বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৭:২০ পি.এম
রাশিয়া দাবি করেছে যে, তারা একক আকাশযুদ্ধে ইউক্রেনের দু’টি সু-২৭ যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছে।
এ বিষয়ে মন্তব্য করেছেন রুশ বিমানবাহিনীর কমান্ডার ও রাশিয়ার মহাকাশ বাহিনীর উপপ্রধান সের্গেই কোবিলাশ। তিনি রুশ সংবাদপত্র ক্রাসনায়া জেভেজদাকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে বলেন, “একটি সু-৩৫এস যুদ্ধবিমানের পাইলট একই যুদ্ধে তিনটি আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে দুটি ইউক্রেনীয় সু-২৭ ধ্বংস করেন।”
কোবিলাশ তার সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করেন, রাশিয়ার বিমানবাহিনীর ১১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এই ঘটনা তিনি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি বলেন, এটি রুশ পাইলটের সাহসিকতার একটি অন্যতম উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।
তিনি আরও জানান, ওই পাইলট যুদ্ধকালীন টহলে ছিল এবং অগ্রসরমান রুশ সেনাদের একটি দলকে আকাশ থেকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য প্রস্তুতির মধ্যে ছিলেন। নির্ধারিত এলাকায় এসে, তিনি রাডারের মাধ্যমে আকাশে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু খুঁজতে শুরু করেন।
কোবিলাশ দাবি করেছেন, ইউক্রেনীয় পক্ষ জ্যামিং প্রযুক্তি ব্যবহার করলেও, রুশ পাইলট দু’টি শত্রু সু-২৭ শনাক্ত করতে সক্ষম হন। পরিস্থিতি মূল্যায়নের পর, তিনি বেশিরভাগ সংখ্যক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে আকাশযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন।
রুশ কমান্ডারের ভাষ্যানুযায়ী, পাইলট কৌশলগতভাবে সুবিধাজনক অবস্থান গ্রহণ করার পর দক্ষতার সঙ্গে বিমানকে পরিচালনা করেন এবং তিনটি আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ে দেন। এতে দু’টি ইউক্রেনীয় যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয় বলে তিনি দাবি করেন।
সূত্র: তাস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহ, ১৩ আগস্ট, ২০২৬ : ময়মনসিংহের বিভাগীয় কমিশনার এস. এম হুমায়ুন কবির সরকার মন্তব্য করেছেন, বই শিশুদের সামনে জ্ঞানের দুয়ার খুলে দেয়। বই পড়ার জন্য সবচেয়ে আনন্দময় এবং উৎসাহী জায়গা হচ্ছে লাইব্রেরি। তিনি উপস্থিত শিক্ষার্থীদের বই পড়তে এবং সেটি উপভোগ করতে উৎসাহ প্রদান করেন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে, ময়মনসিংহ বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থাগারের আয়োজনে বিভাগীয় পাঠক সমাবেশ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘আলোকিত মানুষ চাই’ এ প্রতিপাদ্যের আওতায় ময়মনসিংহের টাউন হলস্থ বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থাগারে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে দেশব্যাপী ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি (৩য় সংশোধনী) প্রকল্পের আওতায় এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। প্রকল্পের বাস্তবায়নে সহযোগিতা করে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান। তিনি এ সময় বলেন, বাংলাদেশের মতো পারিবারিক এবং সোশ্যাল বন্ডিং পশ্চিমা বিশ্বে নেই। কিন্তু ক্রমেই যেন আমরা তা হারিয়ে ফেলছি। অথচ সামাজিক মূল্যবোধ বৃদ্ধিতে পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি সব ধরনের বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত। যে সমস্ত বই পড়লে দেশ ও সমাজের প্রতি মমত্ববোধ বৃদ্ধি পায় এবং সামাজিক ও ব্যক্তিগত মূল্যবোধ তৈরি হয়, সেসব বই পড়া অত্যন্ত জরুরি। আলোকিত মানুষ গড়ে তুলতে হবে, দোলনা থেকে মৃত্যু পর্যন্ত বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা আৱশ্যক। আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থাগার, ময়মনসিংহের প্রিন্সিপাল লাইব্রেরিয়ান (উপপরিচালক) মোহাম্মদ হামিদুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান বিপিএম-সেবা, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব এবং দেশব্যাপী ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি (৩য় সংশোধনী) প্রকল্পের পরিচালক মু. বিল্লাল হোসেন খান, গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর, ঢাকার প্রিন্সিপাল লাইব্রেরিয়ান (উপপরিচালক) দেবাশীষ ভদ্র প্রমুখ। এ সময়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জ, ১৩ আগস্ট, ২০২৬ : জেলা প্রশাসন এবং পরিবেশ অধিদপ্তর টাঙ্গুয়ার হাওর ইসিএ এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৮টি ইঞ্জিনচালিত নৌকাকে জরিমানা করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে টাঙ্গুয়ার হাওরের ইসি এরিয়ায় এই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতে পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে ৮টি ইঞ্জিনচালিত নৌকার বিরুদ্ধে ৮টি মামলা দায়ের করে ৭ হাজার পাঁচশ পঞ্চাশ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
এসময় মোবাইল কোর্টের পরিচালনায় নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাব্বির হোসেন শাওন।
মোবাইল কোর্টে প্রসিকিউশন প্রদান করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের সুনামগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মো. সাইফুল ইসলাম।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় সার্বিক সহায়তা করেন তাহিরপুর থানার পুলিশ সদস্যরা।
এসময় পরিবেশ অধিদপ্তর সুনামগঞ্জ জেলার পক্ষ থেকে টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমণকারী হাউজবোট ও পর্যটকদের মাঝে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।
পরিবেশ অধিদপ্তরের জেলার সহকারী পরিচালক মো. মোহাইমিনুল হক জানান, রামসার সাইট এবং টাঙ্গুয়ার হাওর ইসিএ এলাকার পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৩ আগস্ট, ২০২৬ : বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের কাঙ্ক্ষিত সংস্কার ও আধুনিকায়নের লক্ষ্যে প্রায় দুই বছর আগে সার্বিক সংস্কার কার্যক্রম শুরু করা হয়। সেসময় ব্যাংকটি ৪০ কোটি টাকা লোকসানসহ বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক সীমাবদ্ধতা ও অব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে পরিচালিত হলেও ধারাবাহিক সংস্কার কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটিকে একটি আধুনিক, দক্ষ, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব আর্থিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের কাজ এগিয়ে চলছে।
তিনি আরো বলেন, ব্যাংকের ডিজিটালাইজেশন, দক্ষ মানবসম্পদ নিয়োগ, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি এবং আধুনিক ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি প্রবর্তনের মাধ্যমে ব্যাংকটিকে দেশের ব্যাংকিং খাতে একটি কার্যকর ও নেতৃস্থানীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে।
আজ সাভারে আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের শুভ উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। একই অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভোলা শাখারও উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মহাপরিচালক বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত প্রায় ৬০ লাখ সদস্যের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও কল্যাণে আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে দেশের সামগ্রিক আর্থসামাজিক উন্নয়নে ভবিষ্যতে ব্যাংকটির আরো কার্যকর অবদানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ বলেন, বাহিনীর সদস্যদের বৈদেশিক কর্মসংস্থান, নবায়নযোগ্য জ্বালানি— বিশেষ করে সোলার সিস্টেম স্থাপন এবং সামগ্রিক আর্থসামাজিক উন্নয়নে বাস্তবভিত্তিক উদ্যোগ হিসেবে ‘সঞ্জীবনী’ প্রকল্পের কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এ প্রকল্পে আর্থিক অংশীদার হিসেবে আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।
তিনি উল্লেখ করেন, সরকারের উন্নয়ন ভাবনা, বাহিনীর সদস্যদের দক্ষতা ও উদ্যোগ এবং ব্যাংকের আর্থিক সহায়তাকে সমন্বয় করে এ কার্যক্রম একটি ত্রয়ী মডেল হিসেবে বাস্তবায়ন করা হবে। এর মাধ্যমে সদস্যদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, আয় বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক সক্ষমতা অর্জনে সহায়তা করা সম্ভব হবে।
ব্যাংকের সংস্কার ও সুশাসন প্রসঙ্গে মহাপরিচালক বলেন, ব্যাংকের সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে কারা নীতিমালার আওতাভুক্ত, তা বর্তমানে সুস্পষ্টভাবে নির্ধারিত ও স্বীকৃত। নীতিমালায় নির্ধারিত যোগ্যতার বাইরে কোনো ব্যক্তি যাতে অবৈধ বা অননুমোদিত উপায়ে ব্যাংকের সুবিধা গ্রহণ করতে না পারেন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। ফলে, ব্যাংকের সেবা প্রদানে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং অনিয়মের সুযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।
তিনি ব্যাংকে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দক্ষতা, পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতাকে কাজে লাগিয়ে ব্যাংকের নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনে আরো কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সুশাসন, প্রযুক্তিনির্ভর সেবা, দক্ষ মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা, ঋণের সফল ব্যবহার এবং শক্তিশালী আর্থিক ব্যবস্থাপনার সমন্বয়ের মাধ্যমে আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংককে বাহিনীর সদস্যদের কল্যাণ ও দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের একটি শক্তিশালী অংশীদার হিসেবে প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে সদস্যদের আর্থসামাজিক উন্নয়নে ব্যাংকের ভূমিকার বাস্তব উদাহরণ হিসেবে তিনজন অঙ্গীভূত আনসার সদস্যের প্রত্যেককে ২ লাখ টাকা করে ঋণের চেক হস্তান্তর করা হয়।
আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মীর মোফাজ্জল হোসেন, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম, ১৩ আগস্ট, ২০২৬ : মাত্র পনের দিনের ব্যবধানে পুকুরে ডুবে পরপর তিনজন শিক্ষার্থীর মৃত্যুর পরিপ্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) সকল পুকুরে নামা নিষিদ্ধ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
আজ বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ক্যাম্পাসের সকল পুকুরকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ক্যাম্পাসের কোনো পুকুরে নামা, সাঁতার কাটা বা পানিতে প্রবেশ করা যাবে না। নির্দেশনা অমান্য করে কেউ পুকুরে প্রবেশ বা নামলে তা বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলাপরিপন্থী আচরণ হিসেবে গণ্য হবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত বিধি অনুযায়ী শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গতকাল বুধবার দুপুরে চুয়েটের কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলসংলগ্ন পুকুরে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে মারা যান কম্পিউটার বিজ্ঞান ও কৌশল বিভাগের ছাত্র অর্ণব চন্দ এবং তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের ছাত্র শান্ত দেব। এর আগে গত ২৮ জুলাই একই পুকুরে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে মারা যান যন্ত্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী অর্ণব সাহা।
এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ক্যাম্পাসের সকল পুকুরকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এসব পুকুরে নামা, সাঁতার কাটা কিংবা পানিতে প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ