বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৫৫ পি.এম
এক সপ্তাহ আগে হিমালয় অঞ্চলে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার ফলে গ্রাম ও বাড়িঘর ভেসে যাওয়ার পর, নিখোঁজ স্বজনদের ‘আত্মার মুক্তির’ উদ্দেশ্যে নেপালের পরিবারগুলো প্রতীকী শেষকৃত্য পালন করছে।
খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
গত ২৬ আগস্ট, চীন-নেপাল সীমান্ত এলাকায় উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলের একটি হিমবাহ ধসে বরফশীতল পানি, পাথর ও ধ্বংসাবশেষের বিশাল স্রোত নেমে আসে। এই ঘটনায় ব্যাপক প্রাণহানি ঘটে।
জরুরি উদ্ধারকারী দল এখন পর্যন্ত এক হাজারের বেশি লাশ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় ৪ হাজার ৫০০ মানুষ।
নিখোঁজ স্বজনদের সন্ধানে কয়েক দিন ধরে আশ্রয়কেন্দ্র ও মর্গে খোঁজ চালানোর পর, অনেক পরিবার আশা হারিয়ে শেষ পর্যন্ত ধর্মীয় রীতিতে শেষকৃত্য শুরু করেছে।
স্বামীর প্রতীকী শেষকৃত্যের সময় কান্নারত ছেলের পাশে দাঁড়িয়ে ডোলমা নেওয়ার তামাং বলেন, “তার আত্মাকে মুক্তি দেওয়ার জন্য আমাদের এটা করতে হয়েছে, যাতে তিনি যেখানে আছেন, সেখানেই শান্তিতে ও আনন্দে থাকতে পারেন।”
দুর্যোগের সময় তার স্বামী চীনের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন।
ডোলমা এএফপিকে বলেন, “আমি খবরটি দেখে তাকে ফোন করেছিলাম। বারবার ফোন করেছি, কিন্তু তিনি কখনোই ফোন ধরেননি।”
ভয়াবহ এই দুর্যোগের এক সপ্তাহ পরেও নেপালের উদ্ধারকারীরা নিখোঁজদের জীবিত উদ্ধারের আশা ছাড়েননি। বিশেষ করে ওই অঞ্চলের বিভিন্ন জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের একাধিক সুড়ঙ্গে আটকে থাকা মানুষদের জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা নিয়ে তারা আশাবাদী।
এখন পর্যন্ত কাদায় পুরোপুরি আটকে থাকা সুড়ঙ্গগুলো থেকে শুধুমাত্র লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে জীবিতদের কাছে পৌঁছানোর আশায় উদ্ধারকারী দল ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে খনন, ড্রিলিং ও বিস্ফোরণের মাধ্যমে পথ তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানালও হাজার হাজার নিখোঁজ মানুষের কেউ কেউ এখনো জীবিত থাকতে পারেন বলে আশা করছেন।
এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “অলৌকিক ঘটনা ঘটতেই পারে। এই মুহূর্তে আমি পুরোপুরি আশা ছেড়ে দিতে চাই না।”
নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ বলেছেন, এই বিপর্যয় “হিমালয় অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে আমরা যে ঝুঁকির মুখোমুখি হচ্ছি, তা বাড়ছে— এর একটি গুরুতর সংকেত।”
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তন একটি বৈশ্বিক দায় আর দুর্যোগ মোকাবিলাও বৈশ্বিক দায়িত্ব।”
বিজ্ঞানীরা বলছেন, বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতমালা হিমালয় বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে দ্রুত উষ্ণ হয়ে উঠছে। এতে হিমবাহ গলার গতি বেড়ে যাচ্ছে।
বৃহত্তর হিমালয় ও হিন্দুকুশ পর্বতমালা অঞ্চলের হিমবাহ প্রায় ২৪ কোটি মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পানির উৎস। পাশাপাশি নিচের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার নদী অববাহিকায় বসবাসকারী আরও প্রায় ১৬৫ কোটি মানুষও এসব পানির উৎসের ওপর নির্ভরশীল।
প্রায় ৩ কোটি মানুষের দেশ নেপালে ভয়াবহ এই ধ্বংসযজ্ঞ নিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে।
বৈশ্বিক উষ্ণতা বাড়ানোর জন্য দায়ী গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণে নেপালের অবদান খুবই কম। অথচ জলবায়ু পরিবর্তনের পরিণতিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে নেপাল।
কাঠমান্ডু সতর্ক করে বলেছে, পুনর্গঠনের ব্যয় কয়েক বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে।
দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য প্রয়োজনীয় সম্পদ নেপালের সীমিত হওয়ায় দেশটির অর্থনীতির ওপরও বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।
ধ্বংসযজ্ঞের ব্যাপকতার একটি উদাহরণ হিসেবে চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত তিব্বতের গিরং বন্দরের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বুধবার পুনরায় চালু করা সম্ভব হয়েছে। এর আগে ‘দিন-রাত টানা মেরামতের কাজ’ চালাতে হয়েছে বলে তারা জানিয়েছে।
নেপালের মর্গগুলোতে লাশ রাখার জায়গা সংকট তৈরি হওয়ায় ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের পর শত শত অজ্ঞাত লাশ দাফন করতে বাধ্য হচ্ছে কর্তৃপক্ষ।
নেপাল জানিয়েছে, মঙ্গলবার পর্যন্ত ১ হাজার ৫০টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং ৩ হাজার ৯১৬ জন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, দেশটিতে ১৬ জন নিহত এবং ৫৪৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৬৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে এবং নিখোঁজ রয়েছেন ৪ হাজার ৪৬২ জন।
এ ছাড়া ভারতের নিম্নাঞ্চলের নদীগুলো থেকেও অন্তত ১৭টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে উপজেলা পর্যায়ের ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬ শুভ উদ্বোধন এবং বন্যাকবলিত কৃষক ও দুস্থদের মাঝে সরকারি নানা সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে। ১ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব কার্যক্রমের উদ্বোধন ও বিতরণ করেন।
সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থীদের সাঁতার ইভেন্টের মধ্য দিয়ে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। এতে উপজেলার বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।
পরবর্তীতে উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী সংসদ সদস্যের অনুকূলে প্রাপ্ত ক্রীড়া সামগ্রী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ঢেউটিন ও শুকনো খাবার এবং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে কৃষি প্রণোদনা ও জিআর চাল বিতরণ করেন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এমপি নিয়মিত ক্রীড়া চর্চার ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, তৃণমূল পর্যায় থেকে উদীয়মান ক্রীড়াবিদ খুঁজে বের করতে এই ধরনের প্রতিযোগিতা অনন্য ভূমিকা রাখে। শারীরিক ও মানসিক বিকাশে তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলায় যুক্ত থাকার আহ্বান জানান তিনি।
বন্যা পরবর্তী পুনর্বাসন ও সহায়তা বিতরণ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘব এবং উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতেই এই সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ সময় তিনি ত্রাণ ও প্রণোদনা বিতরণে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য উপস্থিত কর্মকর্তাদের কড়া নির্দেশ দেন, যাতে প্রকৃত ভুক্তভোগী প্রান্তিক চাষিরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সরকারি সুফল পান।
এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইয়াসিন খন্দকারের সভাপতিত্বে ও উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মুহাম্মদ মুশফিকুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিএনপির দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মশিউর রহমান, কুলিয়ারচর উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. কিতাব আলী মাস্টার, সাধারণ সম্পাদক এম.এ হান্নান, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. শাহাদাৎ হোসেন শাহ্ আলম, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ শাহ্ আলম এবং প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক মো. কামরুল ইসলাম মুছা প্রমুখ।
এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষি অফিসার মর্জিনা আক্তার, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ মাসুদ রানা, কুলিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী আরিফ উদ্দীন, উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মো. আলী জিন্নাহ, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মাহবুবা সিদ্দিকী, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. মাসুদুর রহমান ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ওয়াসিম প্রমুখ।
এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন, কুলিয়ারচর সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহ্ মো. ফজলুল হক, ছয়সূতী ইউনিয়ন হাই স্কুল এণ্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মুহাম্মদ আবদুল মালেক ও বেগম নূরুন্নাহার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. আবু হানিফসহ উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ, অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তুরস্কের কর্তৃপক্ষ বুধবার জানিয়েছে, উপকূলে দুটি কার্গো জাহাজের মধ্যে সংঘর্ষের পর একটি জাহাজের ১০ নাবিকের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
স্থানীয় সময় ভোর ৩টার দিকে ইস্তাম্বুলের দক্ষিণ-পশ্চিমে মারমারা সাগরে সংঘর্ষটি ঘটে।
বার্তা সংস্থা এএফপি ইস্তাম্বুল থেকে এ তথ্য জানিয়েছে।
গভর্নরের কার্যালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘তুগবের্ক ইমামোগ্লু’ নামের কার্গো জাহাজটির সঙ্গে এবং এর ১০ নাবিকের সঙ্গে বর্তমানে যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না।
এছাড়াও, গভর্নরের কার্যালয় জানিয়েছে, জাহাজটি খুঁজে বের করার জন্য নৌযান ও একটি হেলিকপ্টার ব্যবহার করে তল্লাশি কার্যক্রম চলছে।
সংঘর্ষের শিকার অপর জাহাজ, রাসায়নিকবাহী ট্যাংকার ‘আলসু’ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে মনে হচ্ছে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জেলায় নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে সচেতনতা সভা আজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার বেলা ১১টায় শহরের মরিয়ম স্কুলে অভিভাবকবৃন্দের উপস্থিতিতে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন মরিয়ম স্কুলের প্রধান শিক্ষক সিস্টার শিল্পী পেরেরা। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মো. নেয়ামুল হাসান নীপ।
সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. আসিফ আরেফিন অক্সিন।
বক্তারা সভায় উল্লেখ করেন, স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। এই উদ্দেশ্যে আইন প্রণয়ন করা হয়েছে এবং প্রত্যেক জেলায় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। তবে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার জন্য জনসচেতনতা সৃষ্টি করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষক এবং অভিভাবকবৃন্দ যদি সচেতন হন, তাহলে সর্বোত্তম ফলাফল অর্জন সম্ভব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঝিনাইদহে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় শিক্ষার্থীদের মধ্যে গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির উদ্যোগে আজ বুধবার দুপুর ১২টায় সদর উপজেলার উত্তর নারায়ণপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদ প্রশাসক এ্যাড.এমএ মজিদ।
এ কর্মসূচিতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মুন্সি কামাল আজাদ পান্নু, জেলা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী সেলিম রেজা এবং সাগান্না ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল মামুন।
এ সময় নেতৃবৃন্দ উত্তর নারায়নপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে গাছের চারা রোপণ করেন। পরে বিদ্যালয়ের চার শতাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে ফলদ, বনজ ও ওষুধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
চারা বিতরণ শেষে বিদ্যালয় আয়োজিত অভিভাবক সমাবেশে জেলা বিএনপি নেতা কর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।
এ সময় জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদ প্রশাসক এম এ মজিদ বলেন, "প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে সবুজ বিপ্লব সৃষ্টি করা হবে।" তিনি আরও বলেন, "এরই ধারাবাহিকতায় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বৃক্ষরোপণের প্রতি আগ্রহী করে তোলা ও সচেতনতা বৃদ্ধি করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ