রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৫৪ পি.এম
ময়মনসিংহে ড্রামের ভেতর বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার হওয়া নিরঞ্জন ধর হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন—পিবিআই। পিবিআইয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অন্তরঙ্গ ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেল ও টাকা দাবি করায় ক্ষুব্ধ হয়ে নিরঞ্জন ধরকে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত শামীম মিয়া, যিনি ৩৮ বছর বয়সী, গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর সকালে ময়মনসিংহ নগরের বেগুনবাড়ী এলাকার স্লুইসগেটের পানিতে একটি ড্রামের ভেতর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় নিরঞ্জন ধরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রথমে তাঁর পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি, তবে মরদেহের প্যান্টের পকেটে থাকা একটি টোকেনের মাধ্যমে পরিচয় জানা যায়। নিহত নিরঞ্জন ধর নগরের স্টেডিয়াম এলাকায় স্ত্রী ও সন্তানসহ বসবাস করতেন এবং তিনি একটি সোনার দোকানে কাজ করতেন। তাঁর চারটি অটোরিকশাও ছিল।
অটোরিকশাগুলো খাগডহর এলাকার একটি গ্যারেজে রাখা হতো, যেখানে শামীম ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করতেন। এই সূত্রে নিরঞ্জনের সঙ্গে শামীমের ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে। পিবিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, শামীমের একটি অন্তরঙ্গ ভিডিও ধারণ করেছিলেন নিরঞ্জন। পরে ওই ভিডিও দেখিয়ে শামীমের কাছে টাকা দাবি করা হচ্ছিল এবং বিষয়টি তাঁর পরিবারের সদস্যদের জানিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। এভাবে ধাপে ধাপে প্রায় দুই লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে বলেও পিবিআই জানিয়েছে।
গত ২১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় শামীমের ভাড়া বাসায় গিয়ে আবারও টাকা দাবি করেন নিরঞ্জন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে শামীম ঘরে থাকা শিল দিয়ে নিরঞ্জনের মাথায় আঘাত করেন। পরে তাঁর মুখে কাপড় গুঁজে বঁটি দিয়ে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয় বলে পিবিআই জানিয়েছে। এতে নিরঞ্জনের মৃত্যু ঘটে। হত্যার পর মরদেহ একটি চটের বস্তায় ভরে বড় নীল রঙের চালের ড্রামের মধ্যে রাখা হয়। পরে একটি ইজিবাইকে করে ড্রামটি বেগুনবাড়ী স্লুইসগেটে নিয়ে পানিতে ফেলে দেওয়া হয় বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
ঘটনার পর পিবিআই ছায়া তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ২৭ সেপ্টেম্বর রাতে গাজীপুরের গাছা থানার বোর্ড বাজারের বটতলা এলাকার একটি মার্কেট থেকে শামীমকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পিবিআই জানায়, হত্যাকাণ্ডের পর শামীম বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন। পরে তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ময়মনসিংহ নগরের একটি ভাড়া বাসা থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত শিল ও বঁটি উদ্ধার করা হয়। পিবিআই ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান জানান, হত্যাকাণ্ডের পরপরই ছায়া তদন্ত শুরু করা হয়। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পিবিআই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) লাইব্রেরিতে শব্দ করে পড়াকে কেন্দ্র করে দুই শিক্ষার্থীর মধ্যে বাগ্বিতণ্ডার ফলস্বরূপ দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে, যার ফলে অন্তত ১০ জন আহত হন। আহতদের চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এই ঘটনা রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, লাইব্রেরিতে শব্দ করে পড়ার কারণে ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সাকিব এবং ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থী আবিরের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। পরে লাইব্রেরি থেকে নিচে নামার পর বিষয়টি হাতাহাতিতে রূপ নেয়। এক পর্যায়ে প্রক্টর কার্যালয়ে বিষয়টির সমাধান করা হয়।
এরপর দুপুর ২টার দিকে আইসিটি বিভাগের কিছু শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের দিকে যাওয়ার সময় সেখানে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের কয়েকজন আবাসিক শিক্ষার্থীর সঙ্গে আবারও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে দত্ত হলের শিক্ষার্থীরা আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীদের ধাওয়া দিয়ে প্রকৌশল অনুষদের দিকে সরিয়ে দেন।
কিছুক্ষণ পর, আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা লাঠিসোঁটা হাতে নিয়ে দত্ত হলের শিক্ষার্থীদের ধাওয়া করে হলের ভেতরে প্রবেশ করেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। এ সময় হলে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা তাদের প্রতিহত করার চেষ্টা করলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।
এ সংঘর্ষে দত্ত হল ও আইসিটি বিভাগের অন্তত ১০ জন শিক্ষার্থী আহত হন। পরে দত্ত হলের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক অবরোধ করে, যা প্রায় আধা ঘণ্টা ধরে যান চলাচল বন্ধ করে রাখে। প্রক্টরের আশ্বাস পাওয়ার পর তারা অবরোধ তুলে নেন।
আইসিটি বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ইফতেখার আহমেদ সরকার বলেন, ‘প্রক্টর কার্যালয়ে দুপুরের ঘটনার সমাধান হয়ে গিয়েছিল। এরপর আমরা কয়েকজন ক্লাস শেষে মেসে যাচ্ছিলাম। তখন কয়েকজন আমাদের ডেকে নিয়ে মারধর শুরু করে। পরে আমাদের শিক্ষার্থীরা বের হলে তারা আমাদের উসকানি দিয়ে হল পর্যন্ত নিয়ে যায়। এরপর সেখানে মারামারি হয়।’
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের আবাসিক শিক্ষার্থী সৌরভ কাব্য বলেন, ‘আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা আমাদের ধাওয়া দিয়ে হলের ভেতরে এসে মারধর করেছে। আমাদের ৬-৭ জন আহত হয়েছে। পরে তারা হলের ডাইনিং বয় ও পাহারাদারকেও মারধর করেছে।’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বলেন, ‘আমরা পুরো বিষয়টি দেখেছি। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে ঘটনার সুষ্ঠু বিচার করা হবে। আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা হলে গিয়ে মারধর করেছে—এ বিষয়টি তদন্ত করে আগে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এরপর পুরো ঘটনার বিষয়ে বিচার করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৌলভীবাজারের সিভিল সার্জন ডা. মামুনুর রহমানকে সোমবারের (২৮ সেপ্টেম্বর) মধ্যে প্রত্যাহার করার নির্দেশ দিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, যা দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগের প্রেক্ষিতে কার্যকর হয়েছে।
এই নির্দেশনা রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় বিষয়ক মতবিনিময়সভায় মন্ত্রী প্রদান করেন।
সভাটি জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, উন্নয়ন কার্যক্রম এবং জনসেবার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সভায় বলেন, "জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অবহেলা বা অনিয়ম বরদাশত করা হবে না।" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, স্বাস্থ্যসেবায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সিভিল সার্জন ডা. মামুনুর রহমানকে সোমবারের মধ্যে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী আরো বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তিনি সতর্ক করেন যে, সরকারি সেবায় কোনো ধরনের গাফিলতি বা অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা বিভাগের স্থানীয় সরকার পরিচালক মো. আজমুল হক ডেঙ্গু মশাকে ‘বেয়াদব’ মশা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, বেয়াদব ডেঙ্গু মশা এখন দিনে কামড়ায় এবং রাতেও কামড়ায়। শুধু পরিষ্কার পানিতে নয়, বরং ময়লা পানিতেও ডেঙ্গু মশার উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গোপালগঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ‘দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬’ এর আওতায় তিন মাসব্যাপী বিশেষ কর্মসূচির মশক নিধন কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
আজমুল হক আরও বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সকলকে সচেতন হতে হবে। বাড়িঘর, অফিস-আদালতসহ আশপাশের এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা প্রয়োজন এবং ব্যাপক জনসচেতনতা তৈরি করতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই ডেঙ্গুর বিস্তার রোধ করা সম্ভব।
গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. আজমুল হক। পরে তিনি বিশেষ অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল এলাকার জঙ্গল ও আবর্জনা পরিষ্কারের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
জেলা পরিষদ প্রশাসক শরীফ রফিক উজ্জামান মন্তব্য করেন, ডেঙ্গু মশা এখন সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। এরা দিনে-রাতে সবসময় কামড়ায়। তাই সকলকে সচেতন থাকতে হবে এবং নিজ নিজ অফিস, বাসাবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিউড অভিনেতা অনিল কাপুর জানিয়েছেন, তার স্ত্রী সুনিতা কাপুরকে বিয়ের পর কখনো রান্নাঘরে যেতে হয়নি। সম্প্রতি ‘ইন্ডিয়া কে টপ ১ পারসেন্ট’ অনুষ্ঠানে নিজের দাম্পত্য জীবনের একটি ঘটনা তুলে ধরতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন। অনিলের মতে, বিয়ের আগে সুনিতার একটি শর্ত তাকে আরো পরিশ্রম করে সফল হওয়ার অনুপ্রেরণা দিয়েছিল।
অনুষ্ঠানের একটি পর্বে, যখন এক প্রতিযোগী ঘরের কাজ থেকে দূরে থাকার ইচ্ছার কথা বলেন, তখন অনিল নিজের জীবনের উদাহরণ টেনে আনেন। তিনি জানান, বিয়ের আগে সুনিতা স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, বিয়ের পর তিনি রান্নাঘরে ঢুকবেন না।
অনিল বলেন, সুনিতা তাকে জানিয়েছিলেন, রান্নাঘরের দায়িত্ব নিতে না হলে তবেই তিনি তাকে বিয়ে করবেন। স্ত্রীর এই শর্ত শোনার পর অনিল ঠিক করেন, তাকে আরো কঠোর পরিশ্রম করে এমনভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে, যাতে সুনিতাকে রান্নাঘরের দায়িত্ব নিতে না হয়।
অভিনেতার দাবি, তিনি সেই দায়িত্ব নিয়েছিলেন এবং এখন পর্যন্ত সুনিতাকে রান্নাঘরে যেতে হয়নি। তার মতে, সুনিতার সেই শর্ত তার নিজের ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রেও এক ধরনের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছিল।
অনিল ও সুনিতার সম্পর্ক বিয়ের অনেক আগে থেকেই শুরু হয়েছিল। তাদের পরিচয় ঘটে ১৯৭৩ সালে। সেই সময় অনিল বলিউডে নিজের জায়গা তৈরি করার চেষ্টা করছিলেন, আর সুনিতা ছিলেন একজন প্রতিষ্ঠিত মডেল। এক বন্ধুর মাধ্যমে তাদের পরিচয় ঘটে এবং পরে ফোনে কথাবার্তার মাধ্যমে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়।
অনিল জানিয়েছেন, ফোনে বন্ধুত্বের পর তাদের সম্পর্ক ধীরে ধীরে প্রেমে পরিণত হয়। প্রায় ১১ বছর সম্পর্কের পর ১৯৮৪ সালে তারা বিয়ে করেন। দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনে সুনিতার সহযোগিতার কথা বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করেছেন অনিল।
ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে আর্থিকভাবে খুব একটা স্বচ্ছল ছিলেন না অনিল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সে সময় সুনিতা তাকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছেন। এমনকি তারা যখন ডেট করতেন, তখন অনেক সময় রেস্তোরার বিলও সুনিতাই পরিশোধ করতেন। অনিলের মতে, সে সময় তারা একে অপরের সঙ্গে দায়িত্ব ভাগ করে নিয়েছিলেন।
দাম্পত্য জীবনের ৪২ বছর পূর্তিতে সুনিতাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন পোস্ট করেছিলেন অনিল। তিনি জানিয়েছেন, তাদের বিয়েটি ছিল খুবই সাধারণ। কোনো বড় আয়োজন বা জমকালো অনুষ্ঠান ছিল না। পরিবারের সদস্য ও কাছের কয়েকজনকে নিয়ে অল্প সময়ের মধ্যে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছিল।
অনিল ও সুনিতার দাম্পত্য জীবনে তিন সন্তান—সোনাম কাপুর, রিয়া কাপুর ও হর্ষবর্ধন কাপুর। দীর্ঘ এই সম্পর্কের নানা সময়ে সুনিতার অবদান ও তার পাশে থাকার কথা প্রকাশ্যে বলেছেন অনিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ