বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
১২:২১ পি.এম
মা এবং ছোট ভাইকে হত্যা করার পর মায়ের গাড়ি নিয়ে পালিয়েছিল অর্জুন অরবিন্দ নামে এক কিশোর। পুলিশ রাতভর চেষ্টার পর ভারতীয় বংশোদ্ভূত ১৭ বছর বয়সী অর্জুন অরবিন্দকে গ্রেপ্তার করেছে।
জানা গেছে, অর্জুন কিছু দিন ধরে পরিবারের সদস্যদের হত্যা নিয়ে কাল্পনিক একটি রহস্য গল্পের ব্যাপারে চ্যাটজিপিটির সঙ্গে আলোচনা করছিল।
এই ঘটনাটি ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের শহরতলির অ্যাক্টনে অবস্থিত তাদের বাড়িতে। মঙ্গলবার দুপুরের পর কোনো এক সময়ে অর্জুন ৪৫ বছর বয়সী মা সুধা ভেঙ্কটেশন এবং ১৪ বছর বয়সী ভাই সিদ্ধার্থকে হত্যা করে মায়ের গ্যারেজ থেকে হোন্ডা অ্যাকর্ড গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যায়। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে একজন গৃহশিক্ষক পূর্বনির্ধারিত সময়ে পড়ানোর জন্য ওই বাড়িতে আসার পর এই অপরাধের বিষয়টি দ্রুত সামনে আসে।
গৃহশিক্ষক ঘরের ভেতরে ঢুকতে না পেরে অর্জুনের বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। অর্জুনের বাবা তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন কিন্তু ব্যর্থ হন। এরপর তিনি অ্যাক্টন পুলিশ ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং তাদের বাড়িতে গিয়ে খোঁজ নেওয়ার অনুরোধ জানান। অর্জুনের বাবা সেদিন সকালে কর্মস্থলে যাওয়ার আগে শেষবারের মতো তার স্ত্রীকে দেখেছিলেন।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সিদ্ধার্থকে শেষবার দেখা গিয়েছিল দুপুর ১২টার দিকে। মিডলসেক্স ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির তথ্য অনুযায়ী, পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং সুধা ভেঙ্কটেশন ও সিদ্ধার্থকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন। সুধার মরদেহ বাড়ির বেসমেন্টে এবং তার ছেলের মরদেহ বাড়ির প্রথম তলায় পাওয়া যায়। উভয়ের শরীরেই স্পষ্ট আঘাতের চিহ্ন ছিল। তবে প্রধান চিকিৎসকের কার্যালয় এখনও মৃত্যুর সঠিক কারণ ও ধরন সম্পর্কিত আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করেনি।
হত্যাকাণ্ডে কী ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল, সে বিষয়টিও এখনও তদন্তাধীন রয়েছে। পুলিশ অভিযোগ করে বলেছে, অ্যাক্টন-বক্সবোরো রিজিওনাল হাই স্কুলের ছাত্র অর্জুন অরবিন্দ গত মঙ্গলবার ঘরের ভেতরে মা ও ভাইকে মারাত্মকভাবে আঘাত করে হত্যা করেছেন এবং এরপর তার মায়ের হোন্ডা অ্যাকর্ড গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যান। মিডলসেক্স কাউন্টির ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি ম্যারিয়ান রায়ান ও অ্যাক্টন পুলিশ চিফ ডগলাস স্টুরনিওলো জানান, বোস্টন থেকে প্রায় ৪৮ কিলোমিটার দূরে অ্যাক্টনের মার্থা লেন এলাকায় মঙ্গলবার এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। অর্জুনের বিরুদ্ধে দুটি হত্যা, পরিবারের সদস্যের ওপর হামলা ও আঘাত, অনুমতি ছাড়া গাড়ি ব্যবহার এবং মোটরযান চুরির অভিযোগ আনা হয়েছে।
তদন্তকারীরা অর্জুনের অবস্থান শনাক্ত করার চেষ্টা করলেও শুরুতে ব্যর্থ হন। এরপর আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং জনগণকে তার খোঁজে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। বুধবার ভোরে ম্যাসাচুসেটসের ওয়েল্যান্ড শহরের পুলিশ একটি পার্কিং লটে অন্য একটি অ্যালার্মের কল পেয়ে সেখানে পৌঁছায় এবং গাড়ির ভেতরে অর্জুনকে খুঁজে পায়। কোনো ঝামেলা ছাড়াই তাকে সেখান থেকে হেফাজতে নেওয়া হয়।
মিডলসেক্স কাউন্টির ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘পরবর্তী তদন্তে জানা গেছে যে অর্জুন সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কিছু উদ্বেগজনক আচরণ করছিল। এর মধ্যে নিজের পরিবারকে হত্যার বিষয়ে কাল্পনিক ধারণা বা রূপকথা খোঁজার জন্য ইন্টারনেট এবং চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করার বিষয়টিও রয়েছে।’
বিবৃতিতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে যে, অর্জুন চ্যাটজিপিটিকে রহস্য উপন্যাস তৈরিতে সাহায্য করতে বলেছিল, যেখানে সে বিভিন্ন প্রশ্ন করেছিল এবং চরিত্র তৈরি করেছিল। প্রাথমিকভাবে অর্জুনকে কিশোর আদালতে হাজির করা হবে। তবে খুনের মামলার বিচার করার এখতিয়ার কিশোর আদালতের নেই, তাই পরবর্তীতে কনকর্ড ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে তার বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ এবং হামলা সংক্রান্ত মামলার আনুষ্ঠানিক শুনানি করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও সাংবাদিক মুশফিকুল ফজল আনসারী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রেস উইং নিয়ে সম্প্রতি নানা আলোচনা কানে আসছে। এই বিষয়ে তাকে বিকল্প হিসেবে ভাবা এবং কোনো পদে দেখার প্রচারণা চালানোর ফলে তিনি বিব্রত ও বিরক্ত হয়ে পড়েছেন। পাশাপাশি, তাকে বিকল্প হিসেবে ভাবতে চাওয়ার জন্য প্রচারণা না চালানোর অনুরোধও করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। মুশফিকুল ফজল আনসারী লিখেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং নিয়ে সম্প্রতি নানা কথাবার্তা কানে আসছে। কেউ কেউ আমাকে বিকল্প ভেবে অতিরিক্ত আগ্রহ প্রকাশ করছে। বিষয়টি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, আমি এই লেখাটি দিতে মন সায় দিলাম কারণ আমি আমার অবস্থান পরিষ্কার করতে চাই।’
তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘বর্তমান প্রেস সচিব, অতিরিক্ত প্রেস সচিব, ডেপুটি ও সহকারী প্রেস সচিবরা সমন্বিতভাবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কর্মকাণ্ড, নেতৃত্ব ও ভাবমূর্তি জনগণের সামনে তুলে ধরতে আন্তরিকভাবে চেষ্টা করছেন— অন্তত আমার কাছে তা প্রতীয়মান।’
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের সদস্যদের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের পরিচয়ের উল্লেখ করে তিনি লেখেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাজের ধরন, একাগ্রতা, রাজনৈতিক দর্শন এবং পেশাদারিত্বের সাথে, তাদের দুজন অন্তত দীর্ঘদিন ধরে পরিচিত। এই অভিজ্ঞতা তাদের কাজের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি।’
এছাড়াও, মুশফিকুল ফজল আনসারী আরও বলেন, ‘ভালোর নির্দিষ্ট সীমা-পরিসীমা নেই। আরো ভালো করার সুযোগ সবসময়ই থাকে। বর্তমান টিম হয়তো কোথাও আরও ভালো করতে পারত; আবার অন্য কোনো টিম এলে সবকিছু আরো ভালো হবে- এমন নিশ্চয়তাও কেউ দিতে পারবেন না।’
তাকে কোনো পদে দেখতে চেয়ে প্রচারণা চালানোর বিষয়ে তিনি জানান, ‘আমাকে অমুক কিংবা তমুক পদে ‘দেখতে চাই’— এমন প্রচার, স্লোগান ও অতিরিক্ত আগ্রহে আমি বিব্রত ও বিরক্ত।’ তিনি শুভাকাঙ্ক্ষীদের উদ্দেশ্যে লিখেছেন, ‘শুভাকাঙ্ক্ষীদের আন্তরিকতার প্রতি আমার শ্রদ্ধা আছে; কিন্তু অনুগ্রহ করে আমাকে কেন্দ্র করে এমন কোনো প্রচারণা চালাবেন না, যা কর্মরত ব্যক্তিদের অস্বস্তিতে ফেলে, ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি করে কিংবা আমাকে কোনো পদপ্রত্যাশী হিসেবে উপস্থাপন করে।’
মুশফিকুল ফজল আনসারী বলেছেন, ‘পদ-পদবি দেশসেবার একমাত্র পথ নয়। সত্যিকার অর্থে কাজ করার সদিচ্ছা, সাহস ও দায়বদ্ধতা থাকলে পদ-পদবির বাইরেও দেশ ও জনগণের জন্য অনেক কিছু করা সম্ভব।’ নিজের অতীত ভূমিকার কথা তুলে ধরে তিনি লেখেন, ‘নিকট অতীতে যখন আমার কোনো রাষ্ট্রীয় পদ-পদবি ছিল না, তখনো বাংলাদেশের গণতন্ত্র, মানবাধিকার, জনগণের ভোটাধিকার এবং ফ্যাসিবাদমুক্ত ভবিষ্যতের পক্ষে আমি দেশ-বিদেশে কাজ করেছি নিজস্ব সর্বোচ্চ সামর্থ্য নিয়ে।’
প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের ওপর আস্থার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তার প্রয়োজন, বিবেচনা ও আস্থার ভিত্তিতে যাকে যেখানে উপযুক্ত মনে করবেন, তাকেই দায়িত্ব দেবেন। এ নিয়ে দাবি সংবলিত প্রচারণা অপ্রয়োজনীয় এবং অস্বস্তিকর।’ পোস্টের শেষে মুশফিকুল ফজল আনসারী লিখেছেন, ‘পদ সাময়িক- দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা চিরস্থায়ী।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অবরোধের ৫ ঘণ্টা পর জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার করে নেন সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকেরা।
এর আগে সকাল ৬টা থেকে জামালপুর শহরের নতুন বাইপাস মোড়ে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন তারা। এতে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা এবং কর্মজীবী মানুষ।
বিক্ষোভকারী সিএনজি চালকেরা অভিযোগ করেন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা গ্যাসের জন্য লাইনে দাঁড়িয়েও চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না।
এতে নির্ধারিত সময়ে পর্যাপ্ত ট্রিপ দিতে না পারায় তাঁদের দৈনিক আয় কমে গেছে। ফলে পরিবার-পরিজন নিয়ে জীবনযাপন করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজনীন আখতার বলেন, ‘সিএনজি চালকদের সঙ্গে কথা বলার পর তারা সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার করে। বর্তমানে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়ে নেজলা পুইস্তা (১৬) নামে এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে উপজেলার আমগ্রাম ইউনিয়নের আমগ্রাম পূর্বপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নেজলা পুইস্তা ওই এলাকার বাবুল পুইস্তার মেয়ে। সে আমগ্রাম উচ্চবিদ্যালয় থেকে চলতি বছর বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর নেজলা জানতে পারে ইংরেজি, গণিত, উচ্চতর গণিত ও রসায়ন বিষয়ে তার ফলাফল আশানুরূপ হয়নি। এ নিয়ে সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। পরে ফলাফল খারাপ হওয়াকে কেন্দ্র করে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে রাগারাগির একপর্যায়ে নেজলা নিজের শোবার ঘরে চলে যায়।
পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় দেখতে পান। অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত রাজৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
আমগ্রাম উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চৈতন্য কুমার বৈদ্য বলেন, নেজলা নিয়মিত বিদ্যালয়ে ক্লাসে আসত না। এ কারণে তার ফলাফল খারাপ হয়ে থাকতে পারে। তিনি বলেন, “ফলাফল খারাপ হতেই পারে। এ কারণে জীবন শেষ করে দেওয়া কোনো সমাধান নয়। পুনরায় পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগও তার ছিল।”
রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আমিনুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। পরে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিনা ময়নাতদন্তে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
নেজলার এমন মৃত্যুতে পরিবার, সহপাঠী ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বর্তমান সরকার পায়রা, মংলা এবং হিরণ পয়েন্টে নতুন তিনটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল করার পরিকল্পনা করছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানিয়েছেন যে, ২০২৯ সালের মধ্যে এগুলো শেষ হবে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) এক অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এই বিষয়ে তিনি মন্তব্য করেন।
বিদ্যুতের বর্তমান অবস্থা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, এ মুহূর্তে আমরা সম্পূর্ণ ঘাটতির মধ্যে আছি। বর্তমানে রাতের বেলায় বিদ্যুতের ডিমান্ড বেশি, যার কারণ গরিবের টেসলা, এবং এটার বেশিরভাগ ইলিগ্যাল কানেকশন।
তিনি আরও বলেন, সরকার ওয়্যারলেস গতিতে কাজ করছে। কিন্তু কিছু বিষয় আমাদের হাতে নেই। আমরা দিনরাত এটার পেছনে কাজ করছি এবং শিগগিরই এর সমাধান করতে সক্ষম হব।
মন্ত্রী মন্তব্য করেন, আমরা এই বিষয়টি নিয়ে খুব সিরিয়াস, সরকার ইতোমধ্যে তিনবার শিল্প উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে এবং চেষ্টা করছে কীভাবে এই সমস্যা থেকে বের হওয়া যায়। সরকার আপ্রাণ চেষ্টা করছে স্থায়ী সমাধান করতে। তিনি সবাইকে অনুরোধ করেন, "আপনারা আমাদের মোরাল সাপোর্টটা দেন তাহলে আমরা কাজ করতে সহজতর হব।"
সোলার ব্যবস্থার বিষয়েও তিনি বলেন, "যদি আমরা সোলার প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে পারি তাহলে আমাদের ঘাটতি অনেক কমে যাবে।" তিনি বলেন, "আমরা কোন জায়গা ছাড়ছি না। যেখানে যা সুযোগ, সম্ভাবনা আছে সেটাই কাজে লাগানোর চেষ্টা করছি।"
মন্ত্রী আরও জানান, "যদি ইন্ডাস্ট্রি না চলে তাহলে ইকোনমিক গ্রোথ থাকবে না। আমরা সব ধরনের চেষ্টা করছি।"
বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ মন্তব্য করেন, "আজকের সরকার অনেক কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যেমন রাত ৮টার পর দোকান বন্ধ করবে। এতে দেখা যাবে মানুষের ইনকাম কমে যাবে। গ্যাসের কারণে এবং বিদ্যুতের কারণে ৩৫-৪০ শতাংশ উৎপাদন কমেছে, এর দায় কে নেবে?"
তিনি বলেন, "আজ বিদ্যুৎ নেই তবে আমার বিল দিতেই হচ্ছে, আমাকে কর্মীদের বেতন দিতে হচ্ছে, এই সব বিষয়ে আমাকে বাঁচাবে কে?"
আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী আরও বলেন, "সরকার আসবে যাবে তবে জনগণ বা ইন্ডাস্ট্রি suffers করবে, এটা হতে পারে না। আপনারা আমাদের সুবিধাগুলো এনসিওর করুন বা সমস্যার সমাধান করুন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ