ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

১৫ বছর পরও ভুলে যাননি ১০০ টাকার দেনা, ছুটে এলেন শোধ করতে


১৫ বছর পরও ভুলে যাননি ১০০ টাকার দেনা, ছুটে এলেন শোধ করতে

শমসের আলী নামের এক বৃদ্ধ ১৫ বছর আগে বকেয়া থাকা ১০০ টাকা পরিশোধ করতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় এক ব্যক্তির বাড়িতে ছুটে এসেছেন। অন্যের পাওনা শোধ করাকে নিজের দায়িত্ব মনে করেই এ টাকা ফিরিয়ে দেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) আখাউড়া পৌর এলাকার খড়মপুরে এ ঘটনা ঘটেছে। ওই এলাকার বাসিন্দা খাদেম এয়ার সার্ভিসের স্বত্বাধিকারী এম এন এইচ খাদেম দুলালের পাওনা দিতে আসেন শমসের আলী।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার মজলিশপুর থেকে তিনি দুলাল খাদেমের খড়মপুরের বাড়িতে আসেন।

আরও পড়ুন: নাব্যতা সংকটে হবিগঞ্জের সুতাং নদী মরা খালে পরিণত

শমসের আলী জানিয়েছেন, ১৫ বছর আগে তিনি বিদেশি লোক পাঠানোসংক্রান্ত লেনদেন করেন দুলাল খাদেমের সঙ্গে। এই সময় তিনি ১০০ টাকা কম দিয়েছিলেন। ওই টাকা ফেরত দেওয়াটা জরুরি বলে মনে করছিলেন তিনি।

এই কারণে অনেকদিন পরে হলেও টাকাটা ফেরত দিতে এসেছেন। ঢাকায় বসবাসকারী দুলাল খাদেম মাঝে মাঝে শুক্রবার এলাকায় আসেন, এমন চিন্তা থেকেই এসেছেন। দুলাল খাদেম এ বিষয়ে বলেছেন, অনেক সময় লেনদেন করতে গিয়ে টাকা গুণে রাখা হয় না।

তিনি আরও জানান, ওই ব্যক্তির বেলায় এটাও হয়ে থাকতে পারে। তবে তাঁর কিছুই মনে নেই। শুক্রবার ওই লোক এসে তাঁর হাতে ১০০ টাকা বুঝিয়ে দিলে তিনি টাকাটা হাতে নিয়ে উনাকে দিয়ে বললেন, কিছু একটা যেন কিনে খায়।

আরও পড়ুন: বরিশালে দুই যুবককে মারধরের অভিযোগ বিএনপি নেতা ফারুকের বিরুদ্ধে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নতুন দায়িত্বে ৩ মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:২৭ এম


নতুন দায়িত্বে ৩ মন্ত্রী

 

রাজধানীর ইমারত নির্মাণ ও নগর উন্নয়ন সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন-বিধিমালা কার্যকর ও যুগোপযোগী করার জন্য সরকার ৩ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে। গতকাল বুধবার, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কমিটিবিষয়ক অধিশাখা থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকা মহানগরে ইমারত বিধিমালা কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আইনি কাঠামোকে আরো শক্তিশালী করতে The Building Construction Act, 1952 এবং The Town Improvement Act, 1953 পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধন, পরিমার্জন ও সুপারিশ প্রণয়নের জন্য এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কমিটির সভাপতি পদে নিযুক্ত করা হয়েছে। সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, কমিটি বিদ্যমান দুইটি আইন পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধন ও পরিমার্জনের সুপারিশ করবে, যার মাধ্যমে ঢাকা মহানগরের ইমারত বিধিমালা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হবে।

এছাড়া, প্রয়োজনে কমিটি নতুন সদস্য কো-অপ্ট করার ক্ষমতা রাখে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সভা সংগঠিত হবে। কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিমালার সংশোধনী প্রস্তাব মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করার কথা প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কেন্দুয়ায় ভেজাল কীটনাশক ও নকল সার তৈরির কারখানার সন্ধান: বিপুল সরঞ্জাম ধ্বংস, ব্যবসায়ীকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কেন্দুয়া (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি:

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৪০ এম


কেন্দুয়ায় ভেজাল কীটনাশক ও নকল সার তৈরির কারখানার সন্ধান: বিপুল সরঞ্জাম ধ্বংস, ব্যবসায়ীকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় প্যাকেটজাত ভেজাল কীটনাশক ও নকল সার তৈরির কারখানায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালিয়ে জরিমানা ও কারখানার তালা ভেঙে মালামাল ধ্বংসের ঘোষণার পরও থামেনি অসাধু চক্রের প্রতারণা। উল্টো অভিযোগ উঠেছে, অভিযানের সময় উদ্ধার করা বিপুল পরিমাণ ক্ষতিকর কাঁচামাল ও সরঞ্জামাদি আগুনে পুড়িয়ে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস না করে জনসমক্ষে লোক দেখানো নাটক করা হয়েছে। অভিযান শেষে পাশের একটি ঈদগাহ মাঠে এসব কাঁচামাল অবহেলা ও অরক্ষিত অবস্থায় স্তূপ করে রাখা হয়। পরবর্তীতে অসাধু ডিলার কৌশলে সেই মালামাল সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে পুনরায় অন্য স্থানে গোপন কারখানা বানিয়ে বিষাক্ত ও নকল সার-কীটনাশক তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে উপজেলার পাইকুরা ইউনিয়নের মিয়া হোসেন মার্কেট এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাঈম-উল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে বিশেষ এই তদারকি অভিযান পরিচালিত হয়।

১. অনুমোদিত ডিলারশিপের আড়ালে নকল সারের সাম্রাজ্য:
ভ্রাম্যমাণ আদালত ও স্থানীয় অনুসন্ধানে জানা যায়, ডিলারশিপের সুবাদে সাজানো ব্যাবসায়িক আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে ভেজাল কৃষি উপকরণ তৈরি করে আসছিলেন উপজেলার পেচুন্দুরী গ্রামের আবুল হোসাইনের ছেলে মো. আকাইদ হোসাইন। তিনি জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে নেত্রকোণার একজন অনুমোদিত বালাইনাশক ডিলারশিপ বাগিয়ে নিয়েছিলেন। তবে এই বৈধ ডিলারশিপের আড়ালে তিনি পাইকুরা ইউনিয়নের মিয়া হোসেন মার্কেটের দুটি গুদাম ভাড়া নিয়ে গোপনে একটি অবৈধ ভেজাল কারখানা গড়ে তোলেন।

ওই গুদামে অত্যন্ত নিম্নমানের রাসায়নিক, সাধারণ মাটি ও কৃত্রিম রং মিশিয়ে নামীদামি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের কৃষি কোম্পানির নাম ও লোগো নকল করে সার ও কীটনাশক প্যাকেটজাত করতেন তিনি। পরবর্তীতে কম দামে এসব ভেজাল ও ভুয়া ওষুধ প্রান্তিক কৃষকদের হাতে তুলে দিয়ে বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিলেন। এর ফলে স্থানীয় কৃষকেরা সস্তা ও নকল সার-কীটনাশক কিনে জমিতে প্রয়োগ করে চরম প্রতারিত হচ্ছিলেন এবং এক একরের পর এক একর জমির ফসল মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছিল।

২. ঝটিকা অভিযান ও আলামত জব্দ:
অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত হয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাঈম-উল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল মিয়া হোসেন মার্কেটে ঝটিকা অভিযান চালায়। অভিযানকালে আকাইদ হোসাইনের মালিকানাধীন দুটি গোডাউনের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করা হলে প্রস্তুতকৃত নকল কীটনাশকের সারি সারি প্যাকেট ও কেমিক্যাল দেখতে পাওয়া যায়। তল্লাশি চালিয়ে দুটি গুদাম থেকে প্রায় ২০০ বস্তা সার তৈরির কাঁচামাল, কীটনাশক মেশানোর ক্ষতিকর রাসায়নিক, বিভিন্ন স্বনামধন্য কোম্পানির নকল প্যাকেট, লেবেল এবং ১০ বস্তা প্রস্তুতকৃত বিষাক্ত ও নকল কীটনাশক উদ্ধার করা হয়।

ঘটনা সত্য প্রমাণিত হওয়ায় ও বালাইনাশক আইন, ২০১৮-এর ২৯(২) ধারায় অভিযুক্ত ব্যবসায়ী মো. আকাইদ হোসাইনকে নগদ ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। আকাইদ হোসাইন তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানার টাকা পরিশোধ করেন। এ মামলায় প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ উজ্জ্বল সাহা।

৩. ধ্বংসের নামে ‘নাটক’, ঈদগাহ থেকে মালামাল গায়েব!
অভিযানের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও কৃষি কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল যে উদ্ধারকৃত সব ভেজাল পণ্য ও সরঞ্জামাদি আগুনে পুড়িয়ে ভস্মীভূত করা হয়েছে। তবে স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও সংক্ষুব্ধ কৃষকদের অভিযোগ, বাস্তবে অধিকাংশ কাঁচামাল ও বস্তা পোড়ানোই হয়নি!

অভিযান শেষ হওয়ার পর উদ্ধার করা বিপুল পরিমাণ রাসায়নিক কাঁচামাল ও সরঞ্জাম ধ্বংসের নামে পাশের একটি ঈদগাহ মাঠে খোলা অবস্থায় স্তূপ করে রেখে প্রস্থান করে আভিযানিক দল। অভিযোগ উঠেছে, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনুপস্থিতির সুযোগে (কিংবা অভ্যন্তরীণ অদৃশ্য সমঝোতায়) অসাধু ব্যবসায়ী আকাইদ হোসাইন ওই রাতের আঁধারেই ঈদগাহ মাঠ থেকে যাবতীয় কাঁচামাল ও সরঞ্জাম নতুন একটি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেন। বর্তমানে সেই একই কাঁচামাল ও মোড়ক ব্যবহার করে তিনি পুনরায় বিপুল উদ্যমে ভেজাল সার ও বালাইনাশক তৈরি ও বাজারজাত শুরু করেছেন।

৪. চরম ক্ষুব্ধ কৃষক ও স্থানীয়রা:
অভিযানের পরও রহস্যজনক কারণে অসাধু ব্যবসায়ী আকাইদের কর্মকাণ্ড সচল থাকায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক প্রবীণ কৃষক আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, "ডিলার আকাইদের ১ লাখ টাকা জরিমানা তো সাধারণ বিষয়, একদিন নকল ওষুধ বেচলেই তাঁর এই টাকা উঠে যাবে! কথা ছিল জব্দ মালামাল আগুনে পুড়িয়ে ছাই করা হবে, তা না করে পাশে ঈদগাহে ফেলে রাখা হলো কেন? রাতেই তো মালামাল সব গায়েব হয়ে গেছে। এই ভুয়া অভিযানে কৃষকের কী লাভ হলো? আমাদের তো জমি ও ফসলের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েই যাচ্ছে।"

৫. কর্মকর্তা ও প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া:
অভিযান পরিচালনা শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাঈম-উল ইসলাম চৌধুরী বলেন, "কৃষি ও কৃষক আমাদের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী নিজেদের পকেট ভারী করতে ভেজাল কৃষি উপকরণ দিয়ে কৃষকদের সর্বশান্ত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। ভেজাল কাঁচামাল ও বাজারজাতকরণের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান জিরো টলারেন্স (শূন্য সহনশীলতা)। কৃষক রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।"

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ উজ্জ্বল সাহা জানান, "নকল সারের প্রভাবে জমির উর্বরতা মারাত্মকভাবে নষ্ট হয়। কৃষকদের প্রতি অনুরোধ, যেকোনো সার বা বালাইনাশক ক্রয়ের সময় সঠিক পাকা রসিদ সংগ্রহ করুন এবং কোথাও কোনো ভেজাল কারখানার তথ্য থাকলে সরাসরি উপজেলা কৃষি অফিসকে অবহিত করুন।"

তবে ঈদগাহ মাঠ থেকে জব্দকৃত কাঁচামাল গায়েব এবং পুনরায় কারখানা চালুর সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে উক্ত ডিলারের বিরুদ্ধে এবার সরাসরি নিয়মিত ফৌজদারি মামলা দায়েরসহ কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এবার নিজ দেশে বিধ্বস্ত যুক্তরাষ্ট্রের এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:২৬ এম


এবার নিজ দেশে বিধ্বস্ত যুক্তরাষ্ট্রের এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান দিয়েগোতে মেরিন কর্পসের একটি ঘাঁটির কাছে একটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। শুক্রবারের এই দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে একটি ছোট আকারের আগুনের সৃষ্টি হয়।

মার্কিন মেরিন কর্পসের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার ঘটনায় পাইলট সফলভাবে ইজেক্ট করে নিরাপদে বেরিয়ে আসেন। পরে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে কী কারণে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে, সে ব্যাপারে তাৎক্ষণিকভাবে কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।

জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার বিষয়ে ইরান দাবি করেছে যে, ৩টি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছে। দুর্ঘটনাটি ঘটেছে সান দিয়েগোর মেরিন কর্পস এয়ার স্টেশন মিরামারের কাছে। আকাশ থেকে তোলা ছবিতে দেখা গেছে, খোলা মাঠে ধোঁয়া ওঠা যুদ্ধবিমান এবং ঘটনাস্থলে দমকল ও উদ্ধারকারী দলের তৎপরতা। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে বিমানের কালো ধোঁয়া বের হতে এবং দমকলকর্মীদের আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করতে দেখা যাচ্ছে।

মেরিন কর্পস জানিয়েছে যে, আহত পাইলট মেরিন এয়ারক্রাফট গ্রুপ-১১, থার্ড মেরিন এয়ারক্রাফট উইং-এর সদস্য। তবে তার পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

মেরিন কর্পস এয়ার স্টেশন মিরামার সান দিয়েগো শহর থেকে প্রায় ১০ মাইল উত্তরে অবস্থিত। এই ঘাঁটিটিতে ১৫ হাজারের বেশি মেরিন, নৌসদস্য ও বেসামরিক কর্মী কর্মরত আছেন এবং এটি থার্ড মেরিন এয়ারক্রাফট উইংয়ের সদর দপ্তর।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে এই ঘাঁটির কাছাকাছি একটি এফ/এ-১৮ হর্নেট যুদ্ধবিমানও বিধ্বস্ত হয়েছিল। সে সময় পাইলট মেজর অ্যান্ড্রু মেটলার ইজেক্ট করার পরও প্রাণ হারান। এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী, নৌবাহিনী ও মেরিন কর্পস ব্যবহার করে। প্রতিটি এফ-৩৫-এর আনুমানিক মূল্য প্রায় ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এ ধরনের যুদ্ধবিমানের একাধিক দুর্ঘটনা আন্তর্জাতিকভাবে আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান, সিবিএস নিউজ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসলাম ও আরব স্টাডিজে যুক্তরাষ্ট্রের স্কুলে নতুন কারিকুলাম চালু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৪৮ এম


ইসলাম ও আরব স্টাডিজে যুক্তরাষ্ট্রের স্কুলে নতুন কারিকুলাম চালু

যুক্তরাষ্ট্রের কানেকটিকাট স্টেটে ইসলাম ও আরব স্টাডিজ পড়ানোর জন্য নতুন একটি আইন কার্যকর হয়েছে। এই আইনটিকে স্বাগত জানিয়েছেন কয়েকজন মুসলিম নেতা ও ডেমোক্র্যাট রাজনীতিবিদ। ছবিটি সংগৃহীত। নতুন এই আইন অনুসারে, স্কুলগুলোতে ইসলাম ও আরব স্টাডিজের জন্য পাঠ্য কারিকুলাম তৈরি করবে স্টেট শিক্ষা বোর্ড। কিছু দিন আগে কার্যকর হওয়া আইনটি একটি বৃহৎ বিলে ছোট একটি অংশ হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে। এই আইন অনুযায়ী, স্টেট বোর্ড অব এডুকেশন (এসবিই) ইসলাম ও আরব স্টাডিজের বিষয়ে কারিকুলাম তৈরি করে স্থানীয় স্কুল বোর্ডগুলোর কাছে সরবরাহ করবে। এর পাশাপাশি, স্কুলগুলোকে এসব বিষয় পাঠদানে উৎসাহিত করা হবে। যদিও উল্লেখযোগ্য যে, কারিকুলামের এ বিষয়গুলো পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা বাধ্যতামূলক নয়। চাইলে স্কুলগুলো নিজেদের পাঠ্যসূচিতে এসব বিষয় যুক্ত করতে পারবে। এর আগে কানেকটিকাটে আফ্রিকান-আমেরিকান ও কৃষ্ণাঙ্গ ইতিহাস, পুয়ের্তো রিকান ও লাতিনো স্টাডিজ, নেটিভ আমেরিকান স্টাডিজ, এশিয়ান আমেরিকান ও প্যাসিফিক আইল্যান্ডার স্টাডিজ এবং হলোকাস্ট ও গণহত্যা সচেতনতা বিষয়েও একই ধরনের পাঠ্যক্রম তৈরির বিধান রয়েছে। আইনটিকে স্বাগত জানিয়েছেন কয়েকজন মুসলিম নেতা ও ডেমোক্র্যাট রাজনীতিবিদ। কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনসে কানেকটিকাট শাখার চেয়ারম্যান ফরহান মেমন বলেন, "এর অর্থ এই নয় যে আগামী বছর সব স্কুলে আরবি বা ইসলামিক স্টাডিজ পড়ানো হবে। তবে কোনো স্কুল চাইলে স্টেটের তৈরি পাঠ্যক্রম ব্যবহার করে এসব বিষয় পড়াতে পারবে।" একই বিলের অন্য একটি ধারায় সরকারি স্কুলে ইহুদিবিদ্বেষ (অ্যান্টিসেমিটিজম) মোকাবিলায় ১৫ সদস্যের একটি ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। এই কমিটি শিক্ষার্থী, পরিবার, শিক্ষক ও স্কুল কর্মীদের প্রভাবিত করা ইহুদিবিদ্বেষ সংক্রান্ত বিষয়ে নির্দেশনা ও সহায়ক উপকরণ তৈরি করবে।

সূত্র: দ্য জেরুজালেম পোস্ট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%