ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সান্তাহারে শিশু রাকা হত্যা : বেরিয়ে আসছে আরো চাঞ্চল্যকর তথ্য


সান্তাহারে শিশু রাকা হত্যা : বেরিয়ে আসছে আরো চাঞ্চল্যকর তথ্য

বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহার এলাকায় আলোচিত শিশু রাকিকা আক্তার রাকার হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে আরো চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসছে। সোনার দুল হাতিয়ে নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবেশীর সঙ্গে বিরোধও এই হত্যাকাণ্ডের আরেকটি কারণ হিসেবে দেখা যাচ্ছে। বর্তমানে মামলার ২ নম্বর আসামি বন্যা বেগম আদালতে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

শনিবার (১৩ জুন) বগুড়ার আদমদীঘি সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতের বিচারকের কাছে বন্যা বেগম তাঁর স্বীকারোক্তি প্রদান করেন। পরে বিচারক তার জবানবন্দি ১৬৪ ধারায় রেকর্ড করে তাকে কারাগারে প্রেরণ করেন।

আরো জানানো হয়েছে যে, আদমদীঘি থানার ওসি কামরুজ্জামান মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ বলছে, নিহত শিশু রাকার পরিবার এবং বন্যা বেগমের পরিবারের মধ্যে আগে থেকেই নানা বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। তার পরেও সাড়ে ৬ বছর বয়সী রাকা বন্যা বেগমের বাড়িতে যেত এবং তার মেয়ে ফাতেমার (১২) সঙ্গে খেলাধুলা করত।

আরও পড়ুন: কালকিনিতে গৃহবধূকে গোপনে ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগ

একদিন ফাতেমা খেলাধুলার সময় রাকাকে মারধর করে। রাকা দাদির কাছে গিয়ে বিষয়টি জানালে তার দাদি ফাতেমাকে মারধর করেন। কিন্তু ফাতেমার মা বন্যা বেগম ও তার পরিবার বিষয়টি সহজভাবে মেনে নিতে পারেননি। তাই তারা প্রতিশোধ নেওয়ার পরিকল্পনা করে। ১১ জুন বৃহস্পতিবার বিকেলে শিশু রাকাকে ডেকে এনে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় বন্যা বেগম ও তার পরিবারের দ্বারা।

আসামি বন্যা বেগম বলেন, সান্তাহার পৌর এলাকার সাহেবপাড়ায় তার বাড়িতে ব্রয়লার মুরগির একটি ছোট সেড রয়েছে। রাকা যখন সেখানে মুরগি দেখছিল, তখন পেছন থেকে কাপড়ের রশি দিয়ে তার গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করা হয়।

তিনি আরো দাবি করেন, যে, তিনি নিজেই রাকাকে হত্যা করেছেন। পরে রাকার লাশ একটি প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে কাগজপত্র দিয়ে ঢেকে শয়ন কক্ষের পাশে লুকিয়ে রাখা হয়।

ওসি জানিয়েছেন, এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এজাহারনামীয় ৪ আসামিকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে বন্যা বেগমের স্বামী আমজাদ হোসেনও রয়েছেন। নিহত রাকা সান্তাহার পৌর এলাকার সাহেবপাড়ার অটোরিকশার গ্যারেজ মিস্ত্রী রায়হান আলীর মেয়ে। তিনি উল্লেখ করেন, রাকাকে হত্যা করার সময় তার সোনার দুটি কানের দুলও খুলে নেওয়া হয়েছিল।

আরও পড়ুন: শীর্ষ মাদক ডিলার গ্রেফতার: ২ বোতল ভারতীয় সিরাপ দিয়ে আদালতে সোপর্দ করলো দামকুড়া থানা পুলিশ

এই বিষয়ে জোড়ালো তদন্ত চলছে। এ হত্যার ঘটনায় আদমদীঘি থানায় নিহত রাকা সান্তাহার সাহেব পাড়ার রায়হান আলী বাদি হয়ে প্রতিবেশী আমজাদ হোসেন, তার স্ত্রী বন্যা বেগম এবং বাবু হোসেনসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ এখন ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রতিবেশী আমজাদ হোসেন, তার স্ত্রী বন্যা বেগম, বাবু হোসেন ও তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকাকে গ্রেপ্তার করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতে ৬ মাসের মেয়েকে কোলে নিয়ে সাততলা থেকে ঝাঁপ দিলেন নারী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৩৯ এম


ভারতে ৬ মাসের মেয়েকে কোলে নিয়ে সাততলা থেকে ঝাঁপ দিলেন নারী

৬ মাসের মেয়েকে কোলে নিয়ে সাততলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন এক নারী তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী। কিন্তু এই ঘটনা ঘটলেও ওই নারীর সন্তান বেঁচে গেছে।

শুক্রবার (১২ জুন) ভারতের তেলঙ্গানার হায়দরাবাদের মিয়াপুর এলাকায় এই ঘটনার অবতারণা হয়েছে।

নিহত নারীর নাম ঈশা সাহু। তিনি মধ্যপ্রদেশের বাসিন্দা। কর্মসূত্রে হায়দরাবাদে অবস্থান করছিলেন। তার দুই মেয়ে রয়েছে। বড় মেয়ে আট বছরের।

পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে। কিন্তু তার কোলে থাকা শিশুর সামান্য আঘাত লেগেছে। দুজনকেই উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকেরা জানিয়ে দেন, ঈশার মৃত্যু হয়েছে আগেই। কিন্তু তার মেয়ে সামান্য চোট নিয়ে ফরিদা রয়েছে। শারীরিক অবস্থার কারণে শিশুটিকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ জোরে কিছু একটা নীচে পড়ার আওয়াজ পেয়ে তারা দ্রুত ছুটে গিয়ে দেখেন এক নারী রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন। তার পাশেই জরুরি অবস্থা।

জানা গেছে, ওই নারী সরাসরি নিচে আছড়ে পড়লেও তার হাত থেকে ছিটকে শিশুটি প্রথমে একটি প্রোটেক্টিভ ফেন্স বা রক্ষাকারী কাঠামোর উপর পড়ে। পরে নীচে গিয়ে পড়ে। এত উঁচু থেকে শিশুটি কীভাবে বেঁচে গেল, তাতে হতবাক স্থানীয়রা।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ভয়ানক নিদ্রাহীনতার সমস্যা ছিল ঈশার। এছাড়া তিনি অবসাদেও ভুগছিলেন। ঈশার বিয়ে হয়েছিল ১১ বছর আগে। তবে ঈশা কেন ঝাঁপ দিলেন, তার কারণ স্পষ্ট নয়। সূত্র: আনন্দবাজার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
গুলিবিদ্ধ ‘কাইল্লা পলাশ’

‘অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক’, স্থানান্তর বেসরকারি হাসপাতালে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৪৪ এম


‘অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক’, স্থানান্তর বেসরকারি হাসপাতালে

রাজধানীর রামপুরায় গুলিবিদ্ধ ইয়াসিন খান পলাশ ওরফে ‘কাইল্লা পলাশ’ (৫০) কে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। রবিবার (১৪ জুন) রাত সোয়া ১২টার দিকে লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে অন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক। এর আগে গত শুক্রবার দুপুরে পশ্চিম রামপুরার মক্কি মসজিদ সংলগ্ন রয়েল মিষ্টির দোকানের সামনে তাকে গুলি করা হয়েছিল। প্রাথমিক তথ্যে জানা যায়, আগেই দুই যুবক সেখানে অবস্থান করছিল। নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় তারা পলাশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর স্থানীয়রা হামলাকারীদের ধাওয়া দিলে তারা মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় পলাশকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার শারীরিক অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জেনেভা ক্যাম্পে গডফাদারদের ছত্রছায়ায় আরো বেড়েছে মাদক ব্যবসা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৫৪ এম


জেনেভা ক্যাম্পে গডফাদারদের ছত্রছায়ায় আরো বেড়েছে মাদক ব্যবসা

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পে ৫ আগস্টের পরবর্তী দফা অভিযানগুলি চললেও এখনো মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণে আসেনি। পুলিশ তালিকাভুক্ত গডফাদারদের কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

নামগুলো হলো- মনু ওরফে গাল কাটা মনু, ইমতিয়াজ, শাহ আলম ও বিল্লু। অভিযোগ রয়েছে যে, তারা একত্রে জেনেভা ক্যাম্পে খুচরা মাদক কারবারিদের নেতৃত্ব দিচ্ছে। এছাড়া, সালাম, নেটা সেলিম, ইরফান, লালনসহ বিভিন্ন তালিকাভুক্ত গডফাদার ক্যাম্পে মাদক ব্যবসার নেতৃত্ব দেয়। প্রত্যেকের প্রায় ৪০ থেকে ৫০ জনের বেশি সহযোগী রয়েছে, যারা ক্যাম্প ও আশপাশের এলাকায় ঘুরে ঘুরে প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি করে। মাদক কিনতে তাদের কাছ থেকে কখনও কখনও লাইনে দাঁড়িয়ে মানুষকে দেখা যায়, অনেকটা রিলিফ পণ্যের মতো।

এদিকে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক অভিযানে এই মরণনেশার লেনদেন নিয়ন্ত্রণে আসেনি। মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেজবাহ উদ্দীন কালের কণ্ঠকে জানান, কিছু গডফাদার গ্রেপ্তার হয়েছে, কিন্তু যারা এখনও গ্রেপ্তার হয়নি, তাদের ধরার প্রয়াস অব্যাহত রয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতির মধ্যে তারা থানায় তালিকাভুক্ত মাদক কারবারির তালিকায় রয়েছে এবং তাদের ধরা পড়ার অভিযান চলছে।

পুলিশ জানায়, সর্বশেষ সোমবার রাতে ক্যাম্পে অভিযান চলাকালীন তারা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় যে, মাদক গডফাদারদের বিরুদ্ধে আধিপত্য বজায় রাখতে সহযোগীদের মাধ্যমে তারা বিপুল অস্ত্রের মজুদ করেছে, যার ফলে মাঝে মধ্যে সংঘর্ষ ঘটছে। এর ফলে এলাকার নিরীহ মানুষের প্রাণহানি ঘটে।

ধারণা করা হচ্ছে, মোহাম্মদপুরে জেনেভা ক্যাম্প দীর্ঘ দিন ধরে আতঙ্কের জনপদ হয়ে উঠেছে। এখানে কেবল মাদক কারবারই নয়, প্রায়ই ছিনতাইয়ের ঘটনাও ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কিত অবস্থায় রয়েছেন। মাঝে মাঝে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান হলেও কিছুদিন পরে পূর্বের পরিস্থিতি ফিরে আসে।

অপরাধ বিশ্লেষকরা বলছেন, মোহাম্মদপুর তার এলাকার আতঙ্কের আড়ালে পাকিস্তানি নাগরিকদের আবাসস্থল। সেখানে মাদক খুব সহজে পাওয়া যায় আর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও ক্রেতা। মাদক নিয়ন্ত্রণে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। যদি না হয়, তবে সমাজে বিশৃঙ্খলা দেখা দেবে।

বিশ্বাসযোগ্য সূত্রে জানা যায়, মোহাম্মদপুর বিহারী ক্যাম্পসহ আশপাশের এলাকায় অপরাধমূলক পরিস্থিতি হওয়ার কারণে পুলিশ ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার (সিসিটিভি) আওতায় আনার পরিকল্পনা করছে। গত সোমবার মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে র‌্যাব, পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। মাদক অপরাধীদের গ্রেপ্তার করতে চার ঘণ্টাব্যাপী এই বিশেষ অভিযানে ১৬ জনকে আটক করা হয়, তবে এর মধ্যে শীর্ষ পর্যায়ের গডফাদাররা নেই। আবার, মোহাম্মদপুর থানার পুলিশ সূত্র এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে যে, মাদক বিরোধী অভিযানে অফিসারসহ তিন বাহিনীর বিশাল বহর অংশ নিয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানাচ্ছে, গত ৩০ এপ্রিল থেকে রাজধানীসহ সারা দেশে মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। নতুন সরকারের ক্ষমতায় আসার পরে মাদকদের বিরুদ্ধে কঠোর যুদ্ধ শুরু হয়েছে।

নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, আইনগত দুর্বলতার কারণে অনেক অপরাধীকে আটক করার পর দীর্ঘ সময় জেলে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। ক্যাম্পের বাসিন্দাদের পাশাপাশি পুলিশ থেকে কিছু তথ্য পাওয়া গেছে, যে নেতৃবৃন্দ শাহ আলম নামের এক নিরাপরাধ তরুণকে মাদক অপরাধীদের হাতে খুন করেছে। তাকে নির্মমভাবে চাপাতি দিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। গত এক বছরের মধ্যে এই মাদক ব্যবসায়ীরা আরও পাঁচজনকে খুন করেছে এবং অর্ধশতাধিক লোক চাপাতির কোপে ও গুলিতে আহত হয়েছেন, এর মধ্যে নারী ও শিশু রয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ক্যাম্পের অন্তত ৮০ শতাংশ লোক প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এখন মাদকে জড়িয়ে পড়েছে। তবে ক্যাম্পের বাসিন্দারা বলেন, ক্যাম্পে দারিদ্র্য ও বেকারত্বের পাশাপাশি মাদক ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিচ্ছে। সম্প্রতি, পুলিশ গোয়েন্দা অনুসন্ধান চালিয়ে জানিয়েছে যে, ক্যাম্পের ৮০ শতাংশ বাসিন্দা মাদক ব্যবসায় জড়িত। জামিনে থাকা এবং অন্তত ২০ জন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণ করছে, যারা ক্যাম্পে নেই। তারা শিশু, কিশোর ও নারীদের ব্যবহৃত করছে।

পুলিশ জানায়, গত এক বছরে মোহাম্মদপুর থানায় ৬০ শতাংশ মামলা মাদককে কেন্দ্র করে হয়েছে। শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীদের অনেকেই ৫ আগস্টের পর যৌথ বাহিনীর অভিযানে গ্রেপ্তার হয়েছিল। তবে বেশিরভাগ জামিনে বের হয়ে পুনরায় মাদক ব্যবসা শুরু করেছে। বুনিয়া সোহেল ৩৬ মামলার আসামি, অন্যদের বিরুদ্ধে ১০ থেকে ১২টি করে মাদক সংক্রান্ত মামলা রয়েছে।

এক বছরে নিহতদের মধ্যে, গত বছরের ৬ আগস্ট ক্যাম্পে গুলিতে শাহেন শাহ নামের এক যুবক মারা যান। একই দিনে শুভ নামের আরেক যুবক গলায় গুলিবিদ্ধ হন। এর আগে শাহ আলম নামে এক তরুণকে হত্যা করা হয়েছিল। পরে ১৭ আগস্ট থেকে সংঘর্ষ শুরু হয়, যা ২৩ আগস্ট পর্যন্ত চলেছিল। আবার ৩০ আগস্ট থেকে ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সংঘর্ষ হয়। ৪ সেপ্টেম্বর সোহেলের গুলিতে অটোরিকশাচালক সাদ্দাম হোসেন সনু মারা যায়। ঘটনার পর ২২ সেপ্টেম্বর এবং পরদিন সকাল পর্যন্ত দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া চলতে থাকে। এর মধ্যে নাগিন বেগম ও চারকো ইরফান গুলি বর্ষণের শিকার হন। ২৪ সেপ্টেম্বর গুলিবিদ্ধ সাগর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। সবথেকে আগে ৩১ মে ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলিতে রাসেল নামে এক শিশু মারা যায়।

জানা গেছে, ক্যাম্পের বাসিন্দারা বলছেন, বুনিয়া সোহেল মোটরসাইকেলে করে এসে ককটেল ফাটিয়ে চলে যায় এবং সেই থেকে ক্যাম্পের বিভিন্ন জায়গায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটছে।

ক্যাম্পের বাসিন্দাদের মতে, বর্তমানে এই ক্যাম্পের মাদক নিয়ন্ত্রণকারীদের মধ্যে বুনিয়া সোহেলের লোকজন ক্যাম্পের ৭ নম্বর সেক্টরে মাদক কারবার করছে। এছাড়া চুয়া সেলিমের এলাকা এবি-ব্লক পাক্কা ক্যাম্পে মাদক কারবার চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাপানের বিপক্ষে ২–১ গোলে এগিয়ে নেদারল্যান্ডস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:০৩ এম


জাপানের বিপক্ষে ২–১ গোলে এগিয়ে নেদারল্যান্ডস

দ্বিতীয়ার্ধে অসম্ভব উত্তেজনায় ভরা হয়ে উঠেছে জাপান ও নেদারল্যান্ডসের ম্যাচ। ৫১ থেকে ৬৪ মিনিটের মধ্যে মাত্র ১৩ মিনিটের মধ্যেই তিনটি গোল ঘটে, যা পুরো ম্যাচের অবস্থান পাল্টে দেয়।

৫১ মিনিটে ডান দিক থেকে আসা একটি ক্রসে ভির্জিল ভ্যান ডাইকের হেডে এগিয়ে যায় নেদারল্যান্ডস। তার শক্তিশালী হেড পোস্টে লেগে জালে জড়িয়ে যায়।

কিন্তু এই লিড বেশি সময় ধরে রাখতে পারেনি নেদারল্যান্ডস। ৫৭ মিনিটে বাঁ পাশ থেকে অভিজ্ঞ কেইতো নাকামুরা দারুণ আক্রমণে গোল করে সমতা ফেরান। তখন জাপান পুরোপুরি ম্যাচে ফিরে আসে।

আবারও ৬৪ মিনিটে নেদারল্যান্ডস এগিয়ে যায়। বক্সের বাইরে থেকে ক্রিসেনসিও সুমারভিল একটি অসাধারণ শটের মাধ্যমে দলকে ২–১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।

এর আগে ম্যাচটি ফায়ারড চালানোর জন্য আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণের মধ্যে ছিল, যেখানে দুই দলই কিছু ভালো সুযোগ তৈরি করেছিল কিন্তু তারা গোলের দেখা পায়নি।

ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখলে রাখছিল নেদারল্যান্ডস। ডান দিক থেকে ভ্যান হেক আক্রমণে উঠে জাপানের রক্ষণভাগের উপর চাপ সৃষ্টি করেন। কিন্তু শেষ মুহূর্তে জাপানি ডিফেন্ডাররা সেই চাপ সফলভাবে সামাল দিয়েছেন।

অন্যদিকে, জাপানও কিছু পাল্টা আক্রমণ করেছে। বিশেষ করে ম্যাচের শেষ দিকে উয়েদা একটি গোল করার সুযোগ চেয়েছিলেন। তিনি ডিবক্সের ভেতর থেকে শট নিলেও বল ক্রসবারের ওপর দিয়ে চলে যায়।

প্রথমার্ধের ৪৩ মিনিটে জাপান সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছে যায় গোলের। নাকামুরা বক্সের ভেতর থেকে একটি শট নিলেও বল গোলবারের পাশ দিয়ে চলে যায়। এর আগে, নেদারল্যান্ডসের হয়ে মালেনের হেডে জাপানের গোলরক্ষক সুজুকি একটি সুন্দর সেভ করেছিলেন। কর্নার থেকে আসা বলেও ডাচরা জাপানি রক্ষণ ভাঙতে ব্যর্থ হয়।

অতিরিক্ত সময়েও দুই দলই চেষ্টা চালালেও কোনো দলই গোলের খাতা খুলতে পারেনি। ফলে প্রথমার্ধ শেষে ম্যাচটি গোলশূন্য সমতায় দাঁড়িয়ে ছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%