ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে একদিনে ডিএমপিতে ২১৪৬ মামলা


ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে একদিনে ডিএমপিতে ২১৪৬ মামলা

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ ২১৪৬টি মামলা করেছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) নিয়াজ মেহেদী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ১৪টি বাস, ৩টি কাভার্ডভ্যান, ৭টি সিএনজি ও ২৬টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১০১টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ২২টি বাস, ১২টি ট্রাক, ১টি কাভার্ডভ্যান, ১৭টি সিএনজি ও ১১৩টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৯৮টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ৪২টি বাস, ১টি ট্রাক, ২০টি কাভার্ডভ্যান, ৫৭টি সিএনজি ও ১৪৭টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩২৩টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ৪০টি বাস, ২৬টি ট্রাক, ৩৮টি কাভার্ডভ্যান, ৪০টি সিএনজি ও ১১২টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩৪৪টি মামলা হয়েছে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে ইউনিক্লোর প্রতি উদ্যোগ: প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

অন্যদিকে, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ৩৯টি বাস, ৭টি ট্রাক, ১২টি কাভার্ডভ্যান, ৪৮টি সিএনজি ও ১২৮টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩০২টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ২২টি বাস, ২৮টি ট্রাক, ২৯টি কাভার্ডভ্যান, ২৬টি সিএনজি, ১৮৭টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩৪৫টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ৯৩টি বাস, ১টি ট্রাক, ১৩টি কাভার্ডভ্যান, ২৭টি সিএনজি ও ৬৬টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩০৫টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ২২টি বাস, ৯টি কাভার্ডভ্যান, ৩১টি সিএনজি ও ৯৩টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২২৮টি মামলা হয়েছে। এছাড়াও অভিযানকালে মোট ৫০৩টি গাড়ি ডাম্পিং এবং ২২৩টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, রবিবার (২৬ জুলাই) ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব মামলা করা হয়। এর পাশাপাশি, ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তালিকায় নাম থাকলেও কখনো এসকর্ট নেননি ভূমিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:২১ পি.এম


তালিকায় নাম থাকলেও কখনো এসকর্ট নেননি ভূমিমন্ত্রী

সম্প্রতি সরকারের ব্যয় সংকোচন, জ্বালানি সাশ্রয় এবং পুলিশের জনবল ও যানবাহনের সংকটের কারণে ১৮ জন মন্ত্রীর জন্য বরাদ্দ বিশেষ পুলিশ এসকর্ট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তালিকায় ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনুর নাম থাকা সত্ত্বেও, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তিনি কখনোই পুলিশ এসকর্ট সুবিধা ব্যবহার করেননি, এ তথ্য নিশ্চিত করেছে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, দায়িত্ব গ্রহণের সূচনা থেকেই ভূমিমন্ত্রী কেবল একজন গানম্যানকে সঙ্গে নিয়ে সরকারি ও ব্যক্তিগত কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করছেন। তিনি পুলিশ এসকর্ট বহর, পাইলট গাড়ি বা অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থার কোনো সুবিধা গ্রহণ করেননি। অতএব, এসকর্ট প্রত্যাহারের তালিকায় তার নাম থাকা সত্ত্বেও তার চলাচল বা নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিশেষভাবে পরিবর্তিত হয়নি।

এ বিষয়ে কালের কণ্ঠকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, ‘আমি সাদামাটাভাবে চলতে পছন্দ করি। একেবারে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিলেমিশে থাকতে চাই। তাই এ ধরনের (এসকর্ট) বিষয়গুলো কখনো প্রয়োজন মনে করি না।’

তিনি আরও বলেন, ‘লক্ষ্য করলে দেখবেন, আমি যখন রাজশাহীতে যাই, তখন অনেক সময় রিকশায়ও চলাফেরা করি। এসকর্ট ছাড়াই সাধারণ মানুষের সঙ্গে চলতে আমি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি।’

মন্ত্রী জানিয়েছেন, দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে জনগণের কাছাকাছি থাকাকেই তিনি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন। তার মতে, সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ থাকলে তাদের সমস্যা, প্রত্যাশা ও বাস্তবতার বিষয়ে আরও ভালোভাবে জ্ঞান লাভ করা যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এসকর্ট প্রত্যাহারের সরকারি সিদ্ধান্তটি সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার একটি অংশ হলেও, ভূমিমন্ত্রীর ক্ষেত্রে এটি মূলত একটি আনুষ্ঠানিক বিষয়। কারণ তিনি শুরু থেকেই এসকর্টবিহীন চলাফেরার নীতি অনুসরণ করে আসছেন, এবং তার ব্যক্তিগত পছন্দ হচ্ছে অতি সাধারণ জীবনযাপন এবং অপ্রয়োজনীয় প্রটোকল এড়িয়ে চলা।

প্রসঙ্গত, সরকার সম্প্রতি ১৮ জন মন্ত্রীর জন্য বরাদ্দ বিশেষ পুলিশ এসকর্ট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। তবে দায়িত্বের গুরুত্ব বিবেচনায়, কয়েকজন জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টার জন্য এই সুবিধা বহাল রাখা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেরোবি উপাচার্য কলিমউল্লাহর কারামুক্তিতে বাধা নেই : আইনজীবী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:২৩ পি.এম


বেরোবি উপাচার্য কলিমউল্লাহর কারামুক্তিতে বাধা নেই : আইনজীবী

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজের অর্থ আত্মসাতের মামলায় সাবেক উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর জামিননামা দাখিল করা হয়েছে। এক লাখ টাকা মুচলেকায় পাসপোর্ট জমার সত্ত্বে এই জামিননামা দাখিল হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, কলিমউল্লাহর কারামুক্তিতে কোনো বাধা নেই। তার আইনজীবী মহসিন রেজা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সোমবার (২৭ জুলাই) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ শাহজাহান কবিরের কাছে শুনানি শেষে জামিননামা দাখিলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

এদিনের শুনানিতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ও আসামির হাজিরার জন্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল। এজন্য কলিমউল্লূহকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। হাজিরা শেষে আদালত তাকে পুনরায় কারাগারে পাঠান।

একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর দিবস নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর আইনজীবী মহসিন রেজা ও মহিমা বাঁধন সাংবাদিকদের বলেন, গত ১৪ জুন তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়েছিলেন। এক লাখ টাকা মুচলেকা ও পাসপোর্ট জমার শর্তে জামিননামা দাখিলের অনুমতি আদালত দিয়েছে। আমরা জামিননামা দাখিল করেছি। অন্য কোনো মামলার কারণে তার কারামুক্তিতে আইনগত কোনো বাধা নেই।

এর আগে মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে কলিমউল্লাহকে গত বছর ৭ আগস্ট গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। ওইদিন জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। একই বছরের ২৭ আগস্ট আদালত তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে রেখেছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে কলিমউল্লাহসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গত ১৮ জুন মামলাটি দায়ের করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বার্তা আদান-প্রদান চলছে, তবে আলোচনার পরিস্থিতি নেই: ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:২৩ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বার্তা আদান-প্রদান চলছে, তবে আলোচনার পরিস্থিতি নেই: ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে, তবে ইরান জানিয়েছে যে এই মুহূর্তে আলোচনার জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ তৈরি হয়নি। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই দাবি করেছেন যে ওয়াশিংটনের সামরিক পদক্ষেপ কূটনৈতিক আলোচনার জন্য আরো কঠিন পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

অস্ট্রিয়ার সংবাদমাধ্যম ওআরএফকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইরানের বর্তমান অগ্রাধিকার হচ্ছে দেশের সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা এবং জনগণের সুরক্ষা। তিনি আরও বলেন, 'আমরা বার্তা আদান-প্রদান করছি। তবে এখন আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার হচ্ছে ইরানের সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক অখণ্ডতা ও জনগণকে রক্ষা করা।'

বাঘাই অভিযোগ করেন যে যুক্তরাষ্ট্র বারবার কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যাহত করেছে এবং তার দাবি, ওয়াশিংটনের সামরিক কর্মকাণ্ড আলোচনার জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ নষ্ট করেছে। তাছাড়া, তিনি বলেন যে তেহরানের সঙ্গে আগের সমঝোতাগুলোও লঙ্ঘন করা হয়েছে।

বর্তমান মার্কিন হামলাকে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে 'অবৈধ যুদ্ধের ধারাবাহিকতা' হিসেবে উল্লেখ করেন এবং বলেন যে এসব পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করার প্রমাণ ও প্রকাশ।

হরমুজ প্রণালি প্রসঙ্গে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন যে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইরান নিজের দায়িত্ব পালন করেছে। তবে, তিনি যোগ করেন যে এই কৌশলগত নৌপথকে ইরানের জাতীয় নিরাপত্তার বিরুদ্ধে ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হবে না।

বাঘাই আরও অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক কর্মকাণ্ডের ফলে আঞ্চলিক উত্তেজনা বেড়েছে এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে।

২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি থেকে সরে যাওয়ার পর ইউরোপীয় দেশগুলোও নিজেদের প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। এ কারণে তাদের ওপর ইরানের প্রতি বড় দায় রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে উত্তেজনা বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর ইরানও বাহরাইন, জর্ডান ও কুয়েতসহ বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে।

এর আগে ৮ জুলাই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক বাতিলের ঘোষণা দেন। তার ফলে হরমুজ প্রণালিতে তিনটি তেলবাহী জাহাজের ওপর হামলা ও নৌপথ ব্যবহারের নিয়ম নিয়ে নতুন করে বিরোধ দেখা দেয়।

ওয়াশিংটন হরমুজ প্রণালিতে অবাধ চলাচলের দাবি জানালেও তেহরান বলছে যে তাদের উপকূলসংলগ্ন নির্ধারিত নৌপথ ব্যবহার করেই জাহাজ চলাচল করতে হবে।

এদিকে, সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর নতুন হামলা চালানোর থেকে সামরিক বাহিনীকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলা হামলার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসরায়েলি বাহিনীর বাধায় অ্যাম্বুলেন্স আটকে, সন্তান হারালেন ফিলিস্তিনি অন্তঃসত্ত্বা নারী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:২৫ পি.এম


ইসরায়েলি বাহিনীর বাধায় অ্যাম্বুলেন্স আটকে, সন্তান হারালেন ফিলিস্তিনি অন্তঃসত্ত্বা নারী

পশ্চিম তীরে অ্যাম্বুলেন্স চলাচলে বাধা দেওয়ার কারণে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর হাতে এক ফিলিস্তিনি নারী তার অনাগত সন্তানকে হারিয়েছেন। নাবলুসের দক্ষিণাঞ্চলীয় কারিউত শহরের ওই নারীকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে ওয়াফাতা সামরিক তল্লাশিচৌকিতে গাড়িটি দীর্ঘ সময় আটকে রাখার ফলে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) মিডল ইস্ট আই-এর এক প্রতিবেদনে পশ্চিম তীরের এই ঘটনায় সম্পর্কে জানানো হয়েছে।

কারিউত শহরের অ্যাম্বুলেন্স কর্মকর্তা বাশার আল-কারিউতি ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফাকে জানান, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী স্বাস্থ্যসেবাকর্মীদের কাজে সরাসরি বাধা দেয় এবং চেকপোস্টের ফটক দিয়ে অ্যাম্বুলেন্সটিকে পার হওয়ার অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানায়।

বাসার আল-কারিউতি জানিয়েছেন, ছয় মাসের গর্ভবতী ওই নারী তীব্র রক্তক্ষরণে আশঙ্কাজনক অবস্থায় থাকা সত্ত্বেও তাকে দীর্ঘ সময় তল্লাশি করতে বাধ্য করা হয়। একই সময়ে অ্যাম্বুলেন্সে উপস্থিত চিকিৎসক দলের একজন সদস্যকে জোরপূর্বক সেনাকাজিরায় ধরে নেওয়া হয়।

তিনি আরও অভিযোগ করেছেন যে, সেনাবাহিনীর সদস্যরা জোরপূর্বক অ্যাম্বুলেন্সের ইঞ্জিন বন্ধ রাখতে বাধ্য করেন। এর ফলে গাড়িতে থাকা জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং লাইফ সাপোর্ট সিস্টেম পুরোপুরি অকার্যকর হয়ে পড়ে, যা শেষ পর্যন্ত গর্ভস্থ শিশুর অকালমৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%