ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

“পাখি পাচার রোধে টঙ্গীতে ৯৯৯ কলের পর অভিযান, আটক ২”


“পাখি পাচার রোধে টঙ্গীতে ৯৯৯ কলের পর অভিযান, আটক ২”

গাজীপুর মহানগরের টঙ্গীতে অনলাইন চক্রের কাছ থেকে ১৫টি ময়না ও ১টি টিয়াসহ মোট ১৬টি বন্য পাখি উদ্ধার করা হয়েছে। জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ‘৯৯৯’-এ বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের একজন কর্মকর্তার ফোনকলের সূত্র ধরে পুলিশ এ অভিযান চালায়। এ সময় অবৈধভাবে পাখি সংরক্ষণ ও বিক্রির অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেলে টঙ্গী পূর্ব থানার আরিচপুর রোডের ব্রাইট মডেল স্কুল সংলগ্ন একটি বাড়ি থেকে পাখিগুলো উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— মো. ইব্রাহীম (৩৬) এবং মাহিদুল ইসলাম (১৮)। দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র অনলাইনে বিভিন্ন গ্রুপ ও পেজের মাধ্যমে নিষিদ্ধ বন্য পাখি বিক্রি করে আসছিল। মঙ্গলবার বিকেলে বন্যপ্রাণী অধিদপ্তরের একজন পরিদর্শক নিশ্চিত হন যে, টঙ্গীর আরিচপুর রোডের একটি বাড়িতে বিক্রির জন্য প্রচুর পাখি জড়ো করা হয়েছে। পরে অভিযানে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে ও নিরাপত্তার স্বার্থে তিনি জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশি সহায়তা চান। ৯৯৯-এর কলটেকার কনস্টেবল শাহিদা কলটি গ্রহণ করেন এবং ডিসপাচার এসআই আমানত হোসেন তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি টঙ্গী পূর্ব থানাকে জানিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। খবর পেয়ে টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে বন অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে যৌথ অভিযান চালিয়ে খাঁচাবন্দি অবস্থায় ১৫টি ময়না এবং ১টি টিয়া পাখি উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে পাখি কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত থাকার অপরাধে হাতেনাতে দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। টঙ্গী পূর্ব থানার উপপরিদর্শক হাবিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া পাখিগুলো বন বিভাগের হেফাজতে রয়েছে এবং পরবর্তীতে এগুলোকে অবমুক্ত করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এবারের বাজেট চানাচুরের মতো, শুনতে ভালো খেলে পেট খারাপ: সংসদে আমির হামজা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫৭ পি.এম


এবারের বাজেট চানাচুরের মতো, শুনতে ভালো খেলে পেট খারাপ: সংসদে আমির হামজা

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট সম্পর্কে কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য আমির হামজা বলেছেন, এই বাজেট অনেকটা চানাচুর মার্কার মতো; এটি শুনতে ভালো লাগলেও খেলে পেট খারাপ হয়।

বুধবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। অধিবেশনটি অনুষ্ঠিত হয় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে।

আমির হামজা আরও বলেন, জাতীয় বাজেট জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করার মাধ্যম হওয়া উচিত। রাষ্ট্রের আয় বৃদ্ধির জন্য কর প্রশাসনকে আধুনিকায়ন করার প্রয়োজন রয়েছে এবং কর ফাঁকি ও অর্থপাচার রোধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা দরকার।

তিনি সাধারণ মানুষের ওপর অতিরিক্ত করের বোঝা না বাড়িয়ে নতুন ক্ষেত্র খুঁজে বের করার পরামর্শ দেন। এ ছাড়া দেশের বড় সমস্যা বেকারত্ব মোকাবেলা করতে শিল্পায়নে বিশিষ্ট গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।

শিক্ষা খাতে বরাদ্দের সমালোচনা করে এই সংসদ সদস্য বলেন, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার জন্য বাজেট আরও বাড়ানোর প্রয়োজন। এছাড়াও, মাদ্রাসা শিক্ষার অবহেলার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিমদের মাদ্রাসাগুলো যুগ যুগ ধরে অবহেলিত রয়েছে। এবতেদায়ী মাদ্রাসা এবং প্রতিটি জেলা শহরে একটি করে ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসা জাতীয়করণের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

কৃষকদের জন্য স্বল্পমূল্যে সার, বীজ এবং শুল্কমুক্ত কৃষি সরঞ্জাম সরবরাহের দাবি জানান আমির হামজা।

রেল যোগাযোগ আধুনিকায়নের ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করে বলেন, কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ২০-২২ হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে। এই শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে রেললাইন চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে শুনলেও, এখনও কার্যকর কিছু দেখা যাচ্ছে না। আগামী বাজেটে যেন এটি বাস্তবায়িত হয়, এই বিষয়ে তিনি জোর দেন।

বাজেট নিয়ে সরকারের দাবির সমালোচনা করে আমির হামজা বলেন, সরকার বলছে বাজেট নিয়ে নাকি আনন্দের বন্যা বইছে। অথচ বাজেট উপস্থাপনের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিগত সময়ের মতো এবারের বাজেটের অর্থও যেন সরকারি দলের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা পাচার করতে না পারে, সেই নিশ্চয়তা দাবি করেন তিনি।

এছাড়াও, আমির হামজা আরও বলেন, গতানুগতিক কথায় সমস্যার সমাধান হবে না। অর্থপাচার ঠেকাতে সরকারের সুনির্দিষ্ট কোনো পলিসি জনগণের সামনে স্পষ্ট নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুবদল নেতা নয়ন আবার বাঁশের লাঠি হাতে নেওয়ার হুঁশিয়ারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫৮ পি.এম


যুবদল নেতা নয়ন আবার বাঁশের লাঠি হাতে নেওয়ার হুঁশিয়ারি

রাজধানীর পল্টনে অবস্থিত বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শাহবাগ মোড় পর্যন্ত প্রতিবাদ মিছিল করেছে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদল। অপপ্রচার ও শিষ্টাচার-বহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে এই মিছিলটি অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলের আগে সমাবেশে গুপ্ত রাজনীতির নেতাকর্মী এবং তার পৃষ্ঠপোষকদের বিরুদ্ধে যুবদল নেতা রবিউল ইসলাম নয়ন বাঁশের লাঠি হাতে নেবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের এই সদস্য সচিব বলেছেন, গুপ্ত রাজনীতির নেতাকর্মী এবং তাদের পৃষ্ঠপোষকদের প্রতি আমি বলতে চাই, আমরা কিন্তু হাসিনা বাহিনীকে তাড়িয়েছি। তিনি আরও বলেন, দেশের প্রয়োজনের সময়, জাতির প্রয়োজনে দক্ষিণ যুবদল অবশ্যই আবার বাঁশের লাঠি হাতে নেবে।

বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে প্রতিবাদ মিছিল শুরু হয়ে শাহবাগ মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। এই মিছিলে যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীকে হুঁশিয়ারি দিয়ে যুবদলের সভাপতি আব্দুর মোনায়েম মুন্না বলেন, আমাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমানের বিরুদ্ধে যদি অন্যায়ভাবে অশালীন কোনো উক্তি বা মন্তব্য করা হয়, তাহলে আমাদের ধৈর্য্যের বাঁধ ভেঙে যাবে। তিনি জানান, আমরা বসে থাকবো না; যুবদল মাঠে থেকে সাংগঠনিকভাবে এটি মোকাবিলা করবে।

এই সময় জামায়াতকে আহ্বান জানান তিনি, সস্তা রাজনীতি পরিহার করে সুস্থ ধারার রাজনীতিতে ফিরে আসার।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার এনামুল হক। এতে আরও বক্তব্য রাখেন যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন তারেক এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান জুয়েল প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানকে ‘ঘুষ’ দেওয়ার অভিযোগ ওবামার বিরুদ্ধে ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০২ পি.এম


ইরানকে ‘ঘুষ’ দেওয়ার অভিযোগ ওবামার বিরুদ্ধে ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার বিরুদ্ধে ইরান পারমাণবিক চুক্তি (জেসিপিওএ) সম্পাদনের সময় তেহরানকে ‘ঘুষ’ দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প দাবি করেন, ২০১৫ সালের ওবামা প্রশাসন চুক্তির অংশ হিসেবে ইরানকে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ প্রদান করেছিল।

ট্রাম্প বলেন, ‘ওবামার করা জেসিপিওএ চুক্তির সময় তারা ইরানকে ১ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার নগদ অর্থ দিয়েছিল। ব্যাংক থেকে আনা সবুজ ডলার একটি বোয়িং ৭৫৭ বিমানে করে ইরানে পাঠানো হয়েছিল।’

তিনি আরও দাবি করেন, “তারা বিমানের পাশে দাঁড়িয়ে বলছিল- ‘ওহ মাই গড, দেখো আমাদের কত টাকা দেওয়া হচ্ছে।’ আমার কাছে এর ছবিও আছে।”

ওবামার নীতির সমালোচনা করে ট্রাম্প বলেন, ‘তিনি অর্থ দিয়ে সমাধান কেনার চেষ্টা করেছিলেন। আমি তা করিনি।’

এ ছাড়া ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের নেতারা ওই অর্থ পাওয়ার পর ওবামাকে গুরুত্বের সঙ্গে নেননি এবং তাকে নিয়ে উপহাস করেছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, রাশিয়া, চীন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ইরানের স্বাক্ষরিত যৌথ সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা (জেসিপিওএ) চুক্তির মাধ্যমে তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।

এর বিনিময়ে ইরানের ওপর আরোপিত কিছু আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়েছিল।

ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে ২০১৮ সালে ওই চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেন এবং এরপর থেকে বারবার চুক্তিটিকে ‘খারাপ সমঝোতা’ হিসেবে আখ্যায়িত করে আসছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুনের ১৬ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ১৭২ কোটি ৯০ লাখ ডলার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০৫ পি.এম


জুনের ১৬ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ১৭২ কোটি ৯০ লাখ ডলার

চলতি মাসের প্রথম ১৬ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৭২ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়েই দেশে এসেছে ১০ কোটি ৮১ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

বুধবার (১৭ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, চলতি জুন মাসের প্রথম ১৬ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৭২ কোটি ৯০ লাখ ডলার। আর গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ১৬৩ কোটি ২০ লাখ ডলার। অর্থাৎ বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে।

চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ১৬ জুন পর্যন্ত দেশে এসেছে ৩ হাজার ৪৪৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। বছর ব্যবধানে যা বেড়েছে ১৮ দশমিক ৩০ শতাংশ।

এর আগে গত মে মাসে দেশে এসেছে মোট ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যা দেশের ইতিহাসে কোনো এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়।

গত এপ্রিলে দেশে এসেছিল ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ মার্কিন ডলার। আর গত মার্চে দেশে এসেছিল ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যা দেশের ইতিহাসে যে কোনো এক মাসের সর্বোচ্চ।

গত ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারি মাসে যথাক্রমে দেশে এসেছে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ও ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। গত ডিসেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার; নভেম্বরে এসেছিল ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।

এছাড়া গত অক্টোবর ও সেপ্টেম্বরে দেশে এসেছিল যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ও ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর গত আগস্ট ও জুলাইয়ে যথাক্রমে দেশে এসেছিল ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ও ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

এদিকে, গত ২০২৪-২৫ অর্থবছর জুড়ে দেশে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%