প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
লর্ডস টেস্টের প্রথম দিন পুরোপুরি পেসারদের দখলে ছিল। একদিকে কাইল জেমিসনের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ইংল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনআপ ভেঙে পড়ে। অন্যদিকে, অলি রবিনসনের আগুনঝরা স্পেলে নিউজিল্যান্ডও চাপে পড়ে যায়।
দুই বছরের বেশি সময় পর টেস্টে ফিরে জেমিসন নিজেকে জোরালোভাবে উপস্থিতি জানান দেন। তার ৫ উইকেটের স্পেলে মাত্র ১৪০ রানে ইংল্যান্ড অলআউট হয়ে যায়। এটি নিজেদের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ডের সর্বনিম্ন স্কোর।
শুরু থেকেই সুইং ও সিম মুভমেন্ট কাজে লাগিয়ে ইংলিশ ব্যাটারদের ভোগান সফরকারী বোলাররা। ওপেনার থেকে শুরু করে অধিনায়ক বেন স্টোকস—কেউই বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। একমাত্র হ্যারি ব্রুক কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে ৫৬ রান করেন। এছাড়া, জেমিসনের পাশাপাশি ন্যাথান স্মিথ ৩ উইকেট এবং উইল ও’রোর্ক ২টি উইকেট শিকার করেন।
কিন্তু ইংল্যান্ডের হতাশা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ছোট সংগ্রহ নিয়েও তারা বল হাতে দারুণ প্রত্যাবর্তন করে। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভের শুরুতেই অলি রবিনসন পরপর তিন ব্যাটারকে ফিরিয়ে নিউজিল্যান্ডকে চরম চাপে ফেলে দেন। সংবাদটি জানায়, মাত্র ২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে সফরকারীরা ধুঁকতে থাকে।
এরপরও বিপদ কাটেনি। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে নিউজিল্যান্ড ২৯ রানে ৬ উইকেট হারায়। এমন অবস্থায় দলের হাল ধরেন গ্লেন ফিলিপস। দিনের শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে তিনি ৩১ রান করেন। তার সঙ্গে ন্যাথান স্মিথ ৬ রানে অপরাজিত ছিলেন।
প্রথম দিনের খেলা শেষে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ৬১ রান। এখনও তারা ইংল্যান্ডের চেয়ে ৭৯ রানে পিছিয়ে রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন