শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৩২ পি.এম
হযরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজারের দানবাক্সের গণনা চতুর্থবারের মতো সম্পন্ন হয়েছে। ৩৪ দিন পর দানবাক্সটি খুলে পাওয়া গেছে প্রায় ৮৯ লাখ টাকা। এর পাশাপাশি পাওয়া গেছে স্বর্ণ এবং ১৫টি দেশের মুদ্রাও। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য ও সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক (সিসিক) আবদুল কাইয়ূম চৌধুরী বাক্সে পাওয়া দানের হিসাব ঘোষণা করেন।
এর আগে সকাল ১০টা থেকে হযরত শাহজালাল (রহ.) এর দরগাহে বসানো ৩টি দানবাক্স ও ৩টি ডেগ থেকে টাকা সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে দানবাক্স ও ডেগের সিলগালা খুলে টাকা সংগ্রহ করা হয়। পরে প্রায় অর্ধশত স্বেচ্ছাসেবী মিলে দিনভর সেগুলো গণনা করেন। সন্ধ্যা ৬টার দিকে সিসিকের প্রশাসক আবদুল কাইয়ূম প্রাপ্ত দানের হিসাব ঘোষণা করেন।
তিনি জানান, এবার দান হিসেবে মিলেছে ৮৮ লাখ ৯২ হাজার ৯৬৬ টাকা। এছাড়া ১ ভরি ৯ আনা ২ রতি স্বর্ণ, ব্রিটিশ ৫ পাউন্ড, ভারতীয় রূপি ৩ হাজার ৯৫৪, থাইল্যান্ডের ৫ বাথ, সৌদি আরবের ৯৯.২৫ রিয়াল, মালয়েশিয়ার ২৯ রিঙ্গিত, ৮ মার্কিন ডলার, ওমানের ৯০৩ রিয়াল, আরব আমিরাতের ৫৭.২৫ দেহরাম, ইরাকের ১ দিনার, কাতারের ২১.৫০ রিয়াল, ৩০.১০ ইউরো, বাহরাইনের দশমিক ২৫ দিনার, পাপুয়া নিউগিনির ৫০ টিনা, চীনের ১৫ ইউয়ান ও ইন্দোনেশিয়ার ৫ হাজার রূপিয়াহ পাওয়া গেছে। এছাড়া দান হিসেবে ৬টি গরু ও ১১টি ছাগলও পাওয়া গিয়েছিল। এর মধ্যে লঙ্গরখানায় খাবারের জন্য জবাই করা হয়েছে ৫টি গরু ও ৬টি ছাগল। ৪টি ছাগল বিক্রি করে লঙ্গরখানার স্টাফদের মজুরি প্রদান করা হয়েছে এবং একটি করে গরু ও ছাগল গরিব দুই মেয়ের বিয়েতে দান করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, এর আগে গত ১৫ আগস্ট ৩৪ দিন পর তৃতীয়বারের মতো দানবাক্স খোলা হয়েছিল। ওই সময় পাওয়া গিয়েছিল ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা ও বিভিন্ন দেশের মুদ্রা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সুনামগঞ্জের শাল্লায় পরিচ্ছন্নতা ও মশা নিধন অভিযান-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) শাল্লা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পিয়াসচন্দ্র দাসের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানের অংশ হিসেবে শাল্লা সদর ঘুঙ্গিয়ারগাঁও বাজারের কাঁচাবাজার, মধ্যবাজার, থানা রোড, কলেজ রোডসহ বিভিন্ন এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। পাশাপাশি মশা নিধনের মেশিনের মাধ্যমে বিভিন্ন স্থানে ওষুধ ছিটানো হয়।
এর আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ডেঙ্গু রোগের বিস্তার, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।
অভিযানে শাল্লা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শুভজিৎ রায়, শাল্লা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সোহেল, বাজার কমিটির সভাপতি ব্রজেশ রঞ্জন চৌধুরী, বাজারের ব্যবসায়ী, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় ডেঙ্গু প্রতিরোধে নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি কোথাও পানি জমে থাকলে তা দ্রুত অপসারণের আহ্বান জানানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেটে তরুণ চিকিৎসক পদ্মজিৎ চক্রবর্তী প্রান্তের (৩১) মৃত্যুর ১১ দিন পর তার বাবা পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) মৌলভীবাজার শহরের এম সাইফুর রহমান সড়কে অবস্থিত ‘ভটের ফার্মেসি’র দ্বিতীয় তলার বাসা থেকে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।
পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তী ওই ফার্মেসির দ্বিতীয় তলায় বসবাস করতেন। ‘ভটের ফার্মেসি’ তাদের পারিবারিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত। তাঁদের গ্রামের বাড়ি মৌলভীবাজার সদর উপজেলার সাবিয়া গ্রামে অবস্থিত। স্থানীয়ভাবে তাঁদের পরিবার ‘ভটের বাড়ি’ (ব্রাহ্মণ বাড়ি) নামে পরিচিত। প্রায় দুই বছর আগে পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তীর স্ত্রী মারা যান।
শুক্রবার সকালে পরিবারের সদস্যরা পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তীর কোনো সাড়া না পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভেতর থেকে বন্ধ থাকা দরজা ভেঙে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে।
মৌলভীবাজার মডেল থানার উপপরিদর্শক মনোজ কুমার সরকার জানান, প্রাথমিকভাবে পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তীর মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। ময়নাতদন্তের পর শুক্রবার রাতেই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মৌলভীবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, কয়েক দিন আগে পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তীর একমাত্র ছেলে চিকিৎসক পদ্মজিৎ চক্রবর্তী প্রান্তের মৃত্যু ঘটে। ছেলের মৃত্যুর পর তিনি বিমর্ষ ছিলেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ছেলেকে হারানোর শোক থেকে পূর্ণেন্দ্র আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন।
এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর সিলেট নগরের মির্জাজাঙ্গাল এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে ডা. পদ্মজিৎ চক্রবর্তী প্রান্তের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসক ছিলেন।
জানা যায়, প্রায় দুই বছর আগে প্রান্তের বিয়ে হয়েছিল। তিনি এবং তার স্ত্রী দুজনেই চিকিৎসক। নতুন বাসায় ওঠার পরদিনই তার অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। তার মৃত্যুর কারণ নিয়ে তখন নানা প্রশ্ন উঠেছিল। তবে পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করেছিল, তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাত্র ১০ দিন আগে খুলনা নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে ভর্তি হন আজমুল হোসেন, যিনি আযম নামেও পরিচিত (২৩)। তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের খাজা খানজাহান আলী আবাসিক হলের পেছনে ইসলামনগর রোডের চারতলা একটি মেসে বসবাস করতেন। সেখানে ভাত চুরি করার অভিযোগে তাকে সহপাঠী ও বহিরাগতদের দ্বারা মারপিট করে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনা ঘটে গতকাল শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা থেকে ১টার মধ্যে।
নিহত আজমুল চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনা থানার বড় শলুয়া গ্রামের কুতুব উদ্দিন ও আসমা বেগমের বড় ছেলে। ভুক্তভোগী পরিবার এবং পুলিশের দাবি অনুযায়ী, আজমুলকে মারপিট করে চারতলা ছাদ থেকে ফেলে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার পর অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা, পুলিশ এবং নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের খাজা খানজাহান আলী আবাসিক হলের পেছনে ইসলামনগর রোডের চারতলা ভবনটি ছাত্রদের মেস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এই মেসে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৫০-৬০ জন শিক্ষার্থী বসবাস করেন। আজমুল ডি-৮ কক্ষের ভাড়াটিয়া ছিলেন। মেসের বর্তমান ম্যানেজার মেহেদী, যিনি গোপালগঞ্জ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র, ডি-২ কক্ষে থাকেন।
তারা জানান, শুক্রবার রাতে আজমুলের বিরুদ্ধে মেসের ভাত খেয়ে ফেলার অভিযোগ ওঠে। এ সময় মেস ম্যানেজার মেহেদীসহ অন্যান্য ছাত্র এবং বহিরাগতরা তাকে ছাদে নিয়ে গিয়ে মারপিট করে। একপর্যায়ে তাকে ছাদ থেকে ফেলে দেওয়া হয়। পরে ওই মেসের ছাত্ররা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাম্বুলেন্সে আজমুলকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর আজমুলকে নিয়ে যাওয়া শিক্ষার্থীরা হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান। খবর পেয়ে শনিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে আজমুলের বাবা ও পরিবারের সদস্য খুলনায় আসেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বাড়ির মালিক জানান, রাত সাড়ে ১২টা থেকে ১টার দিকে পাশের ভবন থেকে চিৎকার-চেঁচামেচির শব্দ শুনে তিনি বাইরে বের হন। এ সময় পাশের ভবনের চতুর্থ তলায় একজনকে কয়েকজন মিলে মারধর করতে দেখেন। পরে তাকে নিচে পড়ে থাকতে দেখা যায়।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সালাউদ্দীন বলেন, ঘটনাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সীমানার বাইরে, অর্থাৎ খাজা হলের গেটের বাইরে একটি বাড়িতে ঘটেছে। বাড়িটি ছাত্রাবাস হিসেবে ভাড়া দেওয়া হয়। সেখানে গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়, নর্দান বিশ্ববিদ্যালয় এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক কয়েকজন শিক্ষার্থী অবস্থান করছেন।
নিহত আজমুলের বাবা কুতুব উদ্দিন জানান, মাত্র ১০ দিন আগে আজমুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিল। তার দুই ছেলের মধ্যে আজমুল বড়। তিনি জানান, আজমুল লেখাপড়ার জন্য খুলনায় এসেছিল। গত বছর কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারেনি। এবার ভর্তি হওয়ায় তিনি খুব খুশি ছিলেন, কিন্তু এখন সব শেষ হয়ে গেছে।
তিনি জানান, আজমুল শুক্রবার বাড়ি থেকে খুলনায় এসেছিল এবং রাত ৯টার দিকে ফোন করে জানিয়েছিল যে সে ভালো আছে। কিন্তু অনেক রাতে একটি ছেলে আজমুলের ফোন নম্বর দিয়ে কল করে এক লাখ টাকা নিয়ে আসতে বলে। আজমুল নাকি ঝামেলা করেছে! ‘গরীব মানুষ, কোথায় টাকা পাবো’ বললেও সেই ছেলে দ্রুত আসার জন্য বলে। আর সকালে শুনছেন, সেই ছেলে নাই হয়ে গেছে।
কুতুব উদ্দিন বলেন, ‘যে ছেলে রাতে আমাকে চিন্তা করতে বারণ করল, সেই ছেলেকে অন্য ছাত্ররা পিটিয়ে মারল। আমি কারও কাছে বিচার দেব না। আমরা গরিব মানুষ। বাড়ি অনেক দূরে। আমরা বিচার পাব না। আল্লাহর কাছে বিচার দিলাম। আল্লাহই বিচার করবেন।’
হরিণটানা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকবাল হোসেন বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। মেসের অধিকাংশ সদস্যরাই পালিয়েছে। নিহত আজমুলের বাবা মামলা না করলে পুলিশই বাদী হয়ে মামলা করবে। অপরাধীদের সনাক্ত ও গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ওসি জানান, নিহতের মরদেহ খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে দেওয়া হচ্ছে।
খুলনা নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. কানাই লাল সরকার বলেন, ছেলেটি সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে। আমরা তাঁর পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছি। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর পরিবারের পাশে থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে নাইকির সঙ্গে ২০ বছরের দীর্ঘ সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন। বিশ্বের বৃহত্তম ক্রীড়া সামগ্রী প্রস্তুতকারী এই প্রতিষ্ঠানটির পরিবর্তে তিনি সুইজারল্যান্ডের দ্রুত বর্ধনশীল স্পোর্টসওয়্যার ব্র্যান্ড অন-কে নতুন স্পন্সর হিসেবে বেছে নিয়েছেন। এই ঐতিহাসিক চুক্তির মাধ্যমে, রিয়াল মাদ্রিদের এই ফরাসি ফরোয়ার্ড সুইজারল্যান্ড-ভিত্তিক ব্র্যান্ডটির বিশ্বব্যাপী অ্যাম্বাসাডর হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
এটি একটি সাধারণ স্পনসরশিপ নয়। অন ব্র্যান্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই চুক্তির কাঠামোতে নগদ অর্থের পাশাপাশি ইকুইটি (শেয়ার) অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, ফলে এমবাপ্পে এই কোম্পানির একজন শেয়ারহোল্ডার হয়ে উঠছেন।
২০১০ সালে মূলত রানিং ও টেনিস জুতা দিয়ে যাত্রা শুরু করা এই সুইস কোম্পানিটি এবার ফুটবল বাজারে বড় ধরনের ধাক্কা দিতে যাচ্ছে। তারা ২০২৭ সালে তাদের প্রথম ফুটবল বুট বাজারে ছাড়ার পরিকল্পনা করেছে।
কিংবদন্তি টেনিস তারকা রজার ফেদেরার ২০১৯ সাল থেকেই এই ব্র্যান্ডটির অন্যতম সহ-মালিক। এছাড়া, ফ্রান্সের সাবেক কিংবদন্তি থিয়েরি অঁরি এই ব্র্যান্ডটির 'ডিরেক্টর অব ফুটবল' হিসেবে যোগ দিয়েছেন।
এমবাপ্পে ২০০৬ সাল থেকে মাত্র ৮ বছর বয়সে নাইকির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সম্প্রতি লামিনে ইয়ামাল নাইকি ছেড়ে অ্যাডিডাসে যোগ দেওয়ার পর এমবাপ্পের এই দলবদল মার্কিন পরাশক্তি নাইকির জন্য একটি বড় ব্যবসায়িক ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে, ২০৩৪ সাল পর্যন্ত ফ্রান্স জাতীয় দলের কিট স্পনসর নাইকি হওয়ায়, জাতীয় দলের জার্সিতে এমবাপ্পেকে নাইকির লোগোই পরতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ