ঢাকা শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ব্রেস্ট ক্যান্সার প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান চিফ হুইপের


ব্রেস্ট ক্যান্সার প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান চিফ হুইপের

ঢাকা, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬ : জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি মন্তব্য করেছেন যে, ব্রেস্ট ক্যানসার প্রতিরোধের জন্য জনসচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণ অত্যন্ত জরুরি। নারীর স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব স্তরে সচেতনতামূলক কার্যক্রমের সম্প্রসারণ প্রয়োজন।

আজ শুক্রবার রাজধানীর গুলশানে একটি হোটেলে ট্যালেন্ট শার্পনার আয়োজিত ‘পিংক ওয়েলবিয়িং: আ জার্নি অব ব্রেস্ট ক্যান্সার’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘স্ট্রংগার টুগেদার ফর আ হেলদিয়ার টুমরো’。

চিফ হুইপ উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ হলো দেশের জনগণ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণকে দক্ষ, সুস্থ এবং স্বাবলম্বী মানবসম্পদে পরিণত করতে কাজ করে যাচ্ছেন। দেশের অর্ধেকের বেশি জনগণ নারী, তাই নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন: বিএনপি এমপির আহ্বান: ইয়াবা, হেরোইন নির্মূলে ঐক্যবদ্ধ হোন

তিনি আরও বলেন, ‘ব্রেস্ট ক্যান্সার ও সার্ভাইক্যাল ক্যান্সার নারীদের জন্য একটি বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি। নারী শিক্ষার্থী ও তরুণীদের প্রজনন স্বাস্থ্য, রোগের লক্ষণ এবং প্রতিরোধ সম্পর্কে সচেতন করা প্রয়োজন। পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিষয়ক সামাজিক ট্যাবু ও সংকোচ দূর করতে হবে।’

চিফ হুইপ সরকারি স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং মেডিকেল কলেজে এসব রোগ সম্পর্কে সচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, বিশেষজ্ঞদের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব ও কর্মপরিকল্পনা পেলে তা প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা হবে। নারীদের প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণ, নিয়মিত পরীক্ষা এবং সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণে উৎসাহিত করতে হবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সম্পৃক্ত করে সহজবোধ্য এবং নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যতথ্য প্রচারের আহ্বান জানিয়ে চিফ হুইপ বলেন, একজন মা সুস্থ থাকলে পরিবার ও সমাজ সুস্থ থাকে। তাই ব্রেস্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত নারী এবং সুস্থ হয়ে ওঠা নারীদের পাশে দাঁড়ানো সবার সামাজিক দায়িত্ব।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে সংসদ সদস্য বিথিকা বিনতে হোসাইন উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: সরকারকে সহযোগিতা করতে বিরোধী দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানালেন প্রিন্স

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের অংশগ্রহণে প্যানেল আলোচনায় ব্রেস্ট ক্যান্সারের লক্ষণ, রোগ শনাক্তকরণ, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা, চিকিৎসা এবং রোগীদের করণীয় বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অনৈতিক সুবিধার অভিযোগে ২৮ পুলিশ সদস্য ক্লোজড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৯ পি.এম


অনৈতিক সুবিধার অভিযোগে ২৮ পুলিশ সদস্য ক্লোজড

বেতন ভাতার বাইরে অনৈতিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগে থানাসহ বিভিন্ন ইউনিটের ক্যাশিয়ার হিসেবে পরিচিত ২৮ জনকে একযোগে ক্লোজড (প্রত্যাহার) করা হয়েছে। এদের মধ্যে পুলিশের বাবুর্চি থেকে শুরু করে এসআই পর্যন্ত সদস্য রয়েছেন।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয় থেকে এই পদক্ষেপটি গ্রহণ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, খুলনা রেঞ্জের আওতাধীন বিভিন্ন জেলা ও ইউনিটে কর্মরত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও অনৈতিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগের ভিত্তিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। খুলনা, বাগেরহাট, যশোর, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন থানা এবং ইউনিটের সদস্যদের নাম এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রাপ্ত তালিকায় থানা ছাড়াও ট্রাফিক ও গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত সদস্যদের নাম রয়েছে।

পুলিশের দায়িত্ব আইন প্রয়োগ, অপরাধ প্রতিরোধ এবং নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে যদি কোনো সদস্য ব্যক্তিগত স্বার্থে অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ করে, তাহলে তার প্রভাব পুরো বাহিনীর ওপর পড়ে। বিশেষ করে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মামলা গ্রহণ, তদন্ত কিংবা অভিযানের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজে অর্থ বা অন্য কোনো সুবিধার বিনিময়ে পক্ষপাতের অভিযোগ উঠলে আইনের প্রতি মানুষের আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে অপরাধীরা সুযোগ পায়, আর সাধারণ মানুষ পুলিশের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সেবা পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়ে।

বিশ্লেষকদের মতে, পুলিশ সদস্যদের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করার অন্যতম উদ্দেশ্য হলো তাদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে উৎসাহিত করা। কিন্তু আর্থিক সুবিধা বৃদ্ধির পরও যদি কোনো সদস্য অনৈতিক উপায়ে বাড়তি সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেন, তাহলে তা শুধুমাত্র ব্যক্তিগত অসততার বিষয় নয়; বাহিনীর শৃঙ্খলা ও জবাবদিহির কাঠামোর দুর্বলতাকেও সামনে নিয়ে আসে। এ ধরনের প্রবণতা নিয়ন্ত্রণে শুধু বদলি বা ক্লোজ করার মতো প্রশাসনিক পদক্ষেপ যথেষ্ট নয়, অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা গ্রহণও জরুরি।

সংশ্লিষ্টদের মতে, পুলিশের প্রতি জনআস্থা বজায় রাখতে বাহিনীর অভ্যন্তরীণ জবাবদিহি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে অনৈতিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগ উঠলে তা দ্রুত তদন্ত করে সত্যতা নির্ধারণ করতে হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিভাগীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রযোজ্য ক্ষেত্রে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে দায়িত্বশীল ও পেশাদার পুলিশ সদস্যদের কাজের পরিবেশ এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও অত্যন্ত জরুরি।

খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি মো. রেজাউল করিম বলেন, দুর্নীতি, মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বর্তমান সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। এজন্য আগে বাহিনীর ভেতরে শুদ্ধি অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এ ধরনের অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে আনা এবং পুলিশের ওপর জনআস্থা তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করে। আইজিপি স্যারেরও কঠোর নির্দেশনা রয়েছে এ ধরনের অনৈতিক সুবিধা গ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের। সে ধারাবাহিকতায় খুলনা বিভাগে এমন শুদ্ধি অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফিফা নারী বিশ্বকাপের প্রাইজমানী দ্বিগুণ করেছে, ২০২৭ সালের জন্য বাড়ছে প্রস্তুতিমূলক অর্থ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৯ পি.এম


ফিফা নারী বিশ্বকাপের প্রাইজমানী দ্বিগুণ করেছে, ২০২৭ সালের জন্য বাড়ছে প্রস্তুতিমূলক অর্থ

ফিফা নারী বিশ্বকাপ ফুটবলের প্রাইজমানি পরিমাণ দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা করছে। তবে, পুরুষদের বিশ্বকাপের সঙ্গে সমতার লক্ষ্যে পৌঁছাতে এখনও অনেক দূর যেতে হবে।

২০২৩ সালের অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আসরে দলগুলোর জন্য মোট প্রাইজমানি ছিল ১০ কোটি ডলারের কিছু বেশি। পরবর্তী বিশ্বকাপ, যা ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হবে, সেখানে এই পরিমাণ বাড়িয়ে ২২ কোটি ডলার করা হচ্ছে। এটি যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠিত পুরুষদের বিশ্বকাপে দেওয়া অর্থের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ।

ফিফা সম্প্রতি ২০২৬ বিশ্বকাপ শেষে ৪৮ দলের জন্য ১৫০ কোটি ডলারের রেকর্ড আয়ের ঘোষণা করেছে। তবে ‘দ্য গার্ডিয়ান’ এবং ‘স্কাইয়ের’ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে, আগামী বছর ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত নারী বিশ্বকাপ পুরুষদের আসরের তুলনায় অনেক পিছিয়ে রয়েছে এবং ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর ঘোষিত লিঙ্গ সমতার লক্ষ্য অর্জনে এটি ব্যর্থ হয়েছে। এই গ্রীষ্মের টুর্নামেন্টে পুরুষ দলগুলোর জন্য মোট প্রাইজমানি ছিল ৬৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার।

২০২৩ সালে সম্প্রচার স্বত্ব বিক্রির সময় জটিলতা দেখা দেয়। বেশিরভাগ সম্প্রচার প্রতিষ্ঠান মনে করেছিল যে, পুরুষদের বিশ্বকাপের স্বত্ব কেনার মাধ্যমে তারা নারী বিশ্বকাপের স্বত্বও পেয়ে গেছে। তখন ইনফান্তিনো সম্প্রচারকদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছিলেন, “আমাদের লক্ষ্য অবশ্যই ২০২৬ সালের পুরুষ এবং ২০২৭ সালের নারী বিশ্বকাপে প্রাইজমানির ক্ষেত্রে সমতা আনা।”

ফিফা সভাপতি আরও উল্লেখ করেন, আমরা নিজেরাই এই লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি। ফিফা কেবল মুখের কথায় নয়, কাজের মাধ্যমেও এগিয়ে আসছে... তবে দুঃখের বিষয় হলো ইন্ডাস্ট্রির সবাই এই পথে হাঁটছে না। আমার প্রিয় বন্ধু সম্প্রচারক এবং স্পন্সরদের এই বিষয়ে আরও অনেক কিছু করতে হবে।

বিশ্বকাপ শুরুর সময় ইনফান্তিনোর এই অভিযোগ বাণিজ্যিক বাজারকে সন্তুষ্ট বা নড়াতে সক্ষম হয়নি, বরং অনেকেই এতে ক্ষুব্ধ হয়েছেন। কারণ, ফিফা আন্তর্জাতিক নারী ফুটবলে যতটুকু বিনিয়োগ করেছে, সমালোচকরা নিজেদের দেশের অভ্যন্তরীণ নারী ফুটবলে তার চেয়ে অনেক বেশি বিনিয়োগ করে আসছেন।

ফিফা ইতোমধ্যে নিশ্চিত করেছে যে, ২০২৭ সালের নারী বিশ্বকাপের দলগুলো পুরুষ বিশ্বকাপের দলগুলোর সমান প্রস্তুতিমূলক অর্থ পাবে। প্রতিটি দলের জন্য এই অর্থ দ্বিগুণ করে ২৫ লাখ ডলার করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রে গণকবরের প্রস্তুতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৫০ পি.এম


ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রে গণকবরের প্রস্তুতি

মার্কিন সেনাবাহিনী ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য বড় ধরনের সামরিক সংঘাত এবং তাতে বিপুল সংখ্যক সৈন্যের প্রাণহানির আশঙ্কায় ময়দানে সহযোদ্ধাদের গণকবর দেওয়ার জন্য বিশেষ মহড়া পরিচালনা করেছে। ১৯৫০-৫৩ সালের ঐতিহাসিক কোরীয় যুদ্ধের পর এই প্রথম আমেরিকান সেনারা এমন ধরনের অনুশীলনে অংশগ্রহণ করল। ওই যুদ্ধে প্রায় ৩৭ হাজার মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার পর পেন্টাগনের যুদ্ধরীতির ধরণ অনেকটাই পরিবর্তিত হয়েছিল।

পরবর্তী সময়ে ইরাক কিংবা আফগানিস্তান যুদ্ধে কোনো সেনাসদস্য নিহত হলে তার মরদেহ দ্রুত বিমানে করে দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হতো। তবে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে বজায় রাখা সেই নিয়ম থেকে সরে এসে মার্কিন ফৌজ এবার যুদ্ধের ময়দানে অস্থায়ী গণকবরের প্রস্তুতি ঝালাই করেছে। ওয়াশিংটন যখন মধ্যপ্রাচ্যে বিশেষ করে ইরানে হামলার পরিকল্পনা করছে, ঠিক তখনই নর্থ ক্যারোলাইনার ফোর্ট ব্র্যাগ সামরিক ঘাঁটিতে এই অভিনব অনুশীলন সম্পন্ন হয়।

মার্কিন সেনা সূত্রে জানা গেছে, ফোর্ট ব্র্যাগের থার্ড কোর সাসটেইনমেন্ট কমান্ড, ২০তম প্রকৌশলী ব্রিগেড এবং সামরিক চ্যাপ্লেন বা ধর্মীয় গুরুরা যৌথভাবে এই ড্রাইভে অংশ নেন। যুদ্ধের প্রচণ্ডতার মধ্যে দ্রুত এক্সক্যাভেটর ও বড় ভারী যন্ত্র ব্যবহার করে কীভাবে সুশৃঙ্খলভাবে মরদেহ কবর দেওয়া যায়, সেনাসদস্যরা তার কৌশলগত অনুশীলন করেছেন। মূলত নিহতদের শরীর যাতে অক্ষত থাকে এবং যুদ্ধ শেষে বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ায় পরিচয় নিশ্চিত করে পূর্ণ মর্যাদায় দেশে ফেরত পাঠানো যায়, সেভাবেই স্থায়ী ও অস্থায়ী সংরক্ষণের পদ্ধতিগুলো পরীক্ষা করে দেখা হয়।

মহড়ায় অংশ নেওয়া থার্ড কোর সাসটেইনমেন্ট কমান্ডের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ফার্স্ট ক্লাস সার্জেন্ট ডেলবার্ট রুয়েড জানান, সংঘাতের মুহূর্তে সহযোদ্ধাদের মরদেহ কীভাবে সর্বোচ্চ সম্মান ও নিয়মতান্ত্রিকতার সাথে ব্যবস্থাপনা করা যায়, তা খতিয়ে দেখতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, হঠাৎ আজ বা কাল যদি কোনো বড় যুদ্ধ বেঁধে যায়, তবে ময়দানে হুটহাট সিদ্ধান্ত না নিয়ে আগে থেকেই একটি বৈজ্ঞানিক ও পরীক্ষিত পদ্ধতি রাখা জরুরি, যাতে প্রতিটি সেনার মরদেহের নিখুঁত হিসাব রাখা যায়।

সেনাবাহিনীর ধর্মীয় গুরু এবং চ্যাপ্লেনরাও প্রায় দুই যুগের মধ্যে এই প্রথম রণক্ষেত্রে অস্থায়ী দাফনের ধর্মীয় রীতি ও সহায়তা সংক্রান্ত বিশেষ প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানকে কেন্দ্র করে যদি সত্যিই এক বিধ্বংসী যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে, তবে সেখানে আকাশপথে দ্রুত মরদেহ সরানোর সুযোগ নাও থাকতে পারে। সম্ভাব্য সেই ভয়াবহ পরিণতি এবং বিপুল প্রাণহানির কঠিন বাস্তবতার সামনে দাঁড়িয়ে পেন্টাগন এমন নজিরবিহীন প্রস্তুতি সেরে রাখছে।

সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬ শেষ, ২১২টি অপারেশন পরিচালনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৫০ পি.এম


মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬ শেষ, ২১২টি অপারেশন পরিচালনা

ঢাকা, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬ : দেশের জাতীয় সম্পদ ইলিশের নিরাপদ প্রজনন, বংশবিস্তার ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী পরিচালিত ‘মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬’ গতকাল বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে।

সরকার ঘোষিত ৮ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ২২ দিনের এই অভিযানটি নৌবাহিনীর নিয়মিত টহল ও অপারেশনের মাধ্যমে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। অভিযানের সময় ২১২টি অপারেশন পরিচালনা করা হয়, যার ফলে ৮৪ লাখ ২১ হাজার ৬৭০ মিটার ও ১৬৬টি বিভিন্ন ধরনের অবৈধ জাল, ৪টি বোট, ৫৭০ কেজি মা ইলিশ জব্দ করা হয় এবং ৬ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। জব্দকৃত সামগ্রীর মোট ভিত্তিমূল্য ৬১ কোটি ১৮ লাখ ৩ হাজার ৮৯০ টাকা।

‘মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬’ বাস্তবায়নে নৌবাহিনী দেশের ৯টি জেলায় প্রতিনিয়ত ৭টি জাহাজ ও কন্টিনজেন্টের মাধ্যমে টহল ও নজরদারি কার্যক্রম পরিচালনা করে। গভীর সমুদ্রে দেশি-বিদেশি মৎস্যযানের অবৈধ অনুপ্রবেশ ও নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ আহরণ প্রতিরোধে জাহাজ ও মেরিটাইম পেট্রোল এয়ারক্রাফটের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি নিশ্চিত করা হয়। এছাড়াও, নৌবাহিনীর বোট ও কন্টিনজেন্টসমূহ সমুদ্র, উপকূলীয় অঞ্চল এবং দেশের অভ্যন্তরীণ নদ-নদীসহ ইলিশের প্রধান প্রজনন স্থানসমূহ সংরক্ষণ কার্যক্রমে দায়িত্ব পালন করে।

স্থানীয় প্রশাসন, অন্যান্য বাহিনী, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড, নৌ পুলিশ ও মৎস্য অধিদপ্তরের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে অবৈধ ইলিশ আহরণ প্রতিরোধে বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে উদ্ধারকৃত অবৈধ জাল স্থানীয় প্রশাসনের উপস্থিতিতে ধ্বংস করা হয় এবং জব্দকৃত জাটকা মাছ স্থানীয় এতিমখানায় দান করা হয়।

এছাড়াও, নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারী ব্যক্তি ও মৎস্য আহরণে ব্যবহৃত বোটসমূহের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্থানীয় প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে প্রচার-প্রচারণা কার্যক্রমও পরিচালনা করা হয়।

উল্লেখ্য, সরকারের নির্দেশনার আলোকে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর এই ধরনের অভিযান মা ইলিশের নির্বিঘ্ন প্রজনন ও বংশবিস্তারের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির পাশাপাশি দেশের ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

নির্ধারিত নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হওয়ার ফলে জেলেরা পুনরায় স্বাভাবিকভাবে মৎস্য আহরণ ও জীবিকা নির্বাহের সুযোগ পাচ্ছেন। একই সঙ্গে দেশের সামুদ্রিক ও অভ্যন্তরীণ জলাশয়ের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ এবং টেকসই ব্যবস্থাপনার পথও সুগম হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২১
ইশা ০৬:৩৩
সূর্যোদয় : ০৬:০৩ সূর্যাস্ত : ০৫:২১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%