মোঃআসাদুজ্জামান মাদারীপুর প্রতিনিধি
০২:২৭ পি.এম
মাদারীপুরের শিবচরে গাভী বিতরনের আয়োজন শনিবার সকালে করা হয়। বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে হত দরিদ্র ৬টি পরিবারের মাঝে বিনামূল্যে গাভী বিতরন করা হয়েছে। ভিলেজ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির (ভি ডি এস) স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে বাঁশকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে গাভী পালনে প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।
জানা গেছে, বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের বিশেষ বরাদ্দ ২০২৫-২৬ অর্থবছরের অর্থায়নে বাঁশকান্দি ইউনিয়নের ৬টি হতদরিদ্র পরিবারের মধ্যে ৬টি গাভী বিতরন ও উপকারভোগীদের গাভী পালন প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। এই সংগঠনটি শিবচর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নের জন্য স্বাস্থ্য সেবা, স্যানিটেশন, নারীর ক্ষমতায়নসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচী সফলতার সাথে সম্পন্ন করে আসছে।
উপকাভোগীদের মধ্যে রয়েছেন ফরিদা খাতুন, মোঃ কামাল হোসেন, রফিকুল ইসলাম ইদ্রিস, রিনা আক্তার, মিজান মিয়া এবং লতা বেগম।
এই অনুষ্ঠানে ভিলেজ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির পরিচালক এ.বি.এম মাহবুব হোসেন বাদলের সভাপতিত্বে শিবচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এইচ.এম ইবনে মিজান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন শিবচর উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার মোঃ বেল্লাল হোসেন এবং উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ নাজমুল হাসান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সারাদেশ যখন হামের টিকার সুফল পেতে শুরু করেছে, ঠিক সেই মুহূর্তে আবারও ডেঙ্গুর উপদ্রব চোখে পড়ছে। ডেঙ্গুর মৌসুম শুরুর আগেই হাসপাতালে ভর্তি হতে দেখা যাচ্ছে অনেক ডেঙ্গু রোগীকে। শিশু হাসপাতালে পাশাপাশি দুটি ওয়ার্ডে ভর্তি আছে হাম ও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত শিশুরা।
হামের এবং ডেঙ্গুর লক্ষণ প্রায় এক রকম হওয়ার পরও, ডেঙ্গুতে রক্তে প্লাটিলেড কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। এই কারণে চিকিৎসা নেয়ার প্রয়োজনীয়তা বেড়ে যায়। চিকিৎসকরা বলছেন, ডেঙ্গু নির্ণয়ের সাথে সাথে রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে; অন্যথায় শক অবস্থায় চলে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিতে পারে।
শরীরের দুর্বলতা, মুখে অরুচি, র্যাশসহ হাসপাতালের বিছানায় সজ্জাসায়ী শিশুরা দেখা যাচ্ছে। প্রাথমিক পর্যায়ে হামে আক্রান্ত মনে হলেও, পরীক্ষায় বেরিয়ে আসছে ডেঙ্গু রোগ।
এখনও ডেঙ্গুর মৌসুম শুরু না হলেও, প্রতিদিনই হাসপাতালে দেখা যাচ্ছে ডেঙ্গু রোগী। হাম এবং ডেঙ্গুর লক্ষণ এক হলেও, ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে রক্তে প্লাটিলেট কমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এতে শিশুরা অল্প সময়ের মধ্যে মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়তে পারে, যা অভিভাবকদের মধ্যে দুঃশ্চিন্তা সৃষ্টি করছে।
চিকিৎসকরা বলছেন, হামে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে বড় সংখ্যক এডিনো ভাইরাস, বোকা ভাইরাসসহ নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই আবার ডায়রিয়া এবং শ্বাসকষ্টেও ভুগছেন।
এই ক্ষেত্রে, হামে প্রথমে মুখে র্যাশ শুরু হয়, আর ডেঙ্গুতে শরীরের বিভিন্ন স্থানে র্যাশ হয়। এটি হাম এবং ডেঙ্গু নির্ণয়ের সহায়ক লক্ষণ হিসেবে কাজ করে। ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে শিশুর শক অবস্থায় চলে গেলে রোগীর শরীর সংকটাপন্ন হয়ে পড়তে পারে।
এদিকে, চলতি বছর সরকারি হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু পরীক্ষা বিনামূল্যে করার নির্দেশনা দেয় স্বাস্থ্য অধিদফতর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফুল শিক্ষাবৃত্তি, মেধার রাজকীয় স্বীকৃতি এই প্রতিপাদ্যে কুড়িগ্রামে মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা এবং শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে ফুল শিক্ষাবৃত্তি-২০২৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে সনদপত্র ও বৃত্তির অর্থ বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুর জেলা পরিষদ হলরুমে ফাইট আনটিল লাইট (ফুল) এর উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক, সুধীজন ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মীর্জা মোঃ নাসির উদ্দীন। কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী ফিরুজুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সভাপতি শফি খান, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এন. এম. শরীফুল ইসলাম খন্দকার প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন এনজিও সংগঠন ফুল এর নির্বাহী পরিচালক আব্দুল কাদের।
অতিথিবৃন্দ শিক্ষার্থীদের হাতে সনদপত্র ও বৃত্তির অর্থ তুলে দেন। এ সময় শিক্ষার্থীদের সাফল্যে অভিভাবকদের অভিনন্দন জানানো হয় এবং ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জনের জন্য তাদের উৎসাহ প্রদান করা হয়।
প্রধান অতিথি কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মীর্জা মোঃ নাসির উদ্দীন বলেন, শিক্ষাই একটি জাতির উন্নয়নের প্রধান হাতিয়র। মেধাবী শিক্ষার্থীদের যথাযথ মূল্যায়ন ও উৎসাহ প্রদান করলে তারা ভবিষ্যতে দেশ ও সমাজের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। এই কাজটিই করে যাচ্ছে এনজিও সংগঠন ফুল। তিনি ফুল শিক্ষাবৃত্তির মতো উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় উল্লেখ করে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথিরা বলেন, আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধ, মানবিকতা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তারা শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায়, সততা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানের সভাপতি কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী ফিরুজুল ইসলাম তাঁর বক্তব্যে আয়োজক, শিক্ষক, অভিভাবক ও শুভানুধ্যায়ী ব্যক্তিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ভবিষ্যতেও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে তাদের শিক্ষা কার্যক্রমে সহযোগিতা করার লক্ষ্যে শিক্ষাবৃত্তির কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার জন্য এনজিও সংগঠন ফুল এর প্রতি আহবান জানান।
অনুষ্ঠানে কুড়িগ্রাম জেলার ৫ টি উপজেলায় ১৩৬ টি স্কুলের ৭০০ শিক্ষার্থীকে ফুল শিক্ষাবৃত্তি - ২০২৫ প্রদান করা হয়। শেষে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের মুম্বাইয়ে টানা মৌসুমি বৃষ্টির কারণে একটি পুরনো ভবন ধসে পড়ে, ফলে পাঁচ শিশুসহ ৬ জন নিহত হয়েছেন। এর পাশাপাশি, ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন আরও কয়েকজন বাসিন্দা,
স্থানীয় আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী, ভারতের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত মুম্বাইয়ে ১০০ মিলিমিটারের (৩.৯ ইঞ্চি) বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে। কিছু কিছু এলাকার জন্য ১৬১ মিলিমিটার (৬.৩ ইঞ্চি) পর্যন্ত বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।
এখনো আরো সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে, কারণ ভারী বৃষ্টির ফলে শহরের যোগাযোগব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার কারণে মুম্বাইয়ের সব স্কুল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ ধরনের পরিস্থিতির মধ্যেই গত রোববার ঘটে গেছে প্রাণহানির এই ঘটনা।
নগর কর্তৃপক্ষের উদ্ধৃতি দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, রোববার মুম্বাইয়ের মানখুর্দ এলাকায় একটি বস্তির দুই থেকে তিনটি বহুতল ভবন ধসে পড়ায় পাঁচ শিশু ও এক নারী নিহত হয়েছেন।
অতিরিক্তভাবে, ভারী বৃষ্টির কারণে মুম্বাই-পুনে এক্সপ্রেসওয়েতেও ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। রাস্তাটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে দুই শহরের মধ্যে যান চলাচল ব্যাহত হয়েছে।
বৃষ্টির কারণে বিমান চলাচলও বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া, মুম্বাই-পুনে দূরপাল্লার ট্রেনও বাতিল করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার বাগাট বাজারে পচা গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগে একজন মাংস ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকার জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সময়ে, দোকান থেকে জব্দ করা প্রায় দুই মণ পচা মাংস মাটিতে পুঁতে ধ্বংস করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মধুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে বাগাট বাজারে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানের সময় জাকির কসাইয়ের দোকানে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা পচা গরুর মাংসের সত্যতা পাওয়া যায়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত সেই ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করে। একইসাথে দোকান থেকে উদ্ধার করা প্রায় দুই মণ পচা মাংস জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি এড়ানোর জন্য মাটিতে পুঁতে ধ্বংস করা হয়।
মধুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বলেছেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। জনস্বাস্থ্যের বিষয়টি মাথায় রেখে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং উদ্ধার হওয়া পচা মাংস ধ্বংস করা হয়েছে।
তিনি আরও জানিয়েছেন, জনস্বার্থে ভেজাল, অস্বাস্থ্যকর ও নিম্নমানের খাদ্যপণ্য বিক্রির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযানের কাজ ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ