ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জুনের ১৬ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ১৭২ কোটি ৯০ লাখ ডলার


জুনের ১৬ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ১৭২ কোটি ৯০ লাখ ডলার

চলতি মাসের প্রথম ১৬ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৭২ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়েই দেশে এসেছে ১০ কোটি ৮১ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

বুধবার (১৭ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, চলতি জুন মাসের প্রথম ১৬ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৭২ কোটি ৯০ লাখ ডলার। আর গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ১৬৩ কোটি ২০ লাখ ডলার। অর্থাৎ বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে।

আরও পড়ুন: ঢাকা-চট্টগ্রামের একাংশে বিদ্যুৎ বিপর্যয়

চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ১৬ জুন পর্যন্ত দেশে এসেছে ৩ হাজার ৪৪৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। বছর ব্যবধানে যা বেড়েছে ১৮ দশমিক ৩০ শতাংশ।

এর আগে গত মে মাসে দেশে এসেছে মোট ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যা দেশের ইতিহাসে কোনো এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়।

গত এপ্রিলে দেশে এসেছিল ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ মার্কিন ডলার। আর গত মার্চে দেশে এসেছিল ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যা দেশের ইতিহাসে যে কোনো এক মাসের সর্বোচ্চ।

গত ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারি মাসে যথাক্রমে দেশে এসেছে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ও ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। গত ডিসেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার; নভেম্বরে এসেছিল ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।

আরও পড়ুন: শহীদদের রক্তের দায় নিয়ে মাঠে, কোনো ষড়যন্ত্রে পা দেব না: মামুনুল হক

এছাড়া গত অক্টোবর ও সেপ্টেম্বরে দেশে এসেছিল যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ও ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর গত আগস্ট ও জুলাইয়ে যথাক্রমে দেশে এসেছিল ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ও ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

এদিকে, গত ২০২৪-২৫ অর্থবছর জুড়ে দেশে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রে বিজ্ঞানী হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ড. তনিমা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০৮ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রে বিজ্ঞানী হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ড. তনিমা

বিশ্বের অন্যতম বিজ্ঞান সাময়িকী ‘সায়েন্টিফিক আমেরিকান’-এর ‘বিজ্ঞানের উদীয়মান তারকা’ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জ্যোতির্পদার্থবিজ্ঞানী ড. তনিমা তাসনিম অনন্যা। তিনি অতিভারী কৃষ্ণগহ্বর এবং গ্যালাক্সির সক্রিয় কেন্দ্র নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণার জন্য সাময়িকীটির উদ্বোধনী ‘ইয়াং আমেরিকান সায়েন্টিস্টস’ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।

বিশ্বের বিভিন্ন শাখার মাত্র ২৮ জন তরুণ গবেষকের তালিকায় তার স্থান পাওয়া আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান অঙ্গনে বাংলাদেশের জন্য গৌরবময় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ড. তনিমা তাসনিম অনন্যা বাংলাদেশের বিএনপির ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ক সম্পাদক ড. এম এ কাইয়ুমের বড় মেয়ে। আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির এই উপলক্ষে তার পরিবার, স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি সৃষ্ট হয়েছে, সেইসাথে দেশের বিজ্ঞানমনস্ক মহলে উচ্ছ্বাসের ঝড় উঠেছে।

‘সায়েন্টিফিক আমেরিকান’ যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে পুরানো ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত বিজ্ঞান সাময়িকী। ১৮৪৫ সাল থেকে দুই শতাধিক নোবেলজয়ী বিজ্ঞানীর লেখা প্রকাশ করছে এই সাময়িকী। বৃহস্পতিবার, চলতি বছরে প্রথমবারের মতো তারা এমন একটি তালিকা প্রকাশ করেছে, যেখানে স্থান পেয়েছেন ভবিষ্যতের বিজ্ঞান নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে সক্ষম গবেষকরা।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েইন স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত ড. তনিমা তাসনিম অনন্যা মহাবিশ্বের অন্যতম রহস্যময় বস্তু কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছেন। তার গবেষণার মূল বিষয় হচ্ছে, অতিভারী কৃষ্ণগহ্বর কিভাবে আশপাশের গ্যাস ও পদার্থ শোষণ করে এবং সেই প্রক্রিয়া একটি গ্যালাক্সির গঠন, বিকাশ ও বিবর্তনে কী ধরনের প্রভাব ফেলে।

‘সায়েন্টিফিক আমেরিকান’-তে প্রকাশিত তার পরিচিতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ঢাকায় বেড়ে ওঠা ড. তনিমার মহাকাশের প্রতি আগ্রহের সূচনা তার শৈশবে হয়। বিদ্যুৎ-বিভ্রাটের সময় আকাশভরা তারা দেখে তার মনে গভীর কৌতূহল জন্মায়, যা পরবর্তী সময়ে তাকে জ্যোতির্পদার্থবিজ্ঞানের গবেষণার পথে নিয়ে আসে।

তার গবেষণায় বিভিন্ন ধরনের মহাকাশ পর্যবেক্ষণ তথ্য বিশ্লেষণ করে কৃষ্ণগহ্বরের চারপাশে থাকা গ্যাস ও ধূলিকণার গঠন এবং আচরণ সম্পর্কে নতুন তথ্য উঠে এসেছে।

বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করেন, এই গবেষণা মহাবিশ্বের বিবর্তন, গ্যালাক্সির বিকাশ এবং কৃষ্ণগহ্বরের কার্যপ্রক্রিয়া সম্পর্কে নতুন ধারণা নিয়ে আসবে।

বিজ্ঞান-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ড. তনিমা তাসনিম অনন্যার এই অর্জন কেবলমাত্র ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশি মেধা ও গবেষণার সক্ষমতার একটি উজ্জ্বল স্বীকৃতি। তার এ সাফল্য দেশের নতুন প্রজন্মকে বিজ্ঞান গবেষণায় এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করবে বলেও মনে করছেন তারা।

মহাবিশ্বের অজানা রহস্য উন্মোচনে তার গবেষণা ভবিষ্যতে আরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। ড. তনিমা তাসনিম অনন্যার এই অর্জন দেশের বিজ্ঞানচর্চা ও গবেষণার জন্য একটি ইতিবাচক ও গর্বের বার্তা হয়ে থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্কুল ফাঁকি দিয়ে মেঘনায় গোসল করতে গিয়ে দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০৯ পি.এম


স্কুল ফাঁকি দিয়ে মেঘনায় গোসল করতে গিয়ে দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ এলাকায় বন্ধুদের সঙ্গে মেঘনা নদীতে গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া দুই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

রাজধানীর বর্ণমালা স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র মেরাজ (১৫) এবং একে স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র কায়েস ভুইয়ার (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিখোঁজ হওয়ার ৪ ঘণ্টা পর, বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে, ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল তাদের মরদেহ দুটি উদ্ধার করে।

নিহত মেরাজ হোসেন রাজধানীর কদমতলী থানার শনিআখড়া এলাকার রাজু মিয়ার ছেলে, এবং কায়েস ভুইয়া রাজধানীর ধনিয়া এলাকার ফারুক ভুইয়ার ছেলে।

তারা সহপাঠীদের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার দুপুর ২ টার দিকে, রাজধানীর একে স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৩ জন ও বর্ণমালা স্কুলের ৪ জন শিক্ষার্থী ক্লাস ফাঁকি দিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে মিলে মেঘনা নদীতে গোসল করতে যায়। প্রথমে দুজন পানিতে তলিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর, মেরাজ ও কায়েস মাছের মতো পানিতে নামলে তারা দুজন নদীর স্রোতে তলিয়ে যায়। এরপর খবর পেয়ে নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ৪ ঘণ্টা পর উদ্ধার অভিযান চালিয়ে প্রথমে মেরাজ হোসেন এবং পরে কায়েস ভুইয়ার মরদেহ উদ্ধার করে।

তাদের স্বজনরা জানান, স্কুল ফাঁকি দিয়ে তারা আমাদের না জানিয়ে মেঘনা নদীতে ঘুরতে এসেছিল। পরে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে আসি, ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা এসে মেঘনা নদী থেকে দুই শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করে। শিক্ষার্থীরা কেউ সাঁতার জানতো না।

নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের জোন-২ এর উপপরিচালক মো. ওসমান গনি বলেন, আমরা খবর পেয়েই দুই শিক্ষার্থীর উদ্ধার অভিযান শুরু করি। পরে নিখোঁজ হওয়ার ৪ ঘণ্টা পর, দুই শিক্ষার্থীর মরদেহ মেঘনা নদী থেকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বৈদ্যেরবাজার নৌপুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ মাহাবুবুর রহমান বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল লাশ উদ্ধার করার পর, তা পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পবিত্র কাবার গিলাফে ক্যালিগ্রাফির পেছনে একজন বাংলাদেশির হাত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:১০ পি.এম


পবিত্র কাবার গিলাফে ক্যালিগ্রাফির পেছনে একজন বাংলাদেশির হাত

প্রতিবছর ধর্মপ্রাণ লাখ লাখ মুসলমান হজ ও ওমরাহ পালনকালে মক্কার মাসজিদুল হারামে কাবা শরিফের তাওয়াফ করে থাকেন। তারা তাওয়াফকালে কাবা শরিফের ওপর জড়ানো সোনা ও রুপার সুতোয় বোনা কালো কাপড়ের গিলাফটি (কিসওয়া) দিকে অপলক চোখে তাকিয়ে থাকেন। কাবার গিলাফে খোদাই করা পবিত্র কোরআনের আয়াত ও ক্যালিগ্রাফির নিপুণ রূপকার হলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মুখতার আলম শাকদার। ২০০২ সাল থেকে এই বিশেষ দায়িত্ব পালন করছেন এই গুণী শিল্পীকে তার অসামান্য দক্ষতার জন্য সম্প্রতি সৌদি আরবের নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছে।

মুখতার আলম বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার লোহাগাড়া উপজেলার রশিদের ঘোনা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা নামকরা মফিজুর রহমান বিন ইসমাইল সিকদার। তবে মুখতার আলমের জন্ম ও বেড়ে ওঠা সৌদি আরবের মাটিতে। শৈশব থেকেই তিনি আরবি ক্যালিগ্রাফির প্রতি অত্যন্ত আগ্রহী ছিলেন।

শিক্ষাজীবনে মুখতার আলম মক্কার উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৯২ সালে চারুকলায় স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন এবং ২০০১ সালে ক্যালিগ্রাফিতে মাস্টার্স করেন। এরপর ১৯৯৫ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত তিনি একই বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যালিগ্রাফি পাঠদান করেন।

ক্যালিগ্রাফার হিসেবে তার যাত্রা শুরু হয় ১৪২২ হিজরিতে যখন তিনি জেদ্দার বিজনেসম্যান মুহাম্মদ সালেম বাজনাইদের সঙ্গে দেখা করেন। বাজনাইদ মুখতার আলমের দুর্দান্ত কাজ দেখে বিস্মিত হয়ে তার জীবনবৃত্তান্ত ও কাজের নমুনা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠান। কিছুকাল পরে উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিক পরীক্ষা দিয়ে মুখতার আলম অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়ে জমাদিউল আউয়াল ১৪২৩ হিজরিতে (জুলাই ২০০২) মক্কার কিসওয়া কারখানার প্রধান ক্যালিগ্রাফার হিসেবে নিযুক্ত হন।

কিসওয়াতে ব্যবহার করা হয় মূলত 'থুলুথ' লিপি, যার নকশাকার ছিলেন শেখ আব্দুল রহিম আমিন বুখারী। মুখতার আলম মূল নকশায় কোনো পরিবর্তন না আনলেও এর পরিমাপ, অক্ষরের আকার এবং সূক্ষ্মতায় আধুনিক সংশোধন ঘটান। কিসওয়ার আর্ক, ফ্রেম এবং দরজার আলংকারিক নকশায় তিনি অতিরিক্ত মহিমা এনে দেন। এই ঐতিহ্যবাহী কাজে তিনি একটি বিশেষায়িত ইলেকট্রনিক ক্যালিগ্রাফি প্রোগ্রাম বা ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু করেন।

মুখতার আলম কেবল ক্যালিগ্রাফিতে সীমাবদ্ধ নেই। ১৯৮০ সালে মক্কার 'চ্যারিটেবল অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য মেমোরাইজেশন অব দ্য হোলি কুরআন' এ যোগদান করে তিনি দীর্ঘ ১৩ বছর শিক্ষকতা করেন। আরও তিনি মাসজিদুল হারামের 'দার আল-আরকাম ইনস্টিটিউট'-এ তিন বছর শিক্ষক হিসেবে কাজ করেন। ২০০২ এবং ২০১১ সালে তিনি পবিত্র কুরআনের ওপর দুটি 'ইজাজাহ' (সনদ) লাভ করেন।

মুখতার আলম মক্কার কুরআন মুখস্থকরণ সংস্থার তত্ত্বাবধায়ক, জেদ্দার হ্যান্ডস ক্রাফট অ্যাসোসিয়েশনের আরবি ক্যালিগ্রাফি উপদেষ্টা এবং জেদ্দা আরবি ক্যালিগ্রাফি সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা। ১৯৮৯ সালে তুরস্কে আন্তর্জাতিক আরবি ক্যালিগ্রাফি প্রতিযোগিতায় ফার্সি ক্যালিগ্রাফির জন্য তাকে আন্তর্জাতিক পুরস্কার দেওয়া হয়। ২০০১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্যালিগ্রাফি প্রতিযোগিতার বিচারক প্যানেলের শীর্ষ দায়িত্বেও ছিলেন মুখতার।

বিশেষ রাজকীয় ডিক্রির অধীনে মুখতার আলম কেবল বিদেশিদের নাগরিকত্ব দেওয়ার সৃষ্টিকর্তাদের প্রতি সম্মান হিসাবে সৌদি নাগরিকত্ব পান। এই গৌরবময় অর্জনের পর, মক্কার মাসজিদুল হারামের প্রধান ইমাম তার সম্মানে একটি জমকালো সভার আয়োজন করেন এবং তার হাতে একটি বিশেষ সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষামন্ত্রী জানালেন শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি আটকে থাকার কারণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:১৩ পি.এম


শিক্ষামন্ত্রী জানালেন শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি আটকে থাকার কারণ

দেশে বিভিন্ন মামলা জটিলতার জন্য হাজার হাজার শিক্ষক নিয়োগ, পদোন্নতি এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদে নিয়োগ কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে আটকে রয়েছে। এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন।

তিনি বুধবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া একটি বিবৃতিতে এই তথ্য জানান। শিক্ষামন্ত্রী জানান, ৩২ হাজার ৫০০ শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া ছাড়াও আরো ২ হাজার ৬০০ এবং ১৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগের কার্যক্রমও মামলার কারণে ঝুলে রয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব পাওয়ার প্রথম সপ্তাহ থেকেই এসব মামলার জটিলতা নিরসন করতে আদালতপাড়ায় গিয়ে চেষ্টা করেছেন তিনি। কিন্তু এখনও আপিল বিভাগে মামলাগুলো কার্যতালিকায় আসছে না। ফলে দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষক সংকট থাকা সত্ত্বেও নিয়োগ কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, শুধুমাত্র শিক্ষক নিয়োগ নয়, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ এবং কলেজের অধ্যক্ষ ও প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগও মামলার কারণে আটকে আছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে দপ্তরি-কাম-নাইটগার্ড নিয়োগ কার্যক্রমও একই কারণে স্থগিত রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষা ও প্রাথমিক শিক্ষা খাতে বর্তমানে হাজার হাজার মামলা বিচারাধীন রয়েছে, যা প্রশাসনিক কার্যক্রমকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে। তিনি উল্লেখ করেন, সারা বাংলাদেশে এমন অনেক শিক্ষক আছেন, যারা প্রধান শিক্ষক হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেও পদোন্নতি পাচ্ছেন না। মামলার জটিলতার কারণে এই বিষয়গুলো সমাধান করা যাচ্ছে না।

মন্ত্রী বলেন, সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। তবে বিচারাধীন মামলাগুলোর নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এসব নিয়োগ ও পদোন্নতি কার্যক্রমে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি অর্জন করা কঠিন হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%