০২:৩৮ পি.এম
কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইন চেষ্টার শিকার হয়ে শূন্যরেখায় আটকে থাকা ৯ জনের মধ্যে দুই শিশু এবং তাদের বাবা-মা সরিয়ে নেয়া হয়েছে। পঞ্চম দিনে এসে আটকে থাকা বাকি ৫ যুবককে ঘিরে সীমান্তে কড়া অবস্থানে রয়েছে বিজিবি ও বিএসএফ।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে উপজেলার গয়টাপাড়া সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করা ৬ জনের মধ্যে ওই চারজনকে আর দেখা যায়নি।
স্থানীয়দের ধারণা, গত রাতে বৃষ্টির সময় মানবিক কারণে শিশু দুটিসহ তাদের বাবা-মাকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। তবে তাদের কোন দেশে সরিয়ে নেয়া হয়েছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানা যায়নি। এ ব্যাপারে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।
আরও পড়ুন: ভালুকায় বিরুনীয়ায় বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও মোর্শেদ আলমের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা
স্থানীয় বাসিন্দা মোস্তাক আলীর বরাত দিয়ে জানা যায়, বুধবার পর্যন্ত গয়টাপাড়া সীমান্তে পুশইনের শিকার ৬ জনকে দেখা গেলেও বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুই শিশু এবং তাদের বাবা-মাকে দেখা যাচ্ছে না। বর্তমানে ওই সীমান্তে বাকি দুই যুবক অবস্থান করছেন। অন্যদিকে একই উপজেলার ভন্দুরচর সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টার শিকার বাকি ৩ যুবক এখনও শূন্যরেখায় রয়েছেন। সব মিলিয়ে দুই সীমান্তে বর্তমানে ৫ জন যুবক আটকে আছেন।
উল্লেখ্য, গত রোববার (১৪ জুন) সকালে রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্ত দিয়ে ৬ জনকে এবং ভন্দুরচর সীমান্ত দিয়ে ৩ জনকে পুশইন করার চেষ্টা করে বিএসএফ। পরে বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধায় তারা আর বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেননি। ফলে দুই শিশু ও এক নারীসহ ওই ৯ জনের অবস্থান হয় সীমান্তের শূন্যরেখায়।
সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলার জন্য জামালপুর ৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমানের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন: মহেশপুর সীমান্তে ১২ বাংলাদেশি আটক, ৪৬৬ প্যাকেট কীটনাশক উদ্ধার
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন