ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঢাকা ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে আব্দুল হাই সরকার পুনর্নির্বাচিত


ঢাকা ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে আব্দুল হাই সরকার পুনর্নির্বাচিত

ঢাকা ব্যাংক পিএলসির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে আব্দুল হাই সরকার আগামী দুই বছরের জন্য পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন।

ব্যাংকের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

১৯৭০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাণিজ্যে স্নাতকোত্তর (এমকম) সম্পন্ন করার পর আব্দুল হাই সরকার আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও ব্যবসায় যুক্ত হয়ে শিল্পোদ্যোক্তা হিসেবে নিজের পরিচিতি তৈরি করেন।

আরও পড়ুন: ভোটের পাঁচ দিন আগে বাইশিমাস নির্বাচন স্থগিত, প্রার্থীদের প্রতিবাদ

তার দূরদর্শী নেতৃত্ব, উদ্যোক্তাসুলভ চিন্তাভাবনা এবং নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে গড়ে ওঠে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্পগোষ্ঠী পূর্বাণী গ্রুপ।

আব্দুল হাই সরকার হলেন ঢাকা ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন।

এছাড়া, তিনি ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সাবেক পরিচালক এবং টানা চার মেয়াদে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

অতিরিক্তভাবে, আব্দুল হাই সরকার ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের (আইইউবি) বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের (বিইআই) বোর্ড অব ট্রাস্টিজের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং যুক্তরাজ্যের লিভারপুলভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল কটন অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক অ্যাসোসিয়েট ডিরেক্টরও ছিলেন।

আরও পড়ুন: হায় সেলুকাস, আমাদের এই বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতি

ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি, আব্দুল হাই সরকার সামাজিক কল্যাণ ও কমিউনিটি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। তার অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাকে বিভিন্ন সম্মাননা প্রদান করেছে।

এই ছাড়াও, বাণিজ্য ও শিল্প খাতে বিশেষ অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে তাকে ‘কমার্শিয়ালি ইম্পর্ট্যান্ট পারসন (সিআইপি)’ মর্যাদায় ভূষিত করা হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, আব্দুল হাই সরকারকে ঢাকা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে পুনর্নির্বাচনের মাধ্যমে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের আস্থার প্রতিফলন ঘটেছে। আশা করা হচ্ছে, তার অভিজ্ঞ নেতৃত্ব এবং দিকনির্দেশনার মাধ্যমে ব্যাংকটি ভবিষ্যতে সুশাসন, উৎকর্ষ এবং টেকসই প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সহায়তা পাবে।

আরও পড়ুন: বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় প্রেস ক্লাবের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১০ জন নিয়েও জয়, বিশ্বকাপের আশা বাঁচিয়ে রাখল নাইজেরিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:২৭ এম


১০ জন নিয়েও জয়, বিশ্বকাপের আশা বাঁচিয়ে রাখল নাইজেরিয়া

মেয়েদের আফ্রিকা কাপ অব নেশনস (ওয়াফকন) আসরে নাইজেরিয়া সফলতম দল হিসেবে পরিচিত। তবে এবারের টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মালাউইয়ে কাছে অপ্রত্যাশিত হারে বড় ধাক্কা খেয়েছিল তারা।

ফলে, টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায়ের শঙ্কায় পড়ে গিয়েছিল রেকর্ড ১০ বারের চ্যাম্পিয়ন নাইজেরিয়া।

তবে, দ্বিতীয় ম্যাচে, দীর্ঘ সময় ১০ জন নিয়ে খেললেও, জাম্বিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়ে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে নাইজেরিয়া। এই জয়ে ২০২৭ নারী বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্নও বাঁচিয়ে রেখেছে তারা।

মরক্কোয় চলমান ওয়াফকন আসরটি ২০২৭ নারী বিশ্বকাপের বাছাইপর্ব হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। টুর্নামেন্টের চার সেমিফাইনালিস্ট সরাসরি ব্রাজিলে আগামী বছর বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করবে। আর কোয়ার্টার ফাইনালে হেরে যাওয়া দলগুলো আন্তঃমহাদেশীয় প্লে-অফ খেলার সুযোগ পাবে।

টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে অভিষিক্ত মালাউইয়ের কাছে ৩-২ গোলে হেরে চাপে পড়ে গিয়েছিল নাইজেরিয়া। তাই ‘সি’ গ্রুপে জাম্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটি তাদের জন্য বাঁচা-মরার লড়াই ছিল।

রাবাতের আল মদিনা স্টেডিয়ামে ম্যাচের ৮ মিনিটেই এগিয়ে যায় নাইজেরিয়া। ফরোয়ার্ড আসিসাত ওশোয়ালার প্রথম শট জাম্বিয়ার গোলরক্ষক হ্যাজেল নালি ঠেকালেও, ফিরতি বল তার ডান ঊরুতে লেগে জালে জড়িয়ে যায়। সেই গোলই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেয়।

তবে, প্রথমার্ধের শেষদিকে কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়ে নাইজেরিয়া। ৪০ মিনিটে সেন্টার-ব্যাক ব্লেসিং ডেমেহিন জাম্বিয়ার তারকা স্ট্রাইকার বারব্রা বান্দাকে ফাউল করায় রেফারি জোসফিন ওয়ানজিকু প্রথমে হলুদ কার্ড প্রদর্শন করেন। পরে ভিডিও অ্যাসিট্যান্ট রেফারির (ভিএআর) পর্যালোচনার পর সেটি লাল কার্ডে পরিবর্তন করা হয়।

রেফারির মতে, ডেমেহিন ছিলেন সর্বশেষ ডিফেন্ডার। যদিও রিপ্লেতে দেখা যায়, নাইজেরিয়ার রোফিয়াত ইমুরান তখনো বল কাভার দেওয়ার অবস্থানে ছিলেন।

একজন বেশি খেলোয়াড় নিয়েও সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি জাম্বিয়া। দ্বিতীয়ার্ধে র‌্যাচেল কুন্দানানজির দূরপাল্লার ফ্রি-কিক দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন নাইজেরিয়ার গোলরক্ষক চিয়ামাকা নানাদোজি। যোগ করা সময়ের গভীরে গ্রেস চান্দার ভলিও বারের ওপর দিয়ে চলে গেলে স্বস্তির জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে নাইজেরিয়া।

এই জয়ে ৩ পয়েন্ট নিয়ে ‘সি’ গ্রুপের দুইয়ে উঠে এসেছে নাইজেরিয়া। দুই ম্যাচে পূর্ণ ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে চমক দেখানো মালাউই। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে বুধবার মিসরের মুখোমুখি হবে নাইজেরিয়া। একই দিনে মালাউইয়ের বিপক্ষে খেলবে জাম্বিয়া।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ইরানের মোজাইক ডিফেন্সের মত সিস্টেম জরুরী?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এম এ সাঈদ

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৩০ এম


দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ইরানের মোজাইক ডিফেন্সের মত সিস্টেম জরুরী?

বিশ্বের সুপার পাওয়ার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে দীর্ঘ পাঁচ মাসের যুদ্ধেও ইরানের সামরিক সক্ষমতার সামান্য কোন কমতি কিংবা দুর্বলতা পরিলক্ষিত হয়নি বরং যুদ্ধ যত দীর্ঘায়িত হচ্ছে তাদের শক্তিশালী অবস্থান আরো শক্তিশালী অবস্থার জানান দিচ্ছে। এর একমাত্র কৌশল হচ্ছে নিজস্ব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, অত্যাধুনিক সামরিক শিল্পকারখানা তৈরি এবং তা নির্দিষ্ট অঞ্চলে কেন্দ্রীভূত না করে গোটা রাষ্ট্রেই ছড়িয়ে রাখা। এক সপ্তাহে ইরান ধ্বংসের লক্ষ্যে  যুদ্ধে নামা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের পরিকল্পনায় পানি ঢেলে দেয়া কৌশলই হচ্ছে ইরানের মোজাইক ডিফেন্স সিস্টেম। যা বিশ্ব পরাশক্তির সামরিক সক্ষমতার বিরুদ্ধেও পাঁচ মাসের যুদ্ধের পরেও একই শক্তিতে দাঁড়িয়ে থাকা এক অপরাজিত চ্যালেঞ্জের নাম।

কারণ কি? কারণ একটাই, ইরান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক ইরাকের শক্তিশালী নেতা সাদ্দাম হোসেনের শাসনকে মাত্র ২৬ দিনের মাথায় ধ্বংস করে ইরাককে পরাস্ত হতে দেখেছিল। এটি দেখেই ইরান শিক্ষা নিয়েছিল যে, একটি রাষ্ট্রের শক্তিশালী সরকারও কিভাবে শত্রুর হামলায় পরাস্ত হয়। ফলে তারা দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও সামরিক কাঠামোতে নতুন সিস্টেম চালু করে। যেখানে দেশের নিরাপত্তা রক্ষার কাজে নিয়োজিত সামরিক শক্তিকে দেশের বিশেষ কোন স্থান বা কয়েকটি স্থানে সীমাবদ্ধ না রেখে অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং সব ধরনের লজিস্টিক সাপোর্টসহ ব্যবহৃত যাবতীয় প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও দেশপ্রেমিক বাহিনীর সক্ষমতাকে গোটা দেশে ছড়িয়ে রাখা। ইরান প্রত্যেক অঞ্চলে তাদের সামরিক সক্ষমতা কে আলাদা আলাদা করে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য কমান্ডারদের হাতে যুদ্ধের ভার ছেড়ে দিয়েছে এবং সেখানেও চার স্তরীয় কমান্ড ব্যবস্থা তৈরি করেছে। যাতে শীর্ষ পর্যায়ের কারো মৃত্যু কিংবা ক্ষতি হলে তার পরের স্তর থেকে কমান্ডের দায়িত্ব ধারাবাহিকভাবে অন্যরা নিতে পারে। এই কৌশলই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মত বিশ্ব পরাশক্তিকে দীর্ঘ পাঁচ মাসের যুদ্ধে নাকানি চুবানি খাইয়ে ছাড়িয়েছে। শুধু তাই নয়, ইরান এমন প্রতিরোধ বলয় তৈরি করে পাল্টা আক্রমণ চালিয়েছে যাতে করে মধ্যপ্রাচ্য থেকে বিশ্ব পরাশক্তির সামরিক ঘাঁটিগুলোকেও সরিয়ে নিতে বাধ্য করেছে।

বর্তমান বিশ্বের যুদ্ধ পরিস্থিতি বিবেচনা করে শত্রুর হুমকি মোকাবেলায় দেশের সামরিক সক্ষমতা এমন পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া উচিত যাতে তা দেখে শত্রুরা শ্যেন দৃষ্টিতে তাকাতেও শতবার ভয় পায়। বিশ্বের এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের মতো ক্ষুদ্র রাষ্ট্র কি করবে? তার আগাম প্রস্তুতি নেয়া এখনই জরুরি নয় কি।

কারণ, বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থান, রাজনৈতিক এমনকি ভূ কৌশলগত পরিস্থিতির কারণে অত্যন্ত স্পর্শকাতর স্থানে। তাই ইরানের অনুকরণে একই রকম দেশ প্রেমিক ও পরীক্ষিত, শত্রু রাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থার দ্বারা যারা কখনোই প্রভাবিত হয়নি এমন শীর্ষ পর্যায়ের সামরিক কর্তা ব্যক্তিদের তালিকা তৈরি করে ৫ স্তরীও মোজাইক ডিফেন্স সিস্টেম তৈরি করা অত্যন্ত জরুরী।

বিশ্ব রাজনীতির সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো—শুধু বড় অস্ত্রভাণ্ডার নয়, দীর্ঘ মেয়াদে টিকে থাকে সেই রাষ্ট্র, যে যুদ্ধের আগেই নিজের প্রতিরক্ষাকে এমনভাবে সাজিয়ে রাখে যাতে শত্রু আঘাত করলেও রাষ্ট্র ভেঙে না পড়ে। আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে বিজয় নির্ধারণ করে কেবল ট্যাংক, যুদ্ধবিমান বা ক্ষেপণাস্ত্র নয়; নির্ধারণ করে একটি দেশের প্রতিরক্ষা কাঠামোর স্থিতিস্থাপকতা, বিকেন্দ্রীকরণ এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরোধক্ষমতা।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইরানের কথিত "মোজাইক ডিফেন্স" কৌশল আন্তর্জাতিক সামরিক বিশ্লেষকদের আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে। এই ধারণার মূল কথা হলো—রাষ্ট্রের প্রতিরক্ষাকে এমনভাবে বিকেন্দ্রীভূত করা, যাতে একটি বা কয়েকটি স্থাপনা ধ্বংস হলেও পুরো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অকার্যকর হয়ে না যায়। অর্থাৎ, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে একটি বিশাল দুর্গ নয়, বরং অসংখ্য ছোট ছোট অথচ শক্তিশালী ইটের সমষ্টির মতো দূর্গে পরিণত করা।

বাংলাদেশের জন্য এই ধারণা কেবল একটি বিদেশি সামরিক তত্ত্ব নয়; বরং একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত চিন্তার বিষয়। কারণ ভৌগোলিক অবস্থান, বঙ্গোপসাগরের গুরুত্ব, আঞ্চলিক ভূরাজনীতি এবং ক্রমবর্ধমান প্রযুক্তিনির্ভর যুদ্ধের বাস্তবতায় বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিকল্পনাও সময়োপযোগী হওয়া জরুরি।

আজকের যুদ্ধ আর শুধু সীমান্তে হয় না। সাইবার আক্রমণ, ড্রোন, দূরপাল্লার নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্র, স্যাটেলাইট নজরদারি এবং ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার—এসবই যুদ্ধের নতুন বাস্তবতা। এমন পরিস্থিতিতে যদি একটি দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কয়েকটি নির্দিষ্ট ঘাঁটি বা কেন্দ্রীয় অবকাঠামোর ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়, তাহলে প্রথম আঘাতেই বড় ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি হয়।

এ কারণেই বাংলাদেশের উচিত এমন একটি প্রতিরক্ষা দর্শনের দিকে এগিয়ে যাওয়া, প্রতিরক্ষা খাতে বড় ধরনের বাজেট দেয়া এবং ফোর্সেস গোল ২০৩০ এর লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন স্তরের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ম্যানপ্যাড, অত্যাধুনিক ও পরীক্ষিত ফোর পয়েন্ট ফাইভ জেনারেশনের মাল্টিরোল কমব্যাট এয়াক্রাফট সহ যাবতীয় সামরিক সরঞ্জাম ক্রয় বাস্তবায়ন, সংক্রান্ত আলোচনা বা চুক্তিগুলোর চূড়ান্ত পরিণতি ঘটানো। 

 
 যেখানে বিকেন্দ্রীকৃত কমান্ড, শক্তিশালী যোগাযোগ ব্যবস্থা, সাইবার নিরাপত্তা, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর সুরক্ষা, দ্রুত পুনর্গঠন সক্ষমতা এবং দুর্যোগ-সহনশীল প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা সমন্বিতভাবে গড়ে তোলা হবে। এটি কোনো আক্রমণাত্মক নীতি নয়; বরং একটি প্রতিরোধমূলক নিরাপত্তা কৌশল-এতে সহযোগী ও নির্ভরশীল মিত্র রাষ্ট্রগুলো এবং যুদ্ধ জয়ে পরিক্ষিত রাষ্ট্রগুলোর অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের পরামর্শ কিংবা লজিস্টিক সাপোর্ট নিয়ে হলেও এমন যুদ্ধ সক্ষমতা তৈরি করা এখন সময়ের দাবি।

ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, যে রাষ্ট্র সময়ের পরিবর্তন বুঝতে ব্যর্থ হয়, সে রাষ্ট্রের মূল্য দিতে হয় অনেক বেশি। তাই বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিকল্পনাও আগামী দশকের চ্যালেঞ্জকে সামনে রেখে পুনর্বিবেচনা করা দরকার। প্রতিরক্ষা কেবল সেনাবাহিনীর বিষয় নয়; এটি অবকাঠামো, প্রযুক্তি, শিল্প, যোগাযোগ, জ্বালানি, তথ্যব্যবস্থা এবং জাতীয় সক্ষমতার সমন্বিত রূপ।

রাষ্ট্র পরিচালনায় একটি নীতি চিরকাল সত্য—যুদ্ধের প্রস্তুতি যত শক্তিশালী, যুদ্ধের সম্ভাবনা তত কম। কারণ শক্তিশালী প্রতিরোধক্ষমতা সম্ভাব্য আগ্রাসনকে নিরুৎসাহিত করে।

বাংলাদেশ শান্তিতে বিশ্বাস করে, কিন্তু শান্তি টিকিয়ে রাখতে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি অপরিহার্য। তাই সময় এসেছে ভবিষ্যৎমুখী, বিকেন্দ্রীভূত, প্রযুক্তিনির্ভর এবং স্থিতিস্থাপক প্রতিরক্ষা কৌশল নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে গভীর আলোচনা শুরু করার। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা কোনো বিলাসিতা নয়; এটি স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অস্তিত্ব রক্ষার মৌলিক শর্ত।
লেখকঃ সাংবাদিক, রাজনৈতিক ও সামরিক বিশ্লেষক ও কলামিস্ট। 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব নগরী গড়তে ডিএসসিসির ৩২৭ কোটি টাকার মেগা কর্মসূচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৩৪ এম


পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব নগরী গড়তে ডিএসসিসির ৩২৭ কোটি টাকার মেগা কর্মসূচি

রাজধানীকে একটি পরিচ্ছন্ন, পরিবেশবান্ধব এবং টেকসই নগরীতে রূপান্তর করার লক্ষ্যে পরিচ্ছন্নতা, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)।

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে পরিচ্ছন্নতা খাতের জন্য ৩২৭ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা আগের অর্থবছরের বরাদ্দের তুলনায় প্রায় সাড়ে তিন গুণ বেশি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এই খাতে সিটি কর্পোরেশনের বরাদ্দ ছিল ৯০ কোটি ২৩ লাখ টাকা, পরবর্তীতে সংশোধিত আকারে বরাদ্দটি ৮০ কোটি ৩৮ লাখ টাকায় এসে দাঁড়ায়।

ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম বলেন, সরকার ‘ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ প্রকল্পের বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে নগর পরিচ্ছন্নতার পুরো ব্যবস্থাপনাকে নতুনভাবে সাজানো হয়েছে। প্রতিটি ওয়ার্ডে শিফট ভিত্তিক পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালানোর পাশাপাশি নির্দিষ্ট সড়কে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের দায়িত্বও সুস্পষ্টভাবে বণ্টন করা হয়েছে। এ কার্যক্রমের তদারকির জন্য প্রতিটি ওয়ার্ডে পৃথক ‘মনিটরিং টিম’ গঠন করা হয়েছে, যাতে মাঠ পর্যায়ে জবাবদিহিতা নিশ্চিত হওয়া যায়।

তিনি বলেন, নাগরিকদের আচরণগত পরিবর্তনকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অন্যতম চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচনা করে ডিএসসিসি জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের জোরদার করেছে, বিডি ক্লিন ও সাজেদা ফাউন্ডেশন-এর সহযোগিতায় যত্রতত্র ময়লা না ফেলে নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলার অভ্যাস গড়ে তুলতে ধারাবাহিক প্রচারণা চালানো হচ্ছে। একইসাথে পরীক্ষামূলকভাবে মতিঝিল এলাকায় সিটি ইন্সপেক্টর নিয়োগ দিয়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করা হচ্ছে।

নগরবাসীর অভিযোগ, মতামত ও পরামর্শ দ্রুত গ্রহণ এবং তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য ‘ক্লিন কেয়ার’ মোবাইল অ্যাপ ও হটলাইন সেবা চালু করা হয়েছে। পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে নাগরিকদের সম্পৃক্ত করতে প্রতি মাসের প্রথম শনিবার ‘ক্লিনিং ডে’ পালন করা হচ্ছে।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তি ও নান্দনিকতার সমন্বয় ঘটাতে সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) গুলোকে আধুনিক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ছয়টি এসটিএসকে উন্নত স্যানিটেশন সুবিধাসহ পরিবেশবান্ধব ও দৃষ্টিনন্দন স্থাপনায় রূপান্তর করা হয়েছে। ভবিষ্যতে পর্যায়ক্রমে সব এসটিএসকে একই মানে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

রাজধানীর সবচেয়ে বড় বর্জ্য ফেলার স্থান মাতুয়াইল ল্যান্ডফিল-এ মিথেন গ্যাস থেকে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ড ও পরিবেশ দূষণ রোধে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ল্যান্ডফিলের ওপর মাটির আচ্ছাদন দেওয়ার পাশাপাশি এটিকে আধুনিক ‘রিসোর্স সার্কুলেশন পার্ক’-এ রূপান্তর করা হয়েছে। সেখানে একটি অত্যাধুনিক কম্পোস্ট প্ল্যান্ট চালু করা হয়েছে, যা জৈব বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরিত করে পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।

বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নিরসনে একযোগে স্বল্পমেয়াদি এবং দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে ডিএসসিসি। বর্ষা শুরুর আগেই নগরীর নর্দমা, বক্স-কালভার্ট ও খাল থেকে বিপুল পরিমাণ বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। ৭৫টি ওয়ার্ডে ৩৩টি জলাবদ্ধতাপ্রবণ এলাকা বা হটস্পট চিহ্নিত করে সেখানে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে।

ভারী বৃষ্টিপাতের সময় দ্রুত পানি নিষ্কাশনের জন্য পোর্টেবল পাম্প ও সাকার মেশিন মোতায়েন করা হয়েছে। প্রতিটি ওয়ার্ডে ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম গঠন করা হয়েছে। তারা বৃষ্টির সময় ড্রেন এবং নর্দমার মুখ পরিষ্কার রেখে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছে।

জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানের জন্য ডিএসসিসি এলাকায় আটটি নতুন আউটলেট নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সায়েন্স ল্যাব-নিউ মার্কেট-আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-বুয়েট-শিক্ষা বোর্ড থেকে সোয়ারীঘাট পর্যন্ত দু’টি গুরুত্বপূর্ণ আউটলেট নির্মাণে সরকারের অনুমোদন মিলেছে। বাস্তবায়ন শেষে রাজধানীর কেন্দ্রীয় এলাকার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে বলে তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেন।

এছাড়া জিয়া সরণি খাল, কুতুবখালী খালসহ ডিএসসিসির আওতাধীন সব খাল নিয়মিত পরিষ্কার, পুনঃখনন এবং সংস্কারের কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

নগরীর দীর্ঘমেয়াদি ড্রেনেজ ব্যবস্থাকে বৈজ্ঞানিক ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে ডিএসসিসির ৫৭টি ওয়ার্ডের জন্য ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিং (আইডাব্লিউএম)-কে একটি সমন্বিত ড্রেনেজ মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ভবিষ্যতের নগর সম্প্রসারণ, জলাবদ্ধতা নিয়ন্ত্রণ এবং বৃষ্টির পানি ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নিশ্চিত হবে।

ডিএসসিসি প্রশাসক বাসস’কে জানিয়েছেন, পরিচ্ছন্নতা খাতে রেকর্ড পরিমাণ বরাদ্দ, প্রযুক্তিনির্ভর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নাগরিক অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে সমন্বিত অবকাঠামোগত উন্নয়ন- এই চারটি খাতকে কেন্দ্র করে বাস্তবায়িত কর্মসূচিটি রাজধানীর দক্ষিণ অংশকে আরও পরিচ্ছন্ন, বাসযোগ্য ও পরিবেশবান্ধব নগরীতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে আসবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যে সূত্রে স্যুটকেসে পাওয়া ব্রিটিশ নারীর হত্যার রহস্য উদঘাটন করল পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৩৯ এম


যে সূত্রে স্যুটকেসে পাওয়া ব্রিটিশ নারীর হত্যার রহস্য উদঘাটন করল পুলিশ

গ্রিসের রাজধানী এথেন্সে একটি স্যুটকেসের ভেতর থেকে ব্রিটিশ নাগরিক এলিজাবেথ জেন রসের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় ২৬ বছর বয়সী এক আফগান যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ বিষয়ে পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে যুবকটি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। পুলিশের তথ্য মতে, তার বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি ও অস্ত্র আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ৩৮ বছর বয়সী এলিজাবেথ জেন রস, যিনি ‘লিসা’ নামেও পরিচিত ছিলেন, গত ১৮ জুলাই এথেন্সের কিপসেলি এলাকার একটি পরিত্যক্ত গাড়ি পার্কিং থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। একটি স্যুটকেস পড়ে থাকতে দেখে এক গৃহহীন ব্যক্তি পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, লিসার সঙ্গে ওই আফগান যুবকের পরিচয় হয়েছিল শরণার্থী ও গৃহহীন মানুষের সহায়তায় স্বেচ্ছাসেবী কাজের সূত্রে। তদন্তে দেখা যায়, লিসার ব্যাংক কার্ড ব্যবহার করে নগদ অর্থ তোলা হয়েছিল। এই সূত্র ধরেই সন্দেহভাজনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়।

তদন্তে আরও তথ্য পাওয়া যায়, স্যুটকেসে ওই যুবকের আঙুলের ছাপ রয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজেও তাকে স্যুটকেসটি বহন করে পরিত্যক্ত পার্কিং এলাকায় নিয়ে যেতে দেখা গেছে। পরে ৩০ জুলাই এথেন্সের একটি ঠিকানা থেকে তাকে আটক করা হয়। পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে যুবকটি হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, হত্যার পর নিখোঁজ এলিজাবেথের মরদেহ স্যুটকেসে ভরে নির্জন স্থানে ফেলে রাখা হয়। এরপর তার ব্যাংক কার্ড ব্যবহার করে নগদ অর্থ তোলা হয়। অভিযুক্তের বাসায় তল্লাশি চালিয়ে একটি নকল পিস্তল ও একটি ছুরি উদ্ধার করেছে পুলিশ।

লিসা ছিলেন ধর্মপ্রাণ খ্রিষ্টান এবং গত সাত বছর ধরে নিয়মিত গ্রিসে যাতায়াত করতেন। শরণার্থী ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সহায়তায় কাজ করা বিভিন্ন সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবী ছিলেন তিনি। গ্রিসের ‘ওয়ান হার্ট’ নামের একটি সংগঠনের সঙ্গেও তিনি যুক্ত ছিলেন, যারা আফগানিস্তান ও ইরান থেকে আসা শরণার্থীদের চিকিৎসাসহায়তা দিয়ে থাকে।

গত ২৬ জুন তিনি এথেন্সে পৌঁছান এবং কেরাতসিনি এলাকায় বন্ধুদের সঙ্গে অবস্থান করছিলেন। ১৫ জুলাই তিনি পরিচিত কয়েকজন মার্কিন বন্ধুর সঙ্গে দেখা করার পরিকল্পনা করেছিলেন। এর মাত্র ৭২ ঘণ্টা পর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

তদন্তে আরও উঠে এসেছে, মৃত্যুর পরও লিসার মোবাইল ফোন ব্যবহার করে তার পরিবার ও পরিচিতদের কাছে বার্তা পাঠিয়ে তাকে জীবিত দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। তার বাবার কাছে ১৫ থেকে ২৯ জুলাই পর্যন্ত বিভিন্ন বার্তা পাঠানো হয় এবং পরে ফোনটি বন্ধ হয়ে যায়।

সূত্র: ডেইলি মেইল

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%