ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভাতের সঙ্গে কাঁচা মরিচ, ছোট অভ্যাসে মিলতে পারে নানা উপকার


ভাতের সঙ্গে কাঁচা মরিচ, ছোট অভ্যাসে মিলতে পারে নানা উপকার

ভাতের সঙ্গে কাঁচা মরিচ কামড়ে খেলে মিলবে উপকার। ছবিটি সংগৃহীত।

বাংলাদেশের খাবারের পাতে ভাতের সঙ্গে কাঁচা মরিচ যেন এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। ডাল, ভর্তা, মাছ বা মাংস—যে কোনো খাবারের সঙ্গেই একটি কাঁচা মরিচ অনেকের খাওয়ার স্বাদ বাড়িয়ে দেয়। তবে শুধুমাত্র ঝাল বা স্বাদের জন্য নয়, এই ছোট সবুজ মরিচে লুকিয়ে আছে নানা স্বাস্থ্যগুণও।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণে কাঁচা মরিচ খাওয়ার অভ্যাস শরীরের জন্য হতে পারে উপকারী।

আরও পড়ুন: শীতের ছুটিতে ঘুরে আসুন বাংলাদেশের ৮ দর্শনীয় স্থান

ঝালের পেছনে শক্ত পুষ্টি

কাঁচা মরিচের ঝালের মূল উপাদান হলো ক্যাপসাইসিন নামের একটি প্রাকৃতিক যৌগ। এটি শুধু ঝাল অনুভূতিই তৈরি করে না, বরং শরীরের বিভিন্ন কার্যক্রমেও ভূমিকা রাখে। এর পাশাপাশি কাঁচা মরিচে রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও নানা খনিজ উপাদান, যা শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

বিপাকক্রিয়া বাড়াতে সহায়ক

খাবারের সঙ্গে কাঁচা মরিচ খেলে শরীরের বিপাকক্রিয়া কিছুটা সক্রিয় হতে পারে। ক্যাপসাইসিন শরীরের তাপমাত্রা সামান্য বাড়িয়ে ক্যালোরি পোড়ানোর প্রক্রিয়াকে উৎসাহিত করে। ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণেও এটি সহায়ক হতে পারে। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, ঝাল খাবার ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণেও ভূমিকা রাখতে পারে।

আরও পড়ুন: মেঘমুক্ত আকাশে পঞ্চগড় থেকে দৃশ্যমান কাঞ্চনজঙ্ঘা, উচ্ছ্বসিত প্রকৃতিপ্রেমীরা

হজমে সহায়তা করে

পরিমিত পরিমাণে কাঁচা মরিচ হজম প্রক্রিয়াকে সক্রিয় করতে পারে। এটি লালারস ও পাচকরস নিঃসরণ বাড়িয়ে খাবার হজমে সহায়তা করে। তবে যাদের গ্যাস্ট্রিক, আলসার বা অতিরিক্ত গ্যাসের সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কাঁচা মরিচ অস্বস্তি তৈরি করতে পারে।

হৃদযন্ত্র ও রোগ প্রতিরোধে উপকারী

নিয়মিত পরিমিত কাঁচা মরিচ খাওয়া রক্ত সঞ্চালন উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে। গবেষণায় ক্যাপসাইসিনের সঙ্গে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ ও রক্তনালির কার্যকারিতা উন্নত হওয়ার সম্পর্ক পাওয়া গেছে।

আরও পড়ুন: বুধবার ১২ রাশির অর্থভাগ্যে সতর্কতা, জেনে নিন রাশিফল

এছাড়া এতে থাকা ভিটামিন সি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে এবং অ্যান্টি঑ক্সিডেন্ট কোষের ক্ষয় রোধে ভূমিকা রাখে।

ত্বক ও মনের ওপর প্রভাব

কাঁচা মরিচে থাকা ভিটামিন সি কোলাজেন উৎপাদনে সহায়তা করে, যা ত্বককে টানটান ও সতেজ রাখে। অন্যদিকে ঝাল খাবার খেলে শরীরে ভালো লাগার হরমোন নিঃসৃত হয়, ফলে মন কিছুটা চনমনে হয়ে ওঠে।

পরিমিতই সবচেয়ে জরুরী

আরও পড়ুন: ৫৩ বছরেও ফিট থাকার জন্য শচীন ছেড়ে দিলেন দুই বদঅভ্যাস

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভাত-ডাল বা তরকারির সঙ্গে এক থেকে দুইটি কাঁচা মরিচই বেশিরভাগ সুস্থ মানুষের জন্য যথেষ্ট। খালি পেটে কাঁচা মরিচ খাওয়া ঠিক নয়। ঝালের মাত্রা কমাতে চাইলে ভেতরের বিচি ফেলে খাওয়া যেতে পারে।

অতিরিক্ত খেলে হতে পারে ক্ষতি

অতিরিক্ত কাঁচা মরিচ খাওয়ার অভ্যাস পেটে জ্বালাপোড়া, গ্যাস, অন্ত্রের অস্বস্তি ও আলসারের সমস্যা বাড়াতে পারে। তাই যাদের পরিপাকতন্ত্র সংবেদনশীল, তাদের বিশেষ সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

আরও পড়ুন: ২৮ অক্টোবর: ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কেরানীগঞ্জে ১,২৭৯ দরিদ্র পরিবারকে দেওয়া হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০২ এম


কেরানীগঞ্জে ১,২৭৯ দরিদ্র পরিবারকে দেওয়া হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড

 

সরকার নির্বাচনের সময় ফ্যামেলি কার্ডের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, এবং নির্বাচনে পাস করার পরে দ্রুত সময়ের মধ্যে তা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় তৃতীয় ধাপে দেশের ১৯টি উপজেলার ১৯টি ওয়ার্ডে ফ্যামেলি কার্ড বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এসবের মধ্যে ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলা রয়েছে।

কেরানীগঞ্জের তেঘরিয়া ইউনিয়নে ৫০৯টি পরিবার এবং রোহিতপুর ইউনিয়নে ৭৭০টি পরিবারের মধ্যে ফ্যামেলি কার্ড প্রদান করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে বাড়ি-বাড়ি গিয়ে পরিবারগুলোর তথ্য সংগ্রহ সম্পন্ন হয়েছে। চলছে শেষ পর্যায়ের যাচাই-বাছাই।

যদি সবকিছু ঠিক থাকে, তবে আগামী সপ্তাহেই তুলে দেওয়া হবে ফ্যামেলি কার্ডের প্রথম মাসের ২৫০০ টাকা।

সরেজমিন কেরানীগঞ্জের তেঘরিয়া ও রোহিতপুর ইউনিয়নে গিয়ে দেখা যায়, গত কয়েক দিন ধরে উপজেলা সমাজ সেবা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা তেঘরিয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড এবং রোহিতপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করছেন। তথ্য সংগ্রহকারীরা জানিয়েছেন, অপেক্ষাকৃত দরিদ্র প্রবণ এলাকা ও নিম্ন আয়ের মানুষের সংখ্যা বেশি হওয়ায় তেঘরিয়া ও রোহিতপুরের ২৭০০ এর অধিক পরিবারের ওপর জরিপ চালানো হয়েছে। সেখান থেকে প্রাথমিকভাবে তেঘরিয়ায় ৮নং ওয়ার্ডের ৫০৯টি পরিবার এবং রোহিতপুরে ৫নং ওয়ার্ডের ৭৭০টি পরিবারকে ফ্যামেলি কার্ডের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে।

এই পরিবারগুলোর মধ্যে কেউ তথ্য গোপন করেছে কি না, অথবা কোনো স্বচ্ছল পরিবার তালিকাভুক্ত হয়েছে কি না, তা যাচাই-বাছাই করতে বর্তমানে চলছে শেষ পর্যায়ের চূড়ান্ত ভেরিফিকেশন।

উপজেলা সমাজ সেবা সূত্রে জানা যায়, ফ্যামেলি কার্ডের নীতিমালা অনুসারে প্রধান নারীদের কাছ থেকে নাম, ঠিকানা, ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি ও আর্থিক অবস্থা সংক্রান্ত বিবরণ নেওয়া হচ্ছে। আরও জানা গেছে, তারা সরকারের অন্যান্য সহযোগিতা পান কি না, এ সম্পর্কেও তাদের দিতে হচ্ছে মোট ৪৭টি প্রশ্নের উত্তর। সরকার নির্ধারিত প্রশ্নের ভিত্তিতে ১ হাজার নম্বরের মধ্যে যাদের নম্বর ৭৭৭ থেকে ৮১৪ এর মধ্যে থাকবে, তারা অতি দরিদ্র এবং দরিদ্র হিসেবে চিহ্নিত হবে।

কেবল তারাই ফ্যামেলি কার্ডের সুযোগ-সুবিধা পাবেন। তথ্য সংগ্রহের পরে প্রাপ্ত তথ্য সঠিক কি না, অথবা কেউ কোনো তথ্য লুকিয়েছে কি না, সেগুলো পুনরায় রি-ভেরিফিকেশন করছে উপজেলা সমাজসেবা অফিসার।

এদিকে, নির্বাচনের আগে সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দ্রুত ফ্যামেলি কার্ড দেওয়ায় গ্রামবাসীরা খুশি।

তেঘরিয়ার ঋষি পাড়া গ্রামের লতা রানী বলেছেন, "আমি বিধবা ছোট দুইটা ছেলে নিয়ে খুব কষ্টে জীবন যাপন করছি। অন্যের বাসায় ঝি-এর কাজ করে যা আয় হয়, তা দিয়ে কোনো মতে খেতে পারি। ঘরের চাল ফুটো হয়ে জল পড়ছে। কিন্তু টাকার অভাবে সেটি মেরামত করতে পারছিনা। ফ্যামেলি কার্ডের এই টাকাটা পেলে আমার জন্য একটু সহজ হবে। সরকারকে ধন্যবাদ জানাই।"

কার্ড প্রাপ্ত জোছরা নামের আরেকজন জানিয়েছে, "প্রথমে বিশ্বাস করিনি যে ফ্যামেলি কার্ড পেয়েছি। সরকার তো কত কথা বলে, কিন্তু বাস্তবায়ন করে কই। এই সরকার বাস্তবায়ন করেছে, তিনি গরিবের বন্ধু। সরকারকে ধন্যবাদ জানাই।"

কেরানীগঞ্জ উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার মোহাম্মদ শিবলীজ্জামান জানিয়েছেন, যাদের সত্যিকার অর্থেই ফ্যামেলি কার্ডের প্রয়োজন তাদের হাতে ফ্যামেলি কার্ড তুলে দিতে সতর্কতার সঙ্গে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে আমরা ২৭০০ এর বেশি পরিবারের মধ্যে যাচাই-বাছাই করে ১২৭৯টি পরিবারকে শনাক্ত করেছি। যাদের নাম বাদ গেছে তাদের জন্য পরবর্তীতে সুযোগ থাকবে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ৩-৪ দিনের মধ্যে কেরানীগঞ্জের ফ্যামেলি কার্ড প্রাপ্তরা ২৫০০ টাকা করে সুবিধা পাবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লটকনের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:১০ এম


লটকনের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা

লটকন ফল একটি অত্যন্ত আকর্ষণীয় ফল, যেটি গাছের নিচ থেকে উপর পর্যন্ত ফলন আসে। লটকন, যা নটকো নামেও পরিচিত (বৈজ্ঞানিক নাম Baccaurea motleyana), একটি টক মিষ্টি ফল। গাছটি দক্ষিণ এশিয়ায় বুনো গাছ হিসেবে জন্মালেও বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া এবং থাইল্যান্ডে বাণিজ্যিকভাবে চাষ হয়।

অতীতে, লটকন ছিল বাংলাদেশের অপ্রচলিত ফলের মধ্যে। তবে বর্তমানে এই ফলটি বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত হচ্ছে ব্যাপকভাবে। উন্নত জাতের সুস্বাদু লটকনের চাষ বাড়ানোর সাথে সাথে এর জনপ্রিয়তা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।

লটকন চাষের ক্ষেত্রে নরসিংদীতে ফলন বেশি হলেও সিলেট, নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট এবং গাজীপুর জেলাগুলোতেও বাণিজ্যিকভাবে এর চাষ হচ্ছে। উল্লেখ্য, লটকন চাষাবাদ অত্যন্ত সহজ এবং অল্প যত্নে গাছটি বেড়ে ওঠে। নরসিংদির এক বাগান মালিক জানিয়েছেন, একটি গাছে আনুমানিক ৫ থেকে ১০ মণ লটকন উৎপাদিত হয়, যা ১২০ টাকা থেকে ২০০+ টাকা দামে বিক্রি করা সম্ভব।

লটকনে রয়েছে বহু ধরনের পুষ্টি উপাদান। এই ফলে পানি, প্রোটিন, আঁশ, বিভিন্ন ভিটামিন এবং অন্যান্য খনিজ উপাদান রয়েছে। লটকনে অ্যামাইনো অ্যাসিড এবং এনজাইম ইত্যাদি উপাদান রয়েছে, যা দেহের গঠন এবং কোষকলার সুস্থতায় সহায়তা করে। এক সময় এই ফলের স্থানীয় লোকজন জংলি ফল বলে ডাকতেন। এই অত্যন্ত পুষ্টিকর ও চিকিৎসাসংক্রান্ত গুণসমৃদ্ধ ফলের কদর সময়ের সাথে বেড়েছে। ফলস্বরূপ, বর্তমানে এটি দেশের মধ্যে চাহিদা মেটিয়ে মধ্যপ্রাচ্য এবং ইউরোপে রপ্তানিও হচ্ছে।

নরসিংদীতে লটকন চাষের ইতিহাস প্রায় ১২০ বছর পুরনো। শিবপুর উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের আজকিতলা গ্রামে মরহুম হাজি আব্দুল আজিজ লটকন চাষের শুরু করেন। আস্তে আস্তে এটি রায়পুরা এবং বেলাব উপজেলার লাল মাটির এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে নরসিংদীতে এটি বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে এবং বাড়ির আঙিনায় পারিবারিক ফল হিসেবে লটকন গাছও লাগানো হচ্ছে।

লটকনের উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক। টক-মিষ্টি ও রসালো এই ফলটি খেতে খুব মুখরোচক। ১০০ গ্রাম লটকনে ৯২ কিলোক্যালরি খাদ্যশক্তি রয়েছে। একই পরিমাণ লটকনে ভিটামিন সি ১৭৮ মিলিগ্রাম, শর্করা ১৩৭ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম ১৭৭ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ১৬৯ মিলিগ্রাম, ভিটামিন বি-১ ১৪.০৪ মিলিগ্রাম এবং ভিটামিন বি-২ শূন্য দশমিক ২০ মিলিগ্রাম পাওয়া যায়। তবে ডায়াবেটিস রোগীরা অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী তা খাওয়া উচিত।

এছাড়াও লটকনের আরও অনেক স্বাস্থ্যগুণ রয়েছে।

হজমে সহায়ক: লটকনে প্রচুর আঁশ রয়েছে, যা হজমপ্রক্রিয়াকে সঠিকভাবে কাজ করতে সহায়তা করে।

ক্যানসার প্রতিরোধ: লটকনে ক্যানসার প্রতিরোধী উপাদান রয়েছে। নিয়মিত খাদ্যতালিকায় এই ফলটি রাখা উচিত।

শরীরে আর্দ্রতা ঠিক রাখে: লটকনে প্রচুর পানি থাকে, যা শরীরকে ডিহাইড্রেট হওয়া থেকে রক্ষা করে। এটি তৃষ্ণা নিবারণের জন্যও খাওয়া যেতে পারে এবং এটি ভাল নিউট্রিশনাল উপাদানও প্রদান করে।

চর্মরোগ প্রতিকার: শরীরের বিভিন্ন চর্মরোগে লটকন একটি শক্তিশালী উপাদান হিসেবে কাজ করে। এই ফলটি খোচপাচড়া, ক্যাবিস, দাদ ইত্যাদির প্রতিকারেও কার্যকর।

সুগারের মাত্রা ঠিক রাখে: লটকন খেলে রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে, এতে অতিরিক্ত সুগার নেই। তাই যতই খান, শরীরে ব্লাড সুগারের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা নেই।

শরীরে শক্তির উৎস: লটকন ফল শরীরে শক্তি বৃদ্ধি করে। এতে পর্যাপ্ত ভিটামিন, খনিজ এবং প্রোটিন রয়েছে, যা খাওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে শরীরে বল পাওয়া যায়। নিয়মিত খাদ্যতালিকায় লটকন রাখলে সারাদিন কর্মক্ষম থাকতে পারবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উপহার নিতে অস্বস্তি লাগে অনুষ্কার, জানালেন কীভাবে প্রতিদান দেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:১৬ এম


উপহার নিতে অস্বস্তি লাগে অনুষ্কার, জানালেন কীভাবে প্রতিদান দেন

পুরুষদের কাছ থেকে উপহার পেতে অস্বস্তি অনুভব করেন অনুষ্কা। বইলেন, উপহারের বিষয়টিতে তিনি বিরক্ত। রাস্তায় কেউ নোংরা ফেললে চিৎকার করেন, অপরাধ হলে প্রতিবাদ করেন। অনুষ্কা এই বিষয়গুলিতে বেশ বিরক্ত। তবে, কোনও পুরুষ যদি তাঁকে উপহার দেয়, তাহলে তিনি অস্বস্তি বোধ করেন। কেন?

অনেক বছর পেরিয়ে গেছে, তবে বর্তমানে অভিনেত্রী অনুষ্কা শর্মা পর্দায় তেমন দেখা যায় না। স্বামী, ক্রিকেটতারকা বিরাট কোহলি এবং দুই সন্তান রয়েছে তাঁর। ২০১৭ সালের শেষে তাদের বিয়ে হয়, এরপর থেকেই অভিনেত্রীর জীবন আমূল পরিবর্তিত হয়েছে। তবে এক সময়ে যদি কোনও পুরুষ তাঁকে উপহার দিত, তাহলে তিনি নাকি অনেক অস্বস্তিতে পড়তেন। এখন কি তেমনই সামান্য?

বর্তমানে অনুষ্কা এবং বিরাট প্রায় ছয় মাস লন্ডনে থাকেন। সন্তান আসার পরে নিজের ক্যারিয়ার থেকে তিনি নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন। কিন্তু, যখন তিনি পর্দায় কাজ করেছেন, তখন বলিউডের অন্যতম সেরা অভিনেত্রী হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। প্রতিবাদী অনুষ্কা অস্বস্তি বোধ করেন পুরুষদের থেকে উপহার পাওয়া নিয়ে।

যারা উপহার পেতে ভালোবাসেন, তাঁদের মধ্যে অনুষ্কা একজন নন। তিনি বলেন, "একবার এক পুরুষ বন্ধু আমাকে বড় উপহার পাঠায়। প্রথমে আমি বিরক্ত হই। আসলে আমি এগুলো পছন্দ করি না। আমাকে কেন কেউ উপহার দেবে? আমি এই বিষয়ে খুব স্পষ্ট। পুরুষ বন্ধুর সঙ্গে কোথাও গেলে, হয় আমি পুরো টাকা দেব বা দু’ভাগ করে নিব। আমি সেই উপহার পেয়ে দাম যাচাই করি, তারপর তার থেকে বেশি দামের উপহার পাঠাই।" অনুষ্কা জানিয়েছেন, এই বিষয়ে তিনি একমাত্র নিজের স্বামীকে অনুমতি দিতে পারেন।

বর্তমানে অনুষ্কার আধ্যাত্মিক জীবন নিয়ে আলোচনা চলছে। তিনি প্রায়ই স্বামীর সঙ্গে আধ্যাত্মিক গুরু প্রেমানন্দের কাছে যান। কখনও গুরুর সেবা করতে দেখা যায়, আবার কখনও রাধানাম জপ করতে। জীবনে শান্তির খোঁজে গুরুর স্মরণে আবেগে বিগড়ে যেতে দেখা যায় অনুষ্কাকে। গত বছর ডিসেম্বরে প্রেমানন্দের আশ্রমে গিয়েছিলেন অনুষ্কা ও বিরাট। সেখানে তারা বলেছিলেন, “আমরা দু’জনে আপনাকে স্মরণ করছি। আপনার কাছে নিজেদের সমর্পণ করছি।” প্রেমানন্দ মহারাজ ঘটনাটির প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, “আমরা সকলেই শ্রীজির সন্তান। আমাদের মাথার উপরে যে আকাশ রয়েছে, তার ছাতার তলায় আমরা রয়েছি। সকলকে রাধানাম জপতে হবে।” অনুষ্কা এই নির্দেশনা অক্ষরে অক্ষরে পালন করেন।

২০১৮ সালে মুক্তি পেয়েছিল অনুষ্কার ছবি ‘জ়িরো’। এরপর থেকে তিনি আর কোনো ছবিতে কাজ করেননি। তবে, কি সত্যি একটি দীর্ঘ সময়ের জন্য অভিনয় থেকে নিজেকে সরিয়ে রেখেছেন অভিনেত্রী? এই প্রশ্নের জবাব এখনও অমীমাংসিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিশুদের অ্যালার্জি কমাতে নতুন পদ্ধতির সন্ধান গবেষণায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:২৪ এম


শিশুদের অ্যালার্জি কমাতে নতুন পদ্ধতির সন্ধান গবেষণায়

 

সময়ের সঠিক ব্যবহারে ডিমসহ অ্যালার্জিযুক্ত খাবার খাওয়ালে শিশুদের অ্যালার্জি কমবে, নতুন গবেষণায় বলা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

শিশুদের খাবারে ডিমসহ অ্যালার্জি সৃষ্টি করতে পারে এমন খাবারগুলোকে দেরিতে দেওয়ার পুরোনো ধারণাটি এখন পরিবর্তিত হয়েছে। নতুন গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, ছয় মাস বয়সের মধ্যে ডিমসহ অ্যালার্জি ঝুঁকিপূর্ণ খাবার দেওয়ার ফলে শিশুদের মাঝে ডিমের অ্যালার্জির হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে সক্ষম হচ্ছে।

‘জামা পেডিয়াট্রিকস’ সাময়িকীতে প্রকাশিত নতুন গবেষণায় নির্দেশনা চালুর পর শিশুদের মধ্যে ডিমের অ্যালার্জির হার ১৭ শতাংশেরও বেশি কমে গেছে, এমন জানিয়েছে।

গবেষকদের বক্তব্য, বিজ্ঞানভিত্তিক নির্দেশনা যদি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা হয়, তবে জনসংখ্যার মধ্যে বড় ধরনের স্বাস্থ্যগত পরিবর্তন আনা সম্ভব।

পূর্ববর্তী ধারণার পরিবর্তন

আগের ধারণাটি ছিল, যেসব পরিবারের মধ্যে অ্যালার্জির ইতিহাস রয়েছে, তাদের শিশুকে ডিমসহ অ্যালার্জি সৃষ্টিকারী খাবারগুলো দেরিতে খাওয়াতে হবে—২০১ এক থেকে তিন বছর বয়সের মধ্যে।

কিন্তু পরবর্তী গবেষণায় বলা হয়েছে, এই দেরি আসলে অ্যালার্জি প্রতিরোধে সহায়ক নয়। বরং এটি উল্টো প্রভাব ফেলতে পারে।

নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ছয় মাস বয়স থেকেই ধীরে ধীরে এসব খাবার শিশুদের খাওয়ানো উচিত।

গবেষণার ফলাফল কী

অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে ৭ হাজারের বেশি শিশুর ওপর করা একটি গবেষণাতে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে যে, নতুন নির্দেশনা কার্যকর হওয়ার পর ছয় মাসের মধ্যে ডিম খাওয়ানো শুরু করার হার ২৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ৫৭ শতাংশে পৌঁছেছে।

একইসাথে, ডিম অ্যালার্জির হার ৯.২ শতাংশ থেকে কমে ৭.৬ শতাংশে নেমে এসেছে।

অ্যালার্জির ঝুঁকি বেশি থাকা শিশুদের মধ্যেও উল্লেখযোগ্য উন্নতি দেখা গেছে।

আগেভাগে খাবার দেওয়ার উপকারিতা

বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুর শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা যখন ছোট বয়সেই খাবারের সাথে পরিচিত হয়, তখন সেটি নিরাপদ হিসেবে চিনতে শেখে। এ কারণে ভবিষ্যতে অ্যালার্জির ঝুঁকি কমে যায়।

যেসব শিশুর ত্বকের সমস্যা বা একজিমা আছে, তাদের ক্ষেত্রে আগেভাগে খাবার চিনতে দেওয়া আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতামত

গবেষকদের মতে, এই ফলাফল প্রমাণ করছে যে, সময়মতো নীতিমালা পরিবর্তন এবং তা বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনস্বাস্থ্যে বড় পরিবর্তন তৈরি করা সম্ভব।

তারা বলছেন, আগে যেসব পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল, তা যথেষ্ট প্রমাণভিত্তিক ছিল না এবং বর্তমানের নতুন তথ্য সেই পরামর্শগুলোকে সংশোধন করছে।

সতর্কতা ও পরামর্শ

চিকিৎসকরা বলছেন, শিশুকে খাবার দেওয়ার আগে অবশ্যই তার শারীরিক প্রস্তুতির বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। যেমন—বসে থাকা, মাথা নিয়ন্ত্রণ করতে পারা এবং খাবার গিলতে পারার সক্ষমতা রয়েছে কি না।

এক বছরের নিচে শিশুকে খুব সতর্কতার সাথে নরম করে খাবার দিতে হবে, যাতে শ্বাসরোধের ঝুঁকি সৃষ্টি না হয়।

নতুন গবেষণায় বলা হয়েছে, ভয় নয়—সঠিক সময়ে সঠিক খাবার দেওয়াই হতে পারে অ্যালার্জি প্রতিরোধের চাবিকাঠি। সময়মতো ডিমসহ খাবার পরিচয় করানো শিশুর ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্যকে আরও নিরাপদ করতে পারে।

সূত্র: সিএনএন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%