে কোনো লাভ হবে না।"
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, "প্রান্তিক জনগোষ্ঠী যদি স্বাবলম্বী হয় তাহলে দেশ অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হবে।" তিনি প্রধানমন্ত্রীর সব কাজে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন মানিকগঞ্জ ১ আসনের সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবীর, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খানসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম মন্তব্য করেছেন যে, ঢাকা শহরের ঐতিহাসিক ও ঐতিহ্যবাহী স্থানসমূহকে আর ধ্বংস হতে দেওয়া হবে না।
তিনি উল্লেখ করেন, ঐতিহাসিক স্থানগুলোর সংরক্ষণ রাষ্ট্রসহ সংশ্লিষ্ট সকলের নৈতিক ও নাগরিক দায়িত্ব। আজ ওয়ারীতে অবস্থিত ঢাকা খ্রীষ্টিয়ান কবরস্থানের প্রাচীন সমাধিগুলোর সংরক্ষণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রশাসক এসব কথা বলেন।
ডিএসসিসি প্রশাসক আরও বলেন, ‘দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই আমি ‘আদি ঢাকা’র বিলুপ্তপ্রায় ঐতিহ্য ও রূপ ফিরিয়ে আনার নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আদি ঢাকাকে কেন্দ্র করেই আজকের এই মেগাসিটি গড়ে উঠেছে। এর ঐতিহাসিক স্থানগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম। অতএব, অতীতের কোনো নিদর্শন আর নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না।’
ওয়ারী এলাকার অতীত ঐতিহ্য স্মরণ করে তিনি বলেন, একসময় নদীবেষ্টিত যোগাযোগব্যবস্থা ও নগর সুবিধার কারণে ওয়ারী ছিল ঢাকার সবচেয়ে বনেদি ও অভিজাত এলাকা। এখানে প্রখ্যাত ব্যক্তিরা বসবাস করতেন। বলধা গার্ডেনসহ পুরো এলাকার পরিবেশ আগের উন্নত ও সুশৃঙ্খল অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সিটি কর্পোরেশন কাজ করছে।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সমান অধিকারের প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ‘বাংলাদেশে ‘সংখ্যালঘু’ বলতে কোনো শব্দ নেই; আমরা সবাই বাংলাদেশি এবং এ দেশের নাগরিক। আমার যে অধিকার, আমার অন্য ধর্মাবলম্বী বন্ধুরও ঠিক একই অধিকার রয়েছে। আমরা কোনো বিভেদ চাই না; সব ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে পারস্পরিক প্রীতি ও সৌহার্দ্য নিয়ে শান্তিতে বসবাস করতে চাই।’
উদ্বোধনের সময় প্রশাসক জানান, ঐতিহ্যবাহী এই কবরস্থানের শান্ত ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখা হবে। সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে এখানকার রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, আলোকসজ্জা ও পরিচ্ছন্নতা জোরদার করা হবে। তিনি উক্ত কবরস্থানটির সার্বিক রক্ষণাবেক্ষণের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে ডিএসসিসির তহবিল থেকে ৫ লাখ টাকা অনুদানের ঘোষণা দেন এবং ভবিষ্যতে প্রয়োজনে আরও অর্থ সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেন।
আদি ঢাকার ভবিষ্যৎ রূপরেখা তুলে ধরে তিনি বলেন, রাস্তা সরু হলেও তা পরিচ্ছন্ন রাখা হবে এবং পর্যাপ্ত আলো নিশ্চিত করা হবে। এলাকাভিত্তিক শৃঙ্খলা ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে ভাসমান জনগোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কর্মকর্তা ও এলাকাবাসীকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরের পরবর্তী ধাপে দীর্ঘমেয়াদি বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে রবি আজিয়াটা পিএলসি’র বাংলাদেশে কার্যক্রমের ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সোমবার আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।
তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা মূলধনের পাশাপাশি প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, বৈশ্বিক দক্ষতা ও আন্তর্জাতিক সর্বোত্তম চর্চা নিয়ে আসে। এই উপাদানগুলোর সঙ্গে দেশের তরুণ জনগোষ্ঠী, উদ্যোক্তা-মনোভাব ও ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল দক্ষতার সমন্বয় নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করতে পারে।
মন্ত্রী বলেন, গত তিন দশকে বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাত এক অভূতপূর্ব রূপান্তরের মধ্য দিয়ে গেছে, যা মানুষের যোগাযোগ, কর্মসংস্থান, শিক্ষা, নাগরিক সেবা ও ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছে। বিনিয়োগকারীদের আস্থা নিশ্চিত করতে স্বচ্ছ, স্থিতিশীল ও বিনিয়োগবান্ধব নীতিপরিবেশ প্রয়োজন। তিনি উল্লেখ করেন, সরকার, শিল্পখাত ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মধ্যে ধারাবাহিক সংলাপের মাধ্যমেই কেবল বিনিয়োগ, উদ্ভাবন ও টেকসই প্রবৃদ্ধির অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ক্লাউড প্রযুক্তি, ডিজিটাল সেবা ও আধুনিক ডেটা অবকাঠামো দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের অপার দিগন্ত উন্মোচন করছে। মন্ত্রী বলেন, গত ৩০ বছরে অর্জনের শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আগামী ৩০ বছরের প্রযুক্তিগত সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সবাইকে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে আজিয়াটা গ্রুপ বারহাদের ম্যানেজিং ডিরেক্টর নিক রিজাল কামিল বলেন, ১৯৯৭ সালে একটেল হিসেবে যাত্রা শুরু করে রবি আজ দেশের ডিজিটাল কানেক্টিভিটি ও উদ্ভাবনী সেবার অন্যতম বিশ্বস্ত অংশীদার। বাংলাদেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রায় আজিয়াটা দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব অব্যাহত রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী, রবি আজিয়াটা পিএলসির ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও জিয়াদ শাতারাসহ আজিয়াটা গ্রুপের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ