০৩:২৯ পি.এম
ভারতের দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সহকারী অধ্যপকের মৃতদেহ তার নিজস্ব ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তের প্রেক্ষিতে পুলিশের ধারণা, শিক্ষিকাকে হত্যা করা হয়েছে। নিহত শিক্ষিকার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে এবং তার হাতে শিরা কাটা অবস্থায় পাওয়া গেছে। পুলিশ জানায়, ফ্ল্যাট থেকে কোনো মূল্যবান জিনিসপত্র খোয়া যায়নি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এই বিষয়টি সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে, নিহত শিক্ষিকার নাম দেবস্মিতা পাল। তিনি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত শিবাজি কলেজের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দেবস্মিতা দিল্লির পূর্বাঞ্চলের বসুন্ধরা এনক্লেভের সত্যম অ্যাপার্টমেন্টে একা থাকতেন। তার স্বামী দক্ষিণ ভারতের বেঙ্গালুরুতে থাকেন।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটে নিউ অশোক নগর থানায় একটি ফোনকল আসে। ফোনটি দেবস্মিতার ৪৯ বছর বয়সী বোন দেবারতি পাল করেছিলেন। তিনি পুলিশকে জানান যে, তার বোনকে ফ্ল্যাটের ভিতরে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে।
আরও পড়ুন: কপ৩১ সম্মেলনে বাংলাদেশের শক্তিশালী অবস্থানের আহ্বান জানালেন শামা
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল সকাল থেকে ফ্ল্যাটটি বাইরে থেকে তালাবদ্ধ ছিল এবং দেবস্মিতা পালের ফোনেও বারবার চেষ্টা করে কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে বোন দেবারতি পাল তালা ভেঙে ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেন এবং সেখানে তিনি তার বোনকে রক্তাক্ত ও মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা, দেবস্মিতার মাথায় ভারী কোনো বস্তু দিয়ে আঘাত করা হয়েছিল। তার মাথায় গুরুতর ক্ষতচিহ্ন রয়েছে। এছাড়া তার হাতের কবজির শিরাও কাটা অবস্থায় পাওয়া যায়। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ স্থানীয় এলবিএস হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তদন্তকারী কর্মকর্তাদের মতে, ঘটনাস্থলে ডাকাতি বা চুরির কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। ফ্ল্যাটে থাকা গয়না এবং নগদ অর্থ সবকিছুই অক্ষত অবস্থায় ছিল। এ ঘটনায় ইতিমধ্যেই একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন এবং অপরাধীদের শনাক্ত করতে পুলিশের একাধিক বিশেষ তদন্ত দল কার্যক্রম শুরু করেছে।
আরও পড়ুন: লখনউয়ের মসজিদ ও মাদরাসায় নোটিশ জারি করেছে আদালত
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন