মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৫৪ পি.এম
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু মন্তব্য করেছেন, বিএনপি হচ্ছে জনগণের দল এবং জনবান্ধব দল। তিনি উল্লেখ করেন, "বিএনপি যখন ক্ষমতায় আসে জনগণ ভালো থাকে, ভালো রাখার চেষ্টা করি আমরা।" তিনি বলেন, "বিগত একটি সরকার ছিল- ফ্যাসিস্ট সরকার। যারা খুন করেছে, গুম করেছে, হত্যা করেছে। শিশু বাচ্চাদের হত্যা করেছে, আলেমদেরকেও হত্যা করেছে।"
এই বক্তব্য তিনি মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলা পরিষদের হল রুমে বকনা ও পশুখাদ্য বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রদান করেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, "জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে তাদেরকে বিতাড়িত করেছে। আজকে তারাও আবার বিভিন্ন রকম কথাবার্তা বলে, আসতে চায়।" তিনি প্রশ্ন করেন, "আরে ভাই আসবেন কেন? আপনার যে ফাঁসির রায় হয়েছে। ফাঁসি বাংলাদেশের জনগণ কার্যকর করতে চায়।" তিনি উল্লেখ করেন, "ফ্যাসিস্টরা যে পরিমাণ খুন করেছে, গুম করেছে, হত্যা করেছে তবুও কোনো অনুশোচনা নাই।"
তিনি বলেন, "কথায় কথায় বলে এর চাইতে ভয়ংকর হবে। তাহলে তো এবার বাংলাদেশের মানুষ ছেড়ে দেবে না। অনুশোচনা তো করবে- যে ভুল হয়েছে মাফ করে দেন।" প্রতিমন্ত্রী হুমকি-ধামকির প্রসঙ্গ তুলে বলেন, "হুমকি ধামকি দিয়ে কি বাংলাদেশের জনগণকে রোধ করা যায়?"
তিনি আরও যোগ করেন, "যতবার গণতন্ত্র হোঁচট খেয়েছে ততবার গণতন্ত্র রক্ষার জন্য বিএনপি আন্দোলন করেছে, সংগ্রাম করেছে।" তিনি দেশরত্ন বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে স্বৈরাচারের পতনের কথা উল্লেখ করেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, "আবার এই ফ্যাসিবাদের বিদায় আমাদের প্রিয় প্রধানমন্ত্রী দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের সকল জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে ফ্যাসিস্টদের বিতাড়িত করেছে। কাজেই আজকে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আপনারা ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন আমাদের।"
তিনি বলেন, "সেই জনগণের সরকারকে এত সহজে কি ষড়যন্ত্র করে কোনো ক্ষতি কি করতে পারবে? আমাদেরকে সজাগ থাকতে হবে। আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।" তিনি সতর্ক করেন, "কোনো ষড়যন্ত্র যাতে এদেশে কেউ করতে না পারে। আমরা যদি সজাগ থাকি ষড়যন্ত্র করে কোনো লাভ হবে না।"
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, "প্রান্তিক জনগোষ্ঠী যদি স্বাবলম্বী হয় তাহলে দেশ অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হবে।" তিনি প্রধানমন্ত্রীর সব কাজে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন মানিকগঞ্জ ১ আসনের সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবীর, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খানসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম মন্তব্য করেছেন যে, ঢাকা শহরের ঐতিহাসিক ও ঐতিহ্যবাহী স্থানসমূহকে আর ধ্বংস হতে দেওয়া হবে না।
তিনি উল্লেখ করেন, ঐতিহাসিক স্থানগুলোর সংরক্ষণ রাষ্ট্রসহ সংশ্লিষ্ট সকলের নৈতিক ও নাগরিক দায়িত্ব। আজ ওয়ারীতে অবস্থিত ঢাকা খ্রীষ্টিয়ান কবরস্থানের প্রাচীন সমাধিগুলোর সংরক্ষণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রশাসক এসব কথা বলেন।
ডিএসসিসি প্রশাসক আরও বলেন, ‘দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই আমি ‘আদি ঢাকা’র বিলুপ্তপ্রায় ঐতিহ্য ও রূপ ফিরিয়ে আনার নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আদি ঢাকাকে কেন্দ্র করেই আজকের এই মেগাসিটি গড়ে উঠেছে। এর ঐতিহাসিক স্থানগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম। অতএব, অতীতের কোনো নিদর্শন আর নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না।’
ওয়ারী এলাকার অতীত ঐতিহ্য স্মরণ করে তিনি বলেন, একসময় নদীবেষ্টিত যোগাযোগব্যবস্থা ও নগর সুবিধার কারণে ওয়ারী ছিল ঢাকার সবচেয়ে বনেদি ও অভিজাত এলাকা। এখানে প্রখ্যাত ব্যক্তিরা বসবাস করতেন। বলধা গার্ডেনসহ পুরো এলাকার পরিবেশ আগের উন্নত ও সুশৃঙ্খল অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সিটি কর্পোরেশন কাজ করছে।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সমান অধিকারের প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ‘বাংলাদেশে ‘সংখ্যালঘু’ বলতে কোনো শব্দ নেই; আমরা সবাই বাংলাদেশি এবং এ দেশের নাগরিক। আমার যে অধিকার, আমার অন্য ধর্মাবলম্বী বন্ধুরও ঠিক একই অধিকার রয়েছে। আমরা কোনো বিভেদ চাই না; সব ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে পারস্পরিক প্রীতি ও সৌহার্দ্য নিয়ে শান্তিতে বসবাস করতে চাই।’
উদ্বোধনের সময় প্রশাসক জানান, ঐতিহ্যবাহী এই কবরস্থানের শান্ত ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখা হবে। সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে এখানকার রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, আলোকসজ্জা ও পরিচ্ছন্নতা জোরদার করা হবে। তিনি উক্ত কবরস্থানটির সার্বিক রক্ষণাবেক্ষণের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে ডিএসসিসির তহবিল থেকে ৫ লাখ টাকা অনুদানের ঘোষণা দেন এবং ভবিষ্যতে প্রয়োজনে আরও অর্থ সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেন।
আদি ঢাকার ভবিষ্যৎ রূপরেখা তুলে ধরে তিনি বলেন, রাস্তা সরু হলেও তা পরিচ্ছন্ন রাখা হবে এবং পর্যাপ্ত আলো নিশ্চিত করা হবে। এলাকাভিত্তিক শৃঙ্খলা ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে ভাসমান জনগোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কর্মকর্তা ও এলাকাবাসীকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরের পরবর্তী ধাপে দীর্ঘমেয়াদি বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে রবি আজিয়াটা পিএলসি’র বাংলাদেশে কার্যক্রমের ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সোমবার আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।
তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা মূলধনের পাশাপাশি প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, বৈশ্বিক দক্ষতা ও আন্তর্জাতিক সর্বোত্তম চর্চা নিয়ে আসে। এই উপাদানগুলোর সঙ্গে দেশের তরুণ জনগোষ্ঠী, উদ্যোক্তা-মনোভাব ও ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল দক্ষতার সমন্বয় নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করতে পারে।
মন্ত্রী বলেন, গত তিন দশকে বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাত এক অভূতপূর্ব রূপান্তরের মধ্য দিয়ে গেছে, যা মানুষের যোগাযোগ, কর্মসংস্থান, শিক্ষা, নাগরিক সেবা ও ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছে। বিনিয়োগকারীদের আস্থা নিশ্চিত করতে স্বচ্ছ, স্থিতিশীল ও বিনিয়োগবান্ধব নীতিপরিবেশ প্রয়োজন। তিনি উল্লেখ করেন, সরকার, শিল্পখাত ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মধ্যে ধারাবাহিক সংলাপের মাধ্যমেই কেবল বিনিয়োগ, উদ্ভাবন ও টেকসই প্রবৃদ্ধির অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ক্লাউড প্রযুক্তি, ডিজিটাল সেবা ও আধুনিক ডেটা অবকাঠামো দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের অপার দিগন্ত উন্মোচন করছে। মন্ত্রী বলেন, গত ৩০ বছরে অর্জনের শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আগামী ৩০ বছরের প্রযুক্তিগত সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সবাইকে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে আজিয়াটা গ্রুপ বারহাদের ম্যানেজিং ডিরেক্টর নিক রিজাল কামিল বলেন, ১৯৯৭ সালে একটেল হিসেবে যাত্রা শুরু করে রবি আজ দেশের ডিজিটাল কানেক্টিভিটি ও উদ্ভাবনী সেবার অন্যতম বিশ্বস্ত অংশীদার। বাংলাদেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রায় আজিয়াটা দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব অব্যাহত রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী, রবি আজিয়াটা পিএলসির ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও জিয়াদ শাতারাসহ আজিয়াটা গ্রুপের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুরে স্বাবলম্বী উন্নয়ন সমিতির স্টার বাই পিএনজিও-এর মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার শেরপুর জেলা শহরের চকপাঠক এলাকাস্থ স্বাবলম্বী উন্নয়ন সমিতির অফিস কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ফোকাল পার্সন লুৎফর রহমান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ব্র্যাক ডিস্ট্রিক্ট ম্যানেজার চিন্ময় রায় এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ব্রাঞ্চ কো-অর্ডিনেটর মাজহারুল ইসলাম।
নকলা উপজেলার প্রোগ্রাম অর্গানাইজার (পিও) মো. নূর হোসেনরে সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, শেরপুর সদর উপজেলার প্রোগ্রাম অর্গানাইজার (পিও) মো. সাইফউদ্দিন, জামালপুর সদর উপজেলার পিও আশরাফুল আলম, জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার পিও আমেনা খাতুন ও শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার পিও রেখা আক্তার প্রমুখ।
সভায় সেপ্টেম্বর মাসের কাজের সর্বিক রিপোর্ট উপস্থাপন পূর্বক সংশ্লিষ্ট দফরে প্রদান করা হয়। এছাড়া আগামী মাসের তথা নভেম্বর মাসের কর্ম পরিকল্পনার খসড়া তৈরি করে তা উপস্থিতিদের সামনে লিখিত আকারে উপস্থাপন করা হয়। এসময় স্বাবলম্বী উন্নয়ন সমিতির জেলা ও উপজেলা শাখায় কর্মরত বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীগন ও অন্যান্য অংশীজন উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের কঠোরভাবে আইনের আওতায় আনার নির্দেশনা প্রদান করেছেন।
তিনি উল্লেখ করেছেন, অপরাধীর ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা করার সুযোগ নেই। অপরাধীর একমাত্র পরিচয় হলো সে অপরাধী।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে অনুষ্ঠিত আগস্ট মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের এই নির্দেশনা দেন আইজিপি।
আইজিপি আরও বলেন, কিশোর অপরাধীদের বিরুদ্ধেও যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। মাদকদ্রব্যের বিরুদ্ধে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্যও তিনি নির্দেশনা দেন।
আসন্ন দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে উদযাপনের লক্ষ্যে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা প্রদান করেন আইজিপি। একই সঙ্গে গুজব ও অপপ্রচার রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন তিনি।
সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত আইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মো. সায়েদুর রহমান। সভায় মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি ও জেলার পুলিশ সুপাররা ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে ডিআইজি (ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট) মোহাম্মদ আবু সুফিয়ানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভাপতির বক্তব্যে অতিরিক্ত আইজি মো. সায়েদুর রহমান বলেন, কিশোর গ্যাং সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। তাদের পেছনে কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তি রয়েছে কি না, তা উদঘাটন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রতিটি ইউনিটকে নিজ নিজ নিরাপত্তা পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে। পূজাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার হতে পারে। এ বিষয়ে পুলিশ সদস্যদের সতর্ক থাকতে হবে। দায়িত্ব পালনের সময় যথাযথভাবে বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহারের নির্দেশনাও দেন তিনি।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন অতিরিক্ত আইজি। একই সঙ্গে দায়িত্ব পালনে পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব বজায় রাখার আহ্বান জানান।
সভায় আগস্ট মাসের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাসহ দেশের সার্বিক অপরাধ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়। ডাকাতি, দস্যুতা, খুন, ধর্ষণ, পুলিশ আক্রান্ত ও অপহরণ মামলা, মুলতবি গ্রেফতারি পরোয়ানা, তদন্ত ও বিচারের অগ্রগতি এবং সাজার হারসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ