প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পানির সন্ধান চালানোর জন্য চীনের রোবোটিক মিশন ‘চাং’ই-৭’ নির্ধারিত সময়সূচিতে উৎক্ষেপণ করা যাচ্ছে না বলে চায়না ম্যানড স্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং অফিস জানিয়েছে।
চীনা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মিশনটি এই বছরের নির্ধারিত উৎক্ষেপণ উইন্ডোর মধ্যে পাঠানো সম্ভব নয়।
বেইজিং সময় রবিবার রাত কিংবা সোমবার সকালে উৎক্ষেপণের সম্ভাবনা থাকলেও শেষ মুহূর্তে তা স্থগিত করা হয়।
তবে এটি স্থগিত হওয়ার সঠিক কারণটি স্পষ্ট করা হয়নি। শুধু জানানো হয়েছে—লুনার প্রোবটি “উৎক্ষেপণের শর্ত পূরণ করছে না” এবং “সতর্কতা, নির্ভরযোগ্যতা ও সর্বোচ্চ সাফল্যের নিশ্চয়তার নীতিতে মূল্যায়নের পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”
যুক্তরাষ্ট্র ও চীন বর্তমানে চাঁদের দক্ষিণ মেরু নিয়ে একটি নতুন মহাকাশ প্রতিযোগিতায় লিপ্ত রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে ওই অঞ্চলের ছায়াময় গহ্বরে বিপুল পরিমাণ জমাট বাঁধা পানি থাকতে পারে যা ভবিষ্যতের মহাকাশ গবেষণা ও চাঁদে ঘাঁটি স্থাপনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হতে পারে।
এখন পর্যন্ত কোনো মিশন সরাসরি চাঁদের পানির উপস্থিতি বিশ্লেষণ করতে পারেনি, যা ‘চাং’ই-৭’ করার লক্ষ্য নিয়েছিল। যদিও যুক্তরাষ্ট্র স্যাটেলাইটের মাধ্যমে পানির বরফের সম্ভাব্য উপস্থিতি শনাক্ত করতে পেরেছে, তবে সরাসরি খনন বা নমুনা সংগ্রহ করতে পারেনি।
এর আগে ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কোম্পানি ইনটুইটিভ মেশিনস একটি পানি অনুসন্ধানী যন্ত্র পাঠালে, সেটি চাঁদের দক্ষিণ মেরুর দুর্গম ভূখণ্ডে অবতরণের সময় ব্যর্থ হয়।
চীনের এই মিশন স্থগিত হওয়া চলমান চাঁদ প্রতিযোগিতায় নতুন গতি আনার সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। আগামী বছর যুক্তরাষ্ট্র ও এর বেসরকারি মহাকাশ সংস্থাগুলোর একাধিক মিশন একই অঞ্চলে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এই মিশনগুলোর মধ্যে রয়েছে অ্যাস্ট্রোবোটিক টেকনোলজিস এবং জেফ বেজোসের ব্লু অরিজিনের প্রকল্প।
বিশেষজ্ঞদের মতে, চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি বরফের উপস্থিতি নিশ্চিত হলে তা ভবিষ্যতের মানববসতি, পানীয় জল, অক্সিজেন এবং এমনকি রকেট জ্বালানির উৎস হিসেবেও ব্যবহৃত হতে পারে।
সূত্র: সিএনএন
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন