ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

গ্রেট নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ কি চীনের বিরুদ্ধে ভারতের হরমুজ?


গ্রেট নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ কি চীনের বিরুদ্ধে ভারতের হরমুজ?

গ্রেট নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে ভারতের মেগা প্রকল্প নির্মাণের পরিকল্পনার জন্য উত্তেজনা বাড়ছে। মালাক্কা প্রণালীর প্রবেশদ্বারে অবস্থিত এই দ্বীপটিকে সাজানো হচ্ছে ভারতের নিজস্ব হরমুজ প্রণালী হিসেবে। বিশ্লেষকদের বক্তব্য, এর পিছনে রয়েছে চীনকে নিয়ন্ত্রণে রাখার ভূকৌশলগত পরিকল্পনা।

গ্রেট নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের অবস্থান ভূরাজনীতির দাবার বোর্ডে যেন চীনের গলার কাঁটা হয়ে উঠেছে। এটি ভারতের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় ১৬০০ কিলোমিটার দূরে হলেও, অবস্থান সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মালাক্কা প্রণালীর একদম কাছে রয়েছে।

বেইজিংয়ের অপরিশোধিত তেল আমদানির ৮০ শতাংশ এবং মোট বাণিজ্যের দুই-তৃতীয়াংশই এই রুটের মাধ্যমে ঘটে। তাই স্বাভাবিকভাবেই ১১ বিলিয়ন ডলার মূল্যের এই মেগা প্রকল্পের মাধ্যমে ভারত এখানে নির্মাণ করছে বেসামরিক ও সামরিক বিমানবন্দর এবং গভীর সমুদ্র বন্দর, যা মালাক্কার ওপর দিল্লির নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারির সক্ষমতা অনেক বৃদ্ধি করবে।

আরও পড়ুন: রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী এসএএফএনের অনারারি সিনিয়র ফেলো নিযুক্ত

বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালীতে ইরান যেভাবে বিশ্ব রাজনীতিতে প্রভাব ফেলে, ভারতও গ্রেট নিকোবর দ্বীপপুঞ্জকে ব্যবহার করে ভারত মহাসাগরে একই ধরনের কৌশলগত সুবিধা পাওয়ার জন্য উদ্ভাবনী পরিকল্পনা করছে।

প্রকল্প প্রাথমিকভাবে, শুধুমাত্র সিঙ্গাপুর বা হংকংয়ের মতো একটি বাণিজ্যিক হাব হিসেবে প্রবর্তন করা হলেও, এখন মোদি সরকার এর জাতীয় নিরাপত্তা এবং কৌশলগত দিকগুলোকে সামনে নিয়ে আসছে।

নয়াদিল্লি-ভিত্তিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশন জানাচ্ছে, দ্রুত পরিবর্তনশীল ভূরাজনীতিতে ভারতের এই ভৌগোলিক অবস্থানকে কাজে লাগানো অত্যন্ত যুক্তিসঙ্গত।

দ্বীপপুঞ্জের রাজধানী পোর্ট ব্লেয়ার বর্তমান বিজয়া পুরমের ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর ত্রি-সেবা যৌথ কমান্ডকে এই প্রকল্পের মাধ্যমে আরও শক্তিশালী করবে। এই কারণে, যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে চীনকে চাপে রাখতে মালাক্কা প্রণালী অবরুদ্ধ করার একটি তাত্ত্বিক সুবিধা পাবে দিল্লি।

আরও পড়ুন: পশ্চিম তীরে ইসরাইলের অভিযানে ৩৬ ফিলিস্তিনি গ্রেপ্তার

তবে, অনেক বিশেষজ্ঞ সামরিক কর্মকর্তারা এই নৌ অবরোধের তত্ত্বটিকে আকাশকুসুম কল্পনা হিসেবে মন্তব্য করছেন। কারণ, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের মতো পরাশক্তিরাও সংকীর্ণ জলপথের নিশ্ছিদ্র অবরোধ রান করতে হিমশিম খায়, সেখানে ভারতীয় নৌবাহিনীর পক্ষে বিশাল ভারত মহাসাগরকে সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ করা খুব কঠিন।

কৌশলগত এই উচ্চাকাঙ্ক্ষার বিপরীতে রাজনৈতিক ও পরিবেশগত বিপর্যয়ের ভয়াবহতা লুকিয়ে রয়েছে। বিরোধীরা বলছেন, এটাই উন্নয়নের নামে ধ্বংসের সূচনা। এই মেগা প্রকল্পের জন্য দ্বীপটির প্রায় ১৬ শতাংশ ভূমি ব্যবহার করা হবে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশ মূলত আদিম যাযাবর উপজাতি শম্পেন ও স্থানীয় নিকোবরী সম্প্রদায়ের সংরক্ষিত বনাঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।

পরিবেশবিদ ও গণহত্যা বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে দিচ্ছেন যে, এই প্রকল্পে প্রায় ১০ লাখ গাছ অপসারিত হবে এবং আগামী তিন দশকে এখানে সাড়ে তিন লাখ মানুষের কৃত্রিম বসতি তৈরি হবে। যা দ্বীপের আদি বাসিন্দাদের জন্য এক প্রকার মৃত্যুদণ্ড বা আন্তর্জাতিক অপরাধের সমতুল্য।

এছাড়া, ২০০৪ সালের সুনামিতে ইন্দিরা পয়েন্টের চারপাশ যেভাবে তলিয়ে গিয়েছিল, সেটি সিসমিক জোন ৫ বা সর্বোচ্চ ভূমিকম্প ঝুঁকিতে অবস্থান করে এমন দ্বীপে ভারী অবকাঠামো নির্মাণের বিপদ স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে।

আরও পড়ুন: ভাগ্যবিড়ম্বিত উইঘুরদের কান্না থেমেছে কি, বদলেছে কি জিনজিয়াংয়ের পরিস্থিতি?

পরিবেশবাদীরা বলছেন, বাণিজ্যিক লাভ এবং জাতীয় নিরাপত্তার মধ্যে অদ্ভুত এক সংঘাতের মুখোমুখি হয়েছে গ্রেট নিকোবরের ভবিষ্যৎ। বেইজিংকে আটকানোর এই মহাপরিকল্পনা ভারতকে বিশ্বমঞ্চে কতটা সুবিধা দেবে, তা সময়ই করবে প্রমাণিত। তবে, এর জন্য যে বৃহৎ প্রাকৃতিক এবং উপজাতীয় ঐতিহ্যকে বিসর্জন দেওয়া হচ্ছে, সেটি ভবিষ্যতে ভারতের জন্য প্রতিরক্ষার চেয়েও বড় বোঝা হয়ে দাঁড়াবে কিনা, সেটাই এখনও প্রশ্নবিদ্ধ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুয়েতে শ্রমিক স্থানান্তর সুবিধায় উপকৃত ১৪ হাজার ৪৪০ প্রবাসী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:২৬ পি.এম


কুয়েতে শ্রমিক স্থানান্তর সুবিধায় উপকৃত ১৪ হাজার ৪৪০ প্রবাসী

কুয়েতে নির্দিষ্ট কিছু খাতে কর্মরত প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য চালু করা বিশেষ শ্রমিক স্থানান্তর (লেবার ট্রান্সফার) কর্মসূচির আওতায় ইতোমধ্যে ১৪ হাজার ৪৪০ জনের বেশি বিভিন্ন দেশের প্রবাসী কর্মী উপকৃত হয়েছেন। দেশটির শ্রমবাজারে চাহিদা ও সরবরাহের ভারসাম্য বজায় রাখতে চালু করা এ উদ্যোগে সবচেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়েছে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) খাত থেকে।

আবেদন গ্রহণ ও যাচাই কার্যক্রম এখনও চলমান এবং জুন মাসের শেষ পর্যন্ত আবেদন জমা দেয়া যাবে। চলতি বছরের মে মাসের শুরুতে কার্যকর হওয়া এই সিদ্ধান্তের আওতায় এখন পর্যন্ত এসএমই খাত থেকে ৮ হাজার ৫৫৩টি স্থানান্তর আবেদন জমা পড়েছে। এছাড়া কৃষি খাত থেকে ২ হাজার ৭০৫টি, শিল্প খাত থেকে ১ হাজার ৬৪২টি, প্রাণিসম্পদ খাত থেকে ১ হাজার ৩৯৩টি এবং মৎস্য খাত থেকে ১৪৭টি আবেদন জমা পড়েছে।

কুয়েতের জনশক্তি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ফলে উপকারভোগীর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে শত শত আবেদন বিভিন্ন শর্ত পূরণ না হওয়ায় বাতিল করা হয়েছে। বিশেষ করে মূল নিয়োগকর্তার অনুমোদন না থাকলে স্থানান্তর আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিয়োগকর্তার সম্মতি এই প্রক্রিয়ার অন্যতম প্রধান শর্ত। কুয়েতের প্রথম উপ-প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ ফাহাদ আল-ইউসুফের নির্দেশনায় গৃহীত এ পদক্ষেপের লক্ষ্য হচ্ছে নির্দিষ্ট খাতগুলোর শ্রমশক্তির ব্যবস্থাপনা সহজ করা এবং শ্রমবাজারের প্রয়োজন অনুযায়ী জনবল পুনর্বিন্যাসের সুযোগ তৈরি করা।

তবে কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করেছে, এটি একটি অস্থায়ী ব্যবস্থা এবং নির্ধারিত আইন ও বিধিমালার আওতাতেই কার্যকর থাকবে। জনশক্তি কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, কৃষি, প্রাণিসম্পদ, মৎস্য ও শিল্প খাতের কর্মীরাই এ সুবিধার আওতায় রয়েছেন। শ্রমবাজারে নমনীয়তা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন খাতের জরুরি জনবল চাহিদা পূরণে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদ্রাসার অফিসে এক তরুণকে বলাৎকারের চেষ্টায় শিক্ষক আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:২৮ পি.এম


মাদ্রাসার অফিসে এক তরুণকে বলাৎকারের চেষ্টায় শিক্ষক আটক

গাইবান্ধায় মাদ্রাসার অফিস কক্ষে এক তরুণকে বলাৎকার করার চেষ্টা করার অভিযোগে রবিউল ইসলাম নামে একজন মাদ্রসাশিক্ষককে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশে দিয়েছে।

শুক্রবার (৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে, সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়নের শিমুলতাইড় গ্রামের জামিয়া কারমিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসার অফিস কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।

আটককৃত অভিযুক্ত রবিউল ইসলাম (২৬) ওই মাদ্রসার শিক্ষক এবং গাইবান্ধা সদর উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামের নুরুল ইসলামের সন্তান।

স্থানীয়রা জানায়, সকালে মাদ্রাসার শিক্ষক রবিউল ইসলাম এক শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক বলাৎকারের চেষ্টা করেন। এ সময় ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশের নিকট হস্তান্তর করে। এ সময় উত্তেজিত জনতা তাকে গণপিটুনি দেয়।

সাঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহাবুবুর রহমান বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে এলাকাবাসী আটক করে রেখেছিল। পরবর্তীতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ প্রাপ্ত হলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্ল্যাটের তালা ভেঙে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকার মৃতদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:২৯ পি.এম


ফ্ল্যাটের তালা ভেঙে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকার মৃতদেহ উদ্ধার

ভারতের দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সহকারী অধ্যপকের মৃতদেহ তার নিজস্ব ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তের প্রেক্ষিতে পুলিশের ধারণা, শিক্ষিকাকে হত্যা করা হয়েছে। নিহত শিক্ষিকার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে এবং তার হাতে শিরা কাটা অবস্থায় পাওয়া গেছে। পুলিশ জানায়, ফ্ল্যাট থেকে কোনো মূল্যবান জিনিসপত্র খোয়া যায়নি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এই বিষয়টি সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে, নিহত শিক্ষিকার নাম দেবস্মিতা পাল। তিনি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত শিবাজি কলেজের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দেবস্মিতা দিল্লির পূর্বাঞ্চলের বসুন্ধরা এনক্লেভের সত্যম অ্যাপার্টমেন্টে একা থাকতেন। তার স্বামী দক্ষিণ ভারতের বেঙ্গালুরুতে থাকেন।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটে নিউ অশোক নগর থানায় একটি ফোনকল আসে। ফোনটি দেবস্মিতার ৪৯ বছর বয়সী বোন দেবারতি পাল করেছিলেন। তিনি পুলিশকে জানান যে, তার বোনকে ফ্ল্যাটের ভিতরে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল সকাল থেকে ফ্ল্যাটটি বাইরে থেকে তালাবদ্ধ ছিল এবং দেবস্মিতা পালের ফোনেও বারবার চেষ্টা করে কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে বোন দেবারতি পাল তালা ভেঙে ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেন এবং সেখানে তিনি তার বোনকে রক্তাক্ত ও মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা, দেবস্মিতার মাথায় ভারী কোনো বস্তু দিয়ে আঘাত করা হয়েছিল। তার মাথায় গুরুতর ক্ষতচিহ্ন রয়েছে। এছাড়া তার হাতের কবজির শিরাও কাটা অবস্থায় পাওয়া যায়। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ স্থানীয় এলবিএস হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

তদন্তকারী কর্মকর্তাদের মতে, ঘটনাস্থলে ডাকাতি বা চুরির কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। ফ্ল্যাটে থাকা গয়না এবং নগদ অর্থ সবকিছুই অক্ষত অবস্থায় ছিল। এ ঘটনায় ইতিমধ্যেই একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন এবং অপরাধীদের শনাক্ত করতে পুলিশের একাধিক বিশেষ তদন্ত দল কার্যক্রম শুরু করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাঙামাটিতে লঞ্চের ধাক্কায় যাত্রীবাহী নৌকাডুবির ঘটনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৩০ পি.এম


রাঙামাটিতে লঞ্চের ধাক্কায় যাত্রীবাহী নৌকাডুবির ঘটনা

রাঙামাটিতে লঞ্চের ধাক্কায় একটি যাত্রীবাহী নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার (৫ জুন) জেলার বরকলের সুবলং বাজার এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, যাত্রীবাহী নৌকাটিতে শিশুসহ ১২ জন যাত্রী ছিল। হ্রদে পানি কম থাকায় এবং আশপাশে নৌকা থাকায় দ্রুতই সবাইকে উদ্ধার করে ফেলা সম্ভব হয়।

রাঙামাটি বরকল উপজেলার সুবলং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান তরুন জ্যোতি চাকমা বলেন, সকালে একটি লঞ্চ মাইনী থেকে রাঙামাটি যাওয়ার পথে বরকলগামী যাত্রীবাহী নৌকাকে ধাক্কা দিলে নৌকাটি ডুবে যায়। নৌকায় শিশুসহ ১২ জন যাত্রী ছিল। তবে তাদের সবাইকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে এবং তারা সবাই এখন ভালো আছে।

রাঙামাটি বরকল উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী অফিসার মো. জাহাঙ্গীর হোসাইন জানান, নৌ ডুবির ঘটনায় সবাইকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি ছাড়া আর কোনো ক্ষতি হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%