ঢাকা শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পাঠকের আস্থায় এগিয়ে ‘দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তা’: সেরা প্রতিবেদকদের স্বীকৃতি


পাঠকের আস্থায় এগিয়ে ‘দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তা’: সেরা প্রতিবেদকদের স্বীকৃতি

পাঠকের কাছে বস্তুনিষ্ঠ, তথ্যনির্ভর ও সময়োপযোগী সংবাদ পৌঁছে দেওয়ার ধারাবাহিকতায় গত আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে ‘দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তা’র বিভিন্ন বিভাগে সেরা প্রতিবেদকদের নির্বাচন করা হয়েছে। রিপোর্টিং, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন, ফিচার, লাইভ ও মাল্টিমিডিয়া কনটেন্টসহ দুই মাসের সার্বিক কর্মকাণ্ড মূল্যায়ন করেই এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
সর্বাধিক লিড নিউজ ও ফিচার প্রদান করে সেরা হয়েছেন আল আমীন। সর্বাধিক সংখ্যক নিউজ প্রদান করে সেরা হয়েছেন খাইরুল ইসলাম হৃদয়। নিয়মিত ও তাৎক্ষণিক লাইভ রিপোর্টিংয়ে সেরা হয়েছেন রাসেল সরকার। মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টিংয়ে সেরা হয়েছেন মোহাম্মদ ছিবগাতুল্লাহ। তথ্যভিত্তিক ও অনুসন্ধানী সংবাদ পরিবেশনে সেরা হয়েছেন মোরসালিন রহমান। এ ছাড়া ফটোকার্ড ও অনলাইন রিপোর্টিংয়ে সেরা হয়েছেন সিজান খান।
এ বিষয়ে সম্পাদক আশরাফ ইকবাল বলেন, “আমাদের প্রতিটি সংবাদকর্মীর নিষ্ঠা ও শ্রমের মধ্য দিয়েই ‘দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তা’ আজ পাঠকের আস্থা অর্জন করেছে। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই আমাদের ফলোয়ার সংখ্যা প্রায় চল্লিশ হাজারে পৌঁছেছে এবং ভিউ হয়েছে প্রায় ৫ কোটি, যা প্রমাণ করে মুন্সিগঞ্জের মানুষ আমাদের সংবাদের ওপর কতটা আস্থা রাখেন। এই স্বীকৃতি শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং পুরো টিমের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। ভবিষ্যতেও আমরা মুন্সিগঞ্জের মানুষের কথা সাহসের সঙ্গে তুলে ধরে যাব।”
সংবাদকর্মীদের কাজের মূল্যায়ন ও উৎসাহ প্রদানের অংশ হিসেবে প্রতি দুই মাস পরপর এই স্বীকৃতি দিয়ে আসছে ‘দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তা’ কর্তৃপক্ষ। নির্বাহী সম্পাদক বর্ষন মোহাম্মদের প্রত্যাশা, এই সাফল্য ভবিষ্যতে আরও দায়িত্বশীল, সাহসী, বস্তুনিষ্ঠ ও পাঠকনির্ভর সাংবাদিকতায় সহকর্মীদের অনুপ্রেরণা জোগাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাংবিধানিকভাবে দায়মুক্তি পাচ্ছেন জুলাইযোদ্ধারা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৫২ এম


সাংবিধানিকভাবে দায়মুক্তি পাচ্ছেন জুলাইযোদ্ধারা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সংবিধান সংশোধন কমিটির সভাপতি সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করার পাশাপাশি এর বীর রাজনৈতিক ও সাধারণ অংশগ্রহণকারীদের (জুলাই যোদ্ধা) জন্য সুনির্দিষ্ট তফসিলে আইনি ও সাংবিধানিক সুরক্ষা বা দায়মুক্তি দিতে যাচ্ছে সরকার।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত কমিটির বিশেষ কমিটির ষষ্ঠ বৈঠক শেষে তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন। কমিটির পক্ষ থেকে পরিষ্কার করা হয়েছে, রাজনৈতিক দলগুলোর স্বাক্ষরিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এর ভিত্তিতে এই নতুন সংবিধান সংশোধনী বিল সংসদে উপস্থাপন করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, জুলাই জাতীয় সনদে যেভাবে সব রাজনৈতিক দল নোট অব ডিসেন্টসহ স্বাক্ষর করেছে, ঠিক সেভাবেই এটি বাস্তবায়নে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। একই সঙ্গে, আগামীতে সংবিধানে কিছু পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা রয়েছে, যার মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্প্রতিষ্ঠা এবং সাংবিধানিক সংশোধনীতে জনগণের সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করতে গণভোটের বিধান পূর্ণাঙ্গভাবে পুনর্বহাল করা হবে।

তিনি জানান, আজকের ষষ্ঠ বৈঠকে মোট ৬৩ জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন। সময়ের সীমাবদ্ধতার কারণে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তালিকা থেকে (জুলাই যোদ্ধাদের) প্রতিনিধি হিসেবে শহীদদের মা-বাবা, ভাই এবং আহতদের বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তারা মূলত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সাংবিধানিক স্বীকৃতি, বিশেষ করে জুলাই ঘোষণাপত্রের প্রাসঙ্গিক বিষয়গুলো সংবিধানের উপযুক্ত স্থানে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন। অনেকে এটি প্রস্তাবনায় যুক্ত করার প্রস্তাবও দিয়েছেন। এর জবাবে কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জুলাই জাতীয় সনদ প্রণয়নকালে যেসব রাজনৈতিক দল ও শক্তি একমত হয়েছে, সেভাবেই সংবিধানে তা ধারণ করা হবে। তাদের সমস্ত প্রস্তাব লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

জুলাই যোদ্ধাদের আইনি ও সাংবিধানিক সুরক্ষার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ইতঃপূর্বে অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে যে আইন করা হয়েছিল তা বহাল রয়েছে। তবে বিচারিক বাধ্যবাধকতা ও আইনি জটিলতা এড়াতে তফসিলে সুনির্দিষ্ট জায়গা নির্ধারণ করে জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি ও সাংবিধানিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে। এ ছাড়া, গণঅভ্যুত্থানকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ, গণহত্যা এবং শেখ হাসিনাসহ তার দোসরদের বিচারের গতি দ্রুত করার বিষয়ে তারা জোর দাবি জানিয়েছেন। সরকার ও আদালত বিচার কার্যক্রমে স্বাধীন হলেও তদন্ত, প্রসিকিউশন এবং চার্জ গঠনের মতো বিচারসহায়ক কাজগুলো যেন দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন করা যায়, সে বিষয়ে সরকার সম্পূর্ণ আন্তরিক বলে আস্বস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি দণ্ডবিধির অধীনে অন্যান্য আদালতে চলমান মামলাগুলো নিবিড় তদারকির মাধ্যমে নিষ্পত্তির আশ্বাস দেওয়া হয়।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় দীর্ঘ ছয়-সাত মাসের আলোচনার ভিত্তিতে একটি জাতীয় ঘোষণাপত্র প্রণীত হয়েছিল, যাতে ফ্যাসিবাদবিরোধী সব রাজনৈতিক দল একমত পোষণ করে। সংবিধানের তফসিলে এটিকে এমনভাবে ধারণ করা হবে যাতে এটি আইনি রূপ পায় এবং জুলাই যোদ্ধারা সাংবিধানিক দায়মুক্তি ও নিরাপত্তা পান।

বিরোধী দলগুলোর রাজনৈতিক অবস্থান ও মন্তব্যের বিষয়ে তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো জাতীয় সনদে যেভাবে স্বাক্ষর করেছে, সরকার ঠিক সেই অনুযায়ী কাজ করছে। নোট অব ডিসেন্ট ছাড়া সনদ বাস্তবায়নের কোনো সুযোগ নেই, কারণ ঐক্যমত্য সেভাবেই হয়েছিল। জাতীয় স্বার্থে এবং নির্বাচনী ইশতেহারের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করে একটি সর্বজনগ্রাহ্য বিল সংসদে জমা দেওয়া হবে।

সংবিধানে গণভোট ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অতীতে যে গণভোটের কথা বলা হয়েছিল তা ছিল আইনি গণভোট। কিন্তু সামনে যে পরিবর্তনগুলো আসছে, সেগুলো পুরোপুরি সাংবিধানিক বাধ্যতামূলক গণভোট। সংবিধানের প্রস্তাবনা, অনুচ্ছেদ ৮-এ উল্লিখিত মূলনীতি, অনুচ্ছেদ ৪৮, ৫৬ এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার মতো বিষয়গুলোতে মৌলিক পরিবর্তন আনতে হলে সংশোধনের পর রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের আগেই জনগণের রায়ের জন্য গণভোটের আয়োজন করতে হবে। পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ১৪২ অনুচ্ছেদ থেকে গণভোটের বিধান তুলে দেওয়াকে হাইকোর্ট ইতোমধ্যে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেছেন। আইনের ‘ডকট্রিন অব ইক্লিপস’ বা গ্রহণ তত্ত্বের আলোকেও ওই বাতিলের সিদ্ধান্ত দূর হয়ে আগের আইনি অবস্থা বহাল হয়েছে। সংসদে এটি পুরোপুরি প্রতিস্থাপিত হলে গণভোটের বিষয়টি আর কোনো প্রশ্নের মুখে থাকবে না।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার কাঠামোর বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করেন যে, ১৯৯৬ বা ২০০৬ সালের আগের অনুকরণে হুবহু কিছু করা হচ্ছে না। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান কে হবেন এবং কোন প্রক্রিয়ায় অন্তর্বর্তীকালীন এই সরকার গঠিত হবে, তা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সরকার বর্তমানে সমাজের সব স্তরের মানুষ, সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন, বিচারক, সাবেক বিচারপতি, সংবিধান বিশেষজ্ঞ এবং শিক্ষাবিদদের মতামত গ্রহণ করছে। অতীতে বিতর্কিত হওয়ায় রাষ্ট্রপতির কাছে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধানের দায়িত্ব অর্পণের শেষ অপশনটি বাদ দেওয়ার পক্ষে সরকারের অবস্থান রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর বাইরে কেউ রাজপথে লংমার্চ বা কর্মসূচি পালন করলে সেটি তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার হিসেবে গণ্য হবে, তবে চূড়ান্ত সাংবিধানিক সিদ্ধান্ত সংসদের আলোচনার মধ্য দিয়েই নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় ৪৬৫ জন গ্রেপ্তার, পিস্তল ও ইয়াবা উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৫২ এম


রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় ৪৬৫ জন গ্রেপ্তার, পিস্তল ও ইয়াবা উদ্ধার

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৬৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে ৭৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযানের সময় পিস্তল-ইয়াবা সহ কয়েক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রমনা বিভাগে ২১ জন, লালবাগ বিভাগে ৫৫ জন, ওয়ারী বিভাগে ৫৯ জন, মতিঝিল বিভাগে ৭৫ জন, তেজগাঁও বিভাগে ৬০ জন, মিরপুর বিভাগে ১১৪ জন, গুলশান বিভাগে ২৯ জন, উত্তরা বিভাগে ৪২ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অভিযানের সময় ১টি বিদেশি পিস্তল, ২টি ম্যাগাজিন, ৮ রাউন্ড গুলি, ৪টি ছুরি, ১টি স্টিলের কাটার, ২৪৮৪ পিস ইয়াবা, ২ কেজি ৩৬০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন আলামত ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে এবং তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তুরস্কের সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন ড. শফিকুর রহমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:০২ পি.এম


তুরস্কের সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন ড. শফিকুর রহমান

বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ঢাকা ছেড়ে তুরস্কের ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগ দিতে রওনা হয়েছেন। তিনি বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তুরস্কের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন।

ডা. শফিকুর রহমান সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, যা ‘সেকেন্ড ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন বাংলাদেশ স্টাডিজ’ নামে পরিচিত। সম্মেলনের প্রতিপাদ্য বিষয় হলো ‘বাংলাদেশ ২.০-এর সংস্কারের বহুমাত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং তুরস্ক-বাংলাদেশের সহযোগিতার নতুন দিগন্ত’ এবং এটি ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে।

সম্মেলনটি ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয় ও সেন্টার ফর পলিসি অ্যান্ড সোশ্যাল রিসার্চ (সিপিএসআর) যৌথভাবে আয়োজন করছে। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, সম্মেলনটি ৯ ও ১০ অক্টোবর ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে। এতে বাংলাদেশ, তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশের শিক্ষাবিদ, নীতিনির্ধারক, কূটনীতিক, গবেষক এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করবেন।

সম্মেলনের আলোচনায় বাংলাদেশের সংস্কারপ্রক্রিয়া, ‘বাংলাদেশ ২.০’, শাসন ও নীতিনির্ধারণ, মানবাধিকার, টেকসই উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জলবায়ু সহনশীলতা এবং তুরস্ক-বাংলাদেশ সম্পর্কের মতো বিষয়গুলোর উপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। আয়োজকদের প্রকাশিত কর্মসূচিতে এসব বিষয়কে আলোচনার ক্ষেত্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

সম্মেলন শেষে ডা. শফিকুর রহমান সউদী আরবে যাবেন এবং সেখানে পবিত্র ওমরাহ পালন করবেন। সফর শেষে আগামী ১১ অক্টোবর সকালে তিনি দেশে ফেরার পরিকল্পনা করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান যুদ্ধে আট মাসে ৮১ যুদ্ধবিমান-ড্রোন-হেলিকপ্টার খুইয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:০৮ পি.এম


ইরান যুদ্ধে আট মাসে ৮১ যুদ্ধবিমান-ড্রোন-হেলিকপ্টার খুইয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে আট মাসের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ৮১টি যুদ্ধবিমান, সামরিক ড্রোন ও হেলিকপ্টার হারিয়েছে বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই সমরযানের মধ্যে এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল, এফ-৩৫এ লাইটনিং-২, এ-১০ থান্ডারবোল্ট-২, ই-৩ সেন্ট্রি, এমকিউ-৯ রিপারসহ বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধবিমান এবং সামরিক উড়োজাহাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মার্কিন কংগ্রেসের গবেষণা সংস্থা কংগ্রেশনাল রিসার্চ সার্ভিসের (সিআরএস) সর্বশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

সিআরএসের হালনাগাদ হিসাব অনুযায়ী, গত মে মাসে প্রকাশিত প্রতিবেদনের পূর্ববর্তী সংস্করণে মার্কিন সমরযানের ক্ষয়ক্ষতির সংখ্যা ৪২টি ছিল। তবে সর্বশেষ হিসাবে এই সংখ্যা বেড়ে ৮১টিতে দাঁড়িয়েছে। তবে মে মাসের পর যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে ৩৯টি সমরযান হারিয়েছে—এমনটি বোঝায় না। নতুন তথ্য পাওয়া এবং আগে নথিভুক্ত না হওয়া ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা তালিকায় যুক্ত হওয়ায় এই সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

সিআরএস জানিয়েছে, তাদের এই হিসাব চূড়ান্ত নয়। নতুন তথ্য পাওয়া গেলে কিংবা আগে রিপোর্ট না হওয়া ক্ষয়ক্ষতির বিষয় শনাক্ত হলে তালিকায় পরিবর্তন আসতে পারে। এছাড়া তালিকায় থাকা সব উড়োজাহাজ যে স্থায়ীভাবে ধ্বংস হয়েছে, তাও নয়; কিছু ক্ষতিগ্রস্ত বিমান মেরামতের পর আবার সামরিক কাজে ফিরেছে।

সর্বশেষ তালিকায় সবচেয়ে বেশি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোনের সংখ্যা রয়েছে। নজরদারি, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ব্যবহৃত এই ড্রোনের অন্তত ৪৫টি হারানো বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তালিকায় আরও রয়েছে ১২টি এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল, দুটি এ-১০ থান্ডারবোল্ট-২ এবং একটি এফ-৩৫এ লাইটনিং-২ যুদ্ধবিমান।

এফ-১৫ই যুদ্ধবিমানগুলোর কিছু ক্ষতির ঘটনা বিশেষভাবে উল্লেখ করেছে সিআরএস। ২ মার্চ কুয়েতের আকাশে নিজেদের বাহিনীর ‘ফ্রেন্ডলি ফায়ারে’ তিনটি এফ-১৫ই ভূপাতিত হয়। ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান চলাকালে আরও একটি এফ-১৫ই ধ্বংস হয়। এছাড়া সেপ্টেম্বরে জর্ডানের মুওয়াফফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে ইরানের হামলায় আটটি এফ-১৫ই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

মার্চে ইরানের হামলার সময় একটি এফ-৩৫এ লাইটনিং-২ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও পরে সেটি মেরামত করে পুনরায় সামরিক কার্যক্রমে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। ফলে সিআরএসের ৮১টির তালিকাকে পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাওয়া সমরযানের সংখ্যা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির তালিকায় একটি এমকিউ-৪সি ট্রাইটন, তিনটি এমকিউ-১ সিরিজের ড্রোন, একটি এএইচ-৬৪ অ্যাপাচি, চারটি এএইচ-৬ লিটল বার্ড এবং একটি এমএইচ-৬০ সিহক হেলিকপ্টারও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। পাশাপাশি ই-৩ সেন্ট্রি ও এমসি-১৩০জে কমান্ডো-২-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ উড়োজাহাজও ক্ষতিগ্রস্ত বা হারানোর তালিকায় রয়েছে।

বিশেষ করে ই-৩ সেন্ট্রির ক্ষতি মার্কিন বাহিনীর জন্য তাৎপর্যপূর্ণ। এই উড়োজাহাজ আকাশপথে নজরদারি, আগাম সতর্কতা এবং কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর মাধ্যমে যুদ্ধক্ষেত্রে আকাশ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং বিভিন্ন সামরিক ইউনিটের মধ্যে সমন্বয় করা হয়।

সিআরএসের হিসাব অনুযায়ী, আট মাসে মার্কিন সমরযানের এই ক্ষয়ক্ষতির আর্থিক মূল্যও বড়। ক্ষতিগ্রস্ত বা হারানো যুদ্ধবিমান, ড্রোন ও হেলিকপ্টারসহ বিভিন্ন সামরিক উড়োজাহাজ প্রতিস্থাপন ও মেরামতে যুক্তরাষ্ট্রকে বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হবে।

সিআরএসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধের পরিস্থিতি পরিবর্তন এবং নতুন তথ্য প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে মার্কিন সমরযানের ক্ষয়ক্ষতির এই সংখ্যা আরও বাড়তে বা পরিবর্তিত হতে পারে। ফলে ৮১টি উড়োজাহাজের হিসাবকে এখন পর্যন্ত প্রকাশ্য তথ্যের ভিত্তিতে পাওয়া সর্বশেষ সংখ্যা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২১
ইশা ০৬:৩৩
সূর্যোদয় : ০৬:০৩ সূর্যাস্ত : ০৫:২১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%