ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঢাকায় গ্রেপ্তার শীর্ষ সন্ত্রাসী রাসেল


ঢাকায় গ্রেপ্তার শীর্ষ সন্ত্রাসী রাসেল

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে শীর্ষ সন্ত্রাসী এবং ১২ মামলার পরোয়ানাভুক্ত গ্যাং লিডার রাসেলকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১১। পরে, তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সোনারগাঁয়ে অভিযান চালিয়ে ১টি দেশীয় শটগান, ৪ রাউন্ড কার্তুজ এবং ১৪টি টেঁটা উদ্ধার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দিবাগত রাতে, রাজধানী ঢাকার শেরে বাংলা নগরের পান্থপথ এলাকা থেকে র‌্যাব-১১ (সিপিএসসি) ও র‌্যাব-২-এর এক যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া রাসেল পিরোজপুর ইউনিয়নের কুরবানপুর গ্রামের মৃত সাফাতুল্লার ছেলে।

আরও পড়ুন: মানিকগঞ্জে বাস-ইজিবাইক সংঘর্ষে দুই যাত্রী নিহত, চালক আহত

র‌্যাবের দাবির ভিত্তিতে, সোনারগাঁ উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের পাঁচানী, কোরবানপুর ও শান্তিনগর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একচ্ছত্র সন্ত্রাসী রাজত্ব চালিয়ে আসছিল রাসেল। শিল্পকারখানা, ড্রেজিং, আবাসন প্রকল্প, ইট-বালু সরবরাহ ও ঝুট ব্যবসা একক নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার জন্য স্থানীয় ঠিকাদার এবং ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে নিয়মিত মোটা অঙ্কের চাঁদা আদায় করত তার চক্রটি।

এলাকায় প্রভাব বিস্তার করতে তারা প্রকাশ্যে রামদা, টেঁটা ও হকিস্টিক নিয়ে সশস্ত্র মহড়া দিত। এছাড়া, প্রতিপক্ষের ওপর গুলিবর্ষণ এবং ঘরবাড়িতে হামলা, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সংবাদ প্রকাশ করায় স্থানীয় সাংবাদিকদের ওপরও সশস্ত্র হামলা চালানোর অভিযোগ রয়েছে।

র‌্যাব জানায়, বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টা ১০ মিনিটে পান্থপথ এলাকায় অভিযান চালিয়ে রাসেলকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর, তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ভোর সাড়ে ৫টায় সোনারগাঁয়ের কুরবানপুরে তার বাড়ির পশ্চিম পাশে একটি গোডাউনে তল্লাশি চালিয়ে অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাব আরো জানায়, গ্রেপ্তার রাসেলের বিরুদ্ধে সোনারগাঁ ও ঢাকার বিভিন্ন থানায় হত্যা, চাঁদাবাজি ও অস্ত্রসহ অন্তত ১২টি মামলা রয়েছে। আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সোনারগাঁ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: যুবদল নেতার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাবিপ্রবিতে ‘অমর একুশে’ ছাত্র হল নির্মাণের কাজ শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫৬ এম


হাবিপ্রবিতে ‘অমর একুশে’ ছাত্র হল নির্মাণের কাজ শুরু

দিনাজারপুর, ২৫ জুলাই, ২০২৬: দিনাজপুর হাবিপ্রবি’তে ১৪১ কোটি ৪১ লক্ষ ৪৩ হাজার টাকা ব্যয়ে মেগা প্রকল্প ‘অমর একুশে’ ছাত্র হল নির্মাণের কাজ শুরু করার জন্য প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

গতকাল শুক্রবার, দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগের পরিচালক মো. খাদেমুল ইসলাম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য বাসস’কে নিশ্চিত করেন।

তিনি উল্লেখ করেন, চলতি অর্থবছরে হাবিপ্রবি বিশ্ববিদ্যালয়ে অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি বিভিন্ন খাতে উন্নয়নমূলক কাজের জন্য সরকারিভাবে প্রায় ৬শ’ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

বরাদ্দকৃত অর্থের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আবাসন সমস্যা সমাধানের জন্য ১২ তলা বিশিষ্ট দু’টি হল নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১৯৫২ সালে বাংলা ভাষা আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে ‘অমর একুশে’ একটি ছাত্র হল নির্মাণের কাজ শুরু করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল বিভাগ সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।

সূত্র জানাচ্ছে, খুব শিগগির দরপত্র আহ্বান করে ঠিকাদার নিয়োগের মাধ্যমে ‘অমর একুশে’ নামে ১২ তলা বিশিষ্ট ছাত্র হল নির্মাণের কাজ শুরু হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মো. এনামুল্যাহ জানিয়েছেন, ১৯৫২ সালে মহান বাংলা ভাষা আন্দোলনে যাদের আত্মত্যাগের ফলেই বাংলা রাষ্ট্রীয় ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। শহীদ সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ সকলের আত্মত্যাগ ও স্মরণে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ১২ তলা বিশিষ্ট ‘অমর একুশে’ নামে একটি ছাত্র হল নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। হাবিপ্রবি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মহান বাংলা ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণে একটি আধুনিক ১২ তলা বিশিষ্ট ছাত্র হল নির্মাণের জন্য চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ছাত্র হলটির নির্মাণ কাজ খুব শিগগিরই শুরু হতে যাচ্ছে। নির্মাণ হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আবাসন সমস্যা অনেকটা সমাধান হবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।

হাবিপ্রবি প্রকৌশল বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী মো. এনামুল হক জানিয়েছেন, হাবিপ্রবি’তে এই প্রথম দু’টি ১২ তলা বিশিষ্ট মেগা প্রকল্প গ্রহণের প্রক্রিয়ায় সাবেক প্রধান মন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়া নামে একটি ছাত্রী হল এবং বাংলা ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ‘অমর একুশে’ নামে ছাত্র হল নির্মাণ হওয়ার যাচ্ছে। ১২ তলা পর্যন্ত ৩২৩টি আবাসন কক্ষ থাকবে এবং প্রত্যেকটি কক্ষে ৪ জন করে ছাত্র থাকার ব্যবস্থা রাখা হবে। নির্মাণ হলে সর্বমোট এক হাজার ২৯২ জন ছাত্রের আবাসন ব্যবস্থা হবে।

এছাড়া এই ছাত্র হলে অবস্থানরত ছাত্রদের পড়াশোনার সুবিধার্থে সকল ধরনের ব্যবস্থা রাখা হবে। এর মধ্যে হল সুপার ও সহকারী হল সুপার কক্ষ, হলের অফিস কক্ষ, কমন রুম, নামাজের ঘর, ডাইনিং কক্ষ, ডাইনিং ও রান্নার কক্ষ, অতিথি কক্ষ, একাধিক ওয়াশরুম, লন্ড্রি ও স্টেশনারি কক্ষ, ৫৫টি সিঁড়ি, প্রত্যেক ফ্লোরে ৬টি টয়লেট ও ৪টি গোসলখানা, ১০টি জেনারেটর কক্ষ, ২৪টি লিফ্‌ট, ৩২টি সিকিউরিটি গার্ডের কক্ষ সংযুক্ত থাকবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঝিনাইদহ সীমান্তে বিপুল মাদকদ্রব্য উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫৭ এম


ঝিনাইদহ সীমান্তে বিপুল মাদকদ্রব্য উদ্ধার

ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) পৃথক অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করেছে। এই অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে মোট ৬ কেজি গাঁজা ও ২৬৪ বোতল ভারতীয় নিষিদ্ধ মাদক সিরাপ।

বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে বিস্তারিত জানা যায়, সীমান্ত এলাকায় মাদক চোরাচালান প্রতিরোধের জন্য নিয়মিত টহলের অংশ হিসেবে শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাতে মহেশপুর ব্যাটালিয়নের (৫৮ বিজিবি) সদস্যরা একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে এবং এই মাদকদ্রব্য উদ্ধার করে। এ সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা তাদের মালামাল ফেলে পালিয়ে যায়, ফলে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

উদ্ধার করা মাদকদ্রব্যের মধ্যে রয়েছে চোরাই পথে ভারত থেকে আনা ২৬৪ বোতল ফেন্সিডিল/এসকাফ জাতীয় মাদক সিরাপ এবং ৬ কেজি গাঁজা। এসব মাদকদ্রব্যের আনুমানিক বাজার মূল্য লক্ষাধিক টাকা বলে জানা গেছে।

বিজিবি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সীমান্ত এলাকায় মাদক, অস্ত্র এবং যেকোনো ধরনের চোরাচালান বন্ধে বিজিবির এই কঠোর নজরদারি এবং নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। উদ্ধারকৃত মালামালের পরবর্তী আইনি ব্যবস্থার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিসেম্বরে শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছাবে ৩১ কোটি পাঠ্যবই: শিক্ষামন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫৮ এম


ডিসেম্বরে শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছাবে ৩১ কোটি পাঠ্যবই: শিক্ষামন্ত্রী

আসন্ন ডিসেম্বরে সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণের জন্য ৩১ কোটি নতুন পাঠ্যবইয়ের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, এসব পাঠ্যবইয়ে কোনো ধরনের রাজনীতি কিংবা ইতিহাসের বিকৃতি থাকবে না। মানসম্মত এসব বইয়ের আগেভাগে বিতরণের মূল লক্ষ্য হচ্ছে, বছরের শুরুতে যেন শিক্ষার্থীরা শ্রেণীকক্ষে জ্ঞানার্জনে মনোনিবেশ করতে পারে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে তিনি চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার মনোহরপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত এক শিক্ষক সমাবেশ ও মতবিনিময় সভায় এসব কথাগুলো বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘পাঠদানে শিশুদের মনোনিবেশ করতে হলে পাঠ্যবইয়ের সঙ্গে প্রাথমিকে খেলাধুলা এবং ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে আনন্দময় পরিবেশে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করা অত্যাবশ্যক। পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষাকে জীবনমুখী করে নতুন কিছু বই প্রণয়ন করা হচ্ছে।’

মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে সব ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘এর জন্য আগে নিজ নির্বাচনী এলাকা চাঁদপুরের কচুয়া থেকে সব স্তরের শিক্ষকদের নিয়ে মতবিনিময় শুরু করেছি। কচুয়ায় যে মডেল তৈরি হবে, তা সারাদেশে প্রসারিত করা হবে।’

আগামী দিনে কেমন শিক্ষা থাকতে হবে, কেন পরীক্ষায় ফলাফল বিপর্যয় ঘটে, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর মধ্যে কেমন সম্পর্ক হওয়া উচিত এবং দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে শিক্ষার্থীদের কোন ধরনের শিক্ষা গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে এ বিষয়গুলো সন্ধান করার তাগিদ দেন তিনি। এ সময়ে তিনি উপস্থিত শিক্ষক এবং শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে মতামত গ্রহণ করেন। সরকার এবং তাকে নিয়ে ভুল তথ্য উপস্থাপন না করার জন্য গণমাধ্যমের সহযোগিতাও কামনা করেন শিক্ষামন্ত্রী।

চলমান এইচএসসি পরীক্ষা চলাকালীন কিছু কেন্দ্রের সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বহীনতার কঠোর সমালোচনা করেন আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘মূলত সরকারকে বেকায়দায় ফেলার উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে এসব কাজ নেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে তাদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে।’

প্রবীণ ব্যক্তিত্ব আলহাজ খোরশেদ আলম মান্নানের সভাপতিত্বে এবং শিক্ষক নেতা আব্দুল বারেকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান, কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান রাসেল, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. আহসান পারভেজ এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের আঞ্চলিক পরিচালক প্রফেসর মো. শহীদ উল্লাহ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল ইসলাম আকাশ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি খায়রুল আবেদীন স্বপন, সাধারণ সম্পাদক মাসুদ এলাহী সুবাস, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এম. রুহুল্লাহ, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন প্রমুখ।

সমাবেশে কচুয়া উপজেলার প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমানের আড়াই শতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩ হাজার শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যে হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পাচ্ছেন তিন বস্তির মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:০০ পি.এম


যে হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পাচ্ছেন তিন বস্তির মানুষ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, ঢাকা-১৭ আসনের কড়াইল, সাততলা ও ভাষানটেক বস্তির নিম্নবিত্ত ও প্রান্তিক মানুষ কুর্মিটোলা মাল্টিকেয়ার স্পেশালাইজড হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পাচ্ছেন। এই হাসপাতাল থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের ব্যবস্থাপত্র ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষাসহ রোগীদের মাঝে বিনামূল্যে ওষুধও বিতরণ করা হচ্ছে।

এছাড়া, হাসপাতালের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ও নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) ইউনিটের মতো উন্নত চিকিৎসাসেবা সুবিধাবঞ্চিত এসব মানুষের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে ‘স্বাস্থ্যসেবা সবার অধিকার’– এই নীতির আওতায়। হাসপাতালটিতে বস্তিবাসীদের জন্য আলাদা টিকিট কাউন্টার এবং আট তলায় দুটি পৃথক ওয়ার্ড (পুরুষ ও মহিলা) চালু করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কুর্মিটোলা মাল্টিকেয়ার স্পেশালাইজড হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাইদুর রহমান রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে জানান, উদ্বোধনের পর গত আড়াই মাসে বহির্বিভাগে ৬১০ জন সেবা নিয়েছেন এবং ২৩ জন বিভিন্ন জটিল রোগ নিয়ে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে সাত জনের অপারেশন করা হয়েছে এবং আরও তিন জনকে আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই অপারেশন করা হবে।

৫ মে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ৫০ শয্যার আইসিইউ বেড উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী এবং জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান। একই দিনে তিনি আইসিইউ ইউনিটের পাশাপাশি হাসপাতালটিতে প্যাথলজি প্যাভিলিয়ন ও গ্যাস্ট্রোলিভার সেন্টারের উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধন শেষে ডা. জুবাইদা রহমান রাজধানীর তিন বস্তির মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন। এরপর থেকেই বস্তির নিম্নআয়ের মানুষ এই সুবিধা ভোগ করছেন।

এর আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার সময় বস্তিবাসীদের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সেই প্রতিশ্রুতির আলোকেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

হাসপাতালে সরেজমিনে রোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রান্তিক ও বস্তির সাধারণ মানুষ বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পেয়ে দীর্ঘদিনের আর্থিক দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পেয়েছেন। তারা জানিয়েছেন, এতদিন অর্থের অভাবে তারা বড় হাসপাতালে বা চিকিৎসকের কাছে যেতে পারতেন না। তবে, এখন তারা বিনামূল্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা, প্রয়োজনীয় ডায়াগনস্টিক পরীক্ষা এবং ওষুধ পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত।

কুর্মিটোলা হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা ভাসানটেক বস্তির বাসিন্দা আমেনা বেগম বাসসকে বলেন, প্রায় তিন মাস আগে ছানির সমস্যার কারণে এক চোখের অপারেশন করাতে তার ছয় হাজার টাকা খরচ হয়েছিল। বর্তমানে তিনি অপর চোখের অপারেশনের জন্য আবারও হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তবে এবার এই চিকিৎসার জন্য তার কোনো টাকা লাগছে না।

বিনামূল্যে এমন উন্নত চিকিৎসাসেবা পেয়ে আবেগাপ্লুত আমেনা বেগম আরও বলেন, ভাগ্য ভালো বলেই আমরা এই বিনামূল্যে সেবা পাচ্ছি। সরকারের এই উদ্যোগ তাদের মতো দরিদ্র মানুষের জন্য অনেক বড় উপকার বয়ে এনেছে।

রাজধানীর কড়াইল বস্তির বাসিন্দা কামরুল ইসলাম বাসসকে বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনী প্রচারের সময় বস্তিবাসীর জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তার সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এখন আমি বিনামূল্যে সকল চিকিৎসা পাচ্ছি কুর্মিটোলা হাসপাতালে।

তিনি বলেন, এই হাসপাতালে আমাদের অনেক বেশি সম্মান দেওয়া হচ্ছে। আমাদের যে খাবারটা দেওয়া হচ্ছে, তা বেশ উন্নত।

হাসপাতালের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এই তিন বস্তির মানুষ ক্যানসার ও হৃদরোগের মতো জটিল রোগের চিকিৎসাও এখানে বিনামূল্যে পাচ্ছেন। সেবা নেওয়ার জন্য তাদের কেবল ১০ টাকা মূল্যের একটি টিকিট কাটতে হয়। এরপর বাকি সব ধরনের চিকিৎসাসেবা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বস্তির প্রকৃত রোগীদের সহজে শনাক্ত করার জন্য বস্তিগুলোতে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা হয়েছে। একটি সমিতির মাধ্যমে স্বেচ্ছাসেবকেরাই রোগীদের হাসপাতালে নিয়ে আসেন। এছাড়া, হাসপাতালে আসার পর তাদের জন্য আলাদা টিকিট কাউন্টারসহ তাৎক্ষণিক সব ধরনের চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে।

হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইদুর রহমান আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, আমরা রাজধানীর কড়াইল, সাততলা ও ভাসানটেক– এই তিন বস্তির নিম্নবিত্ত ও প্রান্তিক মানুষকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সেবা দিয়ে যাচ্ছি। এই তিন বস্তির মানুষকে হাসপাতালে এসে শুধু ১০ টাকা দিয়ে একটা টিকিট কাটতে হয়। বাকি সব দায়িত্ব আমাদের।

তিনি বলেন, হাসপাতালে ক্যানসার ও হৃদরোগের মতো জটিল রোগের চিকিৎসাও বিনামূল্যে পাচ্ছেন এসব বস্তির মানুষ। এখানে সবারই সমান এক্সেস রয়েছে। বস্তিতেই ভলেন্টিয়ার নিয়োগ করা আছে। একটি সমিতির মাধ্যমে তারা রোগীদের আমাদের কাছে নিয়ে আসেন। বস্তি থেকে আসা রোগীদের সঙ্গে নিজস্ব কোনো লোক না থাকলেও হাসপাতালের কর্মীরাই দায়িত্ব নিয়ে তাদের সম্পূর্ণ সেবা দেন।

সূত্র: বাসস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%