ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনার ভরি


দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনার ভরি

দেশের বাজারে সোনার দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম এক হাজার ৬৯১ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই নতুন মূল্য গত শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। আজ রবিবার, নতুন দামে কোনো পরিবর্তন না হওয়ায় সোনা বিক্রি হচ্ছে সর্বশেষ নির্ধারিত দামে।

নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৫৭৪ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ২২ হাজার ৪৯০ টাকা করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৩০১ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৯১ হাজার ৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দামও ১ হাজার ১০৮ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৬৪ টাকা করা হয়েছে।

এর আগে, ১৯ সেপ্টেম্বর ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৬৯১ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৫৭৫ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ২৪ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৩০১ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৯২ হাজার ৩৯৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ১০৮ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৫৭ হাজার ১৭২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন: কর্ণফুলী ওপর দেশের প্রথম ক্যাবল-স্টেইড সেতু, তিন জেলার মানুষের স্বস্তি মিলবে

এদিকে, সোনার দাম কমানোর পাশাপাশি রুপার দামও কমানো হয়েছে। ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ২৯২ টাকা কমিয়ে ৪ হাজার ৮৪০ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৩৫০ টাকা কমিয়ে ৪ হাজার ৬০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ২৯১ টাকা কমিয়ে ৩ হাজার ৯৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা কমিয়ে ৩ হাজার ৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চুক্তি ভেঙে তথ্য প্রকাশ, ইউক্রেনকে ক্ষমা চাইতে বলল দক্ষিণ কোরিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:০৫ এম


চুক্তি ভেঙে তথ্য প্রকাশ, ইউক্রেনকে ক্ষমা চাইতে বলল দক্ষিণ কোরিয়া

দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতির কার্যালয় আনুষ্ঠানিকভাবে ইউক্রেনের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা ও ব্যাখ্যা দাবি করেছে। অভিযোগ উঠেছে যে, কিয়েভ একতরফাভাবে দুজন উত্তর কোরীয় যুদ্ধবন্দীকে সিউলে হস্তান্তরের বিষয়টি প্রকাশ্যে এনেছে, যদিও দুই দেশের মধ্যে একটি গোপন চুক্তি ছিল। সিউল জানিয়েছে, কিয়েভ পরবর্তীতে এই ধরনের কোনো চুক্তি ছিল না বলে মিথ্যা দাবি করায় দুই দেশের মধ্যে বিশ্বাস মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতির জনসংযোগ বিষয়ক জ্যেষ্ঠ সচিব সিওং ঘি-হং এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, বন্দীদের নিরাপত্তা এবং কূটনৈতিক ও মানবিক দিক বিবেচনা করে এই হস্তান্তর গোপন রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। ইউক্রেন নিজেই দেশের সমালোচনার মুখে পড়ার ভয়ে বিষয়টি গোপন রাখার অনুরোধ করেছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সিউলের সাথে পরামর্শ না করেই জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে বক্তৃতা দেওয়ার সময় ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভলোদিমির জেলেনস্কি এটি প্রকাশ করেন এবং দাবি করেন যে কোনো গোপন চুক্তি ছিল না।

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং সোশ্যাল মিডিয়া এক্স-এ (সাবেক টুইটার) একটি পোস্টে কিয়েভের এই চুক্তি লঙ্ঘন ও তথ্য ফাঁসের ঘটনাকে ‘অত্যন্ত দুঃখজনক’ বলে অভিহিত করেছেন। সিওং ঘি-হং জানান, সরকার এই বিষয়ে প্রয়োজনে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টিও পর্যালোচনা করছে।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে রাশিয়ার কুর্স্ক অঞ্চল থেকে ইউক্রেন দুজন উত্তর কোরীয় সৈন্যকে আটক করেছিল। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের পর তারা প্রথম জীবিত আটক হওয়া উত্তর কোরীয় সৈন্য। পরবর্তীতে বন্দীরা দক্ষিণ কোরিয়ায় যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলে দুই দেশের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে তাদের সিউলে পাঠানো হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাউখালীতে সন্ধ্যা নদীর গর্ভে ঘর ও ৫ মন্দির বিলীন নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শনে ইউএনও, খাদ্য সহায়তা প্রদান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রিয়াদ মাহমুদ সিকদার,কাউখালী প্রতিনিধি

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:০৭ এম


কাউখালীতে সন্ধ্যা নদীর গর্ভে ঘর ও ৫ মন্দির বিলীন নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শনে ইউএনও, খাদ্য সহায়তা প্রদান

পিরোজপুরের কাউখালীতে হঠাৎ সন্ধ্যা নদীর তীব্র ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে একটি বসতঘর ও পাঁচটি ধর্মীয় উপাসনালয় (মন্দির)। এছাড়া হুমকির মুখে পড়েছে আরও অন্তত ১৫টি বসতবাড়ি, যা যেকোনো মুহূর্তে নদীগর্ভে চলে যেতে পারে।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালের দিকে উপজেলার আমড়াজুড়ি ইউনিয়নের সন্ধ্যা নদীর পশ্চিম পাড়ে এই আকস্মিক ভাঙন দেখা দেয়।
ঘটনার খবর পেয়ে রবিবার বিকেলে দুর্ঘটনাকবলিত এলাকা পরিদর্শনে যান কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রেহেনা আক্তার। এ সময় তিনি নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিতে থাকা ১৫টি পরিবারের মাঝে তাৎক্ষণিকভাবে শুকনো খাবার, চাল, ডাল, তেল, মরিচ, লবণ, মশলা ও শিশুখাদ্য বিতরণ করেন।
পরিদর্শনকালে ইউএনও’র সাথে উপস্থিত ছিলেন ,আমড়াজুড়ি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা আইসিটি অফিসার মেহেদী হাসান এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার মোঃ মফিজুর রহমান।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রেহেনা আক্তার বলেন,
আমড়াজুড়ি ইউনিয়নের সন্ধ্যা নদীর পশ্চিম পাড়ে আকস্মিক নদীভাঙনের খবর পেয়েই আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসি। ভাঙনে একটি বসতঘর এবং স্থানীয় পাঁচটি মন্দির নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। আরও বেশ কয়েকটি বসতবাড়ি এখন চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
আমরা প্রাথমিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ ১৫টি পরিবারের তালিকা তৈরি করে তাদের মাঝে চাল, ডাল, তেল, লবণ, প্রয়োজনীয় মশলা ও শিশুখাদ্যসহ জরুরী ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দিয়েছি। নদীভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলছি, যাতে দ্রুততম সময়ে বাঁধ নির্মাণ বা প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেওয়া যায়

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেলুচিস্তানে সেনা অভিযানে ভারতীয় মদতপুষ্ট ৭১ সন্ত্রাসী নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৩৪ এম


বেলুচিস্তানে সেনা অভিযানে ভারতীয় মদতপুষ্ট ৭১ সন্ত্রাসী নিহত

পাকিস্তানের সেনাবাহিনী সন্ত্রাসবিরোধী একটি ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করেছে। গত তিন দিন ধরে দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় বেলুচিস্তান প্রদেশজুড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর এই অভিযানে ভারত ও আফগানিস্তানের ‘মদতপুষ্ট’ ৭১ জন নিহত হয়েছেন। অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে।

পাকিস্তান সেনাবাহিনী সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ডের বরাত দিয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। ইসলামাবাদের এই অভিযোগের বিষয়ে কাবুল ও নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, আফগানিস্তান জানায়, পাকিস্তান থেকে কথিত দায়েশ সদস্যরা সীমান্ত পেরিয়ে দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় নুরিস্তান প্রদেশে ঢোকার পর আফগান বাহিনী তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ২৮ জনকে হত্যা এবং আরও ৩২ জনকে আহত করেছে। তবে পাকিস্তান আফগানিস্তানের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। ইসলামাবাদ একে ‘হাস্যকর, ভিত্তিহীন ও সম্পূর্ণ অসত্য’ বলে উল্লেখ করেছে।

পাকিস্তানের তথ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, ‘নুরিস্তান বা আফগানিস্তানের অন্য কোথাও অভ্যন্তরীণ সংঘাতে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী বা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর জড়িত থাকার দাবি পাকিস্তান দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করছে। সাবেক আফগান নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের নিয়োগ বা প্রশিক্ষণ দেওয়া কিংবা আফগানিস্তানে সক্রিয় দায়েশ বা অন্য কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে সহায়তা করার অভিযোগও সম্পূর্ণ বানোয়াট।’

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাকিস্তানে ধারাবাহিক সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটছে। পাকিস্তান অভিযোগ করে আসছে যে, এসব হামলার পেছনে ভারত ও আফগানিস্তান সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে পৃষ্ঠপোষকতা করছে। তবে ভারত ও আফগানিস্তান এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

পাকিস্তান আফগানিস্তানের অন্তর্বর্তী তালেবান সরকারকে টেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) সদস্যদের দমন করার আহ্বান জানিয়ে আসছে। টিটিপি বেশ কয়েকটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সমন্বয়ে গঠিত একটি জোট। পাকিস্তানের অভিযোগ, আফগানিস্তানের তালেবান সরকার দেশটির মাটি ব্যবহার করে টিটিপির সন্ত্রাসীদের কার্যক্রম চালানোর সুযোগ দিচ্ছে। তবে কাবুল এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। আফগানিস্তান জানায়, তারা আফগান ভূখণ্ড থেকে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কোনো হামলা চালানোর অনুমতি দেয় না।

যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন বাহিনী আফগানিস্তান থেকে প্রত্যাহারের পর এবং তালেবান ক্ষমতায় ফেরার পর দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে সন্ত্রাসী হামলা বেড়েছে। এসব হামলার বড় অংশই টিটিপি চালিয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

চলতি মাসের শুরুতে খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের কোহাটে একটি পুলিশ সদর দপ্তরে বিস্ফোরণ ও বন্দুক হামলায় অন্তত ৩১ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ১৬ পুলিশ সদস্য ছিলেন।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার আফগানিস্তান থেকে উৎক্ষেপণ করা ড্রোন শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয় করার পর পাকিস্তান আফগানিস্তানের ১০টি স্থানে বিমান ও ড্রোন হামলা চালায়। ইসলামাবাদ এসব হামলাকে ‘পরিকল্পিত, নির্ভুল, পরিমিত ও আনুপাতিক’ বলে বর্ণনা করেছে। পাকিস্তান জানিয়েছে, হামলাগুলো শুধুমাত্র শনাক্ত করা সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে সীমাবদ্ধ ছিল এবং এসব স্থাপনা ড্রোন হামলার চেষ্টার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিল।

পাকিস্তান আফগান তালেবানের প্রতি অবিলম্বে তাদের বিরুদ্ধে বৈরী তৎপরতা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে আফগান ভূখণ্ড থেকে পরিচালিত সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে ‘কার্যকর, সুনির্দিষ্ট, যাচাইযোগ্য ও ধারাবাহিক পদক্ষেপ’ নেওয়ারও আহ্বান জানিয়েছে ইসলামাবাদ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এরশাদ শিকদারের সঙ্গে একই মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি জয়নাল সরদার গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৩৫ এম


এরশাদ শিকদারের সঙ্গে একই মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি জয়নাল সরদার গ্রেপ্তার

বরিশালের গৌরনদী মডেল থানা পুলিশ দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা জয়নাল সরদারকে গ্রেপ্তার করেছে। তিনি বহুল আলোচিত খুনি এরশাদ শিকদারের সঙ্গে একই মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি। গ্রেপ্তার হওয়া জয়নাল সরদার গৌরনদী উপজেলার বাকঁপুরা গ্রামের মৃত আহম্মদ আলী সরদারের পুত্র।

পুলিশের সূত্রে জানা যায়, খুলনায় দায়ের করা একটি হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন। তার বিরুদ্ধে খুলনার রূপসা থানায় এফআইআর নং-৬, তারিখ ২৪ সেপ্টেম্বর ১৯৯৭, জিআর নং-৭৯, দণ্ডবিধির ৩০২/২০১/৩৪ ধারায় মামলা রয়েছে।

এছাড়া, খুলনা থানার মামলা নং-০২(০৯)৯৯, ধারা ৩০২/২০১/৩৪ এবং মামলা নং-০৬(০৯)৯৯, ধারা ৩০২/২০১/৩৪, দণ্ডবিধির মামলাও রয়েছে। এর মধ্যে মামলা নং-০৬(০৯)৯৯-এ আদালত জয়নাল সরদারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করে।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর জয়নাল সরদারকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে সংশ্লিষ্ট আদালতে পাঠানো হয়েছে।

গৌরনদী মডেল থানা পুলিশ জানায়, সাজাপ্রাপ্ত ও বিভিন্ন মামলার পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%