প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মিরপুর টেস্টের চতুর্থ দিনে আম্পায়ারিং সম্পর্কিত কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ভারতের আম্পায়ার নীতিন মেনন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন। তার সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে হতাশা বৃদ্ধি পায়।
ম্যাচের চতুর্থ দিনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান তাড়ার শুরুতেই বিতর্কের সূচনা ঘটে। মেহেদী হাসান মিরাজের প্রথম ওভারে জন ক্যাম্পবেলের বিরুদ্ধে পরপর দুটি এলবিডব্লিউর আবেদন করা হয়। তবে, অনফিল্ড আম্পায়ার নীতিন মেনন দুবারই সাড়া দেননি। প্রথম আবেদনে বাংলাদেশ রিভিউ নিলে বলের ইমপ্যাক্ট এবং স্টাম্পে লাগার ক্ষেত্রে আম্পায়ারস কল আসে। ফলে মাঠের সিদ্ধান্ত বহাল থাকে। পরবর্তী বলেও আবেদন করা হলেও বাংলাদেশ আর রিভিউ নেয়নি।
নাঈম হাসানের বোলিংয়ের সময়ও একই ধরনের হতাশার মুহূর্ত দেখা দেয়। ব্রেন্ডন কিংয়ের বিরুদ্ধে এলবিডব্লিউর আবেদনে আম্পায়ার সাড়া না দিলে বাংলাদেশ রিভিউ নেয়। বল ট্র্যাকিংয়ে স্টাম্পে লাগার ক্ষেত্রে আম্পায়ারস কল আসে। ফলে কিংও বেঁচে যান। এসব সিদ্ধান্তের কারণে বাংলাদেশের বোলারদের হতাশা বাড়লেও আম্পায়ারস কলের নিয়ম অনুযায়ী মাঠের সিদ্ধান্তই বহাল থাকে।
যদিও আম্পায়ারিং নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, তবুও ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়ের কৃতিত্বকে অস্বীকার করা যায় না। ১৭০ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ব্রেন্ডন কিংয়ের অপরাজিত ৮১ রানের ইনিংসে ভর করে ৩৫.১ ওভারেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কাভেম হজ অপরাজিত থাকেন ৩১ রানে। ৮ উইকেটের এই জয়ে এক দিন হাতে রেখেই ম্যাচ শেষ করে ক্যারিবীয়রা।
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের স্পিনারদের মোকাবেলা করতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ হিমশিম খেয়েছিল। বাংলাদেশের ২৭২ রানের জবাবে তারা ২৪৫ রানে অলআউট হয়। নাঈম হাসান ৪ উইকেট নেন। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ২৭ রানের লিডও পেয়েছিল। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং বিপর্যয়ে সেই সুবিধা কাজে লাগাতে পারেনি স্বাগতিকেরা। তারা মাত্র ১৪২ রানে গুটিয়ে যায়, ফলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৭০ রান। নাঈমের ৫২ রানের লড়াকু ইনিংস ছাড়া বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে উল্লেখ করার মতো কোনো প্রতিরোধ ছিল না। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে রোস্টন চেজ ৫ উইকেট এবং জোমেল ওয়ারিক্যান ৪ উইকেট নেন।
এই হারের প্রভাব বাংলাদেশের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (ডব্লিউটিসি) লড়াইয়ে পড়েছে। ম্যাচের আগে বাংলাদেশ ৫৫.৫৬ পয়েন্ট শতাংশ নিয়ে চতুর্থ স্থানে ছিল। হারের পর পয়েন্ট শতাংশ নেমে ৪২.৮৬-এ চলে এসেছে, অবস্থানও নেমে গেছে পঞ্চম স্থানে। আর চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে ভারত!
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন