০৭:৪৮ পি.এম
আজ সোমবার দুপুরে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ঘটনাস্থল ছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষ।
বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী আগামী ২০ জুন ঢাকার বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দেশের ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬’ (বালক ও বালিকা)-এর ফাইনাল খেলা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, যিনি ফাইনাল খেলার সমাপ্তি ঘোষণা করবেন এবং ক্ষুদে ফুটবলারদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করবেন।
আজ সোমবার দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে তথ্য জানিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
আরও পড়ুন: ২ বছরের বেতনবৃদ্ধি স্থগিত, ২৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ১৭টি প্রমাণিত
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এবং প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহ্দী আমিন।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদোসী সংবাদ সম্মেলনের মূল তথ্য উপস্থাপন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নির্দেশনায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪র্থ শ্রেণি থেকে খেলাধূলা বাধ্যতামূলক করার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ‘নীতিমালা ২০২৬’ অনুমোদন ও কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এই নীতিমালা দেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক রূপান্তর আনবে।
এছাড়া সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দেশের ৬৫ হাজার ৫৬৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৯৯ লক্ষাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়ে দেশব্যাপী পাঁচটি ধাপে এই টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাঠ পর্যায় থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এবারের টুর্নামেন্টে সর্বমোট খেলোয়াড় সংখ্যা ছিল ২২ লাখ ১৪ হাজার ১০৫ জন। এর মধ্যে বালক খেলোয়াড় ১১ লাখ ১০ হাজার ৮১৪ জন এবং বালিকা খেলোয়াড় ১১ লাখ ৩ হাজার ২৯১ জন।
আরও পড়ুন: বগুড়ায় 'হাত ধোয়ার নায়ক হোন' শ্লোগানে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত
সংবাদ সম্মেলনে মহাপরিচালক লিখিত বক্তব্যে জানান, চলতি বছর বালক ও বালিকা দল মিলিয়ে দেশে ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৭৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এটি দেশের ক্রীড়া ইতিহাসে একটি অসাধারণ ও নজিরবিহীন মাইলফলক। টুর্নামেন্টে বালক ও বালিকা দল সমান সুযোগ-সুবিধা নিয়ে অংশগ্রহণ করেছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ৬ এপ্রিল থেকে মাঠ পর্যায়ের খেলা শুরু হয়ে ধাপে ধাপে ২৩ মে বিভাগীয় পর্যায়ের খেলা শেষ হয়। দীর্ঘ প্রতিযোগিতা অতিক্রম করে দেশের ৮টি বিভাগের চ্যাম্পিয়ন ৮টি বালক ও ৮টি বালিকা দলসহ মোট ১৬টি দল জাতীয় পর্যায়ে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।
এছাড়া সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ৪ জুন থেকে জাতীয় পর্যায়ের খেলা শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রথম রাউন্ড, সেমিফাইনাল ও তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
আগামী ২০ জুন আর্মি স্টেডিয়ামে চূাড়ান্ত ট্রফির লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে পর্দা নামবে এই আয়োজনের।
আরও পড়ুন: রিজভী: গ্যারান্টি ক্লজের অভাবে তিস্তার পানি পায়নি বাংলাদেশ
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশের নারী দল যে গৌরবোজ্জ্বল সাফল্য দেখাচ্ছে, তার মূল ভিত্তি কিন্তু তৃণমূল পর্যায়ের এই গোল্ড কাপ টুর্নামেন্টগুলোই। এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুশৃঙ্খল, আত্মবিশ্বাসী ও নেতৃত্ব গুণসম্পন্ন সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন