ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রংপুরের কৃষিতে আউশ ফসলের আবাদ বৃদ্ধি, কৃষকরা লাভবান


রংপুরের কৃষিতে আউশ ফসলের আবাদ বৃদ্ধি, কৃষকরা লাভবান

বোরো ধান ঘরে তোলার পর আমন চাষ শুরু হওয়ার পূর্ববর্তী সময়কাল পর্যন্ত রংপুরের কৃষিতে স্থবিরতা বিরাজ করত। জমির একটি বড় অংশ অনাবাদি থাকত। কৃষিশ্রমিকদের জন্য কাজের অভাব দেখা দিত। অনেক পরিবারকে অভাব-অনটনের সময় পার করতে হতো। এই পরিস্থিতির সঙ্গে ‘মঙ্গা’ শব্দটি গভীরভাবে জড়িয়ে ছিল।

বর্তমানে সেই চিত্র অনেকটাই পরিবর্তিত হয়েছে। বোরো ও আমনের মধ্যবর্তী সময়টিও আর সম্পূর্ণ ফাঁকা থাকছে না। আউশসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফসলের আবাদে জমি উৎপাদনের আওতায় আসছে, ফলে কৃষিকাজের সুযোগও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

রংপুর আঞ্চলিক কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট ও নীলফামারী—এই পাঁচ জেলার কৃষিতে আউশ এখন বোরো ও আমনের মধ্যবর্তী সময়কে কাজে লাগানোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ফসল হয়ে উঠেছে। কৃষকদের আগ্রহ ও চাষের বিস্তারে গত কয়েক বছরে এ অঞ্চলে আউশের আবাদ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

আরও পড়ুন: রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কায় তিনজন নিহত

কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এ অঞ্চলে আউশের আবাদ হয়েছিল ২৪ হাজার ৯৮৮ হেক্টর জমিতে। ওই বছর হেক্টরপ্রতি ফলন ছিল ২ দশমিক ৯৮ মেট্রিক টন। মোট উৎপাদন হয়েছিল ৭৩ হাজার ৬৫৬ মেট্রিক টন। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে আবাদ হয়েছিল ৪০ হাজার ৬১৮ হেক্টর জমিতে। প্রতি হেক্টর জমিতে ফলন ছিল ৩ দশমিক ০৪ মেট্রিক টন। ওই বছর উৎপাদন হয়েছিল এক লাখ ২৩ হাজার ৪৭৮ মেট্রিক টন।

২০১৯-২০ অর্থবছরে আবাদ হয়েছিল ৪৭ হাজার ৭৭৬ হেক্টর জমিতে। প্রতি হেক্টরে ফলন ছিল ৩ দশমিক ১৪ মেট্রিক টন। সেই অনুযায়ী ১ লাখ ৫০ হাজার ১৬ মেট্রিক টন উৎপাদন হয়েছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে আবাদ হয়েছিল ৬০ হাজার ২৮০ হেক্টর জমিতে। ওই বছর ৩ দশমিক ১০ মেট্রিক টন উৎপাদন হলেও মোট উৎপাদন ছিল এক লাখ ৮৬ হাজার ৮৬৮ মেট্রিক টন। ২০২১-২২ সালে ৬২ হাজার ৯০ হেক্টর, ২০২২-২৩ সালে ৬৩ হাজার ৬৮০ হেক্টর এবং ২০২৩-২৪ সালে ৬১ হাজার ৭৮২ হেক্টর জমিতে আউশ চাষ হয়েছে।

২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৬১ হাজার ১৫৭ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছিল, উৎপাদন হয়েছিল এক লাখ ৮০ হাজার ২৬৮ মেট্রিক টন। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আবাদ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬১ হাজার ১৬৩ হেক্টরে। একই সময় হেক্টরপ্রতি ফলন বেড়ে হয়েছে ৩ দশমিক ০২ মেট্রিক টন। চলতি অর্থবছরে মোট উৎপাদন লক্ষ্য ধরা হয়েছে এক লাখ ৮৪ হাজার ৭১২ মেট্রিক টন।

অর্থাৎ, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এ অঞ্চলে আউশের আবাদ প্রায় ৬০ হাজার হেক্টরের ওপরেই রয়েছে। গত ৯ বছরের ব্যবধানে আউশের আবাদ বেড়েছে ৩৬ হাজার ১৭৫ হেক্টর। আবাদ বৃদ্ধির পাশাপাশি ফলনেও এসেছে উল্লেখযোগ্য উন্নতি।

আরও পড়ুন: রংপুরে ডাম্পট্রাকের পেছনে বাসের ধাক্কায় ৩ জন নিহত, ১৮ আহত

কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ব্রি-৪৮, ব্রি ৯৮, বিনা-২১, ধানী গোল্ড, গোল্ডেন-১, জনকরাজসহ অন্তত ৩০ ধরনের আউশ ধান চাষ হচ্ছে রংপুর অঞ্চলের পাঁচ জেলায়।

সরেজমিন কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রংপুর অঞ্চলে এক সময় ‘মঙ্গা’ শব্দটির সঙ্গে কাজের অভাব ও খাদ্যসংকটের দীর্ঘ ইতিহাস ছিল। বোরো ধান কাটার পর আমন চাষ শুরুর আগ পর্যন্ত কৃষিশ্রমিকদের হাতে কাজ কমে যেত। কৃষিনির্ভর পরিবারগুলো তখন আয়-রোজগারের সংকটে পড়ত।

তবে, সাম্প্রতিক সময়গুলোতে সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটেছে। আউশসহ বিভিন্ন স্বল্পমেয়াদি ও মৌসুমি ফসলের আবাদ বাড়ায় বছরের বিভিন্ন সময়ে জমি চাষের আওতায় আসছে। ফলে কৃষকের পাশাপাশি কৃষিশ্রমিকদেরও কাজের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে।

গংগাচড়ার কৃষক আব্দুর রহিম বলেন, ‘আমাদের এখানে ধুধু চর। কখনো শুকনো মৌসুম, কখনো পানিতে ডুবে থাকতে হয়। বোরো ও আমনের মধ্যবর্তী সময়ে কাজের সংকট ছিল। এখন আউশসহ বিভিন্ন ফসলের আবাদ বেড়েছে। ফলে ওই সময়টাতেও জমিতে কৃষিকাজ হচ্ছে, এখন সময়টা অনেক ভালো।’

আরও পড়ুন: চাঁদা না পেয়ে শ্রমিকদের ওপর হামলা, গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি, থানায় অভিযোগ

আব্দুর রহিম আরও বলেন, কয়েক বছর আগেও কাজের অভাব ছিল, আমাদের মঙ্গা এলাকার লোক বলত। এখন মানুষের হাতে কাজ আসছে। কোনো সময়ই আমরা বসে থাকি না। আউশ অনেকটাই আমাদের ভাগ্য বদল করে দিয়েছে।

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার বড় বাড়িগ্রামের কৃষক আবুল হোসেন বলেন, ‘বোরো কাটার পর জমি ফেলে না রেখে আউশ (বড় ধান) চাষ করা যায়। এতে একই জমি থেকে ফাও (বাড়তি) আরেকটা ফসল পাওয়া যায়। পরিশ্রম কম, খরচ কম। মোটামুটি লাভও হচ্ছে। এতে জমি ফেলে না রেখে আবাদ করায় মানুষের যে অভাব ছিল সেটা এখন আর নেই।’

কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আউশ ধানের আবাদ বেড়েছে, কৃষক অনেক বেশি লাভবান না হলেও আগ্রহটা বেড়েছে। তারা জানান, এক একর জমিতে আউশ ধান উৎপাদনে বীজ, বীজতলা ও সার, চারা, সেচ, কিটনাশক মজুরি, মাড়াইসহ মোট খরচ প্রায় ৫২ হাজার ৫১২ টাকা। এক একরে ধানের উৎপাদন ধরা হয়েছে প্রায় এক হাজার ৫৩০ কেজি। খড়ের মূল্য বাদ দিলে ধানের নিট উৎপাদন ব্যয় দাঁড়ায় প্রায় ৪৪ হাজার ৯১২ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কেজি ধানের উৎপাদন ব্যয় প্রায় ২৯ টাকা।

কৃষক পর্যায়ে প্রতিকেজি ধান ৩৪ টাকা দরে বিক্রি হলে একরপ্রতি মুনাফা থাকে প্রায় চার হাজার ৭০০ টাকা।

আরও পড়ুন: বেগম খালেদা জিয়ার নামে সিলেটের পুরানো কারাগারে জায়গায় পার্ক নির্মাণ হচ্ছে

কৃষকরা জানান, সার, বীজ, কীটনাশক, শ্রমিকের মজুরি ও অন্যান্য কৃষি উপকরণের দাম বাড়লে উৎপাদন খরচও বেড়ে যায়। আবার ধান কাটার মৌসুমে বাজারদর কমে গেলে লাভ পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। ধানের দাম ভালো থাকলে কৃষক এই ধান চাষে আরো আগ্রহী হয়ে উঠবে।

কৃষক সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক পলাশ কান্তি নাগ বলেন, আউশের আবাদ আরো বাড়াতে হলে উৎপাদন খরচ কমানোর পাশাপাশি ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি উপকরণে ভর্তুকি বা প্রণোদনা, মানসম্মত বীজ ও সার সহজলভ্য করা এবং বাজারে ধানের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করা গেলে আউশ চাষে কৃষকের আগ্রহ আরো বাড়বে। এতে এক সময়ের মঙ্গা যেভাবে দূর হয়েছে, ঠিক একইভাবে আরো আর্থিক সচ্ছলতা বাড়বে এই অঞ্চলের কৃষকদের।

রংপুর আঞ্চলিক কৃষি অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক সাইফুল ইসলাম বলেন, রংপুর অঞ্চলের কৃষিতে বড় পরিবর্তনের একটি দিক হলো বছরের মাঝের সময়টুকুও এখন আর আগের মতো পুরোপুরি অনাবাদি থাকছে না। আউশসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফসল সেই সময়টাকে উৎপাদনের মধ্যে নিয়ে এসেছে। ফলে জমির ব্যবহার যেমন বেড়েছে, তেমনি কৃষিকাজের পরিধিও হয়েছে বিস্তৃত।

অতিরিক্ত পরিচালক বলেন, আউশ স্বল্পমেয়াদি ফসল হওয়ায় বোরো ও আমনের মধ্যবর্তী সময়ে এই ধান চাষ হয়। উন্নত জাত নির্বাচন, সময়মতো চাষ, সুষম সার প্রয়োগ ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ফলন আরো বাড়াতে কৃষকদের সাবির্ক সহযোগিতা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নকল ব্যান্ডরোলযুক্ত সিগারেট জব্দ, মূল্য ২৭ লাখ টাকা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরে বাংলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাহমুদা খাতুন, সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় শুভেচ্ছা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ নাজির খান নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:১১ পি.এম


শেরে বাংলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাহমুদা খাতুন, সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় শুভেচ্ছা

১৭ই সেপ্টেম্বর রোজ বৃহস্পতিবার, বিকাল ৫ ঘটিকার সময়, নারায়ণ গঞ্জ জেলার, ডি এন রোড, সে বাংলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ,মাহমুদা খাতুন মুন্নি আপা কমিটিতে সভাপতি পদে নির্বাচিত হওয়ায়, নারায়ণগঞ্জের নন্দীপাড়া এলাকার একটি মহল, তাকে ফুলের শুভেচ্ছা দিয়ে অভিনন্দন জানান।
উপস্থিত ছিলেন, নবনির্বাচিত সভাপতি মাহমুদা খাতুন মুনি আপা, তার হাজবেন্ড,
আরো উপস্থিত ছিলেন, জনাব মোঃ মাসুম মোল্লা, শেখ মোহাম্মদ সোহেল, মিজানুর রহমান রনি মল্লিক, মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন, আনোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ আল-আমিন ও মোহাম্মদ বাসেদ সহ আরো অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বক্তব্যে নবনির্বাচিত সভাপতি মাহমুদা খাতুন, জানান যে সকলের সার্বিক সহযোগিতায়, বিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম সুন্দর ও আধুনিকভাবে গড়ার তোলার প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ওসি রাকিবুলের দাবি, ভাইরাল অডিওটি এআই দ্বারা তৈরি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:২৫ পি.এম


ওসি রাকিবুলের দাবি, ভাইরাল অডিওটি এআই দ্বারা তৈরি

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি মো. রাকিবুল ইসলামকে বিতর্কিত অডিও ভাইরালের ঘটনায় প্রত্যাহার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কর্তৃপক্ষ তার প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

এরপর, রাকিবুল ইসলাম তার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে একটি পোস্টের মাধ্যমে দাবি করেন, ভাইরাল হওয়া অডিওটি এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, "অ্যাডভান্স এআই ছাড়া এটা আর কিছু না। এ যুগে এআই দিয়েও ফাঁসানো যায় মানুষকে এই অডিও না শুনলে বুঝাই যাবে না।" তিনি গণমাধ্যমকে সতর্ক করে বলেন, যাচাই-বাছাই না করে প্রচারের নামে অপ্রচার করলে একজন মানুষের মানসম্মান ধ্বংস হতে পারে, এটি তাদের জানা উচিত। তিনি আরও যোগ করেন, "অথচ আমার নামে যে অপ্রচার করা হচ্ছে সেটা আমি কখনো বলিও নাই। আল্লাহ সবার উত্তম মঙ্গল করুন।"

সম্প্রতি, ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং সংবাদমাধ্যমে এই অডিওটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও সমালোচনার মধ্যে ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ ওসি রাকিবুল ইসলামকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের কথা জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাম উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:২৬ পি.এম


হাম উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু

দেশে গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হামের উপসর্গে ২ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। তবে, এই সময়ের মধ্যে নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত এক বার্তায় এই তথ্য জানানো হয়। এই হিসাব বুধবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে নেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৪৬। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ১০০ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ৯৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ৬১ জনের মধ্যে হাম শনাক্ত করা হয়েছে। এ পর্যন্ত দেশে নিশ্চিত হামে আক্রান্তের সংখ্যা ২০ হাজার ৩৪৩ জন।

এছাড়া, গত ২৪ ঘণ্টায় এক হাজার ২৮২ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। ফলে, মোট সন্দেহভাজন সংক্রমণের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৭৬ হাজার ৪৮০ জনে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাভারে রাজউকের অভিযানে ‘ঢাকা ওয়েস্টার্ন ভ্যালি’ উচ্ছেদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৩৩ পি.এম


সাভারে রাজউকের অভিযানে ‘ঢাকা ওয়েস্টার্ন ভ্যালি’ উচ্ছেদ

রাজউক অভিযান চালিয়েছে সাভারের বনগাঁও ইউনিয়নের বনগাঁম এলাকায় অবস্থিত ‘ঢাকা ওয়েস্টার্ন ভ্যালি’তে, যেখানে আবাসন প্রকল্প পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) অনুমোদন ছাড়া।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চলা এই অভিযানে প্রকল্পটির সাইট অফিস, ড্রেজারের পাইপ এবং বিভিন্ন সাইনবোর্ড ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

অভিযানটি পরিচালনা করেন রাজউকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সবুজ হাসান। তিনি জানান, প্রকল্পটি দীর্ঘদিন ধরে রাজউকের অনুমোদন ছাড়াই চটকদার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে মানুষের কাছে প্লট বিক্রি করে আসছিল। অনুমোদন ছাড়া পরিচালিত হওয়ায় অভিযানের মাধ্যমে বিভিন্ন স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রকল্পের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, ভবিষ্যতে অনুমোদন ছাড়া এ ধরনের কার্যক্রম চালালে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রকল্পটির দেখভালের দায়িত্বে ছিলেন সাভার থানা বিএনপির সভাপতি সাইফুদ্দিন সাইফুল। তবে অভিযানের বিষয়ে তার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

এ সময় রাজউকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%