ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ইরানের মোজাইক ডিফেন্সের মত সিস্টেম জরুরী?


দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ইরানের মোজাইক ডিফেন্সের মত সিস্টেম জরুরী?

বিশ্বের সুপার পাওয়ার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে দীর্ঘ পাঁচ মাসের যুদ্ধেও ইরানের সামরিক সক্ষমতার সামান্য কোন কমতি কিংবা দুর্বলতা পরিলক্ষিত হয়নি বরং যুদ্ধ যত দীর্ঘায়িত হচ্ছে তাদের শক্তিশালী অবস্থান আরো শক্তিশালী অবস্থার জানান দিচ্ছে। এর একমাত্র কৌশল হচ্ছে নিজস্ব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, অত্যাধুনিক সামরিক শিল্পকারখানা তৈরি এবং তা নির্দিষ্ট অঞ্চলে কেন্দ্রীভূত না করে গোটা রাষ্ট্রেই ছড়িয়ে রাখা। এক সপ্তাহে ইরান ধ্বংসের লক্ষ্যে  যুদ্ধে নামা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের পরিকল্পনায় পানি ঢেলে দেয়া কৌশলই হচ্ছে ইরানের মোজাইক ডিফেন্স সিস্টেম। যা বিশ্ব পরাশক্তির সামরিক সক্ষমতার বিরুদ্ধেও পাঁচ মাসের যুদ্ধের পরেও একই শক্তিতে দাঁড়িয়ে থাকা এক অপরাজিত চ্যালেঞ্জের নাম।

কারণ কি? কারণ একটাই, ইরান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক ইরাকের শক্তিশালী নেতা সাদ্দাম হোসেনের শাসনকে মাত্র ২৬ দিনের মাথায় ধ্বংস করে ইরাককে পরাস্ত হতে দেখেছিল। এটি দেখেই ইরান শিক্ষা নিয়েছিল যে, একটি রাষ্ট্রের শক্তিশালী সরকারও কিভাবে শত্রুর হামলায় পরাস্ত হয়। ফলে তারা দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও সামরিক কাঠামোতে নতুন সিস্টেম চালু করে। যেখানে দেশের নিরাপত্তা রক্ষার কাজে নিয়োজিত সামরিক শক্তিকে দেশের বিশেষ কোন স্থান বা কয়েকটি স্থানে সীমাবদ্ধ না রেখে অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং সব ধরনের লজিস্টিক সাপোর্টসহ ব্যবহৃত যাবতীয় প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও দেশপ্রেমিক বাহিনীর সক্ষমতাকে গোটা দেশে ছড়িয়ে রাখা। ইরান প্রত্যেক অঞ্চলে তাদের সামরিক সক্ষমতা কে আলাদা আলাদা করে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য কমান্ডারদের হাতে যুদ্ধের ভার ছেড়ে দিয়েছে এবং সেখানেও চার স্তরীয় কমান্ড ব্যবস্থা তৈরি করেছে। যাতে শীর্ষ পর্যায়ের কারো মৃত্যু কিংবা ক্ষতি হলে তার পরের স্তর থেকে কমান্ডের দায়িত্ব ধারাবাহিকভাবে অন্যরা নিতে পারে। এই কৌশলই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মত বিশ্ব পরাশক্তিকে দীর্ঘ পাঁচ মাসের যুদ্ধে নাকানি চুবানি খাইয়ে ছাড়িয়েছে। শুধু তাই নয়, ইরান এমন প্রতিরোধ বলয় তৈরি করে পাল্টা আক্রমণ চালিয়েছে যাতে করে মধ্যপ্রাচ্য থেকে বিশ্ব পরাশক্তির সামরিক ঘাঁটিগুলোকেও সরিয়ে নিতে বাধ্য করেছে।

বর্তমান বিশ্বের যুদ্ধ পরিস্থিতি বিবেচনা করে শত্রুর হুমকি মোকাবেলায় দেশের সামরিক সক্ষমতা এমন পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া উচিত যাতে তা দেখে শত্রুরা শ্যেন দৃষ্টিতে তাকাতেও শতবার ভয় পায়। বিশ্বের এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের মতো ক্ষুদ্র রাষ্ট্র কি করবে? তার আগাম প্রস্তুতি নেয়া এখনই জরুরি নয় কি।

কারণ, বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থান, রাজনৈতিক এমনকি ভূ কৌশলগত পরিস্থিতির কারণে অত্যন্ত স্পর্শকাতর স্থানে। তাই ইরানের অনুকরণে একই রকম দেশ প্রেমিক ও পরীক্ষিত, শত্রু রাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থার দ্বারা যারা কখনোই প্রভাবিত হয়নি এমন শীর্ষ পর্যায়ের সামরিক কর্তা ব্যক্তিদের তালিকা তৈরি করে ৫ স্তরীও মোজাইক ডিফেন্স সিস্টেম তৈরি করা অত্যন্ত জরুরী।

বিশ্ব রাজনীতির সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো—শুধু বড় অস্ত্রভাণ্ডার নয়, দীর্ঘ মেয়াদে টিকে থাকে সেই রাষ্ট্র, যে যুদ্ধের আগেই নিজের প্রতিরক্ষাকে এমনভাবে সাজিয়ে রাখে যাতে শত্রু আঘাত করলেও রাষ্ট্র ভেঙে না পড়ে। আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে বিজয় নির্ধারণ করে কেবল ট্যাংক, যুদ্ধবিমান বা ক্ষেপণাস্ত্র নয়; নির্ধারণ করে একটি দেশের প্রতিরক্ষা কাঠামোর স্থিতিস্থাপকতা, বিকেন্দ্রীকরণ এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরোধক্ষমতা।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইরানের কথিত "মোজাইক ডিফেন্স" কৌশল আন্তর্জাতিক সামরিক বিশ্লেষকদের আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে। এই ধারণার মূল কথা হলো—রাষ্ট্রের প্রতিরক্ষাকে এমনভাবে বিকেন্দ্রীভূত করা, যাতে একটি বা কয়েকটি স্থাপনা ধ্বংস হলেও পুরো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অকার্যকর হয়ে না যায়। অর্থাৎ, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে একটি বিশাল দুর্গ নয়, বরং অসংখ্য ছোট ছোট অথচ শক্তিশালী ইটের সমষ্টির মতো দূর্গে পরিণত করা।

বাংলাদেশের জন্য এই ধারণা কেবল একটি বিদেশি সামরিক তত্ত্ব নয়; বরং একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত চিন্তার বিষয়। কারণ ভৌগোলিক অবস্থান, বঙ্গোপসাগরের গুরুত্ব, আঞ্চলিক ভূরাজনীতি এবং ক্রমবর্ধমান প্রযুক্তিনির্ভর যুদ্ধের বাস্তবতায় বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিকল্পনাও সময়োপযোগী হওয়া জরুরি।

আজকের যুদ্ধ আর শুধু সীমান্তে হয় না। সাইবার আক্রমণ, ড্রোন, দূরপাল্লার নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্র, স্যাটেলাইট নজরদারি এবং ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার—এসবই যুদ্ধের নতুন বাস্তবতা। এমন পরিস্থিতিতে যদি একটি দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কয়েকটি নির্দিষ্ট ঘাঁটি বা কেন্দ্রীয় অবকাঠামোর ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়, তাহলে প্রথম আঘাতেই বড় ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি হয়।

এ কারণেই বাংলাদেশের উচিত এমন একটি প্রতিরক্ষা দর্শনের দিকে এগিয়ে যাওয়া, প্রতিরক্ষা খাতে বড় ধরনের বাজেট দেয়া এবং ফোর্সেস গোল ২০৩০ এর লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন স্তরের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ম্যানপ্যাড, অত্যাধুনিক ও পরীক্ষিত ফোর পয়েন্ট ফাইভ জেনারেশনের মাল্টিরোল কমব্যাট এয়াক্রাফট সহ যাবতীয় সামরিক সরঞ্জাম ক্রয় বাস্তবায়ন, সংক্রান্ত আলোচনা বা চুক্তিগুলোর চূড়ান্ত পরিণতি ঘটানো। 

 
 যেখানে বিকেন্দ্রীকৃত কমান্ড, শক্তিশালী যোগাযোগ ব্যবস্থা, সাইবার নিরাপত্তা, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর সুরক্ষা, দ্রুত পুনর্গঠন সক্ষমতা এবং দুর্যোগ-সহনশীল প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা সমন্বিতভাবে গড়ে তোলা হবে। এটি কোনো আক্রমণাত্মক নীতি নয়; বরং একটি প্রতিরোধমূলক নিরাপত্তা কৌশল-এতে সহযোগী ও নির্ভরশীল মিত্র রাষ্ট্রগুলো এবং যুদ্ধ জয়ে পরিক্ষিত রাষ্ট্রগুলোর অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের পরামর্শ কিংবা লজিস্টিক সাপোর্ট নিয়ে হলেও এমন যুদ্ধ সক্ষমতা তৈরি করা এখন সময়ের দাবি।

ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, যে রাষ্ট্র সময়ের পরিবর্তন বুঝতে ব্যর্থ হয়, সে রাষ্ট্রের মূল্য দিতে হয় অনেক বেশি। তাই বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিকল্পনাও আগামী দশকের চ্যালেঞ্জকে সামনে রেখে পুনর্বিবেচনা করা দরকার। প্রতিরক্ষা কেবল সেনাবাহিনীর বিষয় নয়; এটি অবকাঠামো, প্রযুক্তি, শিল্প, যোগাযোগ, জ্বালানি, তথ্যব্যবস্থা এবং জাতীয় সক্ষমতার সমন্বিত রূপ।

রাষ্ট্র পরিচালনায় একটি নীতি চিরকাল সত্য—যুদ্ধের প্রস্তুতি যত শক্তিশালী, যুদ্ধের সম্ভাবনা তত কম। কারণ শক্তিশালী প্রতিরোধক্ষমতা সম্ভাব্য আগ্রাসনকে নিরুৎসাহিত করে।

বাংলাদেশ শান্তিতে বিশ্বাস করে, কিন্তু শান্তি টিকিয়ে রাখতে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি অপরিহার্য। তাই সময় এসেছে ভবিষ্যৎমুখী, বিকেন্দ্রীভূত, প্রযুক্তিনির্ভর এবং স্থিতিস্থাপক প্রতিরক্ষা কৌশল নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে গভীর আলোচনা শুরু করার। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা কোনো বিলাসিতা নয়; এটি স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অস্তিত্ব রক্ষার মৌলিক শর্ত।
লেখকঃ সাংবাদিক, রাজনৈতিক ও সামরিক বিশ্লেষক ও কলামিস্ট। 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব নগরী গড়তে ডিএসসিসির ৩২৭ কোটি টাকার মেগা কর্মসূচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৩৪ এম


পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব নগরী গড়তে ডিএসসিসির ৩২৭ কোটি টাকার মেগা কর্মসূচি

রাজধানীকে একটি পরিচ্ছন্ন, পরিবেশবান্ধব এবং টেকসই নগরীতে রূপান্তর করার লক্ষ্যে পরিচ্ছন্নতা, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)।

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে পরিচ্ছন্নতা খাতের জন্য ৩২৭ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা আগের অর্থবছরের বরাদ্দের তুলনায় প্রায় সাড়ে তিন গুণ বেশি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এই খাতে সিটি কর্পোরেশনের বরাদ্দ ছিল ৯০ কোটি ২৩ লাখ টাকা, পরবর্তীতে সংশোধিত আকারে বরাদ্দটি ৮০ কোটি ৩৮ লাখ টাকায় এসে দাঁড়ায়।

ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম বলেন, সরকার ‘ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ প্রকল্পের বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে নগর পরিচ্ছন্নতার পুরো ব্যবস্থাপনাকে নতুনভাবে সাজানো হয়েছে। প্রতিটি ওয়ার্ডে শিফট ভিত্তিক পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালানোর পাশাপাশি নির্দিষ্ট সড়কে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের দায়িত্বও সুস্পষ্টভাবে বণ্টন করা হয়েছে। এ কার্যক্রমের তদারকির জন্য প্রতিটি ওয়ার্ডে পৃথক ‘মনিটরিং টিম’ গঠন করা হয়েছে, যাতে মাঠ পর্যায়ে জবাবদিহিতা নিশ্চিত হওয়া যায়।

তিনি বলেন, নাগরিকদের আচরণগত পরিবর্তনকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অন্যতম চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচনা করে ডিএসসিসি জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের জোরদার করেছে, বিডি ক্লিন ও সাজেদা ফাউন্ডেশন-এর সহযোগিতায় যত্রতত্র ময়লা না ফেলে নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলার অভ্যাস গড়ে তুলতে ধারাবাহিক প্রচারণা চালানো হচ্ছে। একইসাথে পরীক্ষামূলকভাবে মতিঝিল এলাকায় সিটি ইন্সপেক্টর নিয়োগ দিয়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করা হচ্ছে।

নগরবাসীর অভিযোগ, মতামত ও পরামর্শ দ্রুত গ্রহণ এবং তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য ‘ক্লিন কেয়ার’ মোবাইল অ্যাপ ও হটলাইন সেবা চালু করা হয়েছে। পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে নাগরিকদের সম্পৃক্ত করতে প্রতি মাসের প্রথম শনিবার ‘ক্লিনিং ডে’ পালন করা হচ্ছে।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তি ও নান্দনিকতার সমন্বয় ঘটাতে সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) গুলোকে আধুনিক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ছয়টি এসটিএসকে উন্নত স্যানিটেশন সুবিধাসহ পরিবেশবান্ধব ও দৃষ্টিনন্দন স্থাপনায় রূপান্তর করা হয়েছে। ভবিষ্যতে পর্যায়ক্রমে সব এসটিএসকে একই মানে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

রাজধানীর সবচেয়ে বড় বর্জ্য ফেলার স্থান মাতুয়াইল ল্যান্ডফিল-এ মিথেন গ্যাস থেকে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ড ও পরিবেশ দূষণ রোধে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ল্যান্ডফিলের ওপর মাটির আচ্ছাদন দেওয়ার পাশাপাশি এটিকে আধুনিক ‘রিসোর্স সার্কুলেশন পার্ক’-এ রূপান্তর করা হয়েছে। সেখানে একটি অত্যাধুনিক কম্পোস্ট প্ল্যান্ট চালু করা হয়েছে, যা জৈব বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরিত করে পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।

বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নিরসনে একযোগে স্বল্পমেয়াদি এবং দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে ডিএসসিসি। বর্ষা শুরুর আগেই নগরীর নর্দমা, বক্স-কালভার্ট ও খাল থেকে বিপুল পরিমাণ বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। ৭৫টি ওয়ার্ডে ৩৩টি জলাবদ্ধতাপ্রবণ এলাকা বা হটস্পট চিহ্নিত করে সেখানে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে।

ভারী বৃষ্টিপাতের সময় দ্রুত পানি নিষ্কাশনের জন্য পোর্টেবল পাম্প ও সাকার মেশিন মোতায়েন করা হয়েছে। প্রতিটি ওয়ার্ডে ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম গঠন করা হয়েছে। তারা বৃষ্টির সময় ড্রেন এবং নর্দমার মুখ পরিষ্কার রেখে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছে।

জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানের জন্য ডিএসসিসি এলাকায় আটটি নতুন আউটলেট নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সায়েন্স ল্যাব-নিউ মার্কেট-আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-বুয়েট-শিক্ষা বোর্ড থেকে সোয়ারীঘাট পর্যন্ত দু’টি গুরুত্বপূর্ণ আউটলেট নির্মাণে সরকারের অনুমোদন মিলেছে। বাস্তবায়ন শেষে রাজধানীর কেন্দ্রীয় এলাকার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে বলে তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেন।

এছাড়া জিয়া সরণি খাল, কুতুবখালী খালসহ ডিএসসিসির আওতাধীন সব খাল নিয়মিত পরিষ্কার, পুনঃখনন এবং সংস্কারের কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

নগরীর দীর্ঘমেয়াদি ড্রেনেজ ব্যবস্থাকে বৈজ্ঞানিক ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে ডিএসসিসির ৫৭টি ওয়ার্ডের জন্য ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিং (আইডাব্লিউএম)-কে একটি সমন্বিত ড্রেনেজ মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ভবিষ্যতের নগর সম্প্রসারণ, জলাবদ্ধতা নিয়ন্ত্রণ এবং বৃষ্টির পানি ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নিশ্চিত হবে।

ডিএসসিসি প্রশাসক বাসস’কে জানিয়েছেন, পরিচ্ছন্নতা খাতে রেকর্ড পরিমাণ বরাদ্দ, প্রযুক্তিনির্ভর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নাগরিক অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে সমন্বিত অবকাঠামোগত উন্নয়ন- এই চারটি খাতকে কেন্দ্র করে বাস্তবায়িত কর্মসূচিটি রাজধানীর দক্ষিণ অংশকে আরও পরিচ্ছন্ন, বাসযোগ্য ও পরিবেশবান্ধব নগরীতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে আসবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যে সূত্রে স্যুটকেসে পাওয়া ব্রিটিশ নারীর হত্যার রহস্য উদঘাটন করল পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৩৯ এম


যে সূত্রে স্যুটকেসে পাওয়া ব্রিটিশ নারীর হত্যার রহস্য উদঘাটন করল পুলিশ

গ্রিসের রাজধানী এথেন্সে একটি স্যুটকেসের ভেতর থেকে ব্রিটিশ নাগরিক এলিজাবেথ জেন রসের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় ২৬ বছর বয়সী এক আফগান যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ বিষয়ে পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে যুবকটি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। পুলিশের তথ্য মতে, তার বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি ও অস্ত্র আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ৩৮ বছর বয়সী এলিজাবেথ জেন রস, যিনি ‘লিসা’ নামেও পরিচিত ছিলেন, গত ১৮ জুলাই এথেন্সের কিপসেলি এলাকার একটি পরিত্যক্ত গাড়ি পার্কিং থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। একটি স্যুটকেস পড়ে থাকতে দেখে এক গৃহহীন ব্যক্তি পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, লিসার সঙ্গে ওই আফগান যুবকের পরিচয় হয়েছিল শরণার্থী ও গৃহহীন মানুষের সহায়তায় স্বেচ্ছাসেবী কাজের সূত্রে। তদন্তে দেখা যায়, লিসার ব্যাংক কার্ড ব্যবহার করে নগদ অর্থ তোলা হয়েছিল। এই সূত্র ধরেই সন্দেহভাজনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়।

তদন্তে আরও তথ্য পাওয়া যায়, স্যুটকেসে ওই যুবকের আঙুলের ছাপ রয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজেও তাকে স্যুটকেসটি বহন করে পরিত্যক্ত পার্কিং এলাকায় নিয়ে যেতে দেখা গেছে। পরে ৩০ জুলাই এথেন্সের একটি ঠিকানা থেকে তাকে আটক করা হয়। পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে যুবকটি হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, হত্যার পর নিখোঁজ এলিজাবেথের মরদেহ স্যুটকেসে ভরে নির্জন স্থানে ফেলে রাখা হয়। এরপর তার ব্যাংক কার্ড ব্যবহার করে নগদ অর্থ তোলা হয়। অভিযুক্তের বাসায় তল্লাশি চালিয়ে একটি নকল পিস্তল ও একটি ছুরি উদ্ধার করেছে পুলিশ।

লিসা ছিলেন ধর্মপ্রাণ খ্রিষ্টান এবং গত সাত বছর ধরে নিয়মিত গ্রিসে যাতায়াত করতেন। শরণার্থী ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সহায়তায় কাজ করা বিভিন্ন সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবী ছিলেন তিনি। গ্রিসের ‘ওয়ান হার্ট’ নামের একটি সংগঠনের সঙ্গেও তিনি যুক্ত ছিলেন, যারা আফগানিস্তান ও ইরান থেকে আসা শরণার্থীদের চিকিৎসাসহায়তা দিয়ে থাকে।

গত ২৬ জুন তিনি এথেন্সে পৌঁছান এবং কেরাতসিনি এলাকায় বন্ধুদের সঙ্গে অবস্থান করছিলেন। ১৫ জুলাই তিনি পরিচিত কয়েকজন মার্কিন বন্ধুর সঙ্গে দেখা করার পরিকল্পনা করেছিলেন। এর মাত্র ৭২ ঘণ্টা পর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

তদন্তে আরও উঠে এসেছে, মৃত্যুর পরও লিসার মোবাইল ফোন ব্যবহার করে তার পরিবার ও পরিচিতদের কাছে বার্তা পাঠিয়ে তাকে জীবিত দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। তার বাবার কাছে ১৫ থেকে ২৯ জুলাই পর্যন্ত বিভিন্ন বার্তা পাঠানো হয় এবং পরে ফোনটি বন্ধ হয়ে যায়।

সূত্র: ডেইলি মেইল

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বার্কোর সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি করল চেলসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৪৭ এম


বার্কোর সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি করল চেলসি

স্ট্রাসবার্গ থেকে সাত বছরের চুক্তিতে আর্জেন্টাইন লেফটব্যাক ভ্যালেন্টিন বার্কোকে দলে ভিড়িয়েছে চেলসি। ২২ বছর বয়সী এই খেলোয়াড়ের সঙ্গে সাত বছরের চুক্তি করেছে স্ট্যামফোর্ডের ক্লাব। নতুন ম্যানেজার জাবি আলোনসোর অধীনে তিনি চেলসির সপ্তম নতুন সংযোজন।

বার্কোর ক্যারিয়ার শুরু হয় আর্জেন্টিনার বোকা জুনিয়র্সের হয়ে। একাডেমি থেকে উঠে এসে মাত্র ১৬ বছর বয়সেই তাঁর পেশাদার অভিষেক ঘটে। বোকার হয়ে বেশ কয়েকটি শিরোপা জয়ের পর ২০২৪ সালে ব্রাইটনে যোগ দেন।

২০২৪ সালে ব্রাইটন থেকে ধারে প্রথমে স্ট্রাসবার্গে যোগ দেন এবং দলকে কনফারেন্স লিগে যোগ্যতা অর্জনে সহায়তা করার পর এক বছর পর তিনি সেখানে স্থায়ীভাবে চুক্তি স্বাক্ষর করেন। সব মিলিয়ে লিগ ওয়ানের এই দলটির হয়ে তিনি ৫৩টি ম্যাচ খেলেছেন।

মাঠে একাধিক পজিশনে খেলার সামর্থ্যই বার্কোর অন্যতম বড় শক্তি। বাঁ প্রান্তের রক্ষণভাগে যেমন তিনি খেলতে পারেন, তেমনি মাঝমাঠেও দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম। ফলে নতুন কোচ জাবি আলোনসোর পরিকল্পনায় তার বহুমুখী দক্ষতা চেলসিকে বাড়তি সুবিধা দিতে পারে।

ইংলিশ ফুটবলে বার্কোর এটি প্রথম পদার্পণ নয়। তিন মৌসুম আগে ব্রাইটনের হয়ে অল্প সময়ের জন্য প্রিমিয়ার লিগে খেলেছিলেন তিনি। এরপর ২০২৪ সালে ব্রাইটন থেকে ধারে স্ট্রাসবুর্গে যোগ দেন। সেখানে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দেওয়ার পর এক বছর পরে স্থায়ীভাবে ফরাসি ক্লাবটিতে যোগ দেন তিনি।

বার্কো অস্ট্রেলিয়া ও হংকং সফরে শিগগিরই নতুন সতীর্থদের সঙ্গে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। শনিবার তারা ব্রাইটন থেকে অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার ড্যানি ওয়েলবেকের চুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এর আগে ক্রিস্টাল প্যালেসের ম্যাক্সেন্স ল্যাক্রোয়া এবং অ্যাস্টন ভিলার মরগান রজার্সকে দলে নেয়। এছাড়া মার্কো প্যালেস্ট্রা, এমানুয়েল এমেগা এবং জিওভানি কোয়েন্ডাকেও সই করানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেতানিয়াহুর ভাইয়ের স্মরণে উগান্ডায় ভাস্কর্য উন্মোচন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৫২ এম


নেতানিয়াহুর ভাইয়ের স্মরণে উগান্ডায় ভাস্কর্য উন্মোচন

৫০ বছর আগে উগান্ডার এনতেব্বে শহরে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বড় ভাই ইয়োনাতান নেতানিয়াহুকে নিয়ে একটি ভাস্কর্য উন্মোচন করেছে উগান্ডা। এই ভাস্কর্যটি ইয়োনাতান নেতানিয়াহুর সাহস এবং নিঃস্বার্থ সেবার প্রতি সম্মান জানায়, বলেন দেশটির সেনাপ্রধান জেনারেল মূহুজি কাইনেরুগাবা।

ইসরায়েলের তেল আবিব থেকে রওনা দেওয়া এয়ার ফ্রান্সের একটি বিমানকে ছিনতাই করে উগান্ডার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, যেখানে দুই ফিলিস্তিনি ও দুই জার্মান ছিনতাইকারী জড়িত ছিলেন। উদ্ধার অভিযানে ১০০ জনের বেশি জিম্মিকে মুক্ত করা হয়। এই অভিযানে নিহত একমাত্র ইসরায়েলি সেনা ছিলেন ইয়োনাতান নেতানিয়াহু। কাইনেরুগাবা এই অভিযানটিকে 'আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলোর একটি' বলে উল্লেখ করেছেন।

তিনি আরও জানান, এই ঘটনার পর উগান্ডা ও ইসরায়েলের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হয়েছে। এই সম্পর্ককে তিনি 'অসাধারণ এক যাত্রা' বলে বর্ণনা করেন।

 

একটি মেশিনগান হাতে নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার ভঙ্গিতে তৈরি ইয়োনাতান নেতানিয়াহুর ভাস্কর্যটি পুরোনো বিমানবন্দর টার্মিনালের বাইরে স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে উদ্ধার অভিযানটি পরিচালিত হয়েছিল।

এই অভিযানের সময় জিম্মি জ্যঁ-জাক মিমুনি, পাসকো কোহেন এবং ইদা বরোখোভিচও নিহত হন। পরে কাম্পালার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ডোরা ব্লখকে হত্যা করা হয়। সেনাপ্রধান জানান, 'তাদের স্মৃতি যেন শান্তি, ন্যায়বিচার এবং মানুষের মর্যাদার জন্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে।' ছিনতাইকারীদের সঙ্গে যুক্ত আরো তিন সহযোগীও নিহত হয়। সংঘর্ষে অন্তত ৪৫ জন উগান্ডার সেনাও নিহত হন।

নিহত উগান্ডার সেনাদের কথা উল্লেখ করে কাইনেরুগাবা বলেন, তারা 'যে উদ্দেশ্যকে তারা ন্যায্য বলে বিশ্বাস করেছিল, তার জন্য সাহসের সঙ্গে লড়াই করেছিলেন। তবে আজ আমরা জানি, তারা যে ইদি আমিন সরকারের অধীনে কাজ করছিলেন, সেটি ছিল একটি নিষ্ঠুর স্বৈরশাসন।'

১৯৭৬ সালের ২৭ জুন তেল আবিব থেকে প্যারিসের উদ্দেশে রওনা দেওয়া বিমানটি এথেন্সে যাত্রাবিরতি করে, সেখানে পপুলার ফ্রন্ট ফর দ্য লিবারেশন অব প্যালেস্টাইনের সদস্য ছিনতাইকারীরা বিমানে ওঠে। তারা বিমানের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সেটিকে লিবিয়ায় যেতে বাধ্য করে। সেখানে জ্বালানি নেওয়ার পর এয়ারবাস এ-৩০০ উগান্ডায় উড়ে যায়। বিমানটি অবতরণ করলে উগান্ডার তৃতীয় রাষ্ট্রপ্রধান ইদি আমিন সেটিকে স্বাগত জানান।

 

ছিনতাইকারীরা জিম্মিদের মুক্তির জন্য ৫০ লাখ ডলার এবং ইসরায়েল, ফ্রান্স, জার্মানি, সুইজারল্যান্ড ও কেনিয়ার কারাগারে থাকা ৫৩ জন যোদ্ধাকে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানায়। ৩০ জুন ও ১ জুলাই কিছু জিম্মিকে ছেড়ে দেওয়া হয়, তবে ইসরায়েলি এবং ইহুদি জিম্মিদের আটকে রাখা হয়। ৩ জুলাই ইসরায়েলের বিশেষ বাহিনী কেনিয়া হয়ে উড়ে এসে এনতেব্বেতে নেমে অভিযান শুরু করে। পুরো অভিযানটি ৯০ মিনিটেরও কম সময়ে শেষ হয়। এই উদ্ধার অভিযান ইসরায়েলে উদযাপন করা হয়, তবে এটি ইদি আমিনের জন্য বড় ধরনের অপমান ছিল।

যুগান্তকারী ঘটনার এক দশক পরে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এনতেব্বে সফরে এসে বলেছেন, 'আমি আমার ভাইয়ের কাছ থেকে শিখেছি, সন্ত্রাসীদের হারাতে দুটি জিনিস দরকার। একটি হলো পরিষ্কার লক্ষ্য। আরেকটি হলো সাহস।' কাইনেরুগাবা বলেন, অর্ধশতক আগে ঘটে যাওয়া ঘটনা ছিল 'আমাদের ইতিহাসের একটি বেদনাদায়ক অধ্যায়'। তবে তিনি দাবি করেন, উগান্ডা ও ইসরায়েলের সম্পর্ক এখন 'পারস্পরিক বিশ্বাস, সম্মান এবং সহযোগিতার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা একটি অংশীদারত্বে' পরিণত হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%