শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৪৭ পি.এম
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের চিলমারিতে বৃহস্পতিবার দুপুরে কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের উদ্যোগে বন্যা দুর্গতদের জন্য ত্রাণ বিতরণ করতে যাওয়ার সময় পদ্মা নদীর মাঝখানে চিলমারির পোল্টির মোর নামক স্থানে হঠাৎ করে এক প্রচন্ড ঝড়ের সম্মুখীন হন।
এ ঘটনায় দৌলতপুর থেকে নির্বাচিত বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আলহাজ রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা, কুষ্টিয়া সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, জেলা বিএনপির সাবেক সেক্রেটারি, কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন, কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী মোঃ আব্দুল হাই সিদ্দিকী এবং জেলা ও দৌলতপুর উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন।
ঝড়ের সময় ট্রলার নৌকার মাঝি দক্ষতার সঙ্গে নৌকাটি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি ও ঝাউবুলিয়া বিলের বিভিন্ন চিংড়ি চাষের ঘের থেকে রাতের আঁধারে বিপুল পরিমাণ মাছ চুরির অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার কারণে চিংড়ি ঘের মালিকদের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
মৎস্য চাষী এবং এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা এলাকার কয়েকটি চিংড়ির ঘের থেকে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরে নিয়ে যায়। ঘের মালিকরা শুক্রবার সকালে গিয়ে মৎস্য ঘরের আটনের উপস্থিতি কম দেখতে পান।
পরে আশপাশে খোঁজ নিয়ে মাছ চুরির বিষয়টি নিশ্চিত হন তারা।
চিংড়ি ঘের মালিক আব্দুল মান্নান ও মাসুদ রেজা জানিয়েছেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে মাছ চাষ করে আসছেন। চুরির ঘটনায় তাদের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।
তারা বলেন, “অনেক কষ্ট ও বিনিয়োগের পর মাছগুলো বড় করেছি। রাতের আঁধারে এভাবে মাছ চুরি হয়ে যাওয়ায় আমরা খুবই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি।” স্থানীয় রাখেদুল ইসলাম ও মাহমুদ আলী খান জানান, প্রতি বছর এলাকার অনেক ঘেরে চুরির ঘটনা ঘটে থাকে।
কিন্তু চোর আটক করে প্রতিরোধের তেমন কোন উদ্যোগ দেখা যায়নি। এলাকায় রাতে পাহারার ব্যবস্থা না থাকায় মাছের ঘেরসহ বিভিন্ন বাসা বাড়ি ও দোকানে এ ধরনের চুরির ঘটনা ঘটে থাকে।
তারা দ্রুত চোরদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা চিংড়ি ঘের মালিকরা চেয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরের কাপাসিয়ায় ঢাকা-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কে ড্রাম ট্রাক এবং সিএনজিচালিত অটোরিকশার মধ্যে সংঘর্ষের ফলে দুইজনের মৃত্যু ঘটে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কাপাসিয়া উপজেলার টোক ইউনিয়নের বীরউজলী বাজার এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত শামীম মিয়া (৪৫) নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন এবং তিনি সিএনজিচালক হিসেবে কাজ করতেন। নিহত অন্য ব্যক্তির পরিচয় এখনও পুলিশ জানাতে পারেনি।
সালনা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহাবুর রহমান জানান, কাপাসিয়া থেকে যাত্রী নিয়ে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা কিশোরগঞ্জের দিকে যাচ্ছিল। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বীরউজলী বাজার এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ড্রাম ট্রাকের সঙ্গে সিএনজি অটোরিকশাটির মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এই সংঘর্ষের ফলে ড্রাম ট্রাক এবং সিএনজি সড়কের পাশে পড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই একজনের মৃত্যু ঘটে।
তিনি আরও জানান, অজ্ঞাত আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে তার মৃত্যু হয়। এই দুর্ঘটনায় মোট চারজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাট কিনে নৌকা নিয়ে ফেরার সময় ভারতের সীমান্তে চলে যাওয়ার কারণে আটক হওয়া পাঁচ বাংলাদেশিকে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ১১ দিন পর ফেরত দিয়েছে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) আলাইপুর ক্যাম্পের মাধ্যমে তাদের ফেরত দেওয়া হয়।
সূত্র থেকে জানা গেছে, ৭ সেপ্টেম্বর রাজশাহীর বাঘা সীমান্তের বাংলাবাজার এলাকা থেকে পাট কিনে ফেরার সময় ভুলবশত ভারতীয় সীমানায় প্রবেশ করে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার দুই মাঝিসহ তিনজন পাট ব্যবসায়ী। এ সময় বিএসএফ তাদের নৌকায় থাকা পাটসহ পাঁচজনকে আটক করে নিয়ে যায়। পরে বিজিবি আলাইপুর ক্যাম্পের সঙ্গে যোগাযোগ করলে ৯ সেপ্টেম্বর বিকালে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের পর জানানো হয় যে, তাদের ফেরত দেওয়া হবে না এবং সরকারিভাবে আবেদন করতে হবে।
এরপর আটকদের পরিবারের সদস্যরা রাজশাহী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবু সাইদ চাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সংসদ সদস্য আবু সাইদ চাঁদ ১৩ সেপ্টেম্বর সকালে রাজশাহীতে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার মনোজ কুমারের সঙ্গে বৈঠক শেষে আটকদের পরিবারের কাছে তাদের ফেরত আনার বিষয়ে আশ্বস্ত করেন। পরে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর বাংলাদেশ বিজিবি আলাইপুর ক্যাম্পের মাধ্যমে ১১ দিন পর বিএসএফ তাদের ফেরত দেয়।
মুক্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন—বাঘা উপজেলার আলাইপুর এলাকার গোলাম মোস্তফার ছেলে মোশারফ হোসেন (২২), ইউনুস মণ্ডলের ছেলে শাহাবুল আলী (৪২), শাজাহান আলীর ছেলে বাবর আলী (৪৫) এবং একই এলাকার নৌকার মাঝি জামাল হোসেনের ছেলে আসাদুল ইসলাম (৪১) ও সামাদ আলীর ছেলে সাইফুল ইসলাম (৫৮)।
বিএসএফের হাত থেকে মুক্তিপ্রাপ্ত মোশারফ হোসেনের পিতা গোলাম মোস্তফা বলেন, "এমপি ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনারের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। এর আগে তিনি ফিরে আনার ব্যাপারে আশ্বাস দিয়েছেন।"
এদিকে মুক্তিপ্রাপ্ত আসাদুল ইসলামের ভাই সাহারুল ইসলাম জানান, "আমার ভাইসহ পাঁচজন ভারতের রানীনগর থানায় ছিল। ১১ দিন সেখানে থাকার পর মুক্তি পেয়ে আমাদের কাছে এসেছেন।"
আলাইপুর বিওপি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার নায়েক সুবেদার মাকসুদুর রহমান বলেন, "বিএসএফের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা (বিএসএফ) ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ থেকে বিষয়টিকে কূটনৈতিক বা প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় মুক্ত হয়ে আমাদের মাধ্যমে তাদের ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।"
এ বিষয়ে রাজশাহী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবু সাঈদ চাঁদ বলেন, "রাজশাহীতে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনারের সঙ্গে কথা হয়। তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন জমা দেওয়ার পর তাদের ফেরত আনার বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছিলেন। প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় মুক্ত হয়ে তাদের ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদকবিরোধী অভিযানে উদ্ধার নগদ ৩ হাজার ৮৪০ টাকা আটক সাইদুলের বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা থাকার কথা জানিয়েছে পুলিশ
বরিশাল নগরীর কাউনিয়া এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও মাদক বিক্রয়ের নগদ ৩ হাজার ৮৪০ টাকাসহ সৈয়দ সাইদুল ইসলাম সাগর (২৮) নামে এক যুবককে আটক করেছে কাউনিয়া থানা পুলিশ।
*বিএমপি মিডিয়া সেল সূত্রে জানা গেছে*, শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১টার দিকে কাউনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বাধীন বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাউনিয়া থানাধীন কাউনিয়া ১ নম্বর গলি দীঘির পাড় এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানকালে সৈয়দ সাইদুল ইসলাম সাগরের হেফাজত থেকে ৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রয়ের নগদ ৩ হাজার ৮৪০ টাকা উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। পরে তাকে আটক করা হয়।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আটক সাইদুল ইসলাম সাগরের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ