বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:৩৬ পি.এম
এসআরবি কর্তৃক পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে যুব উন্নয়নের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায়। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-৩) তাদের গ্রেপ্তার করে।
শুক্রবার (১০ অক্টোবর) যুব উন্নয়নের প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় ঢাকা শহরের বিভিন্ন সড়ক অবরোধ করে পরীক্ষার্থীরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এর পর যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর পরীক্ষাটি স্থগিত করে এবং ১৬ অক্টোবর নতুন পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করে। একই সঙ্গে প্রশ্ন ফাঁসের বিষয়টি তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়।
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের এই নিয়োগ পরীক্ষায় ২৪২টি পদের বিপরীতে প্রায় ৩ লাখ চাকরিপ্রার্থী আবেদন করেছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারে দেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। বৃহস্পতিবার আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত এশিয়ায় পারস্পরিক সহযোগিতা ও আস্থা তৈরির পদক্ষেপবিষয়ক সম্মেলনের (সিআইসিএ) সপ্তম শীর্ষ সম্মেলনের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে তিনি এ অঙ্গীকার তুলে ধরেন।
প্রতিমন্ত্রী সিআইসিএকে একটি পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক আঞ্চলিক সংস্থায় রূপান্তরের জন্য সুস্পষ্ট আইনি মর্যাদা, শক্তিশালী সচিবালয়, নির্ভরযোগ্য অর্থায়ন এবং কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণব্যবস্থা নিশ্চিত করার প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন প্রকাশ করেন।
তিনি সদস্যদেশগুলোর মধ্যে কার্যকর অংশীদারি গড়ে তুলতে তিনটি প্রস্তাব দেন। প্রথমত, ফলাফলভিত্তিক খাতওয়ারি প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং সেগুলোর অগ্রগতি পর্যবেক্ষণে আনুষ্ঠানিক ব্যবস্থা চালু করার প্রস্তাব দেন। দ্বিতীয়ত, বিভিন্ন অংশীজনের অংশগ্রহণ বাড়াতে আরো বেশি সরাসরি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা উচিত বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তৃতীয়ত, সদস্যদেশগুলোর তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বিনিময় জোরদার করা এবং আইসিটি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নিরাপদ, উন্মুক্ত ও আস্থাভিত্তিক ডিজিটাল পরিসর গড়ে তুলতে আস্থা তৈরির পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
এ বছর আজারবাইজানের সভাপতিত্বে ‘শক্তিশালী সিআইসিএ : এশিয়ায় সংযোগ, ডিজিটাল রূপান্তর ও টেকসই প্রবৃদ্ধি’ প্রতিপাদ্যে সপ্তম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই প্রতিপাদ্য এশিয়ার জনগণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকারগুলোকে তুলে ধরেছে।
এদিকে, সিআইসিএ সম্মেলনে ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের বক্তব্য চলাকালে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল ওয়াকআউট করেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল ছাড়াও বেশ কয়েকটি দেশের প্রতিনিধিরা সম্মেলন কক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের বক্তব্য বয়কট করে কক্ষ ত্যাগ করেন।
প্রসঙ্গত, ১৯৯৯ সালে এশিয়াজুড়ে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে গঠিত এই আঞ্চলিক ফোরামে লাও পিডিআরের যোগদানের মাধ্যমে সদস্যদেশের সংখ্যা ২৯-এ পৌঁছেছে। সম্মেলনে ২০২৬ থেকে ২০২৮ সাল পর্যন্ত সিআইসিএর সভাপতিত্বে আজারবাইজানের দায়িত্বও অনুমোদন করা হয়েছে। পাশাপাশি সংস্থাটির পরবর্তী মহাসচিব হিসেবে সুলতান হাজিয়েভের নিয়োগও অনুমোদিত হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মালয়েশিয়ার বিভিন্ন শিল্পখাতে শ্রমিকের তীব্র ঘাটতি মেটানোর জন্য নিবন্ধিত শরণার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে সরকার।
এ বিষয়ে মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুশন ইসমাইল জানান, বর্তমানে দেশে প্রায় ২ লাখ ২৫ হাজার নিবন্ধিত শরণার্থীর তথ্য পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তাদের মধ্যে কর্মক্ষম ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে নোংরা, বিপজ্জনক ও কঠিন (৩ডি) কাজের ক্ষেত্রগুলোতে কাজে লাগানোর উদ্দেশ্য রয়েছে।
জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) মাধ্যমে নিবন্ধিত কর্মক্ষম শরণার্থীদের একটি তথ্যভাণ্ডার তৈরি করে শ্রমশক্তি হিসেবে ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানান। তবে সাইফুদ্দীন উল্লেখ করেন যে, প্রস্তাবটি এখনও বিবেচনাধীন রয়েছে এবং কার্যকর করা হয়নি।
উদাহরণ হিসেবে তিনি জানান, পাসির গুডাংয়ের একটি পাম অয়েল বাগানে ১০০ জন শ্রমিকের প্রয়োজন হলে বাংলাদেশ বা অন্য কোনো দেশ থেকে নতুন কর্মী আনার পরিবর্তে দেশের ভেতরে থাকা নিবন্ধিত শরণার্থীদের দিয়ে সেই চাহিদা পূরণ করা সম্ভব।
তিনি বলেন, এতে বিদেশের ওপর শ্রম-নির্ভরশীলতা কমবে এবং নিয়োগকর্তাদের কর্মী আনার ব্যয়ও অনেকটাই কমে যাবে।
দেশের ৩ডি খাতগুলোতে স্থানীয় মালয়েশীয়দের আগ্রহ আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ায় বিকল্প পথ খুঁজছে সরকার। গত আগস্টে 'মাইফিউচারজবস' ওয়েবসাইটে হাজার হাজার শূন্যপদ থাকা সত্ত্বেও মাত্র ৩৫২ জন মালয়েশীয় আবেদন করেছেন।
মালয়েশিয়ার অর্থনীতির মূল পাঁচটি খাত- উৎপাদন, বাগান, কৃষি, নির্মাণ এবং সেবা খাতে উৎপাদনশীলতা বজায় রাখতে সার্বিক শ্রমিকের জোগান অত্যন্ত জরুরি। সরকার ঘোষিত ত্রয়োদশ মালয়েশিয়া পরিকল্পনার আওতায় মোট ১.৭ কোটি শ্রমশক্তির সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ (প্রায় ১৭ লাখ) বিদেশি কর্মী নিয়োগের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এই আইনি সীমার মধ্যে থেকে স্থানীয় অর্থনৈতিক কার্যক্রম সচল রাখতে সরকার অভ্যন্তরীণ শরণার্থীদের দক্ষ ও নিবন্ধিত শ্রমশক্তিতে রূপান্তরের উদ্যোগ নিচ্ছে। দেশীয় নাগরিকদের প্রথম অগ্রাধিকার প্রদান সাপেক্ষে বিকল্প হিসেবে এই নীতি বাস্তবায়নের দিকে এগোচ্ছে প্রশাসন।
এদিকে সরকারের এই প্রস্তাবিত উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে বিভিন্ন মানবাধিকার ও শ্রমিক অধিকার সংস্থা। তবে নর্থ সাউথ ইনিশিয়েটিভ-এর নির্বাহী পরিচালক আদ্রিয়ান পেরেরা মন্তব্য করেছেন, শরণার্থীদের কেবল শ্রমসাধ্য বা ৩ডি কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা অনুচিত।
আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) নীতি অনুসরণ করে ন্যূনতম মজুরি, বীমা সুবিধা এবং তাদের দক্ষতা অনুযায়ী কাজের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।
অন্যদিকে মালয়েশিয়ান এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা ড. সৈয়দ হুসেইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করে শরণার্থীদের কাজের সুযোগ দেওয়ার পক্ষে মত দেন, তবে সর্বাগ্রে স্থানীয়দের অগ্রাধিকার এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। জেলার ২০টি পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগামী ১৬ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ৮ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হচ্ছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি) সূত্রে জানা গেছে, ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্তবর্তী এলাকার মনাকষা, গোদাগাড়ী, ওয়াহেদপুর ও হাকিমপুর বিওপির আওতাধীন ১০টি পূজামণ্ডপ এলাকায় ৪ প্লাটুন বিজিবি সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এ ছাড়া ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরের কাছাকাছি অবস্থিত ১০টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ২ প্লাটুন সদস্য মোতায়েন করা হবে। বাকি ২ প্লাটুন সদস্য ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে সংরক্ষিত হিসেবে রাখা হবে, যাতে প্রয়োজনে দ্রুত মোতায়েন করা যায়।
নিরাপত্তা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে সব পূজামণ্ডপ এলাকায় রেকি ও প্রস্তুতিমূলক টহল সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার, সম্ভাব্য ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ এবং স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষ করে গুজব, অপতথ্য ও সাম্প্রদায়িক উসকানি প্রতিরোধে সতর্ক নজরদারি রাখা হচ্ছে। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়ার বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান, পিএসসি, পূজামণ্ডপ এলাকায় দায়িত্বরত বিজিবি সদস্যদের সুষ্ঠুভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। ৫৩ বিজিবি জানিয়েছে, দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যেন শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে তাদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে ব্যাটালিয়ন সর্বদা সতর্ক ও তৎপর রয়েছে। এ জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা প্রস্তুতিও সম্পন্ন করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬ : বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান সম্পাদক মুহাম্মদ কাদের গনি চৌধুরী মন্তব্য করেছেন, "বস্তুনিষ্ঠতার প্রশ্নে সাংবাদিকদের আপসহীন থাকতে হবে।" তিনি উল্লেখ করেন যে, ফেক (অসত্য) নিউজ কোথাও টিকবে না, কারণ বস্তুনিষ্ঠতার কাছে ফেক নিউজ সবসময় পরাজিত হয়।
তিনি সাংবাদিকদের জন্য ফ্যাক্ট চেক বা তথ্য যাচাইয়ের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁর মতে, এটি সাংবাদিকতার মূলভিত্তি এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার অংশ।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে বাসস কার্যালয়ে তিন দিনব্যাপী ‘মাল্টিমিডিয়া, এআই ও ফ্যাক্টচেকিং বিষয়ক প্রশিক্ষণ’ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) আয়োজিত এই প্রশিক্ষণে সংস্থার ৩৭ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন।
কাদের গনি চৌধুরী আরও বলেন, "অপতথ্য ছড়ানোর প্রবণতা বর্তমানে এতটাই বেড়েছে যে, আমরা বিশ্বাসের জায়গা হারিয়ে ফেলেছি।" তিনি উল্লেখ করেন যে, এখন চেহারা ও কণ্ঠস্বর বদলে দেওয়ার মতো প্রযুক্তি এসেছে। এই অবস্থায় সাংবাদিকদের বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে হলে, কোনো খবর প্রচার বা প্রকাশের আগে তথ্য বারবার যাচাই করা প্রয়োজন।
তিনি বিরোধী মতকে কোনঠাসা করার, ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়ানোর এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য গুজব ছড়ানোর বিষয়েও সতর্ক করেন। তিনি বলেন, "গত জাতীয় নির্বাচনের আগে এআই ব্যবহার করে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে অসংখ্যবার মিথ্য তথ্য ও গুজব ছড়ানো হয়েছে।"
বাসস এমডি বলেন, "২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর মত প্রকাশের স্বাধীনতা অবারিত হলেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এর অপব্যবহার হচ্ছে।" তিনি উল্লেখ করেন যে, মূলত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, ইউটিউব, ভুয়া ওয়েবসাইট ও গণমাধ্যম থেকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য, ধর্মীয় বিদ্বেষ ও আয়ের লোভে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। বিশেষ করে পরাজিত ফ্যাসিস্টরা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে নেতাদের কণ্ঠ ও অবয়ব নকল করে রাষ্ট্রবিরোধী উসকানিমূলক পোস্ট দিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, "দেশের সাইবার সাক্ষরতা একটি বড় চ্যালেঞ্জ।" সেখানে আবেগতাড়িত মিথ্যা তথ্য জনমতকে প্রভাবিত করে মারাত্মক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে। তাই দেশের সব নাগরিককে সঠিক তথ্য যাচাই এবং ভুয়া কনটেন্ট প্রত্যাখ্যান করার আহ্বান জানান তিনি।
সভাপতির বক্তব্যে পিআইবির মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ বলেন, "এআই ও প্রযুক্তির মোহে অন্ধ হওয়ার কোনো কারণ নেই।" তিনি উল্লেখ করেন যে, এসব প্রযুক্তি মূলত বিদেশি কোম্পানির স্বার্থে পরিচালিত হয়ে আমাদের তথ্য ও মনস্তত্ত্ব সংগ্রহ করছে। তিনি বলেন, "এআই ও সোশ্যাল মিডিয়া অনেক ক্ষেত্রে দ্রুত নেতিবাচকতা ছড়ায়।" তাই তিনি মনে করেন, দিনশেষে মানুষের বিবেক, সহানুভূতি ও মানবিক বোধসম্পন্ন মনুষ্য সাংবাদিকতাই টিকে থাকবে এবং এই পেশাকে বাঁচিয়ে রাখবে।
তিন দিনব্যাপী (১৩-১৫ অক্টোবর) এই কর্মশালায় গুজব ও অপপ্রচার ঠেকাতে ফ্যাক্ট চেকিং, স্মার্টফোন নির্ভর মোবাইল সাংবাদিকতা এবং এআইয়ের মাধ্যমে দ্রুত ও নির্ভুল সংবাদ পরিবেশনের কৌশল শেখানো হয়। পাশাপাশি সংবাদে বস্তুনিষ্ঠতা, নিরপেক্ষতা, ব্যক্তির গোপনীয়তা এবং মানবিক দিকগুলো তুলে এনে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা চর্চার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বাসসের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মো. ফজলুল হক, প্রধান বার্তা সম্পাদক (ইংরেজি) মো. মানিকুল আজাদ, প্রধান বার্তা সম্পাদক (বাংলা) মুরসালিন নোমানী, চিফ রিপোর্টার (ইংরেজি) জি এম রাজিব হোসেন, চিফ রিপোর্টার (বাংলা) মো. দিদারুল আলম এবং পিআইবির প্রশিক্ষক জিলহাজ উদ্দিন নিপুন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ