ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
০৭:৪৪ পি.এম
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মো. কবির খাঁন (৫৭) নামে এক চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
রোববার (৭ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ভাণ্ডারিয়া পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের জামিরতলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। গ্রেফতারকৃত কবির খাঁন ওই এলাকার মৃত আব্দুল মজিদ খানের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং সে এলাকায় মাদকের ডিলার হিসাবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পূর্বে ৭টি মামলা রয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পিরোজপুর এবং ভাণ্ডারিয়া থানা পুলিশের একটি যৌথ দল জামিরতলা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় কবির খাঁনকে তল্লাশি করে তার হেফাজত থেকে ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
ভাণ্ডারিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হসান জানায়, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি এলাকার তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নতুন করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার (৮ জুন) তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা সংসদে জানিয়েছেন, আমদানি-রফতানির আড়ালে প্রতি বছর ৮ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়ে যাচ্ছে।
সোমবার (৮ জুন) অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশন চলাকালে তিনি এ বিষয়টি সম্পূরক প্রশ্নে তুলে ধরেন।
রুমিন ফারহানা বলেন, "আমি দীর্ঘ এক ঘণ্টা হাত উঁচিয়ে ছিলাম, এরপর সংসদে কথা বলার সুযোগ পেয়েছি— এজন্য আপনাকে (ডেপুটি স্পিকার) ধন্যবাদ জানাই। আমার প্রশ্ন হলো, টাকা পাচারের বিরুদ্ধে বাণিজ্যমন্ত্রী কি কোনো পদক্ষেপ নেবেন কিনা।"
এরপর বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, "আমদানি-রফতানির আড়ালে অসংখ্য বিষয় রয়েছে। নানা পণ্য বিদেশে রফতানি হচ্ছে। অর্থ পাচার হচ্ছে, এ বিষয়ে স্টাডির প্রয়োজন রয়েছে। শুনতে সহজ মনে হলেও প্রমাণ করা তত সহজ নয়। আমাদের দেশে ১৩০ বিলিয়ন ডলার বাণিজ্য হচ্ছে। তবে নির্দিষ্টভাবে বলা কঠিন কোন পণ্য রফতানি করে কত পাচার হচ্ছে। তথাপি, আমরা এ ব্যাপারে কাজ করে যাচ্ছি। রফতানির আড়ালে পাচারের প্রমাণ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেবো।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিদ্যুৎ বিভাগের অধীন সঞ্চালন ও বিতরণ-সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও কোম্পানিগুলোর চেয়ারম্যান এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের সঙ্গে পর্যালোচনা সভায় বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানিয়েছেন, পারমাণবিক বিদ্যুতের যুগে প্রবেশের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সরকারি উদ্যোগে দেশের বিদ্যুৎ সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থাকে আরও নিরাপদ, স্মার্ট ও যুগোপযোগী করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে ওয়ার্কিং পেপার তৈরির জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
আজ সোমবার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিদ্যুৎ বিভাগের অধীন সঞ্চালন ও বিতরণ-সংশ্লিষ্ট সংস্থা এবং কোম্পানিগুলোর চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের (এমডি) সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক পর্যালোচনা সভায় তিনি এ নির্দেশনার কথা বলেন।
সভায় দেশের বিদ্যমান বিদ্যুৎ সঞ্চালন ও বিতরণ সক্ষমতা, বিদ্যমান দুর্বলতা, স্মার্ট গ্রিড ব্যবস্থা, এবং পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা চালুর সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ ও প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, পারমাণবিক বিদ্যুতের যুগে প্রবেশের প্রাক্কালে সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো মোকাবিলায় দ্রুত প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। তিনি বিদ্যুৎ ব্যবস্থাকে নিরাপদ ও যুগোপযোগী করতে একটি জাতীয় গবেষণা কেন্দ্র (ন্যাশনাল রিসার্চ সেন্টার) প্রতিষ্ঠার গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন।
এছাড়া, তিনি যোগ করেন, পারমাণবিক বিদ্যুৎ একটি উচ্চ প্রযুক্তিনির্ভর খাত এবং তাই বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হওয়ার আগেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা আবশ্যক। সে লক্ষ্যে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশকে (পিজিসিবি) প্রয়োজনীয় সমীক্ষা পরিচালনা করে একটি কনসেপ্ট পেপার তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী জানান, নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎ ব্যবহারে অভিজ্ঞ আন্তর্জাতিক পরামর্শকদের মাধ্যমে ওই কনসেপ্ট পেপার মূল্যায়ন করা হবে। তাদের সুপারিশের ভিত্তিতে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হওয়ার আগেই দেশের সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার প্রয়োজনীয় উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন করা হবে।
ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, আমরা গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন থেকে বহুমাত্রিক জ্বালানি ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে গেছি এবং বর্তমানে কয়লা ও সৌরবিদ্যুতের পাশাপাশি পারমাণবিক বিদ্যুতের দিকেও অগ্রসর হচ্ছি। এজন্য ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন ব্যবস্থার কার্যকর সমন্বয় অত্যন্ত জরুরি।
তিনি বলেন, অতীতে বিদ্যুৎ ব্যবস্থার বিভিন্ন স্তরের মধ্যে প্রয়োজনীয় সমন্বয় গড়ে তোলা হয়নি এবং ফলস্বরূপ, সময়মতো ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে সিস্টেম বিপর্যয়ের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও আধুনিক স্মার্ট অবকাঠামো গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সভায় মন্ত্রী স্মার্ট গ্রিড ব্যবস্থা বিষয়ে বিস্তারিত কনসেপ্ট ও ওয়ার্কিং পেপার উপস্থাপনের জন্য পিজিসিবির প্রধান প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। এ বিষয়ে দ্রুত কর্মপরিকল্পনা ও প্রস্তাবনা উপস্থাপনের আশ্বাস দেন সংশ্লিষ্টরা।
মন্ত্রী আরও যোগ করেন, পারমাণবিক বিদ্যুৎ আমাদের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে এটি উচ্চ প্রযুক্তিনির্ভর ও জটিল ব্যবস্থা হওয়ায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও প্রস্তুতি গ্রহণ আবশ্যক। তিনি বলেন, জনগণের নিরাপত্তার বিষয়টিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েই আমরা কাজ করছি।
তিনি জানান, বিদ্যুৎ খাতের অপ্রয়োজনীয় প্রকল্পগুলো ইতোমধ্যে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব ও জবাবদিহি নির্ধারণে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সভা শেষে বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দেশপ্রেম ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান মন্ত্রী।
সভায় বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বাবিউবো) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিম এবং পিজিসিবির প্রধান প্রকৌশলী মো. মঞ্জুরুল ইসলাম বিদ্যুৎ খাতের বর্তমান সক্ষমতা, চ্যালেঞ্জ এবং উন্নয়ন কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে মন্ত্রীকে অবহিত করেন।
সভায় বিদ্যুৎ সচিব মিরানা মাহরুখও উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ সোমবার দুপুরে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ঘটনাস্থল ছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষ।
বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী আগামী ২০ জুন ঢাকার বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দেশের ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬’ (বালক ও বালিকা)-এর ফাইনাল খেলা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, যিনি ফাইনাল খেলার সমাপ্তি ঘোষণা করবেন এবং ক্ষুদে ফুটবলারদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করবেন।
আজ সোমবার দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে তথ্য জানিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এবং প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহ্দী আমিন।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদোসী সংবাদ সম্মেলনের মূল তথ্য উপস্থাপন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নির্দেশনায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪র্থ শ্রেণি থেকে খেলাধূলা বাধ্যতামূলক করার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ‘নীতিমালা ২০২৬’ অনুমোদন ও কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এই নীতিমালা দেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক রূপান্তর আনবে।
এছাড়া সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দেশের ৬৫ হাজার ৫৬৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৯৯ লক্ষাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়ে দেশব্যাপী পাঁচটি ধাপে এই টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাঠ পর্যায় থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এবারের টুর্নামেন্টে সর্বমোট খেলোয়াড় সংখ্যা ছিল ২২ লাখ ১৪ হাজার ১০৫ জন। এর মধ্যে বালক খেলোয়াড় ১১ লাখ ১০ হাজার ৮১৪ জন এবং বালিকা খেলোয়াড় ১১ লাখ ৩ হাজার ২৯১ জন।
সংবাদ সম্মেলনে মহাপরিচালক লিখিত বক্তব্যে জানান, চলতি বছর বালক ও বালিকা দল মিলিয়ে দেশে ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৭৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এটি দেশের ক্রীড়া ইতিহাসে একটি অসাধারণ ও নজিরবিহীন মাইলফলক। টুর্নামেন্টে বালক ও বালিকা দল সমান সুযোগ-সুবিধা নিয়ে অংশগ্রহণ করেছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ৬ এপ্রিল থেকে মাঠ পর্যায়ের খেলা শুরু হয়ে ধাপে ধাপে ২৩ মে বিভাগীয় পর্যায়ের খেলা শেষ হয়। দীর্ঘ প্রতিযোগিতা অতিক্রম করে দেশের ৮টি বিভাগের চ্যাম্পিয়ন ৮টি বালক ও ৮টি বালিকা দলসহ মোট ১৬টি দল জাতীয় পর্যায়ে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।
এছাড়া সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ৪ জুন থেকে জাতীয় পর্যায়ের খেলা শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রথম রাউন্ড, সেমিফাইনাল ও তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
আগামী ২০ জুন আর্মি স্টেডিয়ামে চূাড়ান্ত ট্রফির লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে পর্দা নামবে এই আয়োজনের।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশের নারী দল যে গৌরবোজ্জ্বল সাফল্য দেখাচ্ছে, তার মূল ভিত্তি কিন্তু তৃণমূল পর্যায়ের এই গোল্ড কাপ টুর্নামেন্টগুলোই। এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুশৃঙ্খল, আত্মবিশ্বাসী ও নেতৃত্ব গুণসম্পন্ন সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জেনিফার উইংগেটের বিয়ের বিষয়ে শোবিজ অঙ্গনে গুঞ্জন অব্যাহত রয়েছে। অনেকে প্রাথমিকভাবে ভেবেছিলেন তিনি এক অভিনেতার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে রয়েছেন। তবে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, জেনিফারের হবু জীবনসঙ্গী একজন অভিনেতা নন বরং তিনি একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী।
সূত্রের মাধ্যমে জানা যায়, জেনিফারের হবু স্বামী হচ্ছেন সিঙ্গাপুরভিত্তিক ব্যবসায়ী ইসমাইল উইলিয়াম। ভারতীয় গণমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, ইসমাইল উইলিয়ামের সঙ্গে জেনিফারের বাগদান ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। আবার, অভিনেত্রীর কাছাকাছি একটি সূত্রে এই বিয়ের প্রস্তুতির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে বলেও উল্লেখ রয়েছে।
একটি ভ্রমণের সময় উইলিয়াম যেমন তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন, জেনিফার সেদিকে সম্মতি জ্ঞাপন করেন। এরপর থেকেই দুই পরিবারের মধ্যে বিয়ের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি কার্যক্রম শুরু হয়ে গেছে।
খবরে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এই যুগল খ্রিস্টান ধর্মীয় রীতি অনুসারে বিয়ে করতে যাচ্ছেন। তবে, এখনো বিয়ের তারিখ ও স্থান চূড়ান্ত হয়নি।
চলতি বছরের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে বিয়ের সম্ভাবনা থাকলেও, এটি ডিসেম্বর বা আগামী বছরের জানুয়ারিতে হতে পারে বলেও জানা যায়।
ইতিমধ্যে বিনোদন অঙ্গনের অনেক ঘনিষ্ঠ বন্ধু-বান্ধবী এ বিয়ের ব্যাপারে অবগত হয়ে গেছেন। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, অভিনেতা রিতেশ দেশমুখ ও তার স্ত্রী জেনেলিয়া দেশমুখও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন।
উল্লেখ্য যে, এর আগে জেনিফার উইংগেট অভিনেতা কর্ণ সিংহ গ্রোভারের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। তাদের পরিচয় হয়েছিল জনপ্রিয় টিভি সিরিজ ‘দিল মিল গয়ে’র শুটিং সেটে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ