ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাশিয়ার মিত্র সার্বিয়ায় জেলেনস্কির ঐতিহাসিক সফর


রাশিয়ার মিত্র সার্বিয়ায় জেলেনস্কির ঐতিহাসিক সফর

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি শুক্রবার প্রথমবারের মতো সরকারি সফরে সার্বিয়া গেছেন। প্রচণ্ড আগ্রাসনের পরেও রাশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখা ইউরোপের হাতে গোনা কিছু দেশের একটি হল সার্বিয়া। সফরের সময় জেলেনস্কি দেশটির সঙ্গে নিরাপত্তা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করবেন।

বেলগ্রেড বিমানবন্দরে জ্বালানিমন্ত্রী দুব্রাভকা জেদোভিচ হান্দানোভিচ জেলেনস্কিকে স্বাগত জানান। এর পর জেলেনস্কি সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার ভুচিচের সঙ্গে এক নৈশভোজে অংশ নেন।

খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র। জেলেনস্কি এক্সে বলেন, ‘আমরা দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সম্পর্ক, উভয় দেশের জন্য উপকারী অন্যান্য বিষয় এবং নিরাপত্তা ইস্যু নিয়ে আলোচনা করব।’

আরও পড়ুন: দেশের ইতিহাসে প্রথমবার ৩৩,৮৫১ পূজামণ্ডপে শান্তিপূর্ণ দুর্গোৎসব

ঐতিহাসিকভাবে রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট ভুচিচ মস্কোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। এই পদক্ষেপটি ইউরোপীয় ইউনিয়নকে ক্ষুব্ধ করেছে এবং জোটটিতে বেলগ্রেডের যোগ দেওয়ার পথকে মন্থর করেছে।

সার্বিয়ার প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানিয়েছে যে, শনিবার প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে ভুচিচ ও জেলেনস্কির সাথে আনুষ্ঠানিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। পরে তারা গণমাধ্যমের সামনে বক্তব্য দেবেন।

এই সফরের আগে ইউক্রেনের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এএফপিকে বলেন, এই সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো ‘সার্বিয়াকে রাশিয়ার পক্ষ থেকে দূরে সরিয়ে আনা।’ তবে মস্কোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করবেন না বলে জানিয়েছেন ভুচিচ।

বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমকে ভুচিচ বলেন, ‘আমি নিশ্চিত, ভলোদিমির জেলেনস্কি তাঁর অবস্থান ও চলমান সংগ্রামের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে রুশ ফেডারেশনের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে নিজের মতামত জানাবেন। তবে প্রায় সাড়ে চার বছর আগে সার্বিয়া এ বিষয়ে নিজেদের অবস্থান জানিয়েছে এবং পরে তা পরিবর্তন করেনি।’

আরও পড়ুন: জয়শঙ্করের সঙ্গে রুবিওর সাক্ষাৎ, তাজ হোটেলের নিরাপত্তা প্রধানের পরিচয় করালেন

তিনি আরও জানান, ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই অবস্থানই বহাল থাকবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশের বিপক্ষেই মাঠে নামলেন ‘বাংলাদেশি সাকিব’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:২৫ পি.এম


বাংলাদেশের বিপক্ষেই মাঠে নামলেন ‘বাংলাদেশি সাকিব’

২০১৮ সালে জীবনযাপন ও জীবিকার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে খুলনার তরুণ নাজমুস সাকিব মালয়েশিয়ায় পাড়ি দিয়েছিলেন। তবে প্রবাসজীবনের ব্যস্ততার মাঝেও তিনি ক্রিকেটের প্রতি তাঁর স্বপ্ন ও ভালোবাসা অটুট রেখেছিলেন। এই প্রচেষ্টাই অবশেষে তাকে মালয়েশিয়ার জাতীয় ক্রিকেট দলে স্থান দান করেছে।

মালয়েশিয়ার ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিক ভালো পারফরম্যান্সের কারণে প্রথমে তিনি দেশটির ‘এ’ দলের সদস্য হন। এরপর সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত এক ম্যাচে তিনি মাত্র ৫০ বলেই ১২২ রানের দুর্দান্ত ও ঝড়ো ইনিংস খেলে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তাঁর নজরকাড়া পারফরম্যান্সই তার জাতীয় দলের দরজা খুলে দেয়।

মালয়েশিয়া তিনটি ওয়ানডে ও দুটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলার জন্য বাংলাদেশ সফরে এসেছে। সাকিব তার জন্মভূমির বিপক্ষে মাঠে নামার সুযোগ পেয়েছেন। শনিবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ এইচপি এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে সিরিজের প্রথম টি-টুয়েন্টি ম্যাচ শুরু হয়েছে। উইকেটরক্ষক ব্যাটার নাজমুস সাকিব একাদশে নির্বাচিত হয়েছেন।

২০২৪ সালের এসিসি প্রিমিয়ার কাপের মাধ্যমে নাজমুস সাকিব মালয়েশিয়া জাতীয় দলে অভিষেক ঘটান। তিনি দেশের হয়ে চারটি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে অংশগ্রহণ করেছেন। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তিনি এখনো তেমন কিছু করে দেখাতে পারেননি। ৪ ম্যাচে তার গড় রান হলো সাড়ে ৭, যা মাত্র ১৫ রান।

এখন তার জন্মভূমিতে কিছু একটা করে দেখানোর সুযোগ এসেছে। সফরকারী দলটি ইতিমধ্যে ৬৫ রানেই বাংলাদেশের প্রথম ৪ উইকেট তুলে নিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টাকা-পয়সা নিয়ে বিরোধ, গোয়ালন্দে ছুরিকাঘাতে যুবলীগ নেতার মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:২৬ পি.এম


টাকা-পয়সা নিয়ে বিরোধ, গোয়ালন্দে ছুরিকাঘাতে যুবলীগ নেতার মৃত্যু

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে ছুরিকাঘাতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ গোয়ালন্দ পৌর যুবলীগের প্রচার সম্পাদক শরিফুল ইসলাম ওরফে হীরাকে (৪০) হত্যার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার সকালে সোয়া ৯টার সময় উপজেলার রেলওয়ে স্টেশন এলাকার তোরাই মোড় এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহত শরিফুল গোয়ালন্দ উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামের জাবেদ ভূঁইয়ার ছেলে।

এ বিষয়ে নিহতের স্বজন এবং পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শরিফুল ইসলাম ও কামরুলের মধ্যে বন্ধুত্ব ছিল। তবে তাদের মধ্যে টাকা-পয়সা নিয়ে দ্বন্দ্ব বিরাজ করছিল। শনিবার সকালে গোয়ালন্দ বাজার থেকে বাজার শেষ করে বাড়ি ফেরার সময় তোরাই মোড় এলাকায় পৌঁছানোর পর হঠাৎ করে কামরুল ছুরি নিয়ে আক্রমণ করে।

স্থানীয়দের সাহায্যে শরিফুলকে উদ্ধার করে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, সকালে ছুরিকাঘাতে শরিফুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তিনি বলেন, "আমরা আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা করছি।" মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান যুদ্ধে লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়: শীর্ষ মার্কিন জেনারেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:২৭ পি.এম


ইরান যুদ্ধে লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়: শীর্ষ মার্কিন জেনারেল

যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার একটি পথ খুঁজছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধ আরও তীব্র করার জন্য যেসব সামরিক বিকল্প বিবেচনা করছেন, সেগুলোর অনেকগুলিই উল্টো ফল দিতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা করছেন। একই সঙ্গে শুধু বিমান হামলার মাধ্যমে ট্রাম্পের ঘোষিত লক্ষ্য অর্জন করাও কঠিন হতে পারে বলে মনে করছেন তিনি।

এ তথ্য সিএনএনের সূত্র থেকে জানা গেছে। একটি সূত্র সরাসরি বলেছে, “কেইন যুদ্ধ থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজছেন।” সূত্রগুলো জানিয়েছে, কেইন একা নন। যুদ্ধ কোন পর্যায়ে গিয়ে দাঁড়িয়েছে এবং এটি আরও বাড়ালে যুক্তরাষ্ট্র কী ধরনের সামরিক ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে- এ নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তার সঙ্গেও তিনি আলোচনা করেছেন।

এসব কর্মকর্তার মধ্যে রয়েছেন সিআইএ পরিচালক জন র‌্যাটক্লিফ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। প্রশাসনের দুই কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, কেইন তাদের সঙ্গে সামরিক বিকল্পগুলোর সীমাবদ্ধতা ও সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে আলোচনা করেছেন এবং যুদ্ধ থেকে বের হওয়ার সম্ভাব্য পথ নিয়েও কথা বলেছেন।

সাম্প্রতিক সময়ে কেইন ট্রাম্প প্রশাসনের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ও একই ধরনের মত পোষণকারী কর্মকর্তার সঙ্গে আলাদাভাবে বৈঠক করেছেন। এর উদ্দেশ্য ছিল বিভিন্ন সরকারি সংস্থার মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকের আগে সামরিক পরিস্থিতি ও সম্ভাব্য বিকল্প নিয়ে সবাইকে একই অবস্থানে রাখা।

সূত্রগুলোর মতে, এসব আলোচনায় কেইন বিশেষ করে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন যে, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে থাকা সামরিক বিকল্পগুলোর কিছু গুরুতর সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এমনকি এসব অভিযানে মার্কিন সেনাদের সরাসরি ইরানের মাটিতে পাঠানোর প্রয়োজন না থাকলেও তার নেতিবাচক পরিণতি হতে পারে।

একটি সূত্র সিএনএন-কে বলেছে, “আমার মনে হয়, তিনি আসলে সামরিক বাহিনীকে সুরক্ষিত রাখার চেষ্টা করছেন।” তবে একই সঙ্গে কেইন ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্কও সতর্কতার সঙ্গে পরিচালনা করছেন। ট্রাম্প বারবার ইঙ্গিত দিয়েছেন, তিনি ইরানে স্থলবাহিনী পাঠানোর পক্ষে নন। তার ধারণা, ব্যাপক বিমান হামলার মাধ্যমে তেহরানকে তার শর্তে একটি চুক্তিতে যেতে বাধ্য করা সম্ভব।

কিন্তু কেইনসহ ট্রাম্প প্রশাসনের কয়েকজন কর্মকর্তা ব্যক্তিগতভাবে মনে করছেন, শুধু বিমান হামলা চালিয়ে সেই লক্ষ্য অর্জন করা বাস্তবসম্মত নয়। তাই প্রেসিডেন্টের নির্ধারিত সীমার মধ্যে থেকে অন্য কী ধরনের বিকল্প তৈরি করা যায়, তা নিয়েও কাজ চলছে।

যুদ্ধ শুরুর প্রায় ছয় মাস পর এসে ট্রাম্প প্রশাসনের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের একটি বড় অংশ মনে করছেন, সংঘাতটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে পৌঁছেছে। মার্কিন সামরিক মতবাদ, গোয়েন্দা মূল্যায়ন এবং সাম্প্রতিক যুদ্ধের অভিজ্ঞতা- সব মিলিয়ে তাদের ধারণা, ইরানের ওপর কেবল বিমান হামলা চালিয়ে দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জন করা কঠিন।

জেনারেল কেইন গত মাসের শেষ দিকে আইনপ্রণেতাদের একটি প্রকাশ্য শুনানিতেও বলেছিলেন, “বিমান শক্তির সীমাবদ্ধতা আছে।” এই বাস্তবতার কারণেই জুলাইয়ের শেষ দিকে ইরানের বিরুদ্ধে আরও বড় ও আগ্রাসী হামলার পরিকল্পনা নিয়ে কেইন এবং ট্রাম্প প্রশাসনের কয়েকজন কর্মকর্তা সতর্ক ছিলেন বলে সূত্র জানিয়েছে।

একটি সূত্রের দাবি, সম্ভাব্য অভিযানের পক্ষে মূলত যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের কিছু অংশ ছিল। ইসরায়েলও সংঘাত আরও বাড়ানোর একটি অভিযানের ব্যাপারে মোটামুটি সমর্থন জানিয়েছিল। ট্রাম্প প্রথমে ওই ‘বড় ধরনের’ অভিযান অনুমোদনের দিকে এগোলেও পরে মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে কথা বলার পর পিছিয়ে আসেন। এসব দেশ ট্রাম্পকে সতর্ক করে বলেছিল, ইরান পাল্টা হামলা চালালে তাদের জ্বালানি অবকাঠামো ভয়াবহ ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

তবে প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ট্রাম্প ভবিষ্যতের জন্য ওই হামলার পরিকল্পনা পুরোপুরি বাতিল করেননি। যুদ্ধ আরও বাড়ানোর ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ও গোলাবারুদের মজুত কমে যাওয়াও এক বড় উদ্বেগ হয়ে উঠেছে। সিএনএন-এর আগের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, গুরুত্বপূর্ণ কিছু মার্কিন সামরিক গোলাবারুদের মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। জেনারেল কেইন ছাড়াও উপসাগরীয় দেশগুলোর কর্মকর্তারা এ নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের কাছে উদ্বেগ জানিয়েছেন।

তাদের আশঙ্কা, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে বড় ধরনের হামলা চালায় এবং তেহরান পাল্টা হামলা করে, তাহলে উপসাগরীয় দেশগুলোর কাছে থাকা উচ্চক্ষমতার মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেই হামলা ঠেকানোর জন্য পর্যাপ্ত নাও হতে পারে। ট্রাম্প একাধিকবার ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলার হুমকি দিয়েছেন। কিন্তু সূত্রগুলো বলছে, এমন হামলায় ইরান আত্মসমর্পণ করবে- এমন সম্ভাবনা কম। বরং এর প্রতিক্রিয়ায় ইরান উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা চালাতে পারে।

এ ধরনের হামলা ইরানের জনগণকে সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ করার বদলে উল্টো আরও জাতীয়তাবাদী অবস্থানে ঠেলে দিতে পারে বলেও কয়েকজন কর্মকর্তা মনে করছেন। ট্রাম্প ইরানের সেতুগুলোতেও হামলার কথা বিবেচনা করেছেন বলে একটি সূত্র জানিয়েছে। তবে তাতেও বড় ধরনের কৌশলগত সাফল্য আসার সম্ভাবনা কম।

একটি সূত্রের ভাষায়, ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণস্থলগুলো অনেকটা ‘হোয়াক-এ-মোল’ পরিস্থিতির মতো- একটি ধ্বংস করলে আরেকটি সামনে আসে। বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালানো হলে অবশ্য এর প্রতীকী ও রাজনৈতিক প্রভাব অনেক বেশি হতে পারে। সামরিক বিকল্প নিয়ে উদ্বিগ্ন হলেও ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট করতে চান না জেনারেল কেইন। বরং প্রেসিডেন্টের আস্থা ধরে রাখতে এবং নিজের মতামত তার কাছে পৌঁছে দিতে তিনি অত্যন্ত সতর্ক কৌশল অবলম্বন করছেন।

কেইন দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ট্রাম্পের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করেছেন। এমনকি হোয়াইট হাউসে একটি অফিস পাওয়ার চেষ্টাও করেছিলেন, যাতে প্রেসিডেন্টকে নিয়মিত ব্রিফ করতে পারেন এবং হোয়াইট হাউসে থাকাকালে নিরাপদ জায়গা থেকে কাজ করতে পারেন। গত মাসের শেষ দিকে ট্রাম্প ও তার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকেও কেইন সামরিক অভিযান আরও বাড়ানোর সম্ভাব্য নেতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরেন। এর মধ্যে মার্কিন অস্ত্রের মজুত কমে যাওয়ার বিষয়টিও ছিল।

তবে একই বৈঠকে তিনি প্রেসিডেন্টকে এটিও স্পষ্ট করেন যে, ট্রাম্প যদি অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের ব্যাপক ক্ষতি করতে সক্ষম। একটি সূত্র সিএনএন-কে জানায়, কেইনের বার্তা ছিল- অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত হলে ‘আমরা তাদের ব্যাপকভাবে ধ্বংস করতে পারব।’ তবে ব্যক্তিগত আলোচনায় কেইন আরও সরাসরি তার উদ্বেগের কথা বলেছেন। তার মতে, যুদ্ধের এই পর্যায়ে এসে শুধু বিমান হামলার মাধ্যমে ট্রাম্পের ঘোষিত লক্ষ্য অর্জন করা কঠিন।

কেইনের উদ্বেগ শুধুমাত্র ইরানের ওপর হামলার তাৎক্ষণিক ফল নিয়ে নয়। বরং এর দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের সম্ভাব্য পরিণতিও তাকে ভাবাচ্ছে। যুদ্ধ আরও বাড়লে ইরানের পাল্টা হামলা, উপসাগরীয় মিত্রদের জ্বালানি অবকাঠামোর ক্ষতি, মার্কিন অস্ত্রের মজুত আরও কমে যাওয়া এবং শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি সামরিক সক্ষমতার ওপর চাপ- সবকিছুই একসঙ্গে তৈরি হতে পারে।

এর পাশাপাশি, ইরানকে সামরিকভাবে পুরোপুরি পরাজিত করতে হলে শেষ পর্যন্ত স্থলবাহিনী ব্যবহারের প্রয়োজন হতে পারে বলেও কিছু মার্কিন কর্মকর্তা ও বাইরের বিশ্লেষক মনে করছেন। তবে এমন অভিযানে হাজার হাজার মার্কিন সেনার প্রাণহানির ঝুঁকি রয়েছে। এ কারণে এখন পর্যন্ত ট্রাম্প প্রশাসনের কেউ প্রকাশ্যে এমন বড় ধরনের স্থল অভিযান চালানোর পক্ষে অবস্থান নেননি।

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর আগেই কেইনসহ মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা ট্রাম্পকে সতর্ক করেছিলেন যে, দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত হলে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রের মজুতের ওপর বড় চাপ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে ইসরায়েল ও ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি আরেকটি দীর্ঘ যুদ্ধ চালিয়ে গেলে মার্কিন অস্ত্রভান্ডারে ঘাটতি দেখা দিতে পারে বলে তারা আশঙ্কা করেছিলেন। এখন মার্কিন সামরিক কমান্ডারদের একটি অংশ মনে করছে, অস্ত্রের মজুত ‘বিপজ্জনকভাবে কমে গেছে’।

এ নিয়ে ট্রাম্পও ক্রমশ হতাশ হচ্ছেন। কারণ তার ধারণা, অস্ত্রের ঘাটতির বিষয়টি প্রকাশ্যে চলে আসায় ইরানের সঙ্গে আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের শক্ত অবস্থান দেখানোর সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সিএনএন জানিয়েছে, যুদ্ধ আরও বাড়ানোর বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে অন্তত দুটি বৈঠকে কেইন অস্ত্রের মজুত কমে যাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেছেন। সম্প্রতি ক্যাম্প ডেভিডে মন্ত্রিসভার কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকেও ট্রাম্প যুদ্ধের কারণে মার্কিন অস্ত্রভান্ডারে তৈরি হওয়া চাপের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

অস্ত্রের মজুত কমে যাওয়া এবং যুদ্ধের কাঙ্ক্ষিত ফল না আসার কারণে পেন্টাগন ও মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডও তাদের সামরিক কৌশল নতুন করে মূল্যায়ন করছে। সম্প্রতি সেন্টকমের একজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টি ও শাস্তি দেওয়ার জন্য নতুন এবং প্রচলিত কৌশলের বাইরে সৃজনশীল উপায় খুঁজতে কর্মকর্তাদের কাছে একটি ই-মেইল পাঠান বলে আগের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল সিএনএন। নতুন ধারণা চাওয়া নিজে খারাপ কিছু নয়। কিন্তু যুদ্ধ শুরুর প্রায় ছয় মাস পর এভাবে নতুন কৌশল খোঁজার বিষয়টি পরিস্থিতি প্রত্যাশা অনুযায়ী এগোচ্ছে না- এমন একটি নীরব স্বীকারোক্তি বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কয়েকজন।

একজন সূত্রের ভাষায়, “যুদ্ধ শুরুর আগে নয়, যুদ্ধের মাঝপথে এসে এসব বিকল্প খোঁজাই কঠিন পরিস্থিতির ইঙ্গিত।” জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান হিসেবে ইরানে হামলার সামরিক বিকল্প তৈরির দায়িত্ব জেনারেল কেইনের ওপর। কিন্তু যুদ্ধ শুরুর আগেই পেন্টাগনে অনুষ্ঠিত বৈঠকগুলোতে তিনি বড় ধরনের সামরিক অভিযানের সম্ভাব্য নেতিবাচক দিক নিয়ে সতর্ক করেছিলেন বলে সূত্র জানিয়েছে। তখন তিনি সম্ভাব্য অভিযানের ব্যাপকতা, জটিলতা এবং মার্কিন সেনাদের সম্ভাব্য প্রাণহানির ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।

তবে যুদ্ধ শুরুর আগে ট্রাম্প একবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেইনের নাম উল্লেখ করে দাবি করেছিলেন, তার শীর্ষ সামরিক উপদেষ্টার বিশ্বাস- ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ ‘সহজেই জয় করা যাবে’। এখন যুদ্ধ ছয় মাসের কাছাকাছি পৌঁছানোর পর কেইনের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষেত্রে তার অভিজ্ঞতা নিয়েও প্রশাসনের ভেতরে-বাইরে আলোচনা শুরু হয়েছে। একটি সূত্র, যিনি বর্তমান সংকট এবং ট্রাম্পের সঙ্গে কেইনের সম্পর্ক পরিচালনার বিষয়টি জানেন, বলেন, “এই পরিস্থিতিতে তিনি নিজের সক্ষমতার সীমার বাইরে চলে গেছেন।”

তবে কেইন যে যুদ্ধ থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজছেন, তার অর্থ এই নয় যে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক শক্তি ব্যবহারের বিরোধী। বরং তিনি মনে করছেন, সীমিত সামরিক অভিযান দিয়ে এমন ফল অর্জনের চেষ্টা করা উচিত নয়, যা বাস্তবে অর্জন করা সম্ভব নয় এবং যার প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র আরও বড় যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে। ট্রাম্প প্রশাসনের ভেতরে এবং বাইরের অনেক বিশ্লেষকের মতে, ইরানকে সামরিক দিক থেকে নির্ণায়কভাবে পরাজিত করতে হলে বড় ধরনের স্থল অভিযান প্রয়োজন হতে পারে। কিন্তু সেই পথে যুক্তরাষ্ট্রের হাজার হাজার সেনার প্রাণহানি এবং দীর্ঘমেয়াদি দখলদারির ঝুঁকি তৈরি হবে।

সুতরাং বর্তমানে মূল লক্ষ্য হয়ে উঠেছে এমন একটি ‘অফ-র‌্যাম্প’ বা যুদ্ধ থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজে বের করা, যা ট্রাম্পকে অন্তত একটি প্রতীকী বিজয় দাবি করার সুযোগ দেয়। এর মাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট চাইলে আমেরিকান জনগণের কাছে যুদ্ধের একটি রাজনৈতিক সাফল্য হিসেবে বিষয়টি তুলে ধরতে পারবেন। একই সঙ্গে এমন কোনও সমঝোতার পথও খোলা রাখা যাবে, যা শেষ পর্যন্ত কূটনৈতিক সমাধানের দিকে নিয়ে যেতে পারে। এই সম্ভাব্য কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ প্রথম ধাপ হতে পারে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া- যে জলপথকে ঘিরেই ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক ও কৌশলগত ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। অর্থাৎ, যুদ্ধ আরও বড় করার বদলে এখন ট্রাম্প প্রশাসনের একটি অংশ এমন সমাধান খুঁজছে, যেখানে সামরিক শক্তির সক্ষমতা দেখানোর পাশাপাশি সংঘাত থেকে বেরিয়ে আসার জন্য একটি রাজনৈতিক পথও তৈরি করা যায়। সূত্র: সিএনএন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মূল ম্যাচের আগে ভুল শুধরে ঘুরে দাঁড়াতে চান সিমন্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৩০ পি.এম


মূল ম্যাচের আগে ভুল শুধরে ঘুরে দাঁড়াতে চান সিমন্স

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে বাংলাদেশ একটি প্রস্তুতি ম্যাচে বড় ধাক্কা খেয়েছে। টাইগাররা ডারউইনে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের কাছে ইনিংস ও ৩৮ রানের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে। যদিও দলের এমন পারফরম্যান্সে হতাশা দেখা দিয়েছে, প্রধান কোচ ফিল সিমন্স এই হার নিয়ে পড়ে থাকতে চান না। বরং তিনি মূল লড়াইয়ের আগে হাতে থাকা সময় কাজে লাগিয়ে ভুলগুলো শুধরে নেওয়ার দিকে মনোনিবesh দিয়েছেন।

প্রস্তুতি ম্যাচে বাংলাদেশ দলের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা ছিল ব্যাটিং। দুই ইনিংসে ব্যাটারদের ব্যর্থতার কারণে দলটি বড় ব্যবধানে হারতে বাধ্য হয়েছে। অস্ট্রেলিয়া কন্ডিশনে টেস্ট সিরিজের আগে এই ধরনের পারফরম্যান্স অবশ্যই চিন্তার কারণ। তবে সিমন্স মনে করেন, প্রস্তুতি ম্যাচের উদ্দেশ্যই হলো মূল লড়াইয়ের আগে নিজেদের ঘাটতিগুলো চিহ্নিত করা।

ম্যাচ শেষে বাংলাদেশের প্রধান কোচ বলেন, 'হাতে থাকা তিন দিন আমাদের নিজেদের নিয়ে কাজ করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।' প্রস্তুতি ম্যাচের ব্যাটিং পারফরম্যান্সের বিষয়ে তিনি স্বীকার করেন যে, দল প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। সিমন্স বলেন, 'আমরা নিজেদের নিয়ে কাজ করার জন্য আরও তিন দিন সময় পাচ্ছি, এই ব্যাপারটা ভালো। এখানে প্রস্তুতি ম্যাচে আমরা ব্যাটিংয়ে নিজেদের হতাশ করেছি। আমরা কীভাবে আউট হয়েছি, আপনারা দেখেছেন যা একদমই ভালো ছিল না।'

উল্লেখ্য, প্রস্তুতি ম্যাচের ভুলগুলো দ্রুত শুধরে মূল ম্যাচে নিজেদের সেরাটা দেওয়ার প্রত্যয়ও প্রকাশ করেন সিমন্স। তাঁর মতে, এই কয়েক দিনে নিজেদের নিয়ে যথাযথভাবে কাজ করতে পারলে টেস্টে ভালো সুযোগ তৈরি করা সম্ভব।

বাংলাদেশ কোচ বলেন, 'আমাদের হাতে এখনও তিন দিন সময় আছে। এখানের ভুলগুলো শুধরে নিয়ে মূল ম্যাচে সব ঠিকভাবে করার সুযোগ আছে। আমি বিশ্বাস করি, আমরা নিজেদের নিয়ে কাজ করব এই তিন দিনে, যেন টেস্ট ম্যাচে নিজেদের জন্য ভালো সুযোগ সৃষ্টি করতে পারি।'

প্রস্তুতি ম্যাচের ফল হতাশাজনক হলেও সেটি পেছনে ফেলে সামনে তাকানোর বার্তাই দিয়েছেন সিমন্স। তাঁর লক্ষ্য এখন মূল সিরিজে দলের পারফরম্যান্সে বড় পরিবর্তন আনা।

অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ শুরু হবে আগামী ১৩ আগস্ট ডারউইনে। সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট অনুষ্ঠিত হবে ২২ আগস্ট সাউথ ম্যাকায়ে। প্রস্তুতি ম্যাচের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রধান লড়াইয়ে বাংলাদেশ কতটা ঘুরে দাঁড়াতে পারে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%