ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কঠোর শাস্তির মুখোমুখি, লাইসেন্স বাতিলের হতে পারে সম্ভাবনা!


আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কঠোর শাস্তির মুখোমুখি, লাইসেন্স বাতিলের হতে পারে সম্ভাবনা!

ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় এবার আদ্-দ্বীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার। রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত হাসপাতালটির কর্তৃপক্ষকে এরই মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। দায়ী মােদের ৭২ ঘণ্টা (আগামী ৭ জুন বিকেল ৪টা পর্যন্ত) সময় বেঁধে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে উত্তর দেওয়ার জন্য। যদি তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উপযুক্ত জবাব দিতে ব্যর্থ হন, তাহলে হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিল হয়ে যেতে পারে!

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর পরিচালক স্বাক্ষরিত শোকজ লেটারে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে, গত ২৭ মে ৬ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় ‘দ্য মেডিকেল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরিজের’ বিধান লঙ্ঘন করায় কেন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করা হবে না?

পত্র জারি হওয়ার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে হাসপাতালটির মালিক ডা. শেখ মহিউদ্দিনকে এই নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ২ বছরের বেতনবৃদ্ধি স্থগিত, ২৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ১৭টি প্রমাণিত

চিঠিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ২৭ মে আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ৬ নবজাতকের আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনার পর, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের নির্দেশে ১ জুন একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। উক্ত কমিটিকে ৩ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

তদন্তকালে কমিটি হাসপাতালের ডিজি, এডি, শিশু বিভাগের প্রধান, এনআইসিইউতে কর্মরত চিকিৎসক, ঘটনাস্থলে দায়িত্ব পালনরত নার্স, আয়া এবং রোগী ও রোগীর অ্যাটেনডেন্টসহ মৃত নবজাতকদের পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য গ্রহণ করে।

তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, আদ্-দ্বীন হাসপাতাল পরিচালনায় ‘দ্য মেডিকেল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরিজ (রেগুলেশন) অর্ডিন্যান্স, ১৯৮২’ অধ্যাদেশের বিধানগুলো যথাযথভাবে পালন করা হয়নি। উক্ত নিয়মের চরম অবহেলার কারণেই ওই ৬ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে কমিটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে দায়ী সাব্যস্ত করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, আদ্-দ্বীন হাসপাতালটি উক্ত অধ্যাদেশের ৮ ধারা অনুযায়ী নিবন্ধিত। তদন্তে আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ মেলায় ধারা মোতাবেক কেন হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিল করা হবে না, তার যৌক্তিক কারণ আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সশরীরে বা লিখিতভাবে জানানোর জন্য আলটিমেটাম দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: রিজভী: গ্যারান্টি ক্লজের অভাবে তিস্তার পানি পায়নি বাংলাদেশ

উল্লেখ্য, গত ২৭ মে মগবাজারের আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডে এক-দুদিন বয়সী ছয় নবজাতকের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ১ জুন তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি করে দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ৪ জুন তারা রিপোর্ট জমা দেয়। এ বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত তদন্তের সারমর্ম তুলে ধরে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তদন্ত প্রতিবেদনটি গণমাধ্যমের হাতে এসেছে। ওই তদন্তে বেরিয়ে এসেছে, ৯০০ বর্গফুটের যে পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডে নবজাতকদের রাখা হয়েছিল, তা ছিল চারপাশ থেকে সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ এবং সেখানে কোন বিকল্প ভেন্টিলেশন বা আলো-বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা ছিল না। ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত (প্রায় ৫০ জন) মানুষের উপস্থিতিতে রাত ২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত এসি বন্ধ থাকায় কক্ষটিতে অক্সিজেনের মাত্রা মারাত্মকভাবে কমে যায় এবং কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে গিয়ে নবজাতকদের শ্বাস-প্রশ্বাসে বিঘ্ন ঘটে।

এটি সবসময় খুবই ভয়াবহ ছিল, ঘটনার সময় ওয়ার্ডটিতে কোনো চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন না এবং শিশুরা মুমূর্ষু অবস্থায় চলে গেলেও নার্সরা কোনো চিকিৎসককে ডাকেননি। নার্সদের দায়িত্বে চরম অবহেলা, যথাযথ প্রশিক্ষণের অভাব এবং হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের তীব্র দায়িত্বহীনতা ও ত্রুটিপূর্ণ অবকাঠামোর কারণেই এই দুঃখজনক দুর্ঘটনা ঘটেছে।

তদন্ত কমিটি ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা রোধে বেশ কিছু জরুরি সুপারিশ করেছে। প্রথমত, হাসপাতাল পরিচালনায় ব্যবহৃত ভবনের উপযুক্ততা নিশ্চিতকরণ এবং যত্রতত্র কাচের কক্ষ নির্মাণ বন্ধ করে জরুরি ‘ইমার্জেন্সি মেডিকেল রেসপন্স’ ব্যবস্থা সক্রিয় করতে হবে। দ্বিতীয়ত, প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ডে সার্বক্ষণিক চিকিৎসক এবং প্রশিক্ষিত সেবিকা নিশ্চিত করার পাশাপাশি রোগীর স্বজনদের অতিরিক্ত উপস্থিতি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করার সুপারিশ করা হয়েছে। সর্বোপরি, বেসরকারি হাসপাতালের নতুন লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ভবন পরিদর্শন এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের পূর্বানুমতি গ্রহণ বাধ্যতামূলক করার জন্য নীতিগত শর্তারোপের সুপারিশ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ঝালকাঠিতে মা ইলিশ সংরক্ষণে ৭৫ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, 'আমার আইনে যতটুকু কঠোর (হার্ড) হওয়া সম্ভব, আমরা ততটুকুই যাবো। এবার আর কাউকে মাফ করা হবে না।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিল্লির হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এক বাংলাদেশির মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:০৩ এম


দিল্লির হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এক বাংলাদেশির মৃত্যু

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের কারণে একজন বাংলাদেশির মৃত্যু ঘটেছে। এ ঘটনায় মৃতের সংখ্যা এখন ২২ জনে পৌঁছেছে। বাংলাদেশ হাইকমিশন ইতোমধ্যে ওই বাংলাদেশি নাগরিকের পরিচয় নিশ্চিত করেছে।

হাইকমিশন জানায়, নিহত বাংলাদেশির নাম মোহাম্মদ নুরুল আমিন (৪৪)। গত বৃহস্পতিবার (৪ জুন) গভীর রাতে ফেসবুকে নুরুল আমিনের মৃত্যুর তথ্য জানায় হাইকমিশন।

হাইকমিশন জানিয়েছে, নুরুল আমিন ও তার পরিবারের সদস্যরা চিকিৎসার জন্য দক্ষিণ দিল্লির মালভিয়া নগর এলাকার ওই হোটেলে অবস্থান করেছিলেন। তারা কাছের ম্যাক্স হসপিটালে চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন। বাংলাদেশ হাইকমিশন দ্রুত নুরুল আমিনের মরদেহ দেশে পাঠানোর জন্য কাজ করছে।

আগামী বুধবার (৩ জুন) সকালে দক্ষিণ দিল্লির মালভিয়া নগর এলাকার বহুতল ভবনে অবস্থিত ওই হোটেলে ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে নিহত ২২ জনের মধ্যে ১২ জন বিদেশি নাগরিক বলে জানিয়েছেন রয়টার্স।

হাইকমিশন জানায়, এবারের আগুনের ঘটনায় অন্তত আটজন বাংলাদেশি আহত হয়েছেন। চিকিৎসকদের মতে, তাদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আহতদের দিল্লির বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের কূটনীতিকরা আহত ও বেঁচে যাওয়া বাংলাদেশিদের সঙ্গে এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। মিশনের প্রধান ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বাংলাদেশিদের শারীরীক অবস্থা খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তার আশ্বাসও দিচ্ছেন।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় সকাল ৯টার কিছু আগে হোটেলটিতে আগুন লাগে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আটটি ফায়ার সার্ভিস ইউনিট ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছিল। একজন প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে জানা যায়, দুপুরের দিকে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে।

পুলিশের জানিয়েছে, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস এবং অন্যান্য জরুরি সেবাকর্মীদের সমন্বিত অভিযানে ৪০ জনেরও বেশি মানুষকে উদ্ধার করে আশপাশের হাসপাতালে পাঠানো হয়। এদিকে, এ ঘটনায় বুধবার রাতেই ফ্লারিশ স্টে নামে ওই হোটেলের মালিক লভকেশ বাজাজকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারের পর হোটেলের মালিক লভকেশ বাজাজকে বৃহস্পতিবার চার দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। হোটেলটি পরিচালনাকারী হিসাবরক্ষক জয় মিশ্র এবং ম্যানেজার রাকেশকে খুঁজছে পুলিশ। বাজাজের মালিকানাধীন কাছাকাছি আরও দুটি একই ধরনের প্রতিষ্ঠানও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, দুই ডজনেরও বেশি কক্ষ থাকা সত্ত্বেও হোটেলটির লাইসেন্স ছিল মাত্র ছয়টি কক্ষ পরিচালনার জন্য। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটি অগ্নিনিরাপত্তার বেশ কয়েকটি নিয়ম লঙ্ঘন করেছিল।

প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা যাচ্ছে যে, ভবনের বেজমেন্টে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। এরপর দ্রুত আগুন পুরো ভবনে ছড়িয়ে পড়ে। তদন্তকারীরা অগ্নিনিরাপত্তা বিধিমালা লঙ্ঘনের একাধিক অভিযোগ খতিয়ে দেখছেন। এর মধ্যে রয়েছে ফায়ার সার্ভিসের অনাপত্তিপত্র (ফায়ার এনওসি) না থাকা, ভবনে প্রবেশ ও বের হওয়ার জন্য মাত্র একটি পথ থাকা, জানালাগুলো সিল করে রাখা এবং অনুমোদিত ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি লোককে সেখানে অবস্থান করানো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আইএইএ’র চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ, ইউরেনিয়াম মজুত নিয়ে উদ্বেগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:০৫ এম


ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আইএইএ’র চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ, ইউরেনিয়াম মজুত নিয়ে উদ্বেগ

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক হামলার প্রায় তিন মাস পরে, জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) সদস্য রাষ্ট্রগুলোর কাছে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে প্রথম প্রতিবেদনটি পাঠিয়েছে।

প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানিয়েছে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পর্কে তাদের মূল্যায়নে উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। একই সময়ে, এ প্রতিবেদনে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত নিয়ে পূর্বের উদ্বেগও রয়ে গেছে, আইএইএ জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর কাছে প্রতিবেদনটি পাঠানোর সময়, সংস্থাটি তেহরানকে আবারও তাদের পরমাণু কর্মসূচি ও সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত সম্পর্কে ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করে। এর অর্থ হলো, ইরানের কাছে যেসব সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের বিপুল পরিমাণ মজুত রয়েছে, তা সাম্প্রতিক যুদ্ধেও বড় কোনো ক্ষতির মধ্যে পড়েনি বলেই মনে হচ্ছে। প্রায় এক বছর আগে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের প্রধান পারমাণবিক স্থাপনাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, কিন্তু এরপর থেকে ওই ইউরেনিয়াম মজুত সম্পর্কে নতুন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ইরানও এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো বার্তা জানায়নি।

ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নতুন বিমান হামলা শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এটি আইএইএর প্রথম প্রতিবেদন। ওই হামলার অন্যতম ঘোষিত লক্ষ্য ছিল ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা অর্জন থেকে বিরত রাখা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু একাধিকবার বলেছেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস করাই সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য ছিল।

ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনারও একটি বড় অচলাবস্থার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। চলমান আলোচনায়, ট্রাম্প প্রশাসন তেহরানকে এই মজুত ত্যাগের জন্য আহ্বান জানিয়ে আসছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে একটি প্রাথমিক চুক্তির দিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যেখানে পারমাণবিক বিষয়গুলো পরবর্তী আলোচনার জন্য ফেলে দেওয়া হতে পারে।

আগামী সপ্তাহে আইআইএর ৩৫ সদস্যবিশিষ্ট বোর্ড অব গভর্নরসের ত্রৈমাসিক বৈঠকের আগে প্রকাশিত দুটি গোপন প্রতিবেদনের একটি ছিল এটি। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের হাতে আসা নথিগুলোতে ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে আগের প্রতিবেদনের তুলনায় খুব সামান্য পরিবর্তন দেখা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইএইএর মহাপরিচালক ইরানকে জোর দিয়ে জানিয়েছেন যে, পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (এনপিটি) অনুযায়ী নিরাপত্তা তদারকি চুক্তি কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা জরুরি এবং কোনো পরিস্থিতিতে ইরান একতরফাভাবে এর বাস্তবায়ন স্থগিত রাখতে পারে না।

আইএইএ এখনও গত বছরের জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে পুনরায় প্রবেশ করতে সক্ষম হয়নি। একই সাথে, ইরান সংস্থাটিকে জানায়নি তাদের স্বল্প ও উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের বর্তমান মজুত কোথায় এবং কী অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামও, যা প্রায় ৯০ শতাংশ বিশুদ্ধতার অস্ত্র-উপযোগী ইউরেনিয়ামে পরিণত হওয়ার খুব কাছাকাছি।

আইএইএ সতর্ক করে বলেছে, প্রায় এক বছর ধরে ঘোষিত ইউরেনিয়াম মজুত যাচাই করতে না পারা অস্ত্র বিস্তারের উদ্বেগ তৈরি করছে এবং এটি এনপিটি নিরাপত্তা চুক্তি পালনের ক্ষেত্রেও উদ্বেগজনক। সংস্থাটির মতে, এত দীর্ঘ সময় নজরদারির বাইরে থাকলে পারমাণবিক উপাদানের অবস্থান সম্পর্কে ধারাবাহিক তথ্য বা ‘জ্ঞানগত ধারাবাহিকতা’ হারিয়ে যায়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইরানের ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলোতে পূর্বে ঘোষিত সব পারমাণবিক উপাদান সম্পর্কে ধারাবাহিক তথ্য পুনরুদ্ধার করা অত্যন্ত জরুরি।

সূত্র : রয়টার্স।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইস-রা-য়েলে অস্ত্র পাঠানো বন্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্রে জনমত শক্তিশালী হচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:১৩ এম


ইস-রা-য়েলে অস্ত্র পাঠানো বন্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্রে জনমত শক্তিশালী হচ্ছে

ইসরায়েলে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র সরবরাহ সীমিত করার লক্ষ্যে প্রস্তাবিত ‘ব্লক দ্য বোম্বস অ্যাক্ট’-এর প্রতি সমর্থন উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এক বছর আগে যখন ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসওম্যান ডেলিয়া রামিরেজ বিলটি উত্থাপন করেন, তখন তখন তার সহ-উদ্যোক্তা ছিলেন মাত্র ২১ জন ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা। বর্তমানে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৩ জনে।

ফিলিস্তিনি অধিকারকর্মীরা এই অগ্রগতিকে ‘ঐতিহাসিক’ হিসেবে উল্লেখ করছেন। তাদের মতে, কয়েক বছর আগে এমন একটি প্রস্তাব মূলধারার রাজনীতিতে গ্রহণযোগ্য মাসে ভাবা কঠিন ছিল।

বৃহস্পতিবার ক্যাপিটল হিলে এক সংবাদ সম্মেলনে ডেলিয়া রামিরেজ বলেন, “অনেকেই ভেবেছিলেন এই বিলটি খুবই চরমপন্থী উদ্যোগ। কিন্তু বাস্তবে এটি এখন অনেক বেশি মূলধারার সমর্থন লাভ করেছে।”

যদিও ৪৩৫ সদস্যের প্রতিনিধি পরিষদে ৭৩ জনের সমর্থন সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য যথেষ্ট নয়, তবুও এটি দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েলের প্রতি বিদ্যমান প্রায় সর্বসম্মত দ্বিদলীয় সমর্থনের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করছে।

জনমতের পরিবর্তনের প্রতিফলন মেলানোও একটি মূল বিষয় হয়ে উঠেছে। মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট ফর মিডল ইস্ট আন্ডারস্ট্যান্ডিংয়ের নির্বাহী পরিচালক মার্গারেট ডিরিউস বলেন, কংগ্রেসে এ ধরনের উদ্যোগের অগ্রগতি গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে কংগ্রেস সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সাহসের ঘাটতিতে ভুগেছে। সেই প্রেক্ষাপটে এটি একটি বড় অগ্রগতি। তবে সামনে এখনও অনেক দীর্ঘ পথ বাকি রয়েছে।”

সাম্প্রতিক বিভিন্ন জনমত জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েলের প্রতি সমর্থন দ্রুত কমছে। ইনস্টিটিউট ফর গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স পরিচালিত একটি জরিপে দেখা গেছে, মাত্র ১৬ শতাংশ উত্তরদাতা মত দিয়েছেন যে, নতুন কোনও শর্ত ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ইসরায়েলকে অস্ত্র সরবরাহ অব্যাহত রাখা উচিত।

সংবাদ সম্মেলনে রামিরেজ প্রতিনিধি পরিষদে বিলটি ভোটাভুটির জন্য উত্থাপনের আহ্বান জানান। তিনি অভিযোগ করেন, প্রতিনিধি পরিষদের রিপাবলিকান নেতৃত্ব এখন পর্যন্ত বিলটির অগ্রগতি আটকে রেখেছে।

একই সঙ্গে তিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচনা করে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত সম্প্রসারণের মাধ্যমে তারা নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান শক্তিশালী করার চেষ্টা করছেন।

এদিকে ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত মার্কিন কংগ্রেসওম্যান রাশিদা তালিব বলেন, ইসরায়েলকে যুক্তরাষ্ট্রের নিঃশর্ত সমর্থন নিয়ে প্রশ্ন তোলা এখন আর রাজনৈতিকভাবে নিষিদ্ধ কোনও বিষয় নয়। তিনি বলেন, “আমেরিকান জনগণ চায় অর্থ দেশের ভেতরে বিনিয়োগ হোক। তারা মৃত্যু, ধ্বংস আর বোমার পেছনে অর্থ ব্যয় দেখতে চায় না। তারা চায় বিশুদ্ধ পানি, আবাসন, শিশু পরিচর্যা ও স্বাস্থ্যসেবায় বিনিয়োগ করা হোক।”

তালিব আরও বলেন, “অনেক মানুষ চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার সামর্থ্য হারাচ্ছে, অথচ আমরা মুহূর্তের মধ্যে অর্থ খুঁজে পাই ইসরায়েলকে বেসামরিক জনগণের ওপর বোমা হামলা চালাতে সহায়তা করার জন্য।”

বিলটিতে কী রয়েছে তা নিয়ে আলোচনা করা হলে জানা গেছে, ‘ব্লক দ্য বোম্বস অ্যাক্ট’-এ ইসরায়েলের কাছে নির্দিষ্ট ধরনের ভারী বোমা ও গোলন্দাজ অস্ত্রের গোলাবারুদ সরবরাহ নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সমর্থকদের দাবি, গাজায় সংঘটিত সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলাগুলোর অনেকগুলোতেই এসব অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।

বিলটির প্রাথমিক সমর্থকরা মূলত প্রগতিশীল ও ইসরায়েল নীতির সমালোচক আইনপ্রণেতারা ছিলেন। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নতুন নতুন সমর্থক যুক্ত হচ্ছেন।

২০২৫ সালে ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসওম্যান ভ্যালেরি ফুশি বিলটির সহ-উদ্যোক্তা হন। তিনি বলেন, “গাজায় বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার আন্তর্জাতিক আইন মেনে অস্ত্র ব্যবহার না হলে আমরা ইসরায়েল সরকারকে অস্ত্র সরবরাহ অব্যাহত রাখতে পারি না।”

অন্যদিকে টেক্সাসের ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসম্যান ক্রিশ্চিয়ান মেনেফি সম্প্রতি বিলটির সহ-উদ্যোক্তা হয়েছেন। রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান থমাস ম্যাসিও এ সপ্তাহে বিলটির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন, ফলে এটি সীমিত পরিসরে হলেও দ্বিদলীয় সমর্থন পেয়েছে।

ম্যাসি বলেন, “ইসরায়েল মার্কিন সরবরাহকৃত অস্ত্র ব্যবহার করে হাজার হাজার নিরীহ বেসামরিক মানুষকে হত্যা করেছে। গাজা ও এর জনগণের ধ্বংসযজ্ঞে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন বন্ধ করা নৈতিক দায়িত্ব।”

কংগ্রেসে ধীরে ধীরে পরিবর্তন হচ্ছে। প্রভাবশালী কংগ্রেশনাল প্রগ্রেসিভ ককাসও বিলটির প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। সংগঠনটির চেয়ারম্যান গ্রেগ ক্যাসার বলেন, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, বিক্ষোভ এবং আইনপ্রণেতাদের ওপর নাগরিক চাপই এই পরিবর্তনের প্রধান কারণ। তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র এমন কোনও বোমা সরবরাহ করতে পারে না, যা মানবিক বিপর্যয় আরও গভীর করবে।”

কংগ্রেসওম্যান লাতিফাহ সাইমন বলেন, “এটি কোনও দলীয় বিষয় হওয়া উচিত নয়। একজন আমেরিকান হিসেবে আমাদের স্পষ্টভাবে বলতে হবে- ক্ষুধার্ত মানুষের খাদ্য ও মানবিক সহায়তা বোমার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।”

তিনি যোগ করেন, “শিশু, নারী ও বয়স্ক মানুষ যখন অনাহারে দিন কাটাচ্ছে, তখন সেই মানবিক সংকটের অর্থায়নে আমাদের ভূমিকা থাকা উচিত নয়। তাই আমি বলছি-বোমা পাঠানো বন্ধ করুন।”

ইসরায়েল নীতিতে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ‘ব্লক দ্য বোম্বস অ্যাক্ট’-এর এক বছর পূর্তির সময় যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে ইসরায়েল সম্পর্কিত আরও কিছু উদ্যোগও গতি পাচ্ছে। বুধবার প্রতিনিধি পরিষদে এমন একটি প্রস্তাব পাস হয়েছে, যার মাধ্যমে কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা চালানোর ক্ষমতা সীমিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। এছাড়া গত এপ্রিলে সিনেটের ১০০ সদস্যের মধ্যে ৪০ জন- যাদের বেশিরভাগই ডেমোক্র্যাট- ইসরায়েলের কাছে সামরিক বুলডোজার সরবরাহ বন্ধের পক্ষে ভোট দেন।

ফিলিস্তিনপন্থী সংগঠন জিউইশ ভয়েস ফর পিস (জেভিপি) অ্যাকশনের রাজনৈতিক পরিচালক বেথ মিলার বলেন, বিলটির প্রতি সমর্থন বাড়লেও তা এখনও যথেষ্ট নয়। তার ভাষায়, “এটি থেকে প্রতীয়মান হয় যে আমাদের সামনে কতটা পথ বাকি। কংগ্রেসের অধিকাংশ সদস্য এখনও এমন একটি দেশের কাছে বোমা পাঠানোর পক্ষে, যার বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ রয়েছে। তাই আমরা কথা বলা বন্ধ করবো না। এখন সময় এসেছে পুরো কংগ্রেসের পদক্ষেপ নেওয়ার। এখন সময় বোমা পাঠানো বন্ধ করার।” সূত্র: আল-জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইংল্যান্ড অলআউট ১৪০ রানে, নিউজিল্যান্ডও চাপে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:১৯ এম


ইংল্যান্ড অলআউট ১৪০ রানে, নিউজিল্যান্ডও চাপে

লর্ডস টেস্টের প্রথম দিন পুরোপুরি পেসারদের দখলে ছিল। একদিকে কাইল জেমিসনের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ইংল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনআপ ভেঙে পড়ে। অন্যদিকে, অলি রবিনসনের আগুনঝরা স্পেলে নিউজিল্যান্ডও চাপে পড়ে যায়।

দুই বছরের বেশি সময় পর টেস্টে ফিরে জেমিসন নিজেকে জোরালোভাবে উপস্থিতি জানান দেন। তার ৫ উইকেটের স্পেলে মাত্র ১৪০ রানে ইংল্যান্ড অলআউট হয়ে যায়। এটি নিজেদের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ডের সর্বনিম্ন স্কোর।

শুরু থেকেই সুইং ও সিম মুভমেন্ট কাজে লাগিয়ে ইংলিশ ব্যাটারদের ভোগান সফরকারী বোলাররা। ওপেনার থেকে শুরু করে অধিনায়ক বেন স্টোকস—কেউই বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। একমাত্র হ্যারি ব্রুক কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে ৫৬ রান করেন। এছাড়া, জেমিসনের পাশাপাশি ন্যাথান স্মিথ ৩ উইকেট এবং উইল ও’রোর্ক ২টি উইকেট শিকার করেন।

কিন্তু ইংল্যান্ডের হতাশা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ছোট সংগ্রহ নিয়েও তারা বল হাতে দারুণ প্রত্যাবর্তন করে। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভের শুরুতেই অলি রবিনসন পরপর তিন ব্যাটারকে ফিরিয়ে নিউজিল্যান্ডকে চরম চাপে ফেলে দেন। সংবাদটি জানায়, মাত্র ২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে সফরকারীরা ধুঁকতে থাকে।

এরপরও বিপদ কাটেনি। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে নিউজিল্যান্ড ২৯ রানে ৬ উইকেট হারায়। এমন অবস্থায় দলের হাল ধরেন গ্লেন ফিলিপস। দিনের শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে তিনি ৩১ রান করেন। তার সঙ্গে ন্যাথান স্মিথ ৬ রানে অপরাজিত ছিলেন।

প্রথম দিনের খেলা শেষে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ৬১ রান। এখনও তারা ইংল্যান্ডের চেয়ে ৭৯ রানে পিছিয়ে রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%