প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভোলা সদর উপজেলার নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঙ্গে কথা বলেন ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয় (পার্টি BJP) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ।
পরিদর্শনের সময় তিনি বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত দল আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন বলে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তার কোনো বাস্তবতা নেই। জুলাই আন্দোলনের বাস্তবতা অস্বীকার করে রাজনীতিতে ফিরে আসা খুবই কঠিন।
তিনি বলেন, গত সোম ও মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে তিনি ভোলা সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের ভোলার খাল সংলগ্ন নদীভাঙন এলাকা ও আলীনগর ইউনিয়নে খাল খনন কাজ পরিদর্শন করেন এবং সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।
ব্যারিস্টার পার্থ বলেছেন, নিজ দল আওয়ামী লীগকে টিকিয়ে রাখতে শেখ হাসিনা বিভিন্ন সময়ে নানা ধরনের অসংলগ্ন বক্তব্য দিচ্ছেন; এটি শুধুমাত্র রাজনৈতিক বক্তব্য ছাড়া আর কিছু নয়। এসব কথার কোনো বাস্তবতা নেই।
জুলাই আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি উল্লেখ করেন, জুলাইকে অস্বীকার করে রাজনীতিতে ফিরে আসা অত্যন্ত কঠিন হয়ে যাবে। যে রক্ত, যে আত্মত্যাগ এবং মানুষের যে মানসিকতা তৈরি হয়েছে, তা অস্বীকার করে রাজনীতির প্রসঙ্গ চিন্তাও করা কঠিন। দুই বছর আগের জুলাই আন্দোলনের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, সেই সময় তারও রিমান্ডে থাকার অভিজ্ঞতা ছিল। অনেকেই তখন একই অবস্থার মধ্য দিয়ে গেছেন।
পরিদর্শনের সময় স্থানীয় বাসিন্দারা পার্থ'র কাছে তাদের দীর্ঘদিনের নদীভাঙনের দুর্ভোগের কথা তুলে ধরেন। তারা দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
এ সময় সংসদ সদস্য ভাঙন পরিস্থিতি নিয়ে উপজেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমস্যা সমাধানে দ্রুত উদ্যোগ নেয়ার কথা বলেন।
আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, গত ১৭ বছর ধরে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ছিল, কিন্তু নদীভাঙন রোধে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। কেয়ারটেকার সরকারের সময়েও দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। যার ফলে আজ ভোলার মানুষের এই দুর্ভেाग।
তিনি আরও বলেন, নদীভাঙন শুধু ভোলার মানুষের বসতভিটাই নয়, কৃষিজমি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে হুমকির মুখে ফেলেছে। তাই স্থায়ী সমাধান ছাড়া এ সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব নয়।
পার্থ বলেন, আমরা সরকার গঠন করার আগে ভোলাকে নদীভাঙন থেকে রক্ষা করার অঙ্গীকার করেছি। তাই ভোলাকে রক্ষা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। সুতরাং আগামী একনেক বৈঠকে বড় বাজেট অনুমোদন হলে স্থায়ীভাবে নদীভাঙন রোধে কার্যকর প্রকল্প বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জিয়া উদ্দিন আরিফ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সজল কুমার দাস, জেলা BJP সভাপতি আমিরুল ইসলাম রতন, সম্পাদক মোতাছিম বিল্লাহ'সহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং দলীয় নেতৃবৃন্দ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন