বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৪৬ পি.এম
দেশের জনগণ যখন নানা সংকটে রয়েছে, তখন প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য ও সংসদ সদস্যদের আর্থিক সুবিধা বৃদ্ধির কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হলে তার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি মন্তব্য করেন, ‘গোটা সমাজ একটি সংকটের মধ্যে রয়েছে। আর আমরা সংসদ সদস্যরা আমাদের সুযোগ-সুবিধা বাড়াবো? এটা প্রশ্নই ওঠে না। সরকারকে সতর্ক থাকতে হবে, এ ধরনের কোনো উদ্যোগ যেন গ্রহণ না করা হয়। যদি হয়, তাহলে আমরা সুস্পষ্টভাবে বিরোধিতা করবো।’
বুধবার রাজধানীর মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে বিট সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুর রহমান আরও বলেন, ‘আমরা সংসদ সদস্য হতে গিয়েছি জনগণের প্রয়োজনে, বেতনের বিনিময়ে সংসদ সদস্যগিরি করতে যাইনি। ১৮ কোটি মানুষের আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন হলে তখন সবার সঙ্গে অংশীদার হতে আমাদের আপত্তি থাকবে না।’
তিনি উল্লেখ করেন, ‘সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার আগে জামায়াতে ইসলামী সরকারি প্লট না নেওয়া এবং শুল্কমুক্ত গাড়ির সুবিধা না নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল। পরে সংসদে এ বিষয়ে সিদ্ধান্তও হয়েছে।’
‘আমরা বলেছিলাম, সরকারি প্লট নেবো না। সংসদ সদস্যদের শুল্কমুক্ত গাড়ি কেনার সুযোগ আছে, সেটাও নেবো না। আলহামদুলিল্লাহ, আমরা পেরেছি। সরকারি দলও একই সিদ্ধান্ত নেয়ায় তাদের অভিনন্দন জানিয়েছি,’ বলেন তিনি।
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘তারা সংসদকে জনগণের প্রত্যাশার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে চান। আমাদের কপাল-কিসমত গড়ার জন্য আমরা সংসদে যাইনি। সরকারি দল হোক, বিরোধী দল হোক- সবাই বলেছেন, আমি শাসক নই, সেবক হতে চাই। তাহলে শাসকের মানসিকতা থাকবে কেন? সেবকের মানসিকতা থাকা উচিত।’
সংসদে বিভিন্ন ইস্যুতে তাদের নোটিশ আলোচনার সুযোগ না পাওয়ার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘জ্বালানি, সার, বিদ্যুৎ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, শিশু ধর্ষণ ও হত্যা এবং নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিসহ বিভিন্ন বিষয়ে তারা দফায় দফায় নোটিশ দিয়েছেন। কিন্তু সব নোটিশ আলোচনায় আনা হচ্ছে না।’
তিনি জানান, ‘একটি অধিবেশনে তেলের সংকট নিয়ে তাদের নোটিশের পর সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের পাঁচজন করে সদস্য নিয়ে ১০ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল।’ তার মতে, কমিটি গঠনের পর মানুষের মধ্যে তৈরি হওয়া আতঙ্কও কমে যায়।
দেশের শিল্প ও বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতের সংকট নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন বিরোধীদলীয় নেতা। তিনি বলেন, উৎপাদন কমে গেলে শিল্পমালিকেরা সংকটে পড়বেন, শ্রমিক ছাঁটাই হতে পারে। এতে শুধু শ্রমিক নয়, তাদের পরিবারও অর্থনৈতিক ঝুঁকিতে পড়বে।
‘একজন লোক বিপদে পড়ার মানে একটা পরিবার বিপদে পড়া। তার সন্তানদের লেখাপড়া, খাওয়া-দাওয়া, চিকিৎসা- সবকিছুই বিপদে পড়ে যায়। এই জায়গাগুলো সত্যকে সত্য হিসেবে তুলে ধরা না হলে আমরা জনগণের স্বার্থ রক্ষা করতে পারব না,’ বলেন তিনি।
জামায়াতের সাম্প্রতিক লংমার্চ নিয়ে সমালোচনার জবাবে শফিকুর রহমান বলেন, ‘কর্মসূচিগুলো শান্তিপূর্ণ, নিয়মতান্ত্রিক ও সুশৃঙ্খলভাবে পালন করা হয়েছে।’ কর্মসূচি বানচাল করতে কেউ আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করে থাকলে তার দায় তাদের বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘আমি আগামীকাল লংমার্চ করবো, আর আজকে ককটেল ফুটাবো, বাসে আগুন দেবো, ঢাকাকে অস্থির করবো- এটা কোনো পাগলও করবে না। আমি তো চাইবো আমার কর্মসূচি সফল হোক।’
জামায়াতের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে যানবাহনে আগুন ও ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমাদের কর্মসূচি বানচাল করার জন্য যদি কেউ এ ধরনের প্যানিক পরিস্থিতি তৈরি করে থাকে, দায় তাদের।’
সাম্প্রতিক জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘এক লিটার জ্বালানির দাম ২০ টাকা বাড়লে এর প্রভাব শুধু গাড়িচালকের ওপর পড়ে না; পরিবহন ব্যয়, পণ্য পরিবহন ও বাজারদরেও এর প্রভাব পড়ে।’
তিনি বলেন, ‘বাইক চালক যে চাকরির পয়সা দিয়ে চলে, বাইক চালাতে হয়- সেই ভাইটা বোঝে ২০ টাকা বাড়লে তার কী হয়েছে। যাত্রীদের ওপর এর সরাসরি প্রভাব পড়ে। পণ্য পরিবহনে সরাসরি প্রভাব পড়ে। বাজারে সবকিছুর দাম বেড়ে যায়।’
সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা প্রসঙ্গে শফিকুর রহমান বলেন, ‘দেশের স্বার্থে গণমাধ্যমকে সত্য তুলে ধরতে হবে।’ তার অভিযোগ, কখনো কখনো কোনো বক্তব্যের অংশবিশেষ নিয়ে ‘ফটোকার্ড’ তৈরি করে প্রচার করা হয়, এতে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়।
তিনি বলেন, ‘আমি ইন্টারভিউতে যা বলি, ফটোকার্ডে তা আসে না। মিসলিড করা হয়। কাটপিস—লেজ নাই, মাথা নাই, মাঝখান থেকে শুধু পেট উঠিয়ে দেয়া হয়। এর মাধ্যমে মানুষ কনফিউজড হয়।’
সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কোনো গণমাধ্যমের ওপর অসঙ্গত আচরণ হলে সেটিও সংবাদমাধ্যমে তুলে ধরা প্রয়োজন। এতে সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে কথা বলার জন্য রাজনৈতিক দলগুলো একটি রেফারেন্স পাবে।
‘আপনাদের হাউস আপনি বলবেন না, তো আরেক হাউস বলুক। কেউ না কেউ বলুক। জিনিসটা যখন সারফেসে আসবে, তখন আমরা কথা বলার সুযোগ পাব,’ বলেন তিনি।
গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের ‘চতুর্থ স্তম্ভ’ হিসেবে উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, গণমাধ্যম ঠিক থাকলে রাষ্ট্রের অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহিও শক্তিশালী থাকে।
তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রের তিনটা সাংবিধানিক স্তম্ভ-সংসদ, নির্বাহী বিভাগ ও বিচার বিভাগ। সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত না হলেও এই তিনটার চেয়ে পাওয়ারফুল মিডিয়া। মিডিয়া ঠিক থাকলে বাকি তিন পিলারের মেরুদণ্ড সোজা থাকবে।’
গণমাধ্যমের মালিক ও সাংবাদিকদের মধ্যে ভালো বোঝাপড়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন তিনি। সাংবাদিকদের বেতন-বোনাস ও অন্যান্য অধিকার নিয়ে সংসদের ভেতরে এবং বাইরে কথা বলার আশ্বাস দেন।
সাংবাদিকদের নিজেদের সংগঠনের মাধ্যমে সমস্যাগুলো লিখিতভাবে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, ‘এসব সমস্যা পেলে তাদের পক্ষে সংসদে ও সংসদের বাইরে বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করা সহজ হবে।’
বিদেশ সফরের প্রসঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘বিরোধীদলীয় নেতা হওয়ার পর বিভিন্ন দেশে সফরে গেলেও তিনি সরকারি খরচে যাননি।’ রাষ্ট্রীয় অর্থের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে চান না বলেও জানান তিনি।
নিজের জন্য বরাদ্দ করা সরকারি বাসা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সেটি তাকে স্থায়ীভাবে দেয়া হয়নি; সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার দায়িত্ব পালনের জন্য ব্যবহারের সুযোগ দেয়া হয়েছে।’ সেখানে বিভিন্ন কূটনীতিক, ব্যবসায়ী, সংগঠন ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে তিনি বৈঠক করেন বলে জানান।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম মা'ছুম, মাওলানা আব্দুল হালিম, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য সাইফুল ইসলাম খান মিলন, মোবারাক হোসাইন, মোয়াযম হোসাইন হেলাল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ও সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদসহ দলটির কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার ধামরাইয়ে এক তরুণীর বাসা থেকে কাজী সাঈম নামের এক এইচএসসি পরীক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনার পর ওই তরুণী এবং তার মাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের পাচলক্ষী গ্রাম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, পাচলক্ষী গ্রামের ওই তরুণীর সঙ্গে কাজী সাঈমের দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। আজ সকালে তরুণীর বাড়িতে সাঈমের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে ধামরাই থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে। মৃত্যুর সঠিক কারণ এবং ঘটনার পেছনের রহস্য উদ্ঘাটনে সাঈমের প্রেমিকা এবং তার মাকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক করা হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা খান জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করার জন্য মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে। এই ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীতে ডেঙ্গু সংক্রমণের কারণে মৃত্যু অব্যাহত রয়েছে। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত পাঁচ দিনে ডেঙ্গু আক্রান্ত তিনজনের মৃত্যু ঘটেছে। একই সময়ে নতুন করে ১৩০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছেন ১০৭ জন।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা পর্যন্ত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন ১০৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী। গত জুলাই মাস থেকে ডেঙ্গুর প্রকোপ শুরু হওয়ার পর থেকে রাজশাহী মেডিকেল হাসপাতালে মোট ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শেখ শামিম আহমেদ জানিয়েছেন, ১৯ সেপ্টেম্বর হাসপাতালে নতুন করে ২০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হন। ওইদিন ১২ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পান। একই দিনে ডেঙ্গু আক্রান্ত মো. আনোয়ার মন্ডল (৫২) মারা যান। তার বাড়ি রাজশাহীর তানোর উপজেলায়। ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন এবং ১৯ সেপ্টেম্বর সকালে তার মৃত্যু হয়। হাসপাতালের তথ্যে তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে ডেঙ্গু আক্রান্ত উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে ২০ সেপ্টেম্বর হাসপাতালে নতুন করে আরও ৩১ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। ওইদিন ১৮ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন। একই দিনে ডেঙ্গু আক্রান্ত ১৬ বছর বয়সী সাথী রাণীর মৃত্যু ঘটে। তার বাড়ি রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায়। সাথী রাণী ১৯ সেপ্টেম্বর দুপুর দেড়টায় রামেক হাসপাতালে ভর্তি হন এবং ২০ সেপ্টেম্বর ভোরে তার মৃত্যু হয়।
অন্যদিকে ২১ সেপ্টেম্বর হাসপাতালে নতুন করে ২৬ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হন। একই সময়ে ২৭ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পান। ওইদিন ডেঙ্গুতে কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি। দিন শেষে হাসপাতালে ১০৪ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী চিকিৎসাধীন ছিলেন। ২২ সেপ্টেম্বর নতুন করে ২৯ জন ডেঙ্গু রোগী রামেক হাসপাতালে ভর্তি হন। এদিন ২৫ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পান। একই দিনে আব্দুল করিম (৪৫) নামে এক ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু ঘটে। এই সময়ে চিকিৎসাধীন ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেড়ে ১০৭ জনে পৌঁছায়।
জানা গেছে, আব্দুল করিম পেশায় কৃষক ছিলেন এবং তার বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার পোলাডাঙ্গা বটতলা এলাকায়। তিনি ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে রামেক হাসপাতালে ভর্তি হন এবং ২২ সেপ্টেম্বর সকালে তার মৃত্যু হয়।
সবশেষ বুধবার হাসপাতালে নতুন করে ২৪ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে ২৫ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এদিন নতুন কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। ফলে বর্তমানে হাসপাতালে ১০৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) আওতাধীন দেশের সকল সরকারি কলেজের চলমান ক্লাস রুটিনের বিষয়ে জরুরি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এই রুটিন নির্দিষ্ট ফরম্যাটে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মাউশিতে পাঠানোর জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) মাউশির একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, মাউশির আওতাধীন সব সরকারি কলেজের অধ্যক্ষদের তাদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের চলমান ক্লাস রুটিন পিডিএফ এবং ওয়ার্ড ফাইল আকারে তৈরি করতে হবে।
আরো পড়ুন
সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৫ দিনের ছুটির সুযোগ
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, রুটিন তৈরির সময় বাংলায় ইউনিকোড এবং ইংরেজিতে টাইমস নিউ রোমান ফন্ট ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। নির্ধারিত রুটিনটি আগামী ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মাউশির [email protected] ই-মেইলে পাঠাতে হবে।
বিষয়টিকে ‘অতীব জরুরি’ হিসেবে উল্লেখ করে অধিদপ্তর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কলেজগুলোকে কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেছে।
আরো পড়ুন
জানা গেল এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময়
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি জানিয়েছেন, ঝটিকা মিছিলের মাধ্যমে সমাজে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অস্থিরতা তৈরির যেকোনো চেষ্টা রাজনৈতিক ও প্রশাসনিকভাবে মোকাবেলা করা হবে।
আজ বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে জেলা প্রশাসন আয়োজিত আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিশেষ মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
মন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ একটি নিষিদ্ধ সংগঠন। তারা দেশের বিভিন্ন স্থানে ঝটিকা মিছিল বের করে সমাজে অস্থিরতা ও আতঙ্ক তৈরির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। ভবিষ্যতে কোনো অবস্থাতেই যেন কোনো বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি হতে না পারে, সেজন্য তাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক উভয়ভাবেই কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চট্টগ্রামের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনার বিষয় তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, শহরের প্রতিটি নাগরিকের স্বাভাবিক ও নিরাপদ জীবনযাপন নিশ্চিত করতে সরকার বেশ কিছু কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে।
আরো পড়ুন
২ কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার
তিনি বলেন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, মাদক নির্মূল ও পাহাড় কাটা বন্ধসহ জনস্বার্থে প্রয়োজনীয় কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। নগরী ও জেলার মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজাম, এরশাদ উল্লাহ ও সাঈদ আল নোমানসহ জেলা ও বিভাগীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ