০৯:৪৮ এম
যুদ্ধবিরতির সময়ে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় চার বছর বয়সী এক শিশুসহ দুজন নিহত হন। এ হামলায় আহতের সংখ্যা আরো সাতজন।
গাজা থেকে ড্রোন, ঘুড়ি ও বেলুন পাঠানোর অভিযোগ তুলে ইসরায়েল অঞ্চলটিতে হামলা আরো তীব্র করার হুমকি দিয়েছে।
রবিবার (২৩ আগস্ট) গাজার জাওয়াইদা শহরের একটি আবাসিক ভবনে এবং নিকটস্থ নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েল বিমান হামলা চালায়। এই হামলার ফলে চার বছরের শিশু মোহাম্মদ আবদেল-সালাম তাহাসহ বেশ কয়েকজন উড়ন্ত ধ্বংসাবশেষের আঘাতে গুরুতর আহত হন। শিশুটির মৃত্যু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঘটে।
আরও পড়ুন: জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবার মধ্যে তীব্র বাগবিতণ্ডা
ইসরায়েলি বাহিনী জানিয়েছে, ঘটনাগুলো তারা তদন্ত করে দেখছে। এর আগে দেইর আল-বালাহ শহরে হামাসের এক জ্যেষ্ঠ নেতাকে হত্যার কথা দাবি করে ইসরায়েল।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় জানিয়েছে, গাজা থেকে ড্রোন, ঘুড়ি ও বেলুন পাঠানো যদি বন্ধ না হয়, তাহলে সেখানে হামলা আরো বাড়ানো হবে এবং বেসামরিক নাগরিকদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে। এই অভিযোগটি প্রত্যাখ্যান করে হামাস নেতা বাসেম নাইম জানান, শিশুরা শুধুমাত্র ধ্বংসস্তূপের মধ্যে খেলার জন্য ঘুড়ি উড়াচ্ছে।
এদিকে, যুদ্ধবিরতি চুক্তি থাকা সত্ত্বেও ইসরায়েলি হামলায় গাজায় নতুন করে ১২০০-র বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। অপর একটি ঘটনায়, অধিকৃত পশ্চিম তীরে এক ইসরায়েলিকে ছুরিকাঘাতের জের ধরে পরিচালিত অভিযানে ১৪ বছর বয়সী এক ফিলিস্তিনি কিশোরকে গুলি করে হত্যা করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।
আরও পড়ুন: চীনে পাচারের চেষ্টা, ১২ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নারী উদ্ধার
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন