শনিবার, ১২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৫৬ পি.এম
বরিশালের বাকেরগঞ্জে ভ্যানচালক সুমন সিকদার হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে স্থানীয় বিএনপি ও নিহতের স্বজনরা। হত্যাকাণ্ডের ৪৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি—এমন অভিযোগ তুলে দ্রুত আসামিদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার কবাই ইউনিয়নের চৌমাথা এলাকায় সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। পরে সেখান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি কবাই চৌমাথা থেকে শুরু হয়ে ইউনিয়নের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন বিক্ষোভকারীরা।
সংবাদ সম্মেলনে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কামরুল হাসান রুবেল সভাপতিত্ব করেন। এতে বক্তব্য দেন নিহত সুমনের মা মনোয়ারা বেগম, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাওসার হোসেন মন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুল হাসান, জাকির হাওলাদার ও বাবু মৃধা।
সংবাদ সম্মেলনে কামরুল হাসান রুবেল বলেন, “ভ্যানচালক সুমন সিকদারকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সন্ত্রাসীরা পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে। হত্যার ৪৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও হত্যাকারীদের কাউকেই পুলিশ গ্রেপ্তার করতে পারেনি। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সুমন হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার না করলে প্রশাসনের ব্যর্থতা তুলে ধরে বৃহত্তর আন্দোলন করা হবে।” তিনি হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।
নিহত সুমনের মা মনোয়ারা বেগম অভিযোগ করেন, তার ছেলে ভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তার দাবি, মনা তালুকদারের সঙ্গে তার ছেলের স্ত্রীর পরকীয়া সম্পর্ক ছিল এবং একপর্যায়ে মনা তার ছেলের স্ত্রীকে নিয়ে চলে যান। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পূর্বশত্রুতার জেরে বৃহস্পতিবার বাড়ির সামনে তার ছেলে সুমনকে হামলা চালিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
মনোয়ারা বেগমের অভিযোগ, রিগান হাওলাদার, মনা তালুকদার ও আরেকজন সুমন সিকদারসহ কয়েকজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার ছেলেকে কুপিয়ে হত্যা করেন। তিনি ছেলের হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ শাস্তি, এমনকি ফাঁসির দাবি জানান।
তিনি আরও বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর কবাই ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কামরুল হাসান রুবেল আইনগত সহযোগিতাসহ তাদের পরিবারের পাশে রয়েছেন এবং বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করছেন।
বিক্ষোভকারীরা বলেন, একজন ভ্যানচালককে প্রকাশ্যে হত্যার ঘটনায় দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও আসামিরা গ্রেপ্তার না হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তারা দ্রুত তদন্ত শেষ করে জড়িতদের গ্রেপ্তার এবং আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
তাদের পক্ষ থেকে প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তার করা না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) নবনির্মিত বাফার সার গুদামের স্থান নির্বাচন নিয়ে খোদ উদ্বোধন অনুষ্ঠানেই তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে। গুদামটি নদীপথ থেকে দূরবর্তী এলাকায় নির্মাণ করায় ভবিষ্যতে সার পরিবহনে সরকারের বিপুল পরিমাণ অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হবে বলে দাবি করেছেন দায়িত্বশীল কৃষি কর্মকর্তা।
নতুন এই বাফার গুদামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে খামারবাড়ী, বরিশালের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোসাম্মৎ মরিয়ম জমি অধিগ্রহণ ও সার্বিক স্থান নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তোলেন। তিনি উক্ত সিদ্ধান্তকে 'ভুল' উল্লেখ করে কড়া সমালোচনা করেন।
বক্তব্যে মোসাম্মৎ মরিয়ম বলেন, "সার দ্রুত সংরক্ষণ ও সুলভ পরিবহনের ক্ষেত্রে গুদামের ভৌগোলিক অবস্থান অত্যন্ত কৌশলগত ও গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে মূলত নদীপথেই বড় পরিসরে সার পরিবহন করা হয়। ফলে বাফার গুদাম নদীর তীরবর্তী অঞ্চলে হওয়া আবশ্যক ছিল।"
তিনি আরও জানান, নবনির্মিত এই গুদামটি নিকটস্থ নদী থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এর ফলে নদীপথে সার আনয়নের পর তা নৌযান থেকে নামিয়ে পুনরায় সড়কপথে গুদামে পৌঁছাতে হবে। এই অতিরিক্ত পথ ও দ্বিমুখী ব্যবস্থাপনার কারণে পরিবহন ব্যয় বহুগুণ বেড়ে যাবে, যার প্রত্যক্ষ আর্থিক চাপ পড়বে সরকারি কোষাগারের ওপর।
সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি গুদাম নির্মাণের পূর্বে নদীপথের নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ, পরিবহন খরচ এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিচালন ব্যয় পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু এই প্রকল্পের ক্ষেত্রে এসব বিষয় যথাযথভাবে বিবেচনা করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে এখন বড় ধরনের প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। নদী থেকে অতিরিক্ত দূরত্বের এই নীতিগত সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত সার সরবরাহ শৃঙ্খলে (Supply Chain) কতটা নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে সচেতন মহলে জোর আলোচনা চলছে।
উল্লেখ্য, নতুন এই বাফার গুদামের সুসংগঠিত উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিসিআইসির চেয়ারম্যান মো. মাহমুদুর রহমানসহ সংস্থাটির উচ্চপদস্থ একাধিক কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। বিসিআইসির শীর্ষ কর্তাদের উপস্থিতিতেই স্থান নির্বাচন নিয়ে কৃষি বিভাগের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার এমন প্রকাশ্য সমালোচনা প্রশাসনিক সমন্বয়হীনতাকেই স্পষ্ট করে তুলছে।
জমি অধিগ্রহণের পূর্বে নদীপথের সুবিধা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিচালনা ব্যয়ের যৌক্তিকতা বিসিআইসি কতটুকু খতিয়ে দেখেছিল—তা এখন বড় জিজ্ঞাসার বিষয়। এ বিষয়ে বিসিআইসি বা সংশ্লিষ্ট প্রকল্প কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘদিনের সমস্যা নিরসন, সব জাতিগোষ্ঠীর সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত, সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষা এবং বৈষম্যহীন স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় তিনটি বিশেষ উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে সরকার। এ উদ্যোগকে ঐতিহাসিক ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি)।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় রাঙামাটি শহরের কাঁঠালতলীর মৃধা ভবনে পিসিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সরকারের এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানায় সংগঠনটি।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে পিসিএনপির নেতৃবৃন্দ বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের স্থায়ী শান্তি, সম্প্রীতি, নিরাপত্তা ও সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকার ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কমিটি’, ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক নির্বাহী কমিটি’ এবং ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক পরামর্শক কমিটি’ গঠন করেছে। পাহাড়ের দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানে সরকারের এ উদ্যোগ নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে বলে তারা মন্তব্য করেন।
নেতৃবৃন্দ বলেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছরের ইতিহাসে পার্বত্য চট্টগ্রামের সাধারণ মানুষের অধিকার, নিরাপত্তা ও উন্নয়নকে সামনে রেখে এমন বহুমাত্রিক কাঠামো গঠনের উদ্যোগ অতীতে দেখা যায়নি। তিন স্তরের এসব কমিটি সমন্বিতভাবে কার্যকর ভূমিকা রাখলে পাহাড়ের দীর্ঘদিনের সমস্যা চিহ্নিত ও সমাধানের পাশাপাশি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে ভারসাম্য এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
পিসিএনপির নেতারা আরও বলেন, পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য শুধু উন্নয়ন নয়, প্রয়োজন সব সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, সাংবিধানিক অধিকার ও নিরাপদ সহাবস্থান নিশ্চিত করা। নতুন কমিটিগুলো দায়িত্বশীল ও কার্যকরভাবে কাজ করলে পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ আরও সুগম হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে নেতৃবৃন্দ বলেন, “পার্বত্য চট্টগ্রামে ধর্ম-বর্ণ ও জাতিগোষ্ঠী নির্বিশেষে সকলের সাংবিধানিক অধিকার, নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা পাহাড়ের মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পিসিএনপি রাঙামাটি জেলা শাখার সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিক, সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদের (পিসিসিপি) কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ও রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য মো. হাবীব আজম, পিসিসিপি রাঙামাটি জেলা সভাপতি তাজুল ইসলাম তাজ, সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর হোসেনসহ পিসিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
সংবাদ সম্মেলন শেষে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের সময় ও সহযোগিতার জন্য আয়োজকদের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালীতে থানা-পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদকদ্রব্যসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
থানা-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার দিবাগত রাত ও শনিবার ভোররাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। কাউখালী থানার এসআই মহিউদ্দিন, এসআই মাসুদ আল মামুন, এসআই দীপক বালা ও এসআই রহমতউল্লাহর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স এই অভিযান চালান।
অভিযানকালে উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাশুরী গ্রামের মঞ্জুর হোসেনের ছেলে আরিফ হোসেনক (২৫)কে ২০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেপ্তার করা হয়। অপরদিকে, শনিবার ভোররাতে উপজেলার চিরাপাড়া পারসাতুরিয়া ইউনিয়নের চিরাপাড়া গ্রামের সুলতান মোড়লের ছেলে সোহেল হোসেন (৩০)কে ৪০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের শেষে শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পিরোজপুর বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে গাঁজা ও ইয়াবাসহ দুইজনকে আমরা গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দিয়ে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)-এর যৌথ উদ্যোগে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে পাঁচ দিনব্যাপী ‘Entrepreneurship Development Training’ (উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ) শুরু হয়েছে। রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক তাহ্মিনা আখতারের দিকনির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্যোক্তা হওয়ার আগ্রহ সৃষ্টি, ব্যবসায়িক উদ্যোগ গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।
পাঁচ দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণে শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা উন্নয়ন, ব্যবসায়িক উদ্যোগ গ্রহণের প্রক্রিয়া, সম্ভাবনাময় ব্যবসায়িক ধারণা, ব্যবসা পরিচালনার কৌশল এবং উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের প্রস্তুত করার বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বাস্তবমুখী ব্যবসায়িক পরিকল্পনা ও উদ্যোগ গ্রহণে উৎসাহিত করা হবে। প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস সোবাহান এবং ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর হোসেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) পরিচালক (বিটিআই) ও জিএম (পরিকল্পনা ও গবেষণা) ড. মো. ফরহাদ আহমেদ। প্রশিক্ষনের কোর্স পরিচালক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. তানজিম হোসেন।
এছাড়াও রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ এর শিক্ষার্থী উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রশিক্ষন কমিটির আহবায়ক ও সমাজবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান জান্নাতুল মাওয়া মুন সহ উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যানবৃন্দ ও শিক্ষকবৃন্দ। বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) প্রশিক্ষকরা পাঁচ দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা উন্নয়নবিষয়ক বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করবেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আশা করছে, এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্যোক্তা হওয়ার মানসিকতা ও দক্ষতা বিকশিত হবে এবং ভবিষ্যতে তারা নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ