ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মুখোমুখি অবস্থানে দুই ট্রেন, আতঙ্কে ঝাঁপ দিয়ে আহত চারজন


মুখোমুখি অবস্থানে দুই ট্রেন, আতঙ্কে ঝাঁপ দিয়ে আহত চারজন

বগুড়ার গাবতলীতে একই লাইনে মুখোমুখি চলে আসে দুটি ট্রেন। এর ফলে যাত্রীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রাণ বাঁচাতে চলন্ত ট্রেন থেকে লাফিয়ে পড়ে চার যাত্রী আহত হয়েছেন।

বুধবার (২৯ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সুখানপুকুর রেলস্টেশনে এ দুর্ঘটনা ঘঠে। তবে চালক ও স্টেশন কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপে অল্পের জন্য বড় রেল দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পান যাত্রীরা।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ট্রেনটি স্টেশনে প্রবেশ করার সময় বিপরীত দিক থেকে পদ্মরাগ ট্রেনও একই লাইনে চলে আসে। মুহূর্তের মধ্যে দুটি ট্রেনকে মুখোমুখি অবস্থায় দেখতে পেয়ে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। অনেকেই সম্ভাব্য সংঘর্ষের আশঙ্কায় চলন্ত ট্রেন থেকে লাফিয়ে পড়েন। এই ঘটনায় অন্তত চারজন আহত হন।

আরও পড়ুন: তাহিরপুরে প্রবাসীর স্ত্রী ও পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে উধাও নাজমুল, পরিবার উদ্বিগ্ন

খবর পেয়ে স্টেশন কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।

সুখানপুকুর রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার আব্দুল মতিন জানিয়েছেন, কলেজ ট্রেনকে সিগন্যাল ও লাইন ক্লিয়ার না দেওয়ার আগেই ট্রেনটি স্টেশনে প্রবেশ করায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এই ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব ও কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হবে।

আরও পড়ুন: সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের সঙ্গে ‘দাদা ভাই বাহিনী’র বন্দুকযুদ্ধে ৫ জেলে উদ্ধার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাসপাতালে দালাল চক্রের অপতৎপরতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:০১ পি.এম


হাসপাতালে দালাল চক্রের অপতৎপরতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বুধবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় মাতৃভাষা ইনিস্টিটিউটে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে বক্তৃতা প্রদান করেন। তিনি বলেন, সরকারি হাসপাতাল থেকে রোগী ভাগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দালাল চক্রের অপতৎপরতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে।

আজ বুধবার সকালে মাতৃভাষা ইনিস্টিটিউটে ‘বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার ঘাটতি নিরসন: সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবার উপযোগী সেবা নিশ্চিত করতে ব্যয় দক্ষতার একটি দ্রুত প্রতিষ্ঠানভিত্তিক মূল্যায়ন’ শীর্ষক গবেষণার ফলাফল প্রকাশের সময় এসব কথা বলেন তিনি। গবেষণাটি যৌথভাবে পরিচালনা করেছে পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেন্ট রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) এবং স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিট।

অনুষ্ঠানে পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করেন। স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের মহাপরিচালক ড. মো. এনামুল হক স্বাগত বক্তব্য দেন।

এই গবেষণাটি দেশের আটটি প্রশাসনিক বিভাগের প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও তৃতীয় পর্যায়ের ২২টি সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে পরিচালিত হয়েছে। গবেষণায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়ন এবং সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত নথিপত্র পর্যালোচনা করা হয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্ষমতা মূল্যায়ন করা হয়েছে।

এছাড়া ৯৫ জন কর্মকর্তার জ্ঞান, দৃষ্টিভঙ্গি ও পেশাগত চর্চা সম্পর্কে একটি জরিপও পরিচালিত হয়। স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক, জাতীয় পর্যায়ের নীতিনির্ধারক, সরবরাহকারী, শিক্ষাবিদ এবং রোগীদের সঙ্গে মোট ৩২টি সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জরিপভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর সামগ্রিক বাজেট ব্যবহারের হার ছিল ৮৫ শতাংশ। মাধ্যমিক পর্যায়ের স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে বাজেট বাস্তবায়নের হার ছিল সবচেয়ে কম, ৭৮ শতাংশ। অর্থবছর শেষে ৯৪ শতাংশ প্রতিষ্ঠানে অব্যয়িত অর্থ ছিল, তবে মাত্র ১১ শতাংশ এই অব্যবস্থাপনাকে উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেছে।

টেন্ডার প্রক্রিয়ার অনিয়ম বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রী বলেন, পছন্দের লোককে কাজ দেওয়ার জন্য টেন্ডারে অবাস্তব শর্ত যোগ করা হয়, যাতে নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানই ডাক পায়। উদাহরণস্বরূপ, পাঁচ বছরে ১০ হাজার কোটি টাকার ট্রানজেকশনের অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়। সোনার চামচ নিয়ে জন্ম নেওয়া কয়জন ব্যবসায়ী এই শর্ত পূরণ করতে পারবেন? এর মাধ্যমে মূলত প্রতিযোগিতা সীমিত করে পছন্দের পাত্রকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

স্বাস্থ্য খাতে অপ্রয়োজনীয় কেনাকাটা এবং কোটি কোটি টাকার সরকারি অর্থ অপচয়ের উদাহরণ তুলে ধরেন তিনি। আওয়ামী লীগ সরকার আমলে ১১ কোটি টাকার রেডিওথেরাপি মেশিন ১৮ কোটি টাকায় কেনা হয়েছিল। যেখানে বসানো হয়েছে, সেখানে প্রস্তুতিও ছিল না। কেন কেনা হয়েছিল? প্রতি মেশিনে ৪ থেকে ৬ কোটি টাকা লাভ ছিল। একটি ফরিদপুরে এবং অন্যটি খুলনায় পড়ে আছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে কারিগরি লোকবল ছাড়া এক্স-রে এবং অন্যান্য টেকনোলজির সরঞ্জাম কেনা হয়েছে, যা পরে ভাঙ্গারির কাছে বিক্রি করতে হয়েছে।

টেস্ট বাণিজ্য বন্ধের উদ্যোগের কথাও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, সরকারি হাসপাতালের দায়িত্বে থেকে পাশের ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা বন্ধ করতে হবে। এগুলো মনিটর করা হবে।

বিগত সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, গত চার বছরে যেখানে হামের টিকা দেওয়ার কথা ছিল, তারা টিকা সংগ্রহ করেনি। ২০২০ সালের ডিসেম্বরের পর কোনো ক্যাম্পেইন হয়নি। ইউনিসেফ যখন অনুরোধ করেছে, তখনও তারা টিকা কেনেনি। বর্তমান সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর হাম দেখা দিয়েছে। বর্তমানে যেসব শিশু হামে আক্রান্ত হচ্ছে, ৯৯% আনভ্যাক্সিনেটেড। তাই টিকাদান কর্মসূচিকে আরও বেগবান করা হয়েছে এবং সম্প্রতি ১ লাখেরও বেশি নতুন শিশুকে এর আওতায় আনা হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, আওয়ামী লীগ আমল থেকে একটি বিদেশি কোম্পানি চট্টগ্রাম ও ঢাকায় ডায়ালাইসিসের বাজার দখল করে রেখেছিল। নভেম্বরে তাদের চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে আর রিনিউ (নবায়ন) হবে না। সরকার নিজস্ব উৎস থেকে ডায়ালাইসিস মেশিন কিনবে, ফলে ডিসেম্বরের প্রথম থেকেই বৈদেশিক মুদ্রা বাঁচবে এবং সাধারণ মানুষ কম খরচে ডায়ালাইসিস সেবা পাবে। এছাড়া প্রতি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫০ শয্যার ডায়ালাইসিস সেন্টার এবং প্রতি জেলা হাসপাতালে ১০ শয্যার ডায়ালাইসিস কেন্দ্র চালু করা হচ্ছে।

দেশের নারীদের স্তন ক্যান্সার, জরায়ু ক্যান্সার এবং ডায়াবেটিসের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়া সত্ত্বেও মানুষের অসচেতনতা নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী যুগান্তকারী উদ্যোগের কথা জানান। দেশের ১০টি উপজেলা এবং ৯০টি ওয়ার্ডে পরীক্ষামূলকভাবে স্বাস্থ্যকর্মীদের সাইকেল, স্মার্টফোন এবং এআই সমৃদ্ধ ‘কিট বক্স’ প্রদান করা হবে। এটি আগামী তিন মাসের মধ্যে শুরু হবে। স্বাস্থ্যকর্মীরা মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে দৈহিক মাপ (উচ্চতা, ওজন), ডায়াবেটিস, রক্তচাপ এবং মেশিনের সাহায্যে রক্তের লিপিড প্রোফাইল, আরবিসি ও সিবিসি টেস্ট করবেন। পুরুষদের কাছে পুরুষ স্বাস্থ্যকর্মী এবং নারীদের কাছে নারী স্বাস্থ্যকর্মী যাবেন।

মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তিনি কঠোর বার্তা দেবেন, মন্ত্রণালয়ের কাজের জন্য অডিটের নামে এক টাকাও ঘুষ দেওয়া যাবে না। সৎ থাকলে কাউকেই ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই। আমাকে কেউ ভয় দেখাতে পারবে না, জেলে নিতে পারবে না। আপনি যদি সৎ থাকেন, অডিটে অনৈতিক টাকা চাইলেই দেওয়া বন্ধ করুন এবং সরাসরি আমার কাছে আসুন। পরিস্থিতি যা-ই হোক, আমি নিজে তা মোকাবেলা করবো।

হাসপাতালে নরমাল ডেলিভারির হার বাড়ানোর ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, হাসপাতালে সন্তানসম্ভবা মায়েদের সিজারিয়ান অপারেশনে বাধ্য করার প্রতারণামূলক ব্যবসা চলছে, তা বন্ধে কঠোর তদারকি চলছে। সিভিল সার্জন ও জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের সমন্বয়ে সারাদেশে প্রাইভেট ক্লিনিকগুলোতে সারপ্রাইজ ভিজিট ও তদারকি বাড়ানো হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী অপারেশন চালানোর জন্য ন্যূনতম আধুনিক যন্ত্রপাতি ছাড়াই অনেক ক্লিনিক ইতিমধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দিল আফরোজা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চিকিৎসার অভাবে থাকা অভিনেতা রতনের পাশে মুক্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:০৪ পি.এম


চিকিৎসার অভাবে থাকা অভিনেতা রতনের পাশে মুক্তি

হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পী ও ফাইট ডিরেক্টর সিরাজ উদ্দিন রতন। তিনি যে চিকিৎসার সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিয়েছেন, সেটি ঢাকাই চলচ্চিত্রের নামী নায়িকা রুমানা ইসলাম মুক্তি।

অসুস্থতার এই কঠিন সময়েও সহকর্মীর পাশে দাঁড়িয়ে মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন মুক্তি।

গত ২২ জুলাই হার্ট অ্যাটাকের পর রতনকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পরিবারের সদস্যদের জন্য চিকিৎসা খরচ বহন করা কঠিন হয়ে পড়লে, রুমানা ইসলাম মুক্তি এগিয়ে আসেন।

তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে, আইসিইউতে চিকিৎসা, ওষুধ এবং অন্যান্য ব্যয়ের দায়িত্ব নিয়েছেন মুক্তি।

নিজের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে রতন বলেন, ‘আমার এই খারাপ সময়ে মুক্তি ছায়ার মতো দাঁড়িয়েছে। নিয়মিত খোঁজখবর রাখা ও আমার চিকিৎসার সম্পূর্ণ খরচ বহন করছে। মুক্তির বাইরে অভিনেত্রী রঞ্জিতা সহযোগিতা করতে না পারলেও তিনি খোঁজখবর রাখছেন। কিন্তু আমার অসুস্থতার খবর জানার পর চলচ্চিত্রের আর কোনো মানুষ খোঁজ নেয়নি।’

এ বিষয়ে রুমানা ইসলাম মুক্তি বলেন, ‘আমাদের জীবনটা শুধু নিজেদের জন্য নয়। আমাদের চারপাশে যারা আছেন তাদের জন্যও কিছু দায়বদ্ধতা থাকে। আমি বিশ্বাস করি, সৃষ্টিকর্তা আমাদের যে সামর্থ্য দিয়েছেন, তা কেবল নিজেদের সুন্দরভাবে রাখার জন্য নয়, বরং বিপদের সময় অন্য মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য।’

তিনি আরও বলেন, ‘চলচ্চিত্র শিল্প আমার পরিবার। এখানে ক্যামেরার সামনে এবং পেছনে অনেক মানুষ দিন-রাত পরিশ্রম করেন। ফাইটার রতন মামাসহ এই ইন্ডাস্ট্রির যে কোনো সহযোদ্ধা কখনও সংকটে পড়লে, তাদের পাশে থাকা আমি আমার দায়িত্ব মনে করি।’

শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয় জীবন শুরু করেন সিরাজ উদ্দিন রতন। পরে অভিনয়ের পাশাপাশি ফাইট ডিরেক্টর হিসেবেও কাজ করে চলচ্চিত্র অঙ্গনে পরিচিতি পান। তাঁর অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ‘চোর’, ‘দাপট’, ‘নরম গরম’, ‘আপোষ’, ‘বিধাতা’, ‘আঞ্জুমান’, ‘মর্জিনা’, ‘গার্মেন্টস শ্রমিক জিন্দাবাদ’, ‘আমি ডন’, ‘রাজকপাল’ এবং ‘আলতাবানু’।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভোলার নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শনে পার্থ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:০৪ পি.এম


ভোলার নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শনে পার্থ

ভোলা সদর উপজেলার নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঙ্গে কথা বলেন ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয় (পার্টি BJP) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ।

পরিদর্শনের সময় তিনি বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত দল আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন বলে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তার কোনো বাস্তবতা নেই। জুলাই আন্দোলনের বাস্তবতা অস্বীকার করে রাজনীতিতে ফিরে আসা খুবই কঠিন।

তিনি বলেন, গত সোম ও মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে তিনি ভোলা সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের ভোলার খাল সংলগ্ন নদীভাঙন এলাকা ও আলীনগর ইউনিয়নে খাল খনন কাজ পরিদর্শন করেন এবং সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।

ব্যারিস্টার পার্থ বলেছেন, নিজ দল আওয়ামী লীগকে টিকিয়ে রাখতে শেখ হাসিনা বিভিন্ন সময়ে নানা ধরনের অসংলগ্ন বক্তব্য দিচ্ছেন; এটি শুধুমাত্র রাজনৈতিক বক্তব্য ছাড়া আর কিছু নয়। এসব কথার কোনো বাস্তবতা নেই।

জুলাই আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি উল্লেখ করেন, জুলাইকে অস্বীকার করে রাজনীতিতে ফিরে আসা অত্যন্ত কঠিন হয়ে যাবে। যে রক্ত, যে আত্মত্যাগ এবং মানুষের যে মানসিকতা তৈরি হয়েছে, তা অস্বীকার করে রাজনীতির প্রসঙ্গ চিন্তাও করা কঠিন। দুই বছর আগের জুলাই আন্দোলনের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, সেই সময় তারও রিমান্ডে থাকার অভিজ্ঞতা ছিল। অনেকেই তখন একই অবস্থার মধ্য দিয়ে গেছেন।

পরিদর্শনের সময় স্থানীয় বাসিন্দারা পার্থ'র কাছে তাদের দীর্ঘদিনের নদীভাঙনের দুর্ভোগের কথা তুলে ধরেন। তারা দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

এ সময় সংসদ সদস্য ভাঙন পরিস্থিতি নিয়ে উপজেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমস্যা সমাধানে দ্রুত উদ্যোগ নেয়ার কথা বলেন।

আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, গত ১৭ বছর ধরে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ছিল, কিন্তু নদীভাঙন রোধে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। কেয়ারটেকার সরকারের সময়েও দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। যার ফলে আজ ভোলার মানুষের এই দুর্ভেाग।

তিনি আরও বলেন, নদীভাঙন শুধু ভোলার মানুষের বসতভিটাই নয়, কৃষিজমি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে হুমকির মুখে ফেলেছে। তাই স্থায়ী সমাধান ছাড়া এ সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব নয়।

পার্থ বলেন, আমরা সরকার গঠন করার আগে ভোলাকে নদীভাঙন থেকে রক্ষা করার অঙ্গীকার করেছি। তাই ভোলাকে রক্ষা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। সুতরাং আগামী একনেক বৈঠকে বড় বাজেট অনুমোদন হলে স্থায়ীভাবে নদীভাঙন রোধে কার্যকর প্রকল্প বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জিয়া উদ্দিন আরিফ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সজল কুমার দাস, জেলা BJP সভাপতি আমিরুল ইসলাম রতন, সম্পাদক মোতাছিম বিল্লাহ'সহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং দলীয় নেতৃবৃন্দ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দাপ্রধান পদে নিয়োগ পেলেন জে ক্লেটন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:০৫ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দাপ্রধান পদে নিয়োগ পেলেন জে ক্লেটন

যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রধান হিসেবে নিউইয়র্কের সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্টের অ্যাটর্নি এবং সাবেক সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) চেয়ারম্যান জে ক্লেটনকে সিনেট অনুমোদন দিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মনোনয়ন বিলম্বিত করার কয়েক সপ্তাহ পর, জে ক্লেটনের স্থায়ী পরিচালক হিসেবে নিয়োগ চূড়ান্ত হলো।

বুধবার (২৯ জুলাই) মার্কিন বার্তা সংস্থা এপির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

জে ক্লেটন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্টের অ্যাটর্নি এবং সাবেক সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) চেয়ারম্যান হিসেবে দলীয় লাইনে ৫১-৪৭ ভোটে অনুমোদন লাভ করেন।

রিপাবলিকানরা প্রথমে জুনে ক্লেটনের অনুমোদন সম্পন্ন করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সাবেক পরিচালক তুলসি গ্যাবার্ডের পদত্যাগের পর সাময়িকভাবে দায়িত্ব পাওয়া বিল পুল্টেকে কয়েক সপ্তাহ কাজ করার সুযোগ দিতে শুনানি পিছিয়ে দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

আবাসন খাতের সাবেক নিয়ন্ত্রক বিল পুল্টের গোয়েন্দা সংক্রান্ত অভিজ্ঞতা না থাকার কারণে দুই দলের সিনেটররাই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।

চলতি মাসের শুরুতে পুল্টের দায়িত্বকালেই হোয়াইট হাউস থেকে প্রদত্ত এক ভাষণে ট্রাম্প ২০২০ সালের নির্বাচনে পরাজয় নিয়ে তার আগে দাবি করা বিষয়গুলো পুনর্ব্যক্ত করেন। একসঙ্গে তিনি কিছু গোপন নথি প্রকাশ করেন, যা তার দাবিগুলোর সমর্থন করে বলেও উল্লেখ করেন।

ডেমোক্র্যাটরাও ক্লেটনের মনোনয়ন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। দু সপ্তাহ আগে অনুষ্ঠিত বিতর্কিত শুনানিতে তিনি ২০২০ সালের নির্বাচনে সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জয়ের বিষয়ে স্বীকার করতে অস্বীকৃতি জানান, যার ফলে তিনি দ্বিদলীয় সমর্থন হারান।

সিনেটের গোয়েন্দা কমিটিতে শীর্ষ ডেমোক্র্যাট ভার্জিনিয়ার সিনেটর মার্ক ওয়ার্নার শুনানি শেষে বলেন, শুরুতে তিনি ক্লেটনের মনোনয়নের প্রশংসা করলেও পরে তার অবস্থানে ‘গভীরভাবে হতাশ’ হয়েছেন।

ওয়ার্নার জানান, তিনি ক্লেটনের মনোনয়নের বিরুদ্ধে যাবেন। কিন্তু একইসঙ্গে তিনি স্বীকার করেন, পুল্টে ওই পদে থাকায় ডেমোক্র্যাটরা ‘কঠিন পরিস্থিতিতে’ ছিলেন।

ভোটাভুটির পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্লেটনের প্রশংসা করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেন, জে সবদিক থেকেই অসাধারণ এবং পরিচালক হিসেবে দারুণ কাজ করবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%