শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:২৭ পি.এম
এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ ফুকেট থেকে দিল্লিতে আসা একটি ফ্লাইটের পাইলটকে মাদক পরীক্ষায় পজিটিভ হওয়ার কারণে বরখাস্ত করেছে। শুক্রবার বিমান সংস্থাটি তাৎক্ষণিকভাবে তার চাকরি বাতিলের সিদ্ধান্তের কথা জানায়।
এয়ার ইন্ডিয়া জানিয়েছে, ফ্লাইটটির পাইলট-ইন-কমান্ডের শরীরে সাইকোঅ্যাকটিভ পদার্থের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। প্রতিষ্ঠানের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আওতায় নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রক বিধি লঙ্ঘনের কারণে তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
ভারতের সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, চূড়ান্ত নিশ্চিতকরণ টেস্টের ফলাফলে এয়ার ইন্ডিয়ার ওই প্রধান পাইলটের দেহে গাঁজার উপস্থিতি ধরা পড়েছে।
ভারতের এয়ারক্রাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরোর (এএআইবি) প্রাথমিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ফ্লাইটটি অবতরণের পর দুই পাইলটেরই পরীক্ষা করা হয়। কো-পাইলটের পরীক্ষার ফলাফল নেগেটিভ হলেও পাইলট-ইন-কমান্ডের নমুনা প্রথম পরীক্ষায় নন-নেগেটিভ আসে। পরবর্তী নিশ্চিতকরণ রক্ত পরীক্ষাতেও একই ফলাফল পাওয়া যায়।
তবে মাদক পরীক্ষার ফলের সঙ্গে ফ্লাইটের অস্বাভাবিক উচ্চতা হারানোর সরাসরি কোনো সম্পর্ক এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি। এ বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলমান রয়েছে।
৪ আগস্টের ওই ফ্লাইটে ১৩৭ জন যাত্রী এবং আটজন ক্রু ছিলেন। বিমানটি ৩৬ হাজার ফুট উচ্চতায় উড়ছিল। এ সময় তিনটি হাইড্রলিক ব্যবস্থায় চাপ কমে যায়। অটোপাইলট বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর দুই সেকেন্ডের জন্য স্টল সতর্কবার্তাও চালু হয়।
ঘটনার সময় বিমানটি নির্ধারিত উচ্চতার চেয়ে ৩৭২ ফুট ওপরে ওঠে এবং পরে ২৯২ ফুট নিচে নেমে যায়। কো-পাইলট পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার পর হাইড্রলিক ব্যবস্থাগুলো স্বাভাবিক হয়ে আসে এবং বিমানটি নিরাপদে দিল্লিতে অবতরণ করে।
অস্বাভাবিক উচ্চতা পরিবর্তনের সময় সিটবেল্টের সংকেত বন্ধ থাকায় যাত্রী ও কেবিন ক্রুদের কয়েকজন আহত হন। দিল্লিতে অবতরণের পর ২০ জন যাত্রী এবং চারজন কেবিন ক্রুকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। চারজন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন।
ঘটনার ফলে বিমানের কেবিনের ছাদের প্যানেল, হাতল, ওভারহেড বিনের দরজা এবং অন্যান্য অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফ্লাইটের রেকর্ডার, রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনাসংক্রান্ত নথি এবং হাইড্রলিক ব্যবস্থার বিভিন্ন অংশ পরীক্ষা করছে এএআইবি।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া,
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার কাঞ্চনপুর চেয়ারম্যানবাড়ি এলাকায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার ও কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে কালিয়াকৈর ফুলবাড়িয়া-মাওনা আঞ্চলিক সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিক হতাহতদের পরিচয় জানা যায়নি। নিহতের মধ্যে এক নারী (৪৫), এক ছেলে ও একজন পুরুষ (৫০) রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, কালিয়াকৈর থেকে ৪/৫ জন যাত্রী নিয়ে একটি সিএনজি শ্রীপুরের মাওনা চৌরাস্তা এলাকায় যাচ্ছিল। একপর্যায়ে অটোরিকশাটি কালিয়াকৈর-মাওনা আঞ্চলিক সড়কের কাঞ্চনপুর চেয়ারম্যান বাড়ি এলাকায় পৌঁছায়। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি কভার্ডভ্যানে সঙ্গে যাত্রীবাহী ওই সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে সিএনজি অটোরিকশারচালকসহ পাঁচজন গুরুতর আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক দু’জনকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু হয়।
কালিয়াকৈর থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অটোরিকশার ও কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাজিলের কিংবদন্তি ফুটবলার কাফু, যিনি দুবারের বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য, সুবিধাবঞ্চিত কিশোরীদের সঙ্গে ফুটবল মাঠে সময় কাটানোর সুযোগ পেয়েছেন। তিনি তাদের খেলার বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন এবং খেলাধুলা ও শিক্ষার মাধ্যমে নিজেদের স্বপ্ন পূরণে উদ্বুদ্ধ করেন।
২০০২ সালের বিশ্বকাপে ব্রাজিল দলের অধিনায়ক এবং ১৯৯৪ সালে শিরোপাজয়ী দলের সদস্য হিসেবে পরিচিত কাফু মুম্বাইভিত্তিক ‘ড্রিমিং ইন স্লামস ফাউন্ডেশন’ পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি খুদে ফুটবলারদের সঙ্গে সময় কাটান। এই সময় কিংবদন্তি ফুটবলার তাদের সঙ্গে একটি প্রীতি ম্যাচে অংশগ্রহণ করেন এবং মাঠ থেকেই বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করেন।
ফুটবলের অন্যতম জনপ্রিয় এই তারকার সঙ্গে খেলার সময় কিশোরীদের উচ্ছ্বাস ও আনন্দ স্পষ্ট ছিল। এই ফাউন্ডেশনটি শহরের সুবিধাবঞ্চিত এলাকার মেয়েদের নিয়ে কাজ করে। ফুটবলকে মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে তারা জীবনদক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির পাশাপাশি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা তৈরি করে। এই কর্মসূচিটি ৬ থেকে ১৬ বছর বয়সী মেয়েদের জন্য পরিচালিত হয়।
খেলাধুলার সাথে শিক্ষার সমন্বয়ের গুরুত্ব নিয়ে কথা বলার সময় কাফু বলেন, "শিশুদের সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে ফুটবল বড় ভূমিকা রাখতে পারে।" তিনি যোগ করেন, "যেসব শিশু পড়াশোনা ও ফুটবল উভয়ই চালিয়ে যাচ্ছে, তাদের প্রতি আমার পরামর্শ হলো তারা যেন এই পথেই এগিয়ে যায়।" কাফু উল্লেখ করেন, খেলাধুলা হলো বিশ্বের অন্যতম সেরা মাধ্যম, যার সাহায্যে সমাজে সবাইকে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, "খেলাধুলা আপনাকে ভবিষ্যৎ, শিক্ষা ও সামাজিকীকরণের সুযোগ করে দেয় এবং প্রচুর সম্মানও এনে দেয়।" কাফু মনে করেন, স্কুল ও ফুটবলের এই সমন্বয়টি চমৎকার। এর ফলে শিশুরা সমাজের মূলধারায় মিশতে পারে এবং প্রশিক্ষণের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে ওঠে; ভবিষ্যতের জন্য এ ধরনের পদ্ধতিই শ্রেয়।
খুদে ফুটবলারদের সঙ্গে দেখা করে কাফু বেশ আনন্দিত হন এবং তাদের আন্তরিকতায় মুগ্ধ হওয়ার কথা জানান। ব্রাজিলের কিংবদন্তি বলেন, "অভিজ্ঞতাটি দারুণ ছিল। আমার মনে হয় বিশ্বজুড়ে মানুষ আমাকে ভালোবাসে। বিষয়টি অত্যন্ত তৃপ্তিদায়ক।" তিনি উল্লেখ করেন, "আমি শিশুদের কাছ থেকে যে ভালোবাসা ও সম্মান পেয়েছি তা সত্যিই অসাধারণ, অথচ তারা আমাকে খেলতে দেখার সুযোগ খুব একটা পায়নি।" কাফু বলেন, "এটি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। ভারতে আসতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত।"
কাফু আরও বলেন, "তাদের এই ভালোবাসা অনুভব করে আমি অত্যন্ত খুশি।" ফাউন্ডেশনটির কার্যক্রম দেখে তিনি মুগ্ধ ও আনন্দিত। তিনি বলেন, "এখানে আসতে পেরে আমার খুব ভালো লাগছে।" ব্রাজিলের সাবেক এই অধিনায়ক ভারতে ফুটবলের উন্নয়ন নিয়েও আলোচনা করেন। তিনি বলেন, "বিনিয়োগ ও পেশাদার দক্ষতার বিকাশ অব্যাহত থাকলে বিশ্বমঞ্চে নিজেদের ছাপ ফেলার মতো সক্ষমতা ভারতের রয়েছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তিন সন্তান হত্যার ঘটনাকে ‘ভয়াবহ ট্র্যাজেডি’ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। আলোচিত মামলায় জুরিরা শেষ পর্যন্ত কোনো রায় দিতে পারেননি। ছয় সপ্তাহের বিচারপ্রক্রিয়া এবং প্রায় ৪০ ঘণ্টা আলোচনা শেষে ১২ সদস্যের জুরি সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে না পারায় বিচারক উইলিয়াম সুলিভান শুক্রবার মামলাটিতে মিসট্রায়াল ঘোষণা করেন।
ম্যাসাচুসেটসের এই বহুল আলোচিত মামলার আসামি লিন্ডসে ক্ল্যান্সি নিজের তিন সন্তানকে হত্যার কথা অস্বীকার করেননি। তবে তিনটি ফার্স্ট ডিগ্রি হত্যার অভিযোগে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন। তার আইনজীবীরা যুক্তি উপস্থাপন করেন যে, সন্তানদের হত্যার সময় ক্ল্যান্সি প্রসবোত্তর সাইকোসিসে আক্রান্ত ছিলেন। ফলে ওই সময় তার কর্মকাণ্ডের ওপর স্বাভাবিক নিয়ন্ত্রণ ছিল না।
মামলাটি নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন ট্রাম্পও। ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি ঘটনাটিকে ‘ভয়াবহ ট্র্যাজেডি’ হিসেবে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে ক্ল্যান্সির কর্মকাণ্ডের কঠোর সমালোচনা করেন তিনি এবং মামলাটির আবার বিচার হতে পারে বলেও ধারণা দেন।
সন্তান হত্যার ঘটনা
প্রতিবেদনে জানা গেছে, ২০২৩ সালে ম্যাসাচুসেটসে নিজেদের বাড়িতে ক্ল্যান্সি তার তিন সন্তানকে হত্যা করেন। নিহতরা হলো ৫ বছর বয়সী কোরা, ৩ বছর বয়সী ডসন এবং ৮ মাস বয়সী ক্যালান।
ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনায় বলা হয়েছে, সন্তানদের গলায় ব্যায়ামের ব্যান্ড পেঁচিয়ে হত্যার পর ক্ল্যান্সি নিজেকে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন। পরে বাড়ির দ্বিতীয় তলা থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন তিনি। ওই ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে পক্ষাঘাতগ্রস্ত হন ক্ল্যান্সি।
বর্তমানে ৩৬ বছর বয়সী সাবেক নার্স ক্ল্যান্সি একটি রাষ্ট্রীয় মানসিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হেফাজতে রয়েছেন।
জুরিদের আলোচনায় অচলাবস্থা
ছয় সপ্তাহ ধরে চলা বিচার শেষে রায় নিয়ে সাত দিন আলোচনা করেন ১২ সদস্যের জুরি। প্রায় ৪০ ঘণ্টার আলোচনা শেষে একজন জুরি ক্ল্যান্সিকে খালাস দেওয়ার বিষয়ে একমত না হওয়ায় কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি প্যানেলটি।
যুক্তরাষ্ট্রের আইনে ফৌজদারি মামলায় কাউকে দোষী সাব্যস্ত করতে জুরিদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত প্রয়োজন। তাই মতৈক্যে পৌঁছাতে না পারলে তাকে হাং জুরি বলা হয়। এমন পরিস্থিতিতে বিচারক মিসট্রায়াল ঘোষণা করতে পারেন।
ফলে ক্ল্যান্সি খালাসও পাননি, আবার দোষীও সাব্যস্ত হননি।
রায় নিয়ে জুরিদের আলোচনার শেষ পর্যায়ে মতবিরোধ আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ক্ল্যান্সির আইনজীবী কেভিন রেডিংটন অভিযোগ করেন, একজন জুরি যুক্তিসংগত সন্দেহ নিয়ে আদালতের দেওয়া নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করছেন না। ওই জুরিকে সরিয়ে দেওয়ার আবেদনও করেন তিনি।
তবে বিচারক সুলিভান সেই আবেদন প্রত্যাখ্যান করেন। এরপর জুরিদের আবার আলোচনায় পাঠানো হয়। প্রায় এক ঘণ্টা পর তারা বিচারকের কাছে ফিরে জানান, কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।
এর পরই মিসট্রায়াল ঘোষণা করেন বিচারক। জুরিদের দায়িত্ব থেকেও অব্যাহতি দেওয়া হয়।
মামলা আবারও আদালতে যেতে পারে
মিসট্রায়াল ঘোষণার অর্থ মামলাটি শেষ হয়ে যাওয়া নয়। ক্ল্যান্সির বিরুদ্ধে তিনটি হত্যার অভিযোগ বহাল রয়েছে। এখন প্রসিকিউশন চাইলে একই অভিযোগে নতুন করে বিচার শুরু করতে পারে। আবার চাইলে মামলাটি সমঝোতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির চেষ্টা করতে পারে।
রেডিংটন এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দ্রুত আপিলের চেষ্টা করেন। মামলার রায় স্থগিত রাখার আবেদন নিয়ে তিনি ম্যাসাচুসেটসের সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন। তবে আদালত তার আবেদন প্রত্যাখ্যান করেন।
পরে ক্ল্যান্সির আইনজীবী জানান, মিসট্রায়াল পুনর্বিবেচনার জন্য তিনি আবার আবেদন করবেন। বিষয়টি নিয়ে পরবর্তী শুনানিতে আলোচনা হতে পারে।
আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানি নির্ধারিত হয়েছে। সেদিন প্রসিকিউশনের পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে আরও স্পষ্টতা পাওয়া যেতে পারে।
প্লাইমাউথ কাউন্টির ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি টিমোথি ক্রুজ জানিয়েছেন, নতুন করে বিচার করা হবে কি না, তা নিয়ে তারা আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করবেন। তিনি বলেন, তাদের বিশ্বাস, সন্তানদের হত্যার সময় ক্ল্যান্সি নিজের কর্মকাণ্ডের ওপর নিয়ন্ত্রণে ছিলেন এবং এ বিষয়ে মামলায় প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়েছে।
অন্যদিকে, আদালতের বাইরে রেডিংটন দাবি করেন, একজন জুরির আপত্তি না থাকলে বাকি ১১ জন ক্ল্যান্সির পক্ষে রায় দিতে প্রস্তুত ছিলেন। তবে জুরিদের অভ্যন্তরীণ আলোচনা গোপনীয় হওয়ায় এই দাবির স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়ার সুযোগ নেই।
যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে আলোচনায় ক্ল্যান্সির মামলা
ক্ল্যান্সির মামলাটি শুধু আদালতকেন্দ্রিক থাকেনি। প্রসবোত্তর সাইকোসিস এবং সন্তান হত্যার ক্ষেত্রে মানসিক অসুস্থতার দায় নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বড় ধরনের বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
বিচারের কার্যক্রম অনলাইনে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। প্রতিদিন ২০০-র বেশি সাংবাদিক আদালতে উপস্থিত ছিলেন। ক্ল্যান্সির সমর্থকেরাও বিভিন্ন সময়ে আদালতের বাইরে জড়ো হন।
মিসট্রায়ালের পর ক্ল্যান্সির ভবিষ্যৎ আইনি অবস্থান এখন নির্ভর করছে প্রসিকিউশনের পরবর্তী সিদ্ধান্তের ওপর। আগামী ২৯ সেপ্টেম্বরের শুনানিতে এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি আসতে পারে।
,
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিআইবি বাঁচাও - ফারুক ওয়াসিফকে হটাও শ্লোগানের মধ্য দিয়ে আজ ৫ সেপ্টেম্বর সকাল ১১ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধন কর্মসুচী পালিত হয়েছে।
সিনিয়র সাংবাদিক মামুনুর রশীদ নোমানীর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন,সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবু বকর সিদ্দিক ভূইঁয়া ,ঢাকা মেট্রোপলিটন প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহ সভাপতি রাজিব তালুকদার, বাংলাদেশ অনলাইন সংবাদ পত্র ও সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ সাধারণ সম্পাদক সজীব তালুকদার,ঢাকা মেট্রোপলিটন প্রেস ক্লাবের দপ্তর সম্পাদক মো: নাসির উদ্দিন,সিনিয়র সাংবাদিক নীলিমা, সাংবাদিক জোটের সভাপতি ইকবাল হোসেন সরদার,সাংবাদিক আজিজুল ইসলাম যুবরাজ প্রমুখ।
মানবন্ধনে সাংবাদিকরা বলেন,
গত ১৮ মাসে পিআইবি মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফের অনিয়ম, চুরি, দুর্নীতি, নিয়োগ বানিজ্য করে যাচ্ছেন।প্রদানমন্ত্রী,তথ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষন করে বক্তারা বলেন,দ্রুত পিআইবি মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফকে অপসারন করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়।
বক্তারা বরেন,২০২৪ সালের ১১ সেপ্টেম্বর পিআইবি মহাপরিচালক পদে ফারুক ওয়াসিফ যোগদান করে বিধি বর্হিভূত ভাবে পরিচালক (প্রশাসন), উপ-পরিচালক, সিনিয়র রিসার্স আফসার, সিনিয়র প্রশিক্ষক সহ বিভিন্ন পদে অস্থায়ী ভাবে অর্থের বিনিময়ে তার বন্ধু, বান্ধবী ও আত্মীয়দের-কে নিয়োগ দিয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শামসুন নাহার হলের জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের (সাবেক) প্রেসিডেন্ট পারভীন সুলতানা রাব্বী (লাকী) গত ১৭ বছর আওয়ামীলীগের চরম অন্যায় অত্যাচার, পদোন্নতি বঞ্চিত ও নির্যাতনের স্বিকার হয়েছেন। তিনি যোগদানের পর থেকে বিএনপি ঘরানার কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উপর আবার ও নির্যাতন নিপিড়ন শুরু হয়।
পারভীন সুলতানা রাব্বী (লাকী)-কে জেন্ডার বিষয়ক কর্মশালার মডিউল তেরী করেন। উক্ত তৈরী করা মডিউলটি ফারুক ওয়াসিফ তার ঘনিষ্ঠ বান্ধবী অস্থায়ী সহযোগী অধ্যাপক মনিরা শরমিন নামে পরিচালনার দায়িত্ব। ফারুক ওয়াসিফ-এর অনিয়ম, চুরি, দুর্নীতি, অবৈধ্য নিয়োগ নিয়ে কথা বললে ফারুক ওয়াসিফ তথ্য সচিবের মাধ্যমে নিমকোতে বদলি করানো হয় লাকিকে।
অর্থিক অনিয়ম ও অস্থায়ী ভাবে পরিচালক নিয়োগ নিয়ে কথা বললে মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে হিসাব রক্ষক (চ.দা.) মো: আলী হোসেনকে ১-বছর চাকুরী বাকী থাকতে তাকে অবসর দেয়া হয়।
ফারুক ওয়াসিফ বিএনপি ঘরাণার সকলকে নানাভাবে হয়রানি করছে।
রিসার্স অফিসার মিসেস কামরুন নাহার-কে ইনঅ্যাকটিভ করে রাখা হয়েছে। তাকে নানা ভাবে হামকি হুমকি দিচ্ছে।
প্রশিক্ষক মোহামমদ শাহ আলম-কে সোকজ দিয়ে চাকুরীচ্যুত করার চেষ্টা করছেন।
এম এলএসএস মো: মাহবুব আলম-কে ইতিমধ্যে সাময়িক বরখাস্ত করেছেন।
এ ছাড়া বিএনপি ঘরানার কামরুন নাহার, মো: নিজাম উদ্দিন, মিজানুর রহমান সরকার, আবদুল্লাহ আল মামুন, মাহবুবুল আলম, আব্দল জব্বার, ইসলাম সিকদার, শাহ মো. গোলাম রহমান মজনু, মো. সোহেল, তাজুল ইসলাম, মাহফুজ ইসলাম, আমিরুল ইসলাম-কে নানা ভাবে তার পালিত বাহিনী দ্বারা অত্যাচার, নির্যাতন ও চাকুরী খাওয়ার হুমকির মধ্যে রেখেছেন।
অবসর প্রাপ্ত একেএম ফরিদ উদ্দিন-এর দেনা পাওনা চাইতে গেলে ডিজি তাকে অফিস থেকে রেব করে দেন।
স্থায়ী ভাবে কর্মরত সকলের নামে সচিব স্যারের কাছে মিথ্যা বনোয়াট তথ্য উপস্থাপন করে তার নিজের অনিয়ম, চুরি, দুর্নীতি, নিয়োগ বানিজ্য ও কুকীর্তি আড়াল করছেন।
তারুণ্যের উৎসব-২০২৫, জুলাই গণ অভ্যুত্থান: সংহতি ও প্রত্যাশা বিষয়ক সেমিনার, গণ আন্দোলনের দিশা ও দর্শণ বিষয়েক সেমিনারের নামে একই দিনে ৪-টি কর্মশালা দেখিয়ে তেইশ লক্ষ সাতানব্বই হাজার পাঁচ শত টাকার ভুয়া বিল ভাউচরের মাধ্যমে টাকা আত্মসাৎ করেছে। এ বিষয়ে কয়েকটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকা, টিভি নিউজ, অনলাইন পত্রিকা সহ ফেসবুকে বহু লেখা লেখি চলছে।
সদ্য সমাপ্ত সরকারী অডিট ফারুক ওয়াসিফ-এর ২০২৪-২৫ অর্থ বদরের মাত্র নয় মাসের কর্মকান্ডের উপর ১৭-টি অডিট আপত্তি করেছে।
যার মধ্যে রয়েছে আর্থিক অনিয়ম, অবৈধ্য নিযোগকৃত দের প্রদত্ত বেন বোনাস, তারুণ্যের উৎসব-২০২৫ নামে ২৩ লাখ ৯৭ হাজার ৫০০ টাকা নগদে বিল পরিশোধ, এক খাতের টাকা অন্য খাতে ব্যয়। ফারুক ওয়াসিফ আপত্তি নিয়ে তিনি কর্মকর্তাদের বলছেন, এ সব কিছু হবে না তথ্য সচিব-কে সব অবহিত করা হয়েছে। তথ্য সচিব আমাকে বলেছেন আপনি চিন্তা করবেন না আমি অডিটের ডিজি বলে আপত্তি নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করব। আপনি যত দ্রুত পারেন অস্থায়ীদের স্থায়ী করার ব্যবস্থা নেন।
এই সব কাজে সহযোগিতা করছে পিআইবির সুবিধাভোগী কয়েকজন কর্মকর্তা, কর্মচারী এর মধ্যে এক জন অবসর গ্রহণকারী হিসাব অফিসার মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন চৌধুরী যাকে বর্তমান মহাপরিচালক বিধিবর্হিভূত ভাবে অস্থায়ী ভাবে উচ্চবেতনে উপ-পরিচালক প্রশাসন পদে বসিয়ে অবৈধ্য ভাবে আয়ন বায়ন কর্মকর্তার দায়িত্ব দিয়ে চুরি, দুর্নীতি ও লুটপাট করে যাচ্ছেন। একজন অস্থায়ী ভাবে কর্মরত কর্মকর্তা কখনই সরকারী অর্থ লেনদেনের আয়ন বায়ন কর্মকর্তা হতে পারে না।
এ ছাড়া ফারুক ওয়াসিফ-কে অবৈধ কাজে সহযোগিতা করা, তার পক্ষে কথা বলা, স্থায়ী কর্মকর্তা কর্মচারীদের রুমে রুমে গিয়ে ভয় ভীতি দেখান কয়েকজন কর্মচারী-কে অবৈধ্য ভাবে পদোন্নতি, উচ্চতর গ্রেড, কোর্সের আর্থিক সুবিধা প্রদান তরার মাধ্যমে অফিসে ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরী করে রেখেছেন।
বর্তমানে আওয়ামীলীগের সয়ে নিয়োগকৃতদের সংগে নিয়ে বিএনপি বিতাড়িত করানো কাজে ব্যস্ত। অন্য দিকে তিনি বিএনপির উপর মহলে নিজেকে যোগাযোগের মাধ্যমে নিজেকে বিএনপি সাজার চেষ্ঠা করছেন। ২০০৯-২০২৩ পর্যন্ত প্রথমআলো ও সমকালে বিএনপির বিরদ্ধে বহু সম্পাদকীয় লিখেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ